বগুড়ায় পূর্ববাংলার সর্বহারা পার্টি – সিসি’র পোস্টারিং

image-104436-1507384391

বগুড়ার ধুনট উপজেলার মথুরাপুর ইউনিয়ন এলাকায় নিষিদ্ধ ঘোষিত পূর্ববাংলার সর্বহারা পার্টি – সিসি পোস্টারিং করেছে। গত শনিবার সকালের দিকে এলাকাবাসীর নজরে আসে এই পোস্টারগুলো।  

বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে সরেজমনি দেখা যায়, উপজেলার মথুরাপুর গ্রাম থেকে শিমুলকান্দি গ্রাম পর্যন্ত প্রায় আধা কিলোমিটার রাস্তার দুই পাশে ঘরের বেড়া, স্কুলের নামফলক ও গাছের সাথে এসব পোস্টার সাটানো হয়েছে। এরমধ্যে মথুরাপুর গ্রামে জয়নাল আবেদীনের ঘরের বেড়ায়, উলিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম ফলকে ও শিমুলকান্দি গ্রামে রাস্তার পাশে গাছের সাথে পোস্টারগুলো শোভা পাচ্ছে।

পোস্টারে লাল রঙের ছাপা অক্ষরে লেখা রয়েছে, সর্বহারা পার্টির ৪র্থ জাতীয় কংগ্রেসের আহ্বান-শোষনহীন শ্রেণিহীন বিশ্বসমাজ কমিউনিজমের লক্ষ্যে সমাজতন্ত্র কায়েমের জন্য মার্কসবাদ লেলিনবাদ মাওবাদের মতবাদকে আঁকড়ে ধরুন। ঐক্যবদ্ধ হোন-একটি একক মাওবাদী পার্টি ও একটি নতুন ধরনের কমিউনিস্ট আর্ন্তজাতিক সংগঠন গড়ে তুলন। এছাড়া সরকার বিরোধী বিভিন্ন ধরনের স্লোগান রয়েছে। প্রচারে পূর্ববাংলার সর্বহারা পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটি।

মথুরাপুর গ্রামের মাদ্রাসা ছাত্র রাসেল মাহমুদ জানায়, সকাল বেলা ঘর থেকে বের হয়ে ঘরের বেড়ার সাথে এই পোস্টার লাগানো দেখেছে। কে বা কারা এই পোস্টার লাগিয়েছে তা বলতে পারছে না। তবে পোস্টারে সরকার বিরোধী বিদ্রোহের ভাব প্রকাশ করা হয়েছে।

স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা আজাহার আলী ভূইয়া বলেন, কে বা কারা কখন এই পোস্টারগুলো লাগিয়েছে তা বলা সম্ভব হচ্ছে না।

মথুরাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হারুন-অর-রশিদ সেলিম এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, আশির দশকে এই এলাকায় সর্বহারা পার্টির আখড়া ছিল। ওই সময় প্রশাসনের হস্তক্ষেপে সর্বহারাপার্টি এলাকা থেকে বিদায় নিয়েছিল। কিন্ত আবারো পোস্টার লাগিয়ে এলাকায় সর্বহারা পার্টির আগমণের জানান দিচ্ছে। এ বিষয়টি থানা পুলিশকে জানানো হয়েছে।

ধুনট থানার ওসি মিজানুর রহমান বলেন, কতিপয় অসাধু ব্যক্তি তামাসা করার জন্যই এ ধরনের পোস্টার প্রচার করেন। প্রকৃত পক্ষে এই এলাকায় সর্বহারা পার্টির কোনো অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যায়নি। তারপরও এ বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

সূত্রঃ dainikamadershomoy

Advertisements

মধ্যপ্রদেশে সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করছে মাওবাদীরাঃ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের রিপোর্ট

maoists-at-convention_6e73cb82-58bb-11e7-9dcc-cc63e7fed987-800x445

নিরাপত্তা বাহিনীর আক্রমণের জেরে বাস্তারের বাইরে মহারাষ্ট্র, মধ্যপ্রদেশ ও ছত্তিশগড়ের সংযোগস্থল বালাঘাটে নতুন করে প্রভাব তৈরি করতে চাইছে মাওবাদীরা। অতিবাম কার্যকলাপ নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের  সম্প্রতি  এক পর্যালোচনা বৈঠকে নাকি এই বিষয়টি উঠে এসেছে। এমনটাই জানাচ্ছে  ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস। বালাঘাটে মাওবাদী কার্যকলাপ বিস্তারের দায়িত্ব নিয়েছেন মাও নেতা বাসবরাজ। ওয়াকিবহল মহলের মতে বাস্তারের নিরাপত্তাবাহিনীর আক্রমণে যথেষ্টই ক্ষতি হয়েছে মাও সংগঠনের। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে মাওবাদী আন্দোলন যে কিছুটা ধাক্কা খেয়েছে তাও স্বীকার করে নিয়েছে মাওবাদীদের কেন্দ্রীয় কমিটি। মিডিয়া রিপোর্ট অনুযায়ী বয়সের কারণে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক পদ থেকে সরে যেতে চাইছেন গণপতি। অপেক্ষাকৃত তরুণদের জায়গা করে দেওয়া হচ্ছে কেন্দ্রীয় কমিটিতে। বাস্তারের আদিবাসী তরুণ হিদমাকে নেওয়া হয়েছে দলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে। এই পরিপ্রেক্ষিতে  বালাঘাটে মাওবাদীদের নতুন তত্পরতা কেন্দ্র ও রাজ্য উভর সরকারের মাথা ব্যথার কারণ হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষক মহলের একাংশ।

সূত্রঃ satdin.in


কমরেড বেলা দত্তের মৃত্যুতে ল্যাম্পপোস্ট-এর শ্রদ্ধা নিবেদন

22008442_1951260405114737_1942113275502804514_n

 

খবর বিজ্ঞপ্তি

২৯/০৯/২০১৭

কমরেড বেলা দত্তের মৃত্যুতে ল্যাম্পপোস্ট-এর শ্রদ্ধা নিবেদন।

আজ ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১৭ শুক্রবার সকাল ৮টা ১৫ মিনিটে পশ্চিমবঙ্গের তেভাগা আন্দোলন ও নক্সালবাড়ি আন্দোলনের নেত্রী, নক্সালবাড়ি আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক কমরেড সরোজ দত্তের সহধর্মীনি ও সহযোদ্ধা, শহীদ সরোজ দত্ত স্মৃতিরক্ষা কমিটির আহ্বায়ক কমরেড বেলা দত্ত মারা গেছেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স ৯৪ বছর পূর্ণ করে ৯৫-এ পরেছিল। তিনি বার্ধক্য জনিত রোগে ভুগছিলেন এবং নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। তাঁর মৃত্যুর পর তাঁর দেহ কলকাতার পিজি হসপিটালে দান করা হয়, তিনি তাঁর চক্ষুও দান করে গেছেন। তথ্যসূত্র: কমরেড কোনাল দত্ত। ভারতবর্ষের কৃষি বিপ্লবে যে নতুন পথ কমরেড চারু মজুমদারের হাত ধরে রূপায়িত হয়েছিল তার প্রথম সারির সৈনিক যেমন কমরেড সরোজ দত্ত তেমনি বেলা দত্তের অবদানও উল্লেখযোগ্য। কমরেড বেলা দত্তের সাংগঠনিক কাজ, সাহস এবং আমৃত্যু আদর্শিক দৃঢ়তা নবীনদের কাছে শিক্ষণীয় হয়ে থাকবে এবং তাঁর এই চলে যাওয়ায় যে অসমাপ্ত কাজ রয়ে গেল তাকে সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যে উপনীত করাই হবে তার প্রতি শ্রদ্ধা প্রকাশ করা ও শোককে শক্তিতে পরিণত করার সঠিক মাধ্যম। করেড বেলা দত্ত লাল সালাম।

মার্কসবাদ-লেনিনবাদ-মাওবাদ জিন্দাবাদ।

কমরেড চারু মজুমদারের শিক্ষা অমর হোক।

নয়াগণতান্ত্রিক বিপ্লব সফল হোক।

 

বার্তা প্রেরক

নাহিদ সুলতানা লিসা (০১৭৫৭২৮৪৫৫৮)

সম্পাদক – ল্যাম্পপোস্ট


দেশে অনেক জায়গায় আন্দোলন ধাক্কা খেয়েছেঃ স্বীকার মাওবাদীদের

maoists-at-convention_6e73cb82-58bb-11e7-9dcc-cc63e7fed987-800x445

দেশে মাওবাদীদের আন্দোলন যে কঠিন সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে তা স্বীকার করে নিল সিপিআই( মাওবাদী)। গত ফেব্রুয়ারি মাসে মাওবাদীদের কেন্দ্রীয় কমিটির এক বৈঠকে এই কথা মেনে নেওয়া হয়েছে বলে জানাচ্ছে  তেলেঙ্গানা টুডের এক রিপোর্ট। দেশের বিভিন্ন এলাকায় যে মাওবাদী আন্দোলন ধাক্কা খেয়েছে তাও স্বীকার করে নেওয়া হয়েছে ওই বৈঠকে। মাওবাদী কেন্দ্রীয় কমিটির একাধিক নেতা হয় গ্রেফতার হয়েছেন, নয়তো নিহত বা প্রয়াত। এর ফলেও আন্দোলনে গতি বাধাপ্রাপ্ত হচ্ছে বলে মনে করেন পর্যবেক্ষকদের একাংশ। ছত্তিশগড়ের বাস্তারে পুলিস আধাসামরিক বাহিনীর অভিযানের ফলেও বহু কর্মী নিহত। ওয়াকিবহাল মহলের  মতে দেশের শ্রমজীবী মানুষদের মধ্যে সংগঠন তৈরি করতে না পারায় প্রত্যন্ত গ্রামের আন্দোলনের উপর চাপকে সামাল দিতে পারছে না মাওবাদীরা। সেই সঙ্গে রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসকেও দেশের জনমানসের সামনে তুলে ধরতে পারছে না তারা। তবে আন্দোলন যে কঠিন সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে মাওবাদী কেন্দ্রীয় কমিটির  এই সিদ্ধান্ত কিছুটা হলেও সরকারকে একটু স্বস্তি দেবে বলে মনে করেন তারা।

সূত্রঃ satdin.in


প্রয়াত নকশাল আন্দোলনের বিশিষ্ট সমর্থক বেলা দত্ত

22008442_1951260405114737_1942113275502804514_n

তেভাগা আন্দোলন থেকে নকশাল বাড়ির সত্তরের দশককে মুক্তির দশকে বদলে দেওয়ার উদাত্ত আহ্বানে অনেকের মতো আলোড়িত হয়েছিলেন তিনিও, তাঁকেও ছুঁয়ে দিয়েছিল ভারত জুড়ে সাম্য সমাজের স্বপ্ন। সেই স্বপ্ন বাস্তব করতে তিনিও ছুটে গেছিলেন গ্রাম থেকে গ্রামান্তরে। হয়ে উঠেছিলেন নকশাল আন্দোলনের বিশিষ্ট নেত্রী তিনি, বেলা দত্ত সম্পর্কে যিনি ছিলেন নকশাল আন্দোলনের অন্যতম প্রধান নেতা সরোজ দত্তের স্ত্রী। বেলা দত্ত বেশ কিছুদিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন, শুক্রবার সকালে তাঁর মৃত্যু হল। বেলা দত্তের মৃত্যু প্রগতিবাদী আন্দোলনের অনেক ঐতিহ্যকে স্মৃতিতে পরিণত করলো বলে তাঁর শুভানুধ্যায়ীদের অভিমত।

সূত্রঃ satdin.in


তরুণতর নেতৃত্বকে জায়গা ছেড়ে দিতে পারেন সিপিআই (মাওবাদী)-র সাধারণ সম্পাদক

ganapathy-cpi-maoist

সিপিআই (মাওবাদী) দলের নেতৃত্বে ব্যাপক রদবদলের সম্ভাবনা। তরুণ নেতৃত্বকে জায়গা করে দিতে সাধারণ সম্পাদকের পদ ছেড়ে দিতে পারেন বর্তমান সাধারণ সম্পাদক মুপ্পালা লক্ষ্মণ রাও ওরফে গণপতি। কিছুদিনের মধ্যেই ভারত রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে গেরিলা যুদ্ধ চালানো দেশের একমাত্র কমিউনিস্ট পার্টিটির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের বৈঠক হবে বলে খবর পেয়েছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাগুলি। ওই বৈঠকে রণনীতি-রণকৌশল সংক্রান্ত আলোচনার পাশাপাশি এই নেতৃত্ব বদলের বিষয়টি নিয়েও সিদ্ধান্ত হবে বলে জানা গেছে।

গত শতকের নয়ের দশকের শুরুর দিকে সাবেক সিপিআই(এমএল)(জনযুদ্ধ) পার্টির সাধারণ সম্পাদক হন গণপতি। পরে ওই দলের সঙ্গে এমসিসিসি(আই) যুক্ত হয়ে গঠিত হয় সিপিআই (মাওবাদী)। এই নতুন দলেরও সাধারণ সম্পাদক থেকে যান তিনি।

বিশেষ কোনো শারীরিক কারণে গণপতি পদ থেকে সরে যাচ্ছেন নাকি, মাওবাদী পার্টির সর্বস্তরে দ্বিতীয় স্তরের নেতৃত্ব তুলে আনার প্রক্রিয়া চলছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। কারণ কিছুদিন আগেই খবর এসেছিল দণ্ডকারণ্য থেকে মধ্য তিরিশের এক আদাইবাসী নেতাকে কেন্দ্রীয় কমিটিতে নেওয়া হয়েছে। তাঁর নাম হিদমা। অবুঝমাড় থেকে এই প্রথম কেউ দলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে এলেন।

এখন প্রশ্ন হল, গণপতি পদ ছাড়লে, কে হবেন সাধারণ সম্পাদক? শোনা গেছে, নাম্বালা কেশব রাও বা বাসবরাজ আসতে পারেন ওই দায়িত্বে। দীর্ঘদিন দলের কেন্দ্রীয় মিলিটারি কমিশনের দায়িত্ব সামলেছেন বাসবরাজ। তাঁর বয়স গণপতির চেয়ে প্রায় ১০ বছর কম।

সূত্র : টাইমস অফ ইন্ডিয়া

 


গৌরী লঙ্কেশ খুনে যোগ নেই মাওবাদীরঃ জানাল বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট)

gauri1-14-1505371436

প্রবীণ সাংবাদিক গৌরী লঙ্কেশের খুনের সঙ্গে এখনও পর্যন্ত কোনও মাওবাদী যোগ পাওয়া যায়নি বলে জানাল বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট)।

৫ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় মোটরবাইক আরোহী আততায়ীদের গুলিতে মারা যান গৌরী। পর দিনই খুনের তদন্ত করতে ২১ সদস্যের সিট গড়ে কর্নাটক সরকার। গৌরীর ভাই ইন্দ্রজিৎ শুরু থেকেই দাবি করে আসছিলেন, তাঁর দিদির খুনের পিছনে থাকতে পারে মাওবাদীদের হাত। কারণ কর্নাটক সরকারের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে মাওবাদীদের মূলস্রোতে ফেরানোর গৌরীর চেষ্টাকে ভাল ভাবে নেয়নি মাওবাদীদের একাংশ। তার ফলেই এই হামলা হতে পারে বলে দাবি করেছিলেন ইন্দ্রজিৎ।

কিন্তু সিট সূত্রের খবর, তদন্তে নেমে এমন কোনও সূত্রই পাওয়া যায়নি। শুধু তা-ই নয়, কর্নাটকের যে মাওবাদী অধ্যুষিত এলাকায় তল্লাশি চালানো হচ্ছিল, সেই দক্ষিণ কন্নড়, চিকমগালুরু এবং উদুপি থেকে পুলিশ দলকে ফিরে আসতে বলা হয়েছে। বেঙ্গালুরু পুলিশের এক কর্তা বলেন, ‘‘দিন দুয়েকের মধ্যে ওই এলাকা থেকে সব দলই ফিরে আসবে। গৌরী লঙ্কেশ ও মাওবাদী যোগ নিয়ে যত জনের সঙ্গে কথা বলা সম্ভব, সব বলা হয়েছে। এটা ঠিক, মাওবাদীদের কয়েক জনকে মূলস্রোতে ফেরানো নিয়ে একাংশের মধ্যে গৌরীকে নিয়ে অসন্তোষ রয়েছে। কিন্তু তাঁকে হত্যা করার মতো মনোভাব দেখা যায়নি।’’

গৌরী খুনের আততায়ীরা এখনও অধরা। তবে তদন্তে ক্রমশ হত্যা রহস্য আরও জটিল হচ্ছে। পুলিশের এক সূত্রের দাবি, জেরার মুখে এক সঙ্গীতশিল্পী তাদের জানিয়েছেন, এক ধর্মগুরু তাঁর সমর্থকদের গৌরীকে খুনের জন্য ওস্কাতেন। তবে কে তিনি, এখনই তা প্রকাশ করেনি পুলিশ।

এদিকে, কন্নড় সাংবাদিক গৌরী লঙ্কেশের হত্য়াকাণ্ড নিয়ে এবার মুখ খুলল কমিউনিস্ট পার্টি অব ইন্ডিয়া (মাওবাদী)। তারা জানিয়েছে, বহুদিন ধরেই সাংবাদিক গৌরী লঙ্কেশের হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে কোন শক্তি রয়েছে, তা নিয়ে বিতর্ক তুঙ্গে। অনেকেই এই বিষয়ে আঙুল তুলেছেন দেশের মাওবাদী সংগঠনগুলির দিকে। তবে মাওবাদীরা গোটা বিষয়টিকে নস্যাৎ করে দিয়ে ‘হিন্দু ফ্যাসিবাদীদের’ কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছে।

সাংবাদিক গৌরী লঙ্কেশের হত্যাকাণ্ডে মাওবাদীদের তরফে সরাসরি সঙ্ঘ পরিবারের দিকে আঙুল তুলেছে। তারা জানিয়েছে, গোটা দল, বামপন্থী তথা গণতান্ত্রিক চিন্তাভাবনা রাখা সাংবাদিক গৌরী লঙ্কেশের মৃত্যুতে নিন্দা প্রকাশ করছে। মাওবাদীরা নিজেদের বিবৃতিতে জানিয়েছে, ‘হিন্দু ফ্যাসিবাদী সংগঠন তথা বিজেপি দ্বারা পরিবৃত সংঘপরিবারই এর নেপথ্যে রয়েছে।’ দলের তরফে জানানো হয়েছে, বামপন্থী মানসিকতা রাখা সকল মানুষের উচিত এই ঘটনার প্রতিবাদে রাস্তায় নামা। মাওবাদী সংগঠনের তরফে জানানো হয়েছে, ” যবে থেকে ‘গুজরাত ফাইলস’ নামে বইটির অনুবাদ করেছেন লঙ্কেশ তবে থেকেই হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের চক্ষুশূল হয়ে গিয়েছেন তিনি। ” এছাড়াও নিজেদের বক্তব্যে , বিজেপি নেতা ডি এন যুবরাজের মন্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে গৌরি লঙ্কেশের মৃত্যুর ঘটনার ব্যাখ্যা করেছে তারা। এছাড়াও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকেও এদিন একহাত নেওয়া হয় সংগঠনের পক্ষ থেকে।