সিপিআই(মাওবাদী) ‘পদ্মাবতী’ সিনেমাকে সমর্থন করেছে

1387

সিপিআই(মাওবাদী) পার্টি বলছে, ‘পদ্মাবতী’ সিনেমার সিনেমাটোগ্রাফি ব্লক করার মানে প্রকাশের স্বাধীনতায় বাধা এবং জনগণের মতামত প্রকাশ করার সব প্রচেষ্টা রোধ করার একটি উপায়।

রাজপুত রাণী ‘পদ্মাবতী’র জীবন নিয়ে নির্মিত এই সিনেমাকে কেন্দ্র করে ছত্তিশগড়ের বাস্তার ও দান্তেওয়াদা জেলায় লিফলেট ও পোস্টার লাগিয়েছে মাওবাদীরা, এতে পদ্মাবতী চলচ্চিত্রের অবিলম্বে মুক্তি দাবি করা হয়।

 মাওবাদী পার্টি দাবি করেছে যে, সরকার অবিলম্বে কোন ধরণের বাধা ছাড়াই ‘পদ্মাবতী’ সিনেমা মুক্তির বিষয়ে সহযোগিতা করবে। দান্তেওয়াদা নকশাল অপারেশনস এএসপি অভিষেক পল্লা মিডিয়াকে জানায়, ‘এই পোস্টারগুলি মাওবাদীদের, সেই হিসেবে রিপোর্ট করা হয়েছে’।

কিছুদিন ধরে রাজপুত সম্প্রদায় এবং তার সাম্প্রদায়িক বাহিনী ‘পদ্মাবতী’ সিনেমা’র বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে আসছে এবং ছবিটিতে নর্তকী’র ভুমিকায় দীপিকা পাড়ুকোন ও ছবির পরিচালক সঞ্জয় লীলা বানসালীকেও খুন করতে চেয়েছে। বিজেপি তাদের এই কর্মকাণ্ডের প্রতি সমর্থন জানিয়ে আসছে।

ভারতবর্ষে সাম্প্রদায়িক অভিব্যক্তি এবং খাদ্যাভ্যাসের উপর সাম্প্রদায়িক হামলার অংশ হিসাবে ‘পদ্মাবতী’ সিনেমা নিয়ে বিতর্কের পর মাওবাদী পার্টি এই ঘোষণাটি দিয়েছে।

সূত্রঃ http://avaninews.com/article.php?page=1387

Advertisements

মাওবাদী নেতা কমরেড ‘ননী গোপাল দত্ত ওরফে মোস্তাক’ স্মরণে

25115038_721327888050360_461148792_n

 


মাওবাদী আতঙ্কে ছত্তিসগড়ে সহকর্মীর গুলিতে নিহত ৪ সিআরপিএফ জওয়ান, আহত ১

CRPF.jpg-696x436

ছত্তিসগড়ের মাওবাদী অধ্যুষিত বিজাপুর জেলায় নিজের একে ফর্টি সেভেন অ্যাসল্ট রাইফেল থেকে গুলি চালিয়ে ৩ জন সিনিয়র সহকর্মী ও ১ জন কনস্টেবলকে হত্যা করল এক সিআরপিএফ জওয়ান। গুলিবিদ্ধ হয়েছে আরও একজন। ঘাতক জওয়ানের নাম সনত কুমার(৩৫), সে উত্তরপ্রদেশের ফিরোজাবাদের বাসিন্দা। শনিবার বিকেল পাঁচটা নাগাদ বিজাপুরে সিআরপিএফ-এর গোয়েন্দা শাখার বাসগুডা শিবিরে ঘটনাটি ঘটে।

আহত জওয়ানকে চিকিৎসার জন্য রায়পুরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। হত জওয়ানদের ২ জন সাব ইন্সপেক্টর ও ১জন অ্যাসিস্ট্যান্ট সাব ইনস্পেক্টর পদে কর্মরত ছিলেন।

ঠিক কী কারণে ওই জওয়ান তাঁর সহকর্মীদের হত্যা করলেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে একটি সূত্রের খবর, মাওবাদী আতঙ্কের মধ্যে কাজ করেও দীর্ঘদিন ছুটি না পাওয়ার অবসাদ থেকেই ওই কাণ্ড ঘটিয়েছেন সনত কুমার। যদিও এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে চাননি বস্তারের পুলিশ প্রধান সুন্দর রাজ পি। তিনি বলেন, “যদি ওই জওয়ানের কোনো ক্ষোভ থেকে থাকে, তাহলে সেটা তদন্তের পরই জানা যাবে। আমরা এখনও তদন্তের খুবই প্রাথমিক স্তরে রয়েছি”।

২০১৪ সাল থেকে এ পর্যন্ত সিআরপিএফ-এ মোট ২৫টি সহকর্মী হত্যার ঘটনা ঘটল।

সূত্রঃ http://www.khaboronline.com/news/national/4-crpf-jawans-killed-1-injured-after-their-colleague-opens-fire/