পুঁজিবাদী সঙ্কটের আর এক নাম বিশ্ব(বাণিজ্য)যুদ্ধ

p8-eichengreen-a-20180412-870x593

বিশ্বের এক নম্বর অর্থনীতি সাম্রাজ্যবাদী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা পুঁজিবাদী চীনের মধ্যে বাণিজ্য নিয়ে যুদ্ধ ক্রমাগত মীমাংসার অতীত পর্যায়ের দিকে এগিয়ে চলেছে। এই বাণিজ্য যুদ্ধ শুধু সাম্রাজ্যবাদী মার্কিন য্ক্তুরাষ্ট্র আর চীনের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকছে এমন নয়, এই যুদ্ধ প্রধান প্রধান অর্থনেতিক শক্তি ছাড়াও কানাডা, মেক্সিকো, ভারত প্রভৃতি দেশের সাথেও বিস্তৃত হচ্ছে। এছাড়াও রাজনৈতিক কারণে রাশিয়া, উত্তর কোরিয়া, ইরানসহ কয়েকটি দেশে যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্যিক অবরোধ সৃষ্টি করে রেখেছে। এ সকল ঘটনা ২০০৮ সালের পূর্ব হতে সূচিত বিশ্ব অর্থনীতিতে চলমান মন্দা এই সঙ্কটকে আরও ঘনীভূত হয়ে জটিল ও বিপর্যয়কর পরিস্থিতির দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

সম্প্রতি শুরু হওয়া এই বাণিজ্য যুদ্ধ নতুন ও হঠাৎ করেই শুরু হয়েছে এমন নয়, পুঁজিবাদের অসম বিকাশের বৈশিষ্ট্যই পুঁজিবাদী সাম্রাজবাদী দেশগুলোর মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হওয়া অনিবার্য। “বিশ্বপুঁজিবাদের উৎপাদন ও বাণিজ্য বৃদ্ধির সবচেয়ে বিশিষ্ট লক্ষণ হলো এই যে, সেই বিকাশ এগিয়ে চলে অসমভাবে। বিকাশটা এইভাবে হয় না যে, পুঁজিবাদী দেশগুলো কেউ কাউকে বাঁধা না দিয়ে, একে অপরকে টলিয়ে না দিয়ে স্বচ্ছন্দ ও সুষমভাবে একের পর এক সামনে এগিয়ে যাচ্ছে, বরং তা এমনভাবেই হচ্ছে যে কয়েকটি দেশ হটে যাচ্ছে, পিছিয়ে পড়ছে, নীচে নামছে, অপরদিকে অন্যরা ধাক্কা মেরে সামনে এগোচ্ছে ও ওপরে উঠছে, এটা এগিয়ে চলেছে বাজারের আধিপত্যের জন্য ও মহাদেশগুলোর লড়াইয়ের ভেতর এক প্রাণান্তকর রূপ ধরে।” (কমঃ স্তালিন) অর্থাৎ উৎপাদন ক্ষমতার বৃদ্ধি এবং বাজারের আপেক্ষিক স্থিতিশীলতার মধ্যকার দ্বন্দ্বই হল এই ঘটনার মূলে, যে বাজারের সমস্যাটাই হল পুঁজিবাদের আজ মৌলিক সমস্যা। সাধারণভাবে বাজারের সমস্যার তীব্রতা বৃদ্ধি, বিশেষ করে বৈদেশিক বাজারের সমস্যার তীব্রতা বৃদ্ধি এবং নির্দিষ্টভাবে পুঁজি রপ্তানির জন্য বাজারের সমস্যার তীব্রতা বৃদ্ধি- এই হল সাম্রাজ্যবাদ-পুঁজিবাদের বৈশিষ্ট্যজনিত সমস্যা।

এই ধরনের একটা পরিস্থিতিতে শুল্কপ্রাচীর গড়ে তোলা মানেই হল আগুনে ঘৃতাহুতি দেয়ার নামান্তর। যার লক্ষণসমূহ প্রকাশ করে চলেছে প্রতিনিয়ত নানারূপে।

১৯৯৫ সালে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের নেতৃত্বে সাম্রাজ্যবাদীরা সোৎসাহে গড়ে তুলেছিল WTO বা বিশ্ববাণিজ্য সংস্থা- যাকে বলা হয়েছিল ‘মুক্তবাজার অর্থনীতি’। মার্কিন সাম্রাজ্যাবাদের লক্ষ্য ছিল একক বৃহৎ শক্তি হিসেবে এই মুক্তবাজার অর্থনীতির আড়ালে গোটা বিশ্ববাজারের ওপর একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণ ও কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করা। কারণ, ১৯৯০ সালে অপর পরাশক্তি সেই সময়ের সামাজিক সাম্রাজ্যবাদী রাশিয়ার (সোভিয়েত ইউনিয়ন) পতন ঘটে যায়। রাশিয়ার পতনে স্বাভাবিকভাবে একক পরাশক্তি হিসেবে আবির্ভুত হয় মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ। এতদসত্ত্বেও নতুন করে বিশ্ববাণিজ্য সংস্থা গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তা দেখা দিল কেন?

পুঁজিবাদী-সাম্রাজ্যবাদী সঙ্কটের কারণে সংঘটিত হয় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ। এই যুদ্ধে বৃহৎ উপনিবেশিক শক্তি ব্রিটেনসহ ইউরোপীয় সাম্রাজ্যবাদী দেশসমূহ বিধ্বস্ত ও বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। ঔপনিবেশিক শক্তির একচ্ছত্র অধিপতি ব্রিটিশ ও ইউরোপীয় সাম্রাজ্যবাদীদের স্থলে ঔপনিবেশিক শক্তির নতুন নেতৃত্ব হিসেবে আবির্ভুত হয় মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ। অন্যদিকে হিটলারের নেতৃত্বে ফ্যাসিবাদ পরাস্ত হয় সোভিয়েত সমাজতান্ত্রিক দেশের শ্রমিকশ্রেণির হাতে। বিশ্বশান্তির পক্ষে সাম্রাজ্যবাদী যুদ্ধের বিরুদ্ধে বিশ্ব শ্রমিকশ্রেণির শ্রেষ্ঠত্ব ও শৌর্যবীর্য প্রমাণিত হয়। এর প্রভাব পড়ে বিশ্বের শ্রমিকশ্রেণি, নিপীড়িত জাতি ও জনগণের ওপরে। সারা বিশ্বে জাগরণ ঘটে সমাজতান্ত্রিক ও জাতীয় মুক্তি সংগ্রামের। বিশ্ব জনগণের মুক্তি সংগ্রামের কেন্দ্র হয়ে দাঁড়ায় সমাজতান্ত্রিক সোভিয়েত ইউনিয়ন।

যুক্তরাষ্ট্র নেতৃত্ব প্রদানের লক্ষ্য নিয়ে সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবের হাত থেকে ইউরোপকে রক্ষা ও বিশ্ব বাণিজ্য পরিচালনার জন্য ১৯৪৭ সালে General Agreement of Trade and Tariffs (GATT) গঠন করে। এ সময়ে ব্রিটেন উডস সম্মেলনে গড়ে তোলা হয় বিশ্বব্যাংক, আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিল(IMF) সহ প্রস্থা। মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ এ সকল সংস্থার ওপর কার্যত একচ্ছত্র কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করে বিশ্বসাম্রাজ্যবাদী ব্যবস্থার নেতা হিসেবে সামনে আসে।

১৯৫৬ সালে ক্রুশ্চেভের নেতৃত্বে প্রতিবিপ্লবী সংশোধনবাদী শক্তি সোভিয়েত ইউনিয়নের ক্ষমতা দখল করে সমাজতন্ত্রের নামে পুঁজিবাদ পুনঃপ্রতিষ্ঠার কার্যক্রম চালিয়ে যেতে থাকে। এরই পরিণতিতে সোভিয়েত সামাজিক সাম্রাজ্যবাদের আত্মপ্রকাশ ঘটে- যা মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের বিপরীতে আর এক পরাশক্তি হিসেবে আবির্ভুত হয়।

এরপর থেকেই ১৯৯০ সাল পর্যন্ত বিশ্ববাজার, অর্থনীতি, ভূ-রাজনৈতিক, সামরিকসহ গোটা বিশ্বব্যবস্থায় দুই পরাশক্তির তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও প্রতিযোগিতা তীব্রতর হতে থাকে; যা ‘শীতলযুদ্ধ’ নামে পরিচিতি পায়।

আগেই বলা হয়েছে, রাশিয়ার পতনে যুক্তরাষ্ট্র একক পরাশক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়। মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ একক পরাশক্তি হিসাবে তার এই অবস্থানকে সুদৃঢ় ও দীর্ঘস্থায়ী করতে অব্যাহত প্রচেষ্টা চালিয়ে যেতে থাকে।

১৯৪৭ সালে গড়ে ওঠা গ্যাট বিশ্ববাণিজ্যে একচেটিয়া স্বার্থ আদায়ে যথেষ্ট সীমাবদ্ধতার মুখোমুখি হয়। গ্যাট দ্বারা সদস্যরাষ্ট্রগুলোকে দিয়ে এর সিদ্ধান্ত কার্যকরী করার ক্ষেত্রে কোন বাধ্যবাধকতা ছিল না।

পুঁজিবাদীরা চায় সব সময় বাজারের ‘স্থিতিশীলতা’। কিন্তু পুঁজিবাদী ব্যবস্থায় ‘স্থিতিশীলতা’ হলো আপেক্ষিক। সাময়িক স্থিতিশীলতায় উৎপাদন বাড়ে, বাণিজ্য বাড়ে, প্রযুক্তিগত অগ্রগতি ও উৎপাদন ক্ষমতা বাড়ে, অথচ বিশ্ববাজার, বাজারের সীমা এবং আলাদা আলাদা একক সাম্রাজ্যবাদী গোষ্ঠীগুলোর প্রভাবাধীন এলাকা কমবেশী এক জায়গাতেই বজায় থাকে। -স্পষ্টত এটাই কিন্তু পুঁজিবাদের এক অত্যন্ত গভীর ও তীব্র সংকটের উদ্ভব ঘটায়। সে সংকট হলো, নতুন যুদ্ধ পরিস্থিতির দ্বারা আকীর্ণ।

গত শতাব্দীর ৩০ এর দশকেও সাম্রাজ্যবাদী উৎপাদন বৃদ্ধি, প্রযুক্তির বিকাশের কারণে উৎপাদন ক্ষমতা বৃদ্ধি যে হারে বাড়তে থাকে, পাশাপাশি অসম বিকাশের নিয়মে বাজারের দাবিদার বাড়তে থাকে। এর সাথে যুক্ত হতে থাকে বাজারের নতুন নতুন দাবিদার। অর্থনীতির গতি মুখ থুবড়ে পড়তে থাকে স্থবিরতায়। সংক্রামকের মতো তীব্র-তীক্ষ্ণ হয় মন্দার ছোবল, সর্বগ্রাসী এই আগ্রাসী আক্রমণে দিশেহারা অবস্থায় আত্মরক্ষার পথ খুঁজতে থাকে অস্তিত্ব সংকটে ভুগতে থাকা পুঁজিবাদীরা।

বাজারের সমস্যা সমাধানে শান্তিপূর্ণ পথ পুঁজিবাদীদের সামনে রুদ্ধ হয়ে যায়।‘পুঁজিবাদের সামনে একমাত্র বেরোনোর পথ’ হলো শক্তি প্রয়োগ করে, সশস্ত্র সংঘর্ষ দিয়ে নতুন করে সাম্রাজ্যবাদী যুদ্ধের মাধ্যমে বাজার ও প্রভাবাধীন এলাকা পুনর্বন্টন- যার প্রত্যক্ষ প্রমাণ হলো দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ সংঘটিত হওয়া।

সাম্প্রতিক সময়ে বিশ্বপরিস্থিতিতে উদ্ভুত বৈশিষ্ট্যসমূহ পুঁজিবাদের সর্বোচ্চ রূপ সাম্রাজ্যবাদী সংকটের ধারাবাহিকতার প্রতিফলন মাত্র। সুতরাং চলতি বাণিজ্যযুদ্ধসহ বিশ্বব্যবস্থায় সংঘটিত ঘটনাসমূহ তার থেকে ভিন্নভাবে দেখার অবকাশ আছে বলে মনে হয় না।
১৯৯০-এ রাশিয়ার পতনের মধ্য দিয়ে ‘শীতল যুদ্ধের’ অবসানের মাধ্যমে পরবর্তীতে যে নতুন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় তাতে বিশ্ব পুঁজিবাদী ব্যবস্থায় দেখা দেয় আপাত ‘স্থিতিশীলতা’। বাণিজ্য সম্প্রসারিত হতে থাকে, প্রযুক্তি ও উৎপাদন ক্ষমতা বৃদ্ধি পেতে থাকে, কিন্তু উৎপাদনের তুলনায় বাণিজ্য ও বাজার থাকে পেছনে পড়ে। পুঁজিবাদের অসম বিকাশের ধারায় শক্তি সম্পর্কের ক্ষেত্রে সাম্রাজ্যবাদী ও পুঁজিবাদী দেশগুলোর মধ্যে থাকে বিরাট ব্যবধান। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধপূর্ব পরিস্থিতিতে প্রযুক্তিগত উৎকর্ষের কারণে সামরিক ক্ষেত্রে পারমাণবিক অস্ত্রের সংযোজন এবং পরবর্তীকালে তথ্যপ্রযুক্তির সংযোজন, এই প্রযুক্তির বহুমাত্রিক ব্যবহার, উৎপাদনের ক্ষেত্রেও এর গতিবৃদ্ধিতে নতুন মাত্রা পায়। বিশেষ করে সেবাখাত ভোগের অন্যতম প্রধানখাতে উপনীত হয়। যে হারে বাজারের গতিবেগ বৃদ্ধি করে বিপরীতে উৎপাদন বাজার ব্যবস্থার ক্ষেত্রে সংকটের মাত্রা আর গভীর ও নতুন পর্যায়ে উপনীত করে। ফলে উৎপাদন ও বাজার ব্যবস্থার ক্ষেত্রে সংকটের গভীরতার মাত্রা ও ব্যবধানকে আরও বাড়িয়ে তুলছে।

প্রযুক্তির ব্যবহার কেন্দ্রিভুত হচ্ছে সামরিকীকরণে এবং পুঁজির সঞ্চালনকে শেয়ার বাজারের ফটকাবাজারিতে কেন্দ্রীভুত করা হয়। বৃহৎ সাম্রাজ্যবাদী দেশগুলো বিশেষ করে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদী একচেটিয়া পুঁজিবাদীরা এ পথেই তাদের সঙ্কট উত্তরণের পথ খোঁজে। শেয়ার বাজারগুলো বুদ্বুদের মত ফুলে ফেঁপে উঠতে থাকে আবার ফানুসের মতো চুপশে যায়। রেসের নেশার মতো বৃহৎ কোম্পানিগুলোর মধ্যে চলতে থাকে একত্রিকরণ(মার্জার) ও বৃহৎ একত্রিকরণের (মেগা মার্জার) প্রক্রিয়া।

ঋণগ্রহণে যুক্তরাষ্ট্র, জাপানের মতো দেশগুলো শূণ্য শুল্ক হারে নামিয়ে আনে। চাহিদার তুলনায় কৃত্রিমভাবে তেজি হয়ে উঠতে থাকে যুক্তরাষ্ট্র-জাপানের হাউজিং সেক্টরগুলো। পাশাপাশি এর অধিক গতিতে শেয়ার বাজার বুদ্বুদের মত বাড়তে থাকে।

সামরিক বিনিয়োগকে চাঙ্গা রাখার জন্য যুদ্ধকে অন্যতম হাতিয়ার হিসেবে বেছে নেয়া হয। পূর্ব ইউরোপ ও রাশিয়ার শূণ্যস্থান পূর্ণ করার জন্য ন্যাটোকে পূর্বমুখী অভিযানে সম্পৃক্ত করার অংশ হিসাবে পুর্ব ইউরোপের দেশগুলোকে ন্যাটোর আওতায় আনতে ন্যাটোকে সম্প্রসারিত করা হয়। পাশাপাশি আঞ্চলিক যুদ্ধকে সম্প্রসারিত ও দীর্ঘস্থায়ী করে অস্ত্রের বাজারের কৃত্রিম চাহিদা সৃষ্টি করে অস্ত্রের ব্যবসাকে চাঙ্গা করার প্রয়াস চলতে থাকে। আফ্রিকা, এশিয়া, ল্যাটিন আমেরিকার দেশগুলোসহ মধ্যপ্রাচ্যে আঞ্চলিক যুদ্ধকে বিস্তৃত করার নগ্ন খেলায় মেতে ওঠে সাম্রাজ্যবাদী দেশগুলো, বিশেষ করে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ। এই যুদ্ধ বিস্তৃতির নগ্নরূপ প্রত্যক্ষ করা যায় ‘ইসলামি জঙ্গি’ হামলার নামে সংঘটিত নাইন ইলেভেনের ঘটনাকে সামনে রেখে যুক্তরাষ্ট্র প্রথমে আফগানিস্তান, পরবর্তিতে মিত্রদের নিয়ে ইরাক, লিবিয়ায় প্রত্যক্ষ যুদ্ধে লিপ্ত হয়। দীর্ঘ প্রায় তিন দশকেও মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ তার কাঙ্ক্ষিত ফল লাভে শুধু ব্যর্থই হয় না, নতুন নতুন সঙ্কটের জালে জড়িয়ে অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, সামরিক ইত্যাদির ক্ষেত্রে ক্ষয়িষ্ণুতায় আক্রান্ত হতে থাকে। যা প্রাধান্যকারী শক্তি হিসাবে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের জন্য অস্তিত্বের সঙ্কট হিসাবে সামনে এসে দাঁড়িয়েছে।

সূত্র: সাপ্তাহিক সেবা, বর্ষ-৩৮।।সংখ্যা-০৫, রোববার।। ২২ জুলাই ২০১৮।। ০৭ শ্রাবণ ১৪২৫ বাংলা

Advertisements


Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  Change )

Google photo

You are commenting using your Google account. Log Out /  Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  Change )

Connecting to %s

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.