মধ্যপ্রদেশ-ছত্তিশগড়-মহারাষ্ট্র সীমান্তে মাওবাদীদের ‘নতুন যুদ্ধ অঞ্চল’ নির্মাণ চলছে – RAW এর রিপোর্ট

naxal-sukma-story_647_042517110749_0

ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা ‘রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালাইটিক্যাল উইং -RAW’ এর সূত্র উল্লেখ করে sentinelassam.com জানাচ্ছে, ভারতীয় নিরাপত্তা বাহিনীর চলমান দমন অপারেশনগুলির মধ্যেও ভারতের শীর্ষ কমিউনিষ্ট পার্টি (সিপিআই-মাওবাদী) একটি নতুন গেরিলা জোন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে মধ্যপ্রদেশ-ছত্তিশগড়-মহারাষ্ট্র (MMC) ত্রি-জংশন সীমান্তে একটি নতুন যুদ্ধক্ষেত্র ‘নির্মাণের জন্য কঠোর চেষ্টা করছে।

গোপন গোয়েন্দা তথ্য মতে, মাওবাদীরা এখন তাদের বিভিন্ন এলাকার যুদ্ধ অঞ্চল থেকে নিরাপত্তা বাহিনী (এসএফএস)’কে লক্ষ্য করার পরিকল্পনা করছে। রিপোর্টে বলা হয়েছে যে, মাওবাদীরা উত্তর ও পূর্ব দিকে তাদের যুদ্ধ অঞ্চল প্রসারিত করতে চায় এবং বালাগাট-রাজনন্দগাঁও-কাবরিধাম-গণ্ডিয়া মধ্যে একটি সংযোগ করিডোর নির্মাণ করতে চায়।

MMC এলাকায় বৃহত্তর পর্যায়ে মাওবাদীদের সম্প্রসারণের সিদ্ধান্তটি অনেক আগেই গ্রহণ করা হয়েছিল বলে গোয়েন্দা সূত্র জানায়, এবং এই লক্ষ্য বাস্তবায়ন করতে মাওবাদীদের একটি বিভাগ মধ্য প্রদেশের বালাগাটের সীমান্ত এলাকায় ছত্তিশগড়ের রাজনান্দগাঁও এবং মহারাষ্ট্রের গণ্ডিয়াতে সক্রিয় রয়েছে।

রিপোর্টে বলা হয়েছে, মাওবাদী ক্যাডাররা ছত্তিশগড়, মহারাষ্ট্র ও উড়িষ্যাতে সরকারের স্পেশাল ফোর্স-এসএফের বিরুদ্ধে আক্রমণাত্মক কর্মসূচি চালু করার পরিকল্পনা করছে। মাওবাদীদের এলাকা কমিটির সিনিয়র সদস্যরা- বিশেষ করে পুলিশের বিশেষ পুলিশ অফিসার (এসপিওএস) এবং গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের-এসএফএস এবং ‘পুলিশ ইনফরমার্স’দের চিহ্নিত ও হত্যা করার জন্য তাদের ছোট কর্মী দলকে নির্দেশ দিয়েছেন।

এই অঞ্চলে মাওবাদীরা সরকারের কথিত উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের বিরোধিতা করে আসছে। ছত্তিশগড়ের সুকমা জেলায় সক্রিয় মাওবাদী কমান্ডাররা, গ্রামবাসীদের সঙ্গে একটি বৈঠক করে এবং পেন্তা গ্রামে অবস্থিত বিদ্যুৎ প্লান্ট ধ্বংস করার চিন্তা করছে। এসময় মাওবাদীরা সড়ক নির্মাণ কার্যক্রম বন্ধ করা এবং সরকারী সম্পত্তি আটক করার জন্য গ্রামীণ জনগণদের প্রতি আহ্বান জানান।

সূত্রঃ https://www.sentinelassam.com/news/intel-reports-suggest-maoists-building-new-battle-zone-on-madhya-pradesh-chhattisgarh-maharashtra-border/

Advertisements

৫ মানবাধিকার কর্মীকে ১২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত গৃহবন্দি রাখার নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

socialacvt-300x154

মামলা চলাকালীন মানবাধিকার কর্মীদের গ্রেফতারের বিষয় মিডিয়ার সামনে প্রমাণ হাজির করায় পুলিসকে তিরস্কার করলো সু্প্রিম কোর্ট। এর অাগে একই রকম তিরস্কার করেছিল বোম্বে হাইকোর্ট। সেই সঙ্গে  সুধা ভরদ্বাজ, গৌতম নওলাখা, অরুণ ফেরেনা, ভেরনন গঞ্জালভেস, ভারভারা রাওয়ের গৃহবন্দির সময়সীমা বাড়িয়ে ১২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত করেছে সুপ্রিম কোর্ট। ৫ মানবাধিকার কর্মী গ্রেফতার হওয়ার পর নিজেদের অাত্মসমর্থনে  বিচারাধীন বিষয পুলিসের বড় কর্তা সাংবাদিক সম্মেলন করেন সেই কারণে এদিন  মহারাষ্ট্র সরকারের অাইনজীবীকে সর্বোচ্চ অাদালতের প্রধান বিচারপতি বলেন পুলিসের কাছ থেকে শুনতে রাজি নই সুপ্রিম কোর্ট ভুল করেছে।  

২৮ অগস্ট  দেশজুড়ে একাধিক সমাজকর্মী ও মানবাধিকার কর্মীদের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে ৫জন মানবাধিকার কর্মীকে গ্রেফতার করে পুণে পুলিস। যদিও সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে অাপাতত কিছুটা ব্যাকফুটে মহারাষ্ট্র  তথা কেন্দ্র সরকার। তাছাড়া জুন মাসে গ্রেফতার করা অন্য ৫ মানবাধিকার কর্মীকেও ৯০ দিনের মধ্যে চার্জশিট দিতে পারেনি । পর্যবেক্ষকদের মতে সব মিলিয়ে চাপে থাকা পুলিস এখন প্রমাণ তৈরি করতে ব্যস্ত ।

সূত্রঃ satdin.in