শান্তিচুক্তির শর্ত বারবার লঙ্ঘন : কলম্বিয়া সরকারের সমালোচনা মার্কসবাদী ফার্কের

farc_tropa_tres

কলম্বিয়া সরকারের তীব্র সমালোচনা করেছে মার্কসবাদী গেরিলা দল ‘ফার্ক’। তাদের সাথে করা শান্তিচুক্তির শর্ত বারবার লঙ্ঘন করায় সরকারকে অভিযুক্ত করে অস্ত্র পরিত্যাগ বিলম্ব করার হুমকি দিয়েছে ফার্ক।

গত নভেম্বরে স্বাক্ষরিত শান্তিচুক্তির শর্ত সরকার বারবার লঙ্ঘন করায় তারা এ হুমকি দিয়েছে। খবর এএফপি’র। এক বিবৃতিতে ফার্কের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সরকারের এই ধরণের দীর্ঘসূত্রিতা চলতে থাকলে তারা অস্ত্র পরিত্যাগের ক্ষেত্রে বিলম্ব করবে।

দলটির গেরিলা নেতা রদ্রিগো লন্ডনো এক টুইটার বার্তায় বলেন, সরকারের এমন আচরণের কারণে ফার্ক আন্তর্জাতিক মনিটরিংয়ের দাবি জানাতে যাচ্ছে। এর আগে তিনি গেরিলাদের অস্ত্র ত্যাগ স্থগিতের কথা বিবেচনা করেছিলেন। চুক্তি অনুযায়ী কলম্বিয়ার ২৬টি অঞ্চলের ৭ হাজার বিদ্রোহীর জাতিসংঘের কাছে অস্ত্র সমর্পণের কথা রয়েছে।


তুরস্কে সামরিক বাহিনীর স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে মাওবাদী MKP/HKO গেরিলারা

MKPHKO-800x445

গত ১৮ই জুনে, MKP/HKO গেরিলারা ওভেইক-কুশুলুকা সামরিক স্থাপনায় গেরিলা হামলা চালিয়েছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, এতে একজন সৈনিক নিহত এবং দুই সৈন্য আহত হয়।

মাওবাদী কমিউনিস্ট পার্টি/পিপলস লিবারেশন আর্মি(MKP/HKO) এর পরিচালনায় ওভেইক-কুশুলুকা’র সামরিক স্থাপনার বিরুদ্ধে এই হামলাটি চালানো হয়।

MKP/HKO দারসিম আঞ্চলিক কমান্ড এক বিবৃতি বলেছে: “১৮ই জুন ২০১৭ এ সকাল ৮.১৫মিনিটে কুশুলুকা সামরিক স্থাপনায় আমাদের গেরিলাদের পরিচালনায় এই আক্রমণটি চালানো হয়েছে।

এতে দুই শত্রু সৈন্য আহত এবং একজনকে হত্যা করা হয় এবং আমাদের বাহিনীর কোনও ক্ষতি ছাড়াই নিরাপদে ফিরে আসতে পেরেছে। আক্রমণের পরে, শত্রুরা এলাকায় মর্টার আক্রমণ শুরু করে।

দারসিমের মেরকানে শহীদ ১৭জন গেরিলার সম্মানার্থে এই আক্রমণটি চালানো হয়েছে”।

বিবৃতিটি স্লোগান দিয়ে শেষ হয়: “আমাদের পার্টি এবং সমাজতান্ত্রিক গণযুদ্ধ দীর্ঘজীবী হোক”

সূত্রঃ http://www.halkingunlugu.org/index.php/guncel/item/11044-mkp-hko-gerillalarindan-eylem


গ্রামবাসীদের মারধর ও পুলিশের চর হিসেবে কাজ করায় কংগ্রেস নেতাকে খতম করেছে মাওবাদীরা

498896-jpg_343319_1000x667

পুলিশের চর সন্দেহে ছত্তীসগঢ়ের দান্তেওয়াড়া জেলায় কংগ্রেসের কৃষক মোর্চার এক নেতাকে খতম করল মাওবাদীরা। জনা ২৪ সশস্ত্র মাওবাদী গত কাল রাতে বস্তারের চোলনার গ্রামে ছন্নু মণ্ডবীর (৫৫) বাড়িতে চড়াও হয়। ছন্নুকে তাঁর ‘অপরাধের তালিকা’ ও মাওবাদীদের ‘বিচারের রায়’ শোনানো হয়। এর পরেই ছন্নুকে গুলি করে খতম করে মাওবাদীরা। চলে যাওয়ার আগে কিছু কাগজ ছড়িয়ে যায় তাঁর দেহের কাছে। তাতে লেখা, এলাকায় পুলিশ ক্যাম্প স্থাপনে সহযোগিতা ও পুলিশের চর হিসেবে কাজ করা ও গ্রামবাসীদের মারধর করার অপরাধে এই শাস্তি। ছুন্নুকে এই ধরণের কাজ থেকে বিরত থাকতে ২০০৪ সাল থেকেই মাওবাদীরা সতর্ক করে দিয়ে আসছিল। কিন্তু সে এসব উপেক্ষা করে আসছিল।

উল্লেখ্য যে, বর্তমান কংগ্রেস নেতা ছন্নু এক সময়ে ব্লকের কংগ্রেস সমর্থিত জনপদ অধ্যক্ষ ছিলেন।

সূত্রঃ http://www.thehindu.com/news/cities/mumbai/maoists-kill-congress-leader-in-dantewada/article19110089.ece

 


ছত্তিশগড়ে পুলিসের সঙ্গে ‘সংঘর্ষে’ নিহত ৩ মাওবাদী

cs-maoist-may8-1_647_042717042426

রবিবার দুপুরে ছত্তিশগড়ে পুলিসের গুলিতে নিহত হলেন ২ মহিলা সহ ৩ মাওবাদী। ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসে প্রকাশিত রিপোর্ট অনুযায়ী রাজনন্দগাঁ জেলার পুলিস সুপার জানিয়েছেন তল্লাশির সময় এলোপাথাড়ি গুলি চালাতে শুরু করে মাওবাদীরা। পুলিসের পাল্টা গুলিতে নিহত হন ৩ মাওবাদী। প্রতিবারের মত এবারের সংঘর্ষেও মাওবাদীরা নিহত হলেও কোন পুলিসের হতাহতের খবর নেই। সংঘর্ষটি যে ভুয়ো এমন কোন তথ্য ওই রিপোর্টে না থাকলেও ছত্তিশগড়ে পুলিস-আধাসেনাদের বিরুদ্ধে বারবারই ভুয়ো সংঘর্ষে আদাবাসী ও মাওবাদীদের হত্যার অভিযোগ উঠছে। থানা আদিবাসী কিশোরীদের নগ্ন করে বিদ্যুতের শক দেওয়ার অভিযোগ করায় রায়পুর সেট্রাল জেলার ডেপুটি জেলার বর্ষা ডোঙ্গরেকে সাসপেন্ড করেছে রাজ্য সরকার।

সূত্রঃ satdin.in


সশস্ত্র কৃষক যুদ্ধের ডাক মাওবাদীদের

image

কৃষক আন্দোলন সামাল দিতে এমনিতেই নাজেহাল অবস্থা নরেন্দ্র মোদীর। একই অবস্থা মধ্যপ্রদেশের শিবরাজ সিংহ চৌহানেরও। তার মধ্যেই কেন্দ্র ও রাজ্যের উদ্বেগ আরও বাড়াল মাওবাদীরা। রীতিমতো বিবৃতি জারি করে কৃষকদের হাতিয়ার তুলে নেওয়ার ডাক দিল তারা।

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের কাছে সিপিআই (মাওবাদী)-র মহারাষ্ট্র রাজ্য কমিটির সম্পাদক সহ্যাদ্রির একটি বিবৃতি হাতে এসেছে। যেখানে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রদেশের ঘটনার পরে অস্ত্র হাতে তুলে নিয়ে লড়াইয়ে নামতে হবে কৃষকদের। মাওবাদীরা এই লড়াইয়ে সঙ্গ দেবে। যে সব কৃষক সংগঠন এখন আন্দোলনে নেমেছে, তাদের মধ্যে অনেকে ভবিষ্যতে কংগ্রেস বা বিজেপির সঙ্গে হাত মেলাবে বলে সতর্ক করেছেন মাওবাদী নেতৃত্ব। সে কারণেই কৃষকদের নিজেদের ‘নেতা’কে বেছে নেওয়ারও ডাক দিয়েছে সংগঠনটি।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের মতে, সহ্যাদ্রি বলে যে মাওবাদী নেতা এই বিবৃতি জারি করেছেন, তিনি সম্ভবত মহারাষ্ট্রের মাওবাদী নেতা মিলিন্দ তেলতুম্বড়ে। পি চিদম্বরম কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী থাকাকালীন মাওবাদী দমনে যে ‘অপারেশন গ্রিন হান্ট’ করেছিলেন, তার বিরোধিতা করতে নেমে চিদম্বরমকে ‘সবথেকে বড় জঙ্গি’ অ্যাখ্যা দিয়েছিলেন সহ্যাদ্রি। গড়ছিরৌলি, গোন্ডিয়া, চন্দ্রপুর এলাকায় সহ্যাদ্রির সংগঠন সক্রিয়।

বিরোধীদের একাংশের অভিযোগ, মাওবাদী বিবৃতিকে ঢাল করে কৃষক সমস্যা সমাধানে ব্যর্থতাকে ঢাকতে চাইছেন শিবরাজ-মোদী। শিবরাজ গোড়া থেকেই বলছেন, পুলিশের গুলি চলার আগে যাঁরা বিক্ষোভ করছিলেন, তাঁরা কৃষক নন। কৃষকদের ভিড়ে মিশেছিল দুষ্কৃতীরা। এখন মাওবাদীদের ঘাড়ে অভিযোগ ঠেলে দিয়ে পিঠ বাঁচাতে চাইছেন শিবরাজ। তাই এই রিপোর্ট পাঠিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকে।


ওড়িশায় মাওবাদী নেতাকে হত্যার প্রতিবাদে ৩০টি গ্রামের শতশত আদিবাসীর বিশাল সমাবেশ

Malkangiri-rally

ভূয়া এনকাউন্টারে মাওবাদী নেতা চিন্নাবাই’কে হত্যার প্রতিবাদে গতকাল ওড়িশার মালকানগিরি জেলার পপুলুরু’তে ৩০টি গ্রামের আদিবাসীদের শ্লোগান মুখরিত একটি বিশাল সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

আদিবাসীরা অভিযোগ করেন যে, আত্মসমর্পণকারী চিন্নাবাইকে পুলিশ গুলি করে হত্যা করেছে।

একজন প্রতিবাদকারী বলেন- “চিন্নাবাই পুলিশের কাছে আগেই আত্মসমর্পণ করেছিল। পুলিশের দাবিকৃত কথিত এনকাউন্টারে তাকে হত্যা করা হয়নি। তাকে ঠান্ডা মাথায় হত্যা করা হয়েছে। আমরা তার হত্যার প্রতিবাদ করছি, এভাবে কি তারা বিদ্রোহীদের সংস্কার করছে? এটা একটা ভূয়া এনকাউন্টার। এটা হত্যা।

অন্যদিকে, পুলিশ দাবি করে যে মাওবাদী নেতা ছিলেন চিন্নাবাই, তাঁর বিরুদ্ধে ১২টি মামলা রয়েছে এবং গুলি বিনিময়ে তাকে হত্যা করা হয়েছে। তিনি বেশ কয়েকবার গ্রেপ্তার হন এবং মালকানগিরি ও কোরাপুট জেলার কারাগারে বন্দী ছিলেন।

সূত্রঃ http://odishasuntimes.com/odisha-villagers-protest-killing-of-maoist-leader/


ফ্যাসিস্ট তুর্কি সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে মাওবাদীদের সাঁড়াশি আক্রমণ, খতম ৩ সেনা, আহত বেশকিছু

12ler_alibogazi_1

গত ১লা জুন তুরস্কের কৃষক ও শ্রমিকদের কমিউনিস্ট গেরিলা সেনাবাহিনী(TIKKO) ফ্যাসিবাদী তুর্কি সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে দুটি হামলা চালায়। এতে তিন জন শত্রু সৈন্যকে খতম করা হয় এবং আনুমানিক অনেক সৈন্যকে আহত করা হয়, যার সংখ্যা স্পষ্ট করা যায় নি। আলিবাগাজী ও বোজান এলাকায় এই হামলা হয়।

এই হামলাটি, গত ২৪ এবং ২৮শে নভেম্বর, ২০১৬ এর মধ্যে দারসিম অঞ্চলে ফ্যাসিস্ট তুরস্ক সেনাবাহিনী কর্তৃক হত্যাকৃত TKP / ML-TIKKO এর ১২ জন শহীদ গেরিলার প্রতি উতসর্গ করা হয়েছে।

 তুরস্কের কৃষক ও শ্রমিকদের কমিউনিস্ট গেরিলা সেনাবাহিনী(TIKKO) হচ্ছে তুরস্কের কমিউনিস্ট পার্টি TKP / ML এর সশস্ত্র শাখা।

সূত্রঃ http://kaypakkayahaber.com/haber/tkpml-tikko-dersim-bolge-komutanligindan-1