আগামীকাল ২৪শে নভেম্বর USDF এর তৃতীয় রাজ্য সম্মেলন

‘প্রতিষ্ঠান বিরুদ্ধ’ স্বরের চিৎকার আজ সারা পৃথিবীর ভূখণ্ড জুড়ে আছড়ে পড়ছে। এশিয়া, আফ্রিকা, লাতিন আমেরিকার বিভিন্ন দেশ থেকে শুরু করে খোদ মার্কিন মুলুক, রাশিয়া ও চীনের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ছিটকে আসছে প্রতিবাদ প্রতিরোধের অবিচ্ছিন্ন স্বর। সম্প্রতি চিলির জনগণের অর্থনৈতিক ও সামাজিক সাম্যের দাবিতে জঙ্গী আন্দোলন, হংকং থেকে শুরু করে ভেনিজুয়েলার প্রতিষ্ঠানবিরোধী জঙ্গী আন্দোলন, বাংলা দেশে কিছু বছর আগে VAT বিরোধী আন্দোলন, সম্প্রতি রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস বিরোধী আন্দোলন, রাষ্ট্রীয় পরিকাঠামো বিরোধী আন্দোলন, কাশ্মীরের জনগণের জাতীয় মুক্তি আন্দোলন,সম্প্রতি আমাজন অরণ্যের আদিবাসীদের সশস্ত্র আন্দোলন, কর্পোরেটদের হিংসার কবলে থাকা কঙ্গো ও তার আগুন, লেবাননের আন্দোলন, ফ্রান্সের ইয়েলো ভেস্ট আন্দোলন, ফিলিপিন্সের সশস্ত্র বিপ্লবী আন্দোলন থেকে শুরু করে কাতালোনিয়া, কুর্দিস্তান, বালুচিস্তান, কাশ্মীর, মণিপুর, নাগাল্যান্ড, গোর্খাল্যান্ড, কামতাপুরির মুক্তিকামী জনগণের জাতিসত্তার আত্মনিয়ন্ত্রণের স্বাধীনতা আন্দোলন, প্যালেস্টাইনের সাধারণ জনমানুষের জাতীয় মুক্তি আন্দোলন কোনোটাই আমাদের রাখা খবরের বাইরে নয়। সাধারণ মানুষের উপরে প্রতিষ্ঠানের জোর-জুলুমবাজের বিরুদ্ধে বরাবর সাধারন মানুষই বিদ্রোহ ঘোষণা করেছে এবং এখনও করে চলেছে। খোদ আমাদের চারপাশে আমরা যদি দেখি, সংকটাপন্ন বিশ্ব পুঁজিবাদ ‘জনকল্যাণকর রাষ্ট্রের’ মুখোশ ছিঁড়ে বেরিয়ে এসে যতবার মানুষের সাধারন অস্তিত্বকে বিপন্ন করতে চেয়েছে, যতবার সে আঁচড় বসিয়েছে মানুষের প্রতিদিনকার রুটি-রুজির যাপনের অধিকারের উপর, যতবার সে ছিনিয়ে নিয়েছে তাদের মৌলিক অধিকার, কৃষিক্ষেত্রে মেরেছে কৃষককে, কারখানার পর কারখানা বন্ধ করে ছাঁটাই করেছে লক্ষ লক্ষ শ্রমিক, শিক্ষাকে প্রাইভেট মুনাফাখোরদের হাতে বিক্রি করে দিয়ে পরিণত করেছে ব্যাবসাক্ষেত্রে, কেড়ে নিয়েছে মানুষের কথা বলার অধিকার; ততবার এই মাটির সাধারন মানুষেরা নেমেছে রাস্তায় রাস্তায়, প্রতিবাদে গড়ে তুলেছে প্রতিরোধের ব্যারিকেড। সে ঔপনিবেশিক শাসকের করাল গ্রাস হোক, কিংবা তথাকথিত স্বাধীনতা পরবর্তী ব্রিটিশদের দালাল এদেশের মুৎসূদ্দি মুনাফাবাজরা হোক, কিংবা তেলেঙ্গানার জমিদাররা হোক, কিংবা নকশালবাড়ির জোতদারেরা হোক, কিংবা সিঙ্গুর নন্দীগ্রাম লালগড়ের জনবিরোধী জমিলুটেরারা হোক; মানুষের বিক্ষুব্ধ প্রতিরোধের হাত থেকে রেহায় পায়নি কোনও শাসকই। বর্তমানের কাশ্মীর, বাংলাদেশ, হংকং, গোর্খাল্যান্ড কিংবা খোদ কলকাতা শহরেই, রাষ্ট্রের মস্তান বাহিনী, জলকামান ছাত্রছাত্রীদের বিক্ষোভ থামাতে পারছেনা।

আজকে সারা দেশজুড়ে চলমান ফ্যাসিবাদের রাষ্ট্রক্ষমতা দখলের প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে একদিকে যেমন মানুষের যাপনের প্রতিটি উপাদানের উপর নেমেছে আক্রমণ, রক্তাক্ত হয়েছে মানুষের অর্থনীতি,সংস্কৃতি; ঠিক তেমনি ‘অত্যাচার থাকলে প্রতিরোধও থাকে’ এই সুরে তাল মিলিয়ে ইতিহাসের গতিও আবার এক ফ্যাসিস্ট শক্তিকে পরাজয়ের লক্ষ্যে তার নিজস্ব দ্বন্দ্বকে কাজে লাগিয়ে এগিয়ে চলেছে। কিন্তু এই পথ সুগম নয়। তাই আমাদের সমাজের মূল দ্বন্দ্ব শ্রেণীদ্বন্দ্ব- এই মার্ক্সবাদী শিক্ষাকে উর্দ্ধে তুলে ধরে শ্রেণীসংগ্রামের মাধ্যমে সমাজ বদলের মৌলিক প্রশ্নকে সামনে রেখেই সমস্ত ফ্যাসিস্ট শক্তির সামনে শক্ত প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।
অন্যদিকে শিক্ষাক্ষেত্রে নিও এডুকেশন পলিসি, সিবিসিএস এর মতন ছাত্রছাত্রী বিরোধী পরিকাঠামো লাগু করে শিক্ষাকে পুরোপুরি ব্যাবসার ক্ষেত্রে পরিণত করার ষড়যন্ত্র আগামী দিনের ছাত্রছাত্রী আন্দোলনের সামনে এক বড় চ্যালেঞ্জ।

সারা দেশজুড়ে ফ্যাসিস্ট আগ্রাসন, অর্থনৈতিক কাঠামোর অসম্ভব নিষ্ফলতা, শিক্ষা থেকে শুরু করে শিল্পপ্রতিষ্ঠান,রেল,ব্যাঙ্ক প্রাইভেট মুনাফাখোরদের হাতে তুলে দেওয়া, গত চার বছরের ৯৬ লক্ষ বেকারত্ব বৃদ্ধি, উগ্র হিন্দু, ব্রাহ্মণ্যবাদী, পিতৃতান্ত্রিক আগ্রাসনের দ্বারা সংখ্যালঘু,দলিত,নারী নির্যাতনের হার অস্বাভাবিক বৃদ্ধি, NRC এর নামে কোটি কোটি মানুষের থেকে নাগরিকত্ব ছিনিয়ে নিয়ে তাদের সস্তার শ্রমিক তৈরী করার মাধ্যমে নতুন ক্রীতদাস ব্যাবস্থা লঞ্চ করার যোগাড়যন্তর, মানুষের কথা বলার,বেঁচে থাকার ন্যূনতম অধিকারের উপর আক্রমণ।
এমনই এক অস্থির সময়ে দাঁড়িয়ে আমরা আমাদের সংগঠনের রাজ্য সম্মেলন আয়োজন করছি। ইতিহাসের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে আগামীতে আরও জোরদার ছাত্রছাত্রী আন্দোলনের প্রস্তুতি, আহবান ও অঙ্গীকার একইসাথে রেখে সকল প্রগতিশীল ও গণতান্ত্রিক ছাত্রছাত্রীশক্তিকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে USDF এর পক্ষ থেকে আমরা আগামী ২৪শে নভেম্বর, ২০১৯(রবিবার) কলকাতার যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের বিবেকানন্দ হলে রাজ্য সম্মেলনের আয়োজন করছি। সকল গণতান্ত্রিক, শুভবুদ্ধিসম্পন্ন মানুষকে আমরা আমাদের রাজ্য সম্মেলনে সাদর আমন্ত্রণ জানাচ্ছি। আসুন সাথী, ‘আগামীর দ্রোহকাল আমরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে ধারণ করি।’


কলকাতাঃ কমরেড লেনিনের মূর্তি ভাঙার প্রতিবাদে ধিক্কার জানাতে ৮ই মার্চ জমায়েত

28577539_1623310494424833_3057156023037011956_n-1

ত্রিপুরায় গেরুয়া ফ্যা‌সিবাদী আরএসএস-‌বি‌জে‌পি’র দ্বারা কম‌রেড লে‌নি‌নের মূর্তি ভাঙা‌কে ধিক্কার জানি‌য়ে ধর্মতলার লে‌নিন মূ‌র্তি পর্যন্ত মি‌ছিল।

আগামী ৮ই মার্চ (বৃহস্প‌তিবার) দুপুর ২টায়, মধ্য কলকাতার সু‌বোধ ম‌ল্লিক স্কোয়্যার (ওয়ে‌লিংটন স্কোয়্যার)-এ জমা‌য়েত।

 ফ্যা‌সিবি‌রোধী লড়াই‌য়ের সাথীরা ‌যোগ দিন।


২রা জানুয়ারী ২০১৮ ‘জাতীয় শহীদ দিবস’ পালন করবে ‘বিপ্লবী শ্রমিক আন্দোলন/বিপ্লবী ছাত্র-যুব আন্দোলন’

1462865_442355369280948_3706743190514295771_n

25593725_726371747545974_1031854800_n25589992_726371877545961_868004010_n


বাংলাদেশঃ মাওপন্থিদের উদ্যোগে ২রা জানুয়ারী ২০১৮ ‘জাতীয় শহীদ দিবস’পালন করা হবে

২রা জানুয়ারী ২০১৮, মহান মাওবাদী নেতা শহীদ কমরেড সিরাজ সিকদার-এর ৪৩তম মৃত্যুবার্ষিকীতে কমরেড মনিরুজ্জামান তারা, মোফাখখার চৌধুরী, মিজানুর রহমান টুটু, এরাদ আলী, তাহের আজমী, রাবেয়া আক্তার বেলীসহ সকল শহীদ বিপ্লবীদের স্মরণে “জাতীয় শহীদ দিবস” পালন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, বাংলাদেশের মাওপন্থি সংগঠন ‘শহীদ বিপ্লবী ও দেশপ্রমিক স্মৃতি সংসদ’। এই কর্মসূচী উপলক্ষ্যে বের করা একটি পোস্টারে ‘আওয়ামী দুঃশাসনের বিরুদ্ধে গণপ্রতিরোধ গড়ে তুলে সাম্রাজ্যবাদ, সম্প্রসারণবাদ ও দালাল শাসক শ্রেণীকে উচ্ছেদ করে সমাজতন্ত্র-কমিউনিজমের লক্ষ্যে নয়াগণতান্ত্রিক বিপ্লব বেগবান করার আহবান’ জানিয়েছে সংগঠনটি।

জাতীয় শহীদ দিবসের কর্মসূচীঃ

তারিখঃ ২রা জানুয়ারী ২০১৮
প্রভাতফেরী ও পুস্পস্তবক অর্পণ:  সকাল ৮টায়(পুরনো শ্যামলী হলের সামনে), ঢাকা

আলোচনা সভাঃ বিকাল ৩:০০টায়, টিএসসি সড়ক দ্বীপ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

25498384_1641427929229611_8631629440277297330_n

 


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি’তে প্রতি বুধবার সন্ধ্যা ৭টায় ‘ল্যাম্পপোস্ট’ এর পাঠচক্র

25359835_1980507585565466_410305843_n

জানতে চাই পাল্টাতে চাই বলে….. নিরন্তর বদলে চলা পৃথিবীকে বৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়ায় আরও সুগঠিত, মানবিক, উন্নত শ্রেণী শোষণহীন দুনিয়ার দুয়ারকে অবারিত করবার, মুক্তির মন্ত্রে দীক্ষিত নতুন মানুষ হবার প্রত্যয়ে বছর বছর সবুজ আশ্বাস হয়ে ফিরবার পাঠ যা ‘অভাবের অভাব’ হয়ে ভরিয়ে দিবে সমাজ সভ্যতার ক্রমবিকাশের আগামী ধারাকে। এরই ক্ষুদ্র প্রয়াস আমাদের পাঠচক্র… প্রতি বুধবার সন্ধ্যা ৭ টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র শিক্ষক মিলনায়তন-এ। আসুন দিন বদলের লড়াইয়ের বিশ্ববীক্ষা জানি বুঝি আর প্রয়োগ করি।

—-ল্যাম্পপোস্ট—-


কলকাতাঃ ২১শে নভেম্বর, রাজবন্দীদের মুক্তির দাবীতে APDR এর কনভেনশন

fapp-icon2

মাওবাদী রাজ‌নৈ‌তিক সং‌যো‌গের অভি‌যো‌গে জেলব‌ন্দি হয়ে আছেন শারীরিক প্রতিবন্ধি, দিল্লী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক জি এন সাইবাবা। অধ্যাপক জি এন সাইবাবা সহ সমস্ত রাজ‌নৈ‌তিক বন্দী‌দের নিঃশর্ত মু‌ক্তির দাবী‌তে বাংলার অধিকার রক্ষা সংগঠন ‘গণতা‌ন্ত্রিক অধিকার রক্ষা স‌মি‌তি’ (এপি‌ডিআর/ APDR) -এর উদ্যো‌গে আগামী ২১‌শে ন‌ভেম্বর, ২০১৭, মঙ্গলবার, বি‌কেল ৩টায় কলকাতার বউবাজার চত্ত্বরে ভারতসভা হ‌লে (বি. বি. গাঙ্গুলী স্ট্রীট ও সেন্ট্রাল এভি‌নিউ‌য়ের সং‌যোগস্থ‌লে) কন‌ভেনশন আহবান করা হয়েছে। অর্জিত গণতা‌ন্ত্রিক অধিকার ও মানবা‌ধিকার রক্ষার স্বা‌র্থে, অধ্যাপক সাইবাবা সহ সমস্ত রাজ‌নৈ‌তিক বন্দীর মু‌ক্তির দাবীতে এ কন‌ভেনশ‌নে যোগ দিন সাথী…


কলকাতাঃ আগামী ৬ই ডিসেম্বর ‘সাম্প্রদায়িকতা ও ফ্যাসিবাদ’ বিরোধী মিছিল

23517961_1604401949675097_8880742455548364543_n

১৯৯২ সা‌লের ৬ই ডি‌সেম্বর ঐতিহা‌সিক বাব‌রি মস‌জিদ ভে‌ঙে‌ছিল উগ্র হিন্দুত্ববাদী আরএসএস-‌বি‌জে‌পি-সংঘ প‌রিবা‌রের গেরুয়াবা‌হিনী;  আজ সেই গেরুয়া বা‌হিনী দে‌শের মসন‌দে ব‌সে অত্যাচার না‌মি‌য়ে আন‌ছে দে‌শের সাধারণ জনগ‌ণের উপ‌রে, দেশ লুটা পুঁ‌জিবাদী‌দের দালাল ওই গেরুয়া ফ্যা‌সিবাদী‌দের নিশানায় দে‌শের শ্রমিক-কৃষক, আদিবাসী-সংখ্যালঘু মানুষ, নিশানায় প্রগ‌তিশীল ও গণতা‌ন্ত্রিক মানু‌ষের কন্ঠস্বর…
এমতাবস্থায়, বাব‌রি মস‌জিদ ধ্বং‌সের ওই কুখ্যাত দিন‌কে স্মর‌ণে রে‌খে যৌথ উদ্যো‌গে মি‌ছিল-

আগামী– ৬ই ডি‌সেম্বর, ২০১৭

শিয়ালদা থে‌কে শ্যামবাজার…
সাথী, পা মেলান আপ‌নিও…