কেরল, মধ্যপ্রদেশ, কর্ণাটক ও তামিলনাড়ুর নতুন ৮টি জেলাতে মাওবাদীদের প্রভাব বেড়েছে

Maoist_Annihilation line

কেরলের তিনটি এবং মধ্যপ্রদেশের নতুন একটি সহ মোট আটটি জেলা মাওবাদী প্রভাবিত এলাকার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। এই তালিকায় সবচেয়ে লক্ষণীয় হল কেরল। মন্ত্রক সূত্রে জানা গেছে কর্ণাটক ও তামিলনাড়ুর সংযোগস্থলে কেরলের ওই জেলাগুলিতে ইদানীং মাওবাদীদের প্রভাব বেড়েছে। চলতি মাসের গোড়ায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক মাওবাদী প্রভাবিত জেলার নতুন এই তালিকা তৈরি করেছে।

তবে মাওবাদী প্রভাবিত এলাকার তালিকা থেকে বাদ গেল ভারতের পশ্চিমবঙ্গের জঙ্গলমহলের চার জেলা। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের নকশাল ডিভিশন মাওবাদী প্রভাবিত এলাকাগুলি নিয়ে বিশেষ সমীক্ষা চালিয়ে নতুন যে তালিকা তৈরি করেছে, তা থেকে বাদ গিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সহ গোটা দেশের মোট দশটি রাজ্যের চুয়াল্লিশ টি জেলা।
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছে, মাওবাদী প্রভাবিত এলাকার তালিকা থেকে যেমন বাদ দেওয়া হয়েছে ওই জেলাগুলি। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক রাজ্যের যে চারটি জেলাকে মাওবাদী প্রভাবমুক্ত বলে জানিয়েছে, সেগুলি হল পশ্চিম মেদিনীপুর (নতুন গঠিত জেলা ঝাড়গ্রাম সহ), বাঁকুড়া, পুরুলিয়া ও বীরভূম।

সূত্রঃ https://www.voabangla.com/a/india-wb-mao-pgr-17apr18/4352254.html


কথিত বন্দুকযুদ্ধে পূর্ব বাংলার সর্বহারা পার্টি(মাওবাদী বলশেভিক পুনর্গঠন আন্দোলন) এর সদস্য নিহত

Rajbari-pic-2

বাংলাদেশের গণমাধ্যম banglatribune.com জানাচ্ছে, রাজবাড়ী জেলা সদরের জৌকুড়া বালু ঘাট এলাকায় গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে ছাইদুল ওরফে আমির সরদার (৩২) নামে পূর্ব বাংলার সর্বহারা পার্টি(মাওবাদী বলশেভিক পুনর্গঠন আন্দোলন – MBRM) এর এক সদস্য নিহত হয়েছে। সোমবার (১৭ এপ্রিল)  দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থল থেকে একটি বিদেশি এসএলআর, ৩২ রাউন্ড গুলি, একটি দোনালা বন্দুক, ২৩টি কার্তুজ, ১টি ধারালো ছোরা, ৬টি কার্তুজের খোসা উদ্ধার করা হয়েছে। রাজবাড়ী জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) আসমা সিদ্দিকা মিলি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশ বলছে, নিহত ছাইদুল পাবনা জেলার আটঘরিয়া থানার চাচকিয়া গ্রামের তাহামুদ্দিন তনু সরদারের ছেলে। সে নিষিদ্ধ ঘোষিত পূর্ব বাংলার সর্বহারা পার্টি(মাওবাদী বলশেভিক পুনর্গঠন আন্দোলন – MBRM) এর আঞ্চলিক কমান্ডার ছিল।

পুলিশ সুপার আসমা সিদ্দিকা মিলি জানান,গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জৌকুড়া এলাকায় ডিবি পুলিশ অভিযান চালায়। চরমপন্থী সর্বহারা সদস্যরা পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পুলিশের দিকে গুলি চালায়।  পুলিশও তাদের নিজেদের জানমাল রক্ষার্থে পাল্টা গুলি ছোড়ে। দু’পক্ষের গোলাগুলির এক পর্যায়ে চরমপন্থী সর্বহারার সদস্যরা পিছু হটে চরের বিভিন্ন দিকে রাতের অন্ধকারে পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থল থেকে গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত অবস্থায় ছাইদুলকে উদ্ধার করে দ্রুত রাজবাড়ী সদর হাসপাতোলের জরুরী বিভাগে আনা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে রাত পৌনে ৪টায় মৃত বলে ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপারসহ ৩ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।

তিনি আরও জানান, নিহত চরমপন্থী  ছাইদুল পাবনা জেলায় ২টি হত্যা, ২টি অস্ত্র, ১টি অপহরণ মামলাসহ মোট ৭টি মামলার গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত পলাতক আসামি ছিলো।