বাংলাদেশঃ ‘সোভিয়েত সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবের শতবর্ষ’ উদযাপন কমিটির আহবান

22447651_1697675476909987_1331662182_n

22551473_1697675563576645_94247588_n

Advertisements

বাংলাদেশে ১০ই নভেম্বর উদযাপিত হতে যাচ্ছে ‘সোভিয়েত সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবের শতবর্ষ’

 

22471586_1697675343576667_1400848975_n


১৭ই সেপ্টেম্বরঃ মহান শিক্ষা দিবস উদযাপন করবে ‘জাতীয় ছাত্রদল’

তারিখঃ ১৭ই সেপ্টেম্বর ২০১৭, রবিবার

স্থানঃ ডাকসু(মধুর ক্যান্টিনের বিপরীত পার্শ্বে)
সময়ঃ সকাল ১১.৩০টা – দুপুর ১টা

আয়োজনেঃ জাতীয় ছাত্রদল, কেন্দ্রীয় কমিটি


বাংলাদেশঃ ১১ই আগস্ট সোভিয়েত সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবের শতবর্ষ উদযাপন কমিটি গঠনে সভা

20526001_1598686746817517_2279113458198067597_n

রাশিয়ায় বলশেভিক বিপ্লবের শতবর্ষ উদযাপন কমিটি গঠনের লক্ষ্যে আহ্বান

সহযোদ্ধা বন্ধুগণ,

দুনিয়া জুড়ে বিদ্যমান শ্রেণী বিভক্ত সমাজে শোষিত নিপীড়িত জনগণের মুক্তির সংগ্রাম যুগ যুগ ধরে চলে আসছে। ১৯১৭ সালের ৭ নভেম্বর, রাশিয়ায় শ্রমিক শ্রেণীর নেতৃত্বে বলশেভিক বিপ্লবের বিজয়ে এ সংগ্রামে প্রতিষ্ঠিত হয় প্রকৃত পথ। যদিও এর সূচনা ঘটেছিল কমরেড কার্ল মার্কস ও ফ্রেডরিখ এঙ্গেলসের নেতৃত্বে ১৮৪৮ সালে কমিউনিস্ট ইশতেহার প্রকাশের মধ্য দিয়ে। এরই ধারাবাহিকতায় কমরেড লেনিনের নির্দেশনায় কায়েম হয় শ্রমিক কৃষক নিপীড়িত জনগণের ক্ষমতা। ইতিহাসের প্রথম এ সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র দেখিয়ে দেয়, পুঁজিবাদ-সাম্রাজ্যবাদের বিপরীতে সাম্যবাদের লক্ষ্যে, সর্বহারা শ্রেণীর একনায়কত্বই সমাধানের প্রক্রিয়া। এজন্যই মহান সমাজতান্ত্রিক বিপ্লব ও সোভিয়েত ইউনিয়ন তখন সারা দুনিয়ার নিপীড়িত জনগণের আশা ভরসার কেন্দ্রস্থলে পরিণত হয়। ঘুম হারাম করে দেয় শোষক, পুঁজিপতি ও লুটেরাদের।

কমরেড লেনিনের মৃত্যুর পর তাঁর যোগ্য উত্তরসূরী কমরেড স্ট্যালিন শত প্রতিকূলতার মধ্যে সমাজতান্ত্রিক ব্যবস্থার নেতৃত্ব দেন। এটা ছিল ইতিহাসে সমাজতন্ত্রের প্রথম অভিজ্ঞতা। এতে একদিকে যেমন অর্জিত হয় বিরাট সাফল্য তেমনি কিছু ভুল-ত্রুটিও ঘটে। কিন্তু ট্রটস্কি, বুখারিন, কামেনেভ, জিনোভিয়েভ প্রমুখের সর্বহারা একনায়কত্ববিরোধী ও সমাজতন্ত্রবিরোধী লাইনকে নস্যাত করে দিয়ে কমরেড স্ট্যালিনই সমাজতন্ত্রকে এগিয়ে নেন। স্ট্যালিনের মৃত্যুর পর ১৯৫৬ সালে ক্রুশ্চেভ-ব্রেজনেভ সংশোধনবাদী চক্র সোভিয়েত ইউনিয়নকে পুঁজিবাদের পথে চালিত করে। ঠিক তখনই কমরেড মাও সে তুঙ-এর নেতৃত্বে প্রলেতারিয় বিপ্লবীরা বলশেভিক বিপ্লবের পতাকাকে ঊর্ধ্বে তুলে ধরেন। সমাজতন্ত্রের নামে পুঁজিবাদের পথগামীরা সোভিয়েত ইউনিয়নকে সোভিয়েত সামাজিক সাম্রাজ্যবাদে পরিণত করে। আর ’৯১ সালে এই ভুয়া সমাজতন্ত্রেরই আনুষ্ঠানিক পতন ঘটে।

রুশ বিপ্লবের ধারাবাহিকতায় কমরেড মাও সে তুঙ চীনে সমাজতন্ত্রের সংগ্রাম এগিয়ে নেন। একইসঙ্গে আন্তর্জাতিক পরিসরে ক্রুশ্চেভীয় সংশোধনবাদ ও দেশের ভেতরকার পুঁজিবাদের পথগামীদের বিরুদ্ধে সংগ্রামের মধ্য দিয়ে সমাজতন্ত্রকে রক্ষা করেন। কমরেড মাও সে তুঙ-এর মৃত্যুর পর বিশ্বাসঘাতক তেঙ শিয়াও পেঙ চক্র এক ক্যুদেতার মাধ্যমে ক্ষমতা দখল করে সমাজতান্ত্রিক চীনকে পুঁজিবাদী পথে পরিচালিত করে। কিন্তু সমাজতন্ত্র-সাম্যবাদের লক্ষ্যে নিপীড়িত জনগণের মুক্তির সংগ্রাম থেমে থাকেনি।

এভাবে রাশিয়া, চীনসহ সারা বিশ্বে শ্রেণীসংগ্রাম ও সংশোধনবাদবিরোধী সংগ্রামের মধ্য দিয়ে মার্কসবাদ গুণগতভাবে বিকাশ লাভ করেছে। সমাজতন্ত্র-সাম্যবাদের এই সংগ্রাম ও বিকাশের প্রক্রিয়া আজও চলমান। এ বছর ২০১৭ সালে সারা বিশ্বেই উদযাপিত হচ্ছে মহান অক্টোবর সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবের শতবর্ষ। বাংলাদেশেও ঐক্যবদ্ধভাবে এই শতবর্ষ উদযাপনের লক্ষ্যে আমরা উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। সংশোধনবাদ নয়, সমাজতন্ত্রের সঠিক উপলব্ধির ভিত্তিতে ঐক্যবদ্ধভাবে বলশেভিক বিপ্লবের শতবর্ষ উদযাপনের জন্য সকল আন্তরিক ব্যক্তি ও সংগঠনকে এই উদ্যোগে সামিল হতে আমরা আহ্বান জানাচ্ছি।

আগামী ১১ আগস্ট শুক্রবার, বিকেল ৪টায়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে টিএসসির দ্বিতীয় তলায় মুনীর চৌধুরী সম্মেলন কক্ষে শতবর্ষ উদযাপনের কমিটি গঠন ও কর্মসূচি চূড়ান্ত করার জন্য সভা অনুষ্ঠিত হবে। এ সভায় প্রয়োজনীয় প্রস্তুতিসহ সক্রিয়ভাবে উপস্থিত থাকার জন্য আপনার/আপনাদের প্রতি অনুরোধ জানাচ্ছি।

হাসান ফকরী
সমন্বয়ক,
রাশিয়ায় বলশেভিক বিপ্লবের শতবর্ষ উদযাপন প্রস্তুতি কমিটি।


ভারতঃ নকশালবাড়ী সংগ্রামের ৫০তম বার্ষিকী উদযাপন করুন!


বাংলাদেশঃ মহান মে দিবসে বামপন্থী ৪ সংগঠনের যৌথ কর্মসূচী


নকশালবা‌ড়ি সংগ্রা‌মের ৫০ বছ‌র পূর্তিতে ২৫শে মে শিলিগুড়ি চলুন!