কলম্বিয়ায় সামরিক অভিযানে মার্কসবাদী ‘ভিন্নমতালম্বী’ ১৬ ফার্ক সদস্য নিহত

farc_tropa_tres

ফার্ক সদস্য

কলম্বিয়ার ভেনিজুয়েলা সীমান্তবর্তী এলাকায় সামরিক অভিযানে সাবেক গেরিলা গোষ্ঠী ফার্কের ১৬ ভিন্নমতাবলম্বী সদস্য নিহত হয়েছে। গত বুধবার দেশটির সেনাবাহিনী একথা জানিয়েছেন। এ খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি।

কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট জুয়ান ম্যানুয়েল সান্তোস টুইটারে বলেন, আমরা এসব অপরাধীর বিরুদ্ধে আমাদের নজরদারি কমাবো না। প্রতিরক্ষামন্ত্রী লুইস কার্লোস বিলেগাস সাংবাদিকদের বলেন, এ অভিযানে বিদ্রোহী কমান্ডার অ্যালেক্স রেন্ডন নিহত হয়ে থাকতে পারেন।

সেনাবাহিনী এক বিবৃতিতে জানায়, কলম্বিয়ার আরাউকা অঞ্চলের ফরটুল পৌর এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়। গ্রুপটি ওই এলাকার স্থানীয় একটি হাসপাতাল, তেল স্থাপনা ও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের লক্ষ্য করে হামলা চালায়।

গ্রুপটি ন্যাশনাল লিবারেশন আর্মির বা ইএলএন স্থানীয় নেতাদের নিয়ে গঠিত। তারা আরাকুয়া, বোয়াকা ও কাসানার অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ নেয়ার চেষ্টা চালায়।


মেক্সিকোর উদারতাবাদী সশস্ত্র মার্কসবাদী দল ‘জাপাতিস্তা আর্মি অব ন্যাশনাল লিবারেশন – EZLN’

 67925f086579ad1ff72c0c9204b1111b_xl

ম্যাক্সিকোর কাছে একটি ছোট রাজ্য চাইপাস। নিজেদের ৩২তম প্রদেশ বানাতে মেক্সিকো চাইপাসের ওপর চালায় দখলদারি ও ঔপনিবেশিকতার জাল। এই দখলদারির প্রতিবাদে সোচ্চার হয়ে ওঠে চাইপাসের অগ্রগামী জনগণ। এই লক্ষ্যেই যাত্রা শুরু হয় জ্যাপাটিস্টা আর্মি অব ন্যাশনাল লিবারেশন নামের এই গেরিলা দলটির। সংক্ষেপে অবশ্য ইজেডএলএন নামে পরিচিত। ১৯৯৪ সালে প্রথম আত্মপ্রকাশ করে দলটি। মেক্সিকো সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন ও যুদ্ধের মাধ্যমেই পথচলা শুরু ইজেডএলএনের।

সেই সময় তুরস্ক বা সিরিয়ার সীমান্ত থেকে হাজারো মাইল দূরে মেক্সিকোতে ১৯৯৪ সালের ১ জানুয়ারি ন্যাফটা নর্থ আমেরিকান ফ্রি ট্রেড এগ্রিমেন্ট স্বাক্ষরিত হয়। এই চুক্তি অনুসার মেক্সিকোর বাজার চাষিদের জমি উৎপাদিত দেশীয় শস্য সমস্ত কিছু আমেরিকা এবং বাকি স্বাক্ষরকারী দেশের কাছে উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। চুক্তি সাক্ষরিত হওয়ার দিনেই এক অজানা সংগঠন জ্যাপাটিসটা ন্যাশানাল আর্মির ইজেডএলএন হাজারো সশস্ত্র মায়া আদিবাসী গেরিলা মেক্সিকোর প্রধান শহর জেলা শহর আঞ্চলিক এবং কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে আক্রমণ করে। নতুন ধরনের মুক্তির লড়াই মায়া আদিবাসী সমাজের স্বয়ংশাসন প্রতিষ্ঠা করার এই যুদ্ধ বিভিন্ন রাজনৈতিক ধারার মিশ্রণে এক নতুন ধরনের বামপন্থী চিন্তার ফসল। দ্রুত দক্ষিণ মেক্সিকোর জঙ্গলের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে নিজেদের স্বয়ংশাসন প্রতিষ্ঠা করার ক্ষেত্রে সফলতা অর্জন সক্ষম হয়।

শুরুতে মেক্সিকো সরকারের মিলিটারি, প্যারামিলিটারি ও বহুজাতিক কম্পানির বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিল তারা। অনেকটা আত্মরক্ষাই ছিল মূল উদ্দেশ্য। উদারতাবাদী মার্ক্সিজম ও উদার সোশ্যালিজমের আদর্শে যাত্রা শুরু করে দলটি। আত্মপ্রকাশের বছরই ইজেডএলএন প্রথম যুদ্ধের ঘোষণা দেয়। সেই থেকে এখন পর্যন্ত তারা প্রবৃত্ত রয়েছে নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষার লড়াইয়ে। মাঝেমধ্যে হয়তো যুদ্ধপন্থায় কিছুটা পরিবর্তন করে, তবে মূল উদ্দেশ্য অটুট। কোনো একক নেতৃত্ব নেই দলটিতে। প্রশিক্ষক ও কর্মপরিকল্পনার জন্য কয়েকজন রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে সাব কমান্ড্যাট মার্কোস, কমান্ড্যাট হুগো, সাব কমান্ড্যাট পেড্রো, সাব কমান্ড্যাট এলিসা ও সাব কমান্ড্যাট মোয়েসেস উল্লেখযোগ্য। প্রায় তিন হাজার সক্রিয় সদস্য ও নিজস্ব মিলিশিয়া বাহিনীর সঙ্গে রয়েছে চাইপাসের অগুনতি জনসাধারণ। ইজেডএলএন জনগণের মুক্তির জন্য যুদ্ধ করে বিধায় নিজেদের রক্ষাকবচ হিসেবে জনগণই কাজ করে। অর্থ, খাদ্যসহ সব কিছু দিয়েই সাহায্য করে। ইজেডএলএনের সমর্থন ও অবস্থান অনেক শক্তিশালী। তাই দলটিকে মোকাবিলায় মেক্সিকো সরকারকে খেতে হচ্ছে অনেক নাকানিচুবানি। নিজের পুরো শক্তি দিয়েও খুব সহজে চাইপাসে আধিপত্য বিস্তারে পুরোপুরি সক্ষম হতে পারেনি মেক্সিকো। তাই মেক্সিকো সরকার দলটিকে সন্ত্রাসী হিসেবে চিহ্নিত করে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে। ইজেডএলএন নিজেদের সফলতা বয়ে আনতে সর্বদা নতুন কর্মপন্থা ও গেরিলা আক্রমণ পছন্দ করে, যাতে শত্রু খুব সহজে তাদের জব্দ করতে না পারে।

images

 


কলম্বিয়ায় মার্কসবাদী গেরিলা দল ‘ELN’ এর হামলায় ৫ সেনা নিহত, আহত ১০

ELN

মার্কসবাদী বিদ্রোহী গোষ্ঠী ইএলএন এর বোমা হামলায় অন্তত ৫ জন কলম্বিয়ান সেনা সদস্য নিহত হয়েছেন। এতে আহত হয়েছেন আরও অন্তত ১০ সেনা।

গত মঙ্গলবার ভেনিজুয়েলা সীমান্তবর্তী সানটানদার প্রদেশে মিলিটারি গাড়ি লক্ষ্য করে এই বোমা হামলা চালানো হয়।

সেনাবাহিনীর বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ভেনেজুয়েলার সীমান্তবর্তী উত্তরপূর্বাঞ্চলীয় নর্টে দে সেন্টাডারে একটি কৌশলগত অভিযানের সময় ওই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।

হাতে তৈরি একটি বিস্ফোরক দিয়ে ওই বিস্ফোরক ঘটানো হয়। তবে এর চেয়ে বেশি কোনো তথ্য দেয়নি সেনাবাহিনী।

দেশটির মার্কসবাদী বিদ্রোহী গ্রুপ ন্যাশনাল লিবারেশন আর্মি বা ইএলএন আগামী মাসের নির্বাচনকে সামনে রেখে একতরফা যুদ্ধবিরতি ঘোষণার একদিন পর এই হামলার ঘটনা ঘটলো। তবে কেউই ওই হামলার দায় স্বীকার করেনি।

কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট হুয়ান ম্যানুয়েল সান্তোস ওই হামলার নিন্দা জানিয়েছেন। তিনি তার টুইটারে অ্যাকাউন্টে লিখেছেন, যারা ওই হামলার সঙ্গে জড়িত তাদের জবাবদিহিতার মধ্যে আনা হবে।

এছাড়াও প্রথমবারের মতো দুপক্ষের যুদ্ধবিরতি শেষ হওয়ার পর জানুয়ারিতে ইএলএন এর সঙ্গে শান্তি আলোচনা বাতিল করেন কলম্বিয়া সরকার।

 


আফগানিস্তানের কমিউনিস্ট পার্টি(মাওবাদী)‘র প্রবীণতম সমর্থকের মৃত্যু

baba

বাশি বোস্তান

আফগানিস্তানের কমিউনিস্ট পার্টি(মাওবাদী)-CPA’র প্রথম প্রজন্মের ও প্রবীণতম সমর্থক ‘বাশি বোস্তান’ মারা গেছেন।

তিনি আকরাম ইয়ারির নেতৃত্বে শ্রমিকদের কমিটিতে অংশগ্রহণের মাধ্যমে তাঁর বিপ্লবী কার্যক্রম শুরু করেন। পরের বছর, তিনি আফগানিস্তানের জনগণের মুক্তিযুদ্ধের সংগঠনে যোগদান করেন। এরপরের বছরগুলিতে তিনি আফগানিস্তানের কমিউনিস্ট পার্টি এবং আফগানিস্তানের কমিউনিস্ট (মাওবাদী) পার্টির গুরুত্বপুর্ণ সমর্থক হন।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাশি বোস্তান অসুস্থ ছিলেন। বার্ধক্য জনিত অসুস্থতার সাথে দীর্ঘ যুদ্ধের পর গত ২২শে ডিসেম্বর ২০১৭ তিনি মারা যান।

আমরা তার সহকর্মীদের, তার পরিবারের সকল সদস্য এবং আত্মীয়স্বজনদের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছি।

তাঁর স্মৃতি আমাদের সাথে থাকবে।

কেন্দ্রীয় কমিটি

আফগানিস্তানের কমিউনিস্ট পার্টি (মাওবাদী)

ডিসেম্বর ২৬, ২০১৭

 

সূত্রঃ http://www.sholajawid.org/update/index_english.html


জেরুজালেম নিয়ে ষড়যন্ত্র রুখে দেব- ফিলিস্তিনের মার্কসবাদী গেরিলা দল PFLP

image-57527

জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানীর স্বীকৃতির প্রতিবাদে গাজার রাস্তায় তুমুল বিক্ষোভ করছে ফিলিস্তিনিরা।

গত ১০ই ডিসেম্বর রবিবার, জেরুজালেম নিয়ে চলমান ষড়যন্ত্র রুখে দেবার প্রত্যয়ে এক র‍্যালি বের করে ফিলিস্তিনের মার্কসবাদী-লেনিনবাদী বিপ্লবী দল পপুলার ফ্রন্ট ফর দ্য লিবারেশান অব প্যালেস্টাইন (পিএফএলপি)।

এদিন বিপ্লবী দলটির নেতৃত্বে ফিলিস্তিনি জনগণ আমেরিকা ও ইসরায়েলের পতাকার পাশাপাশি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রতিকৃতিতে আগুন ধরিয়ে দেয়। এছাড়া সৌদি বাদশা সালমান বিন আব্দুল আজিজ ও তার পুত্র ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের ছবি ভেঙে তছনছ করে ক্ষুব্ধ ফিলিস্তিনিরা।

পিএফএলপি নেতা জামিল মাজহার বলেন, জেরুজালেম আল-কুদস ফিলিস্তিনের চিরস্থায়ী রাজধানী। এর এক ইঞ্চি পরিমাণ পরাজয়ও আমরা মেনে নেবো না!

বিশেষ করে আমেরিকা ও ইসরায়েলের দোসর এবং শক্তিশালী মিত্র হিসেবে তিনি সৌদি আরবের কড়া সমালোচনা করেন। এ সংক্রান্ত প্ল্যাকার্ডও দেখা যায় তাদের কর্মীদের হাতে। এতে লেখা ছিলো ‘ছিঃ ছিঃ আল-সৌদ’!

সূত্র: এএফপি, প্রেস টিভি


আন্তর্জাতিকতাবাদী মহান মাওবাদী নেতা কমরেড ‘পিয়েরে’ অমর!

Pierre-Cover-800x445

 

কমরেডস,

আমাদের কমরেড পিয়েরে মারা গেছেন। গত ২ ডিসেম্বর, শনিবারে একটি মিছিলের পূর্বমুহুর্তে তিনি সিড়ি থেকে পড়ে গিয়ে আঘাতপ্রাপ্ত হন এবং তার শারীরিক অবস্থা দ্রুত আশংকাজনক পরিস্থিতিতে পৌছে যায়। রবিবারে মেডিক্যাল টিম (চিকিৎসক দল) নিশ্চিৎ করে যে তার মস্তিষ্কের কার্যকলাপ বন্ধ রয়েছে। তাকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য সহায়ক সকল চিকিৎসা যন্ত্রাদি শেষপর্যন্ত খুলে ফেলা হয়, ফলে ৮১ বছর বয়সে সোমবার সকালে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

আমাদের মর্মবেদনা অত্যন্ত গভীর এবং কমরেড পিয়েরের মৃত্যুতে পার্টি নেতৃত্বের ক্ষতিও বিশাল। তাঁর সংগ্রামের স্তর আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিস্তৃত থাকায় কমরেড পিয়েরের চলে যাওয়া বিশ্ব প্রলেতারীয় আন্দোলনেও একটি বিশাল ক্ষতি।

কমরেড পিয়েরের জীবন একজন প্রকৃত বিপ্লবীর জীবন যা জনগনের সেবায় নিয়োজিত ছিল। ৬৮ সালের মে মাসে বিপ্লবী সংগ্রামে তিনি যুক্ত হয়েছিলেন। একজন প্রলেতারীয় শ্রেণীর মানুষ হিসাবে, তিনি খুব দ্রুতই ফ্রান্সের বিপ্লবী দল “গাউচে প্রলেতারিয়েনি” দলে যুক্ত হয়ে যান। বিপ্লবে তার দায়বদ্ধতা ছিল বহু দিক বিস্তৃত, সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যাভিমূখী, এবং সামগ্রিক।

এটা হোক কোন কোম্পানির বিরুদ্ধে ধর্মঘটের ডাকে যোগ দেয়া, বিদেশে বিপদাপন্ন নারীর গর্ভপাতের অধিকার সংরক্ষনে তার পাশে থাকা, শ্রমিকদের কাজের জন্য অভিবাসন পরিবর্তনের লড়াইতে যোগ দেয়া, ব্রেটন চাষীদের দুগ্ধ-যুদ্ধে তাদের পক্ষে পাশে দাঁড়ানো, অথবা সাধারণ দৈনন্দিন কাজ হিসাবে প্রতিবেশীদের সাথে তাদের কোন সমস্যায় সাক্ষাত করা — তিনি সবখানেই উপস্থিত, অক্লান্তভাবে।

এভাবেই তিনি নিজেকে একজন বিপ্লবী কর্মী, কমিউনিস্ট কর্মী, মাওবাদী কর্মী হিসাবে গড়ে তুলেছিলেন — সব সময় গণ আন্দোলনগুলির মধ্যমনি হিসাবে, জলের সাঁতার কেটে বেড়ানো মাছের মতো জনগনের মধ্যে তিনি সাঁতড়ে বেড়াতেন।

জীবনব্যাপী সংগ্রামের মাধ্যমে তিনি নিজেকে খাঁটি করে তুলেছেন, তার চারপাশে যারা সংগ্রামে যুক্ত হয়েছিল তাদের অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করে শ্রেণী সংগ্রামের আগুনে দগ্ধ হয়ে, এবং আমাদেরকে কর্মপ্রয়োগের মাধ্যমে দেখিয়েছে কিভাবে শক্তির সাথে বিপ্লবকে নির্মান করতে হয়।

আমাদের সহযোদ্ধা পিয়েরে স্মরিত হবেন সকল সংগ্রামের সহযোদ্ধা হিসাবে, একজন চিরকালের স্মরণীয় সহযোদ্ধা হিসাবে, একজন অক্লান্ত সহযোদ্ধা হিসাবে যিনি কখনই নির্যাতিত এবং নিপীড়িত মানুষের শিবির ত্যাগ করেননি।

তার চলে যাবার আলোচনা শুরু হতে না হতেই আমরা অসংখ্য প্রশংসাপত্র, সান্ত্বনাবাণী, এবং বিবৃতি পেয়েছি যেগুলি বেদনায় পরিপূর্ণ।

হ্যা কমরেডস, বিপ্লবী শিবির একজন অসাধারণ সহযোদ্ধাকে হারিয়েছে। কিন্তু তার গৌরবাম্বিত উত্তর দায়িত্বের জন্য আমরা ধন্যবাদ জানাই যা তিনি পরবর্তী প্রজন্মের কাছে হস্তগত করে যেতে পেরেছেন, আমরা আশা, শক্তি, দৃঢ় প্রত্যয় লাভ করেছি এবং লাভ করেছি একজন প্রকৃত মার্কসবাদী মাওবাদী নেতৃত্বের উদাহরণ : বিনাপ্রশ্নে কিছুই ছেড়ে না দেয়া, সর্বদা জনগন ও শ্রমিক শ্রেণীর পক্ষে থাকা, মাছ যেমন জলে মিশে থাকে তেমনি জনগনের সাথে মিশে থাকা, সব সময় প্রয়োজনে চ্যালেঞ্জ করতে হয় কিভাবে সেই শিক্ষার দ্বারা নিজেকে সমৃদ্ধ করতে থাকা যায়, নীতিতে দৃঢ় ও অবিচল থাকা। কমরেড পিয়েরের জীবন সত্যিকার অর্থেই বিশ্ব প্রলেতারীয় আন্দোলনে সেবায় নিযুক্ত ছিল।

আমাদের কমরেড পিয়েরে আন্তর্জাতিক প্রলেতারীয় সংগ্রামের মধ্যে বেচে থাকবেন, তিনি অমর!

আমাদের কমরেড পিয়েরে একজন মাওবাদী নেতৃত্ব যিনি আমাদের শ্রেণীসংগ্রামের ইতিহাসে অম্লান রইবেন!

তিনি তার আদর্শে বেচে আছেন, বর্তমান আছেন !

বিশ্ব প্রলেতারীয় বিপ্লব দীর্ঘজীবি হোক!

একটি স্মৃতিসভা শীঘ্রই অনুষ্ঠিত হবে, আমরা খুব অল্প সময়ের মধ্যেই বিস্তারিত বিবরণ প্রকাশ করা হবে।

সূত্রঃ  redspark.nu

 


কলম্বিয়ায় মার্কসবাদী ইএলএন গেরিলাদের সঙ্গে সংঘর্ষে সেনা কর্মকর্তা নিহত

colombia-eln-guerrillas-train

বোগোটা, ১৭ জুলাই, ২০১৭: কলম্বিয়ায় মার্কসবাদী ইএলএন গেরিলাদের সঙ্গে সংঘর্ষে এক সৈন্য নিহত হয়েছে। রোববার দেশটির সেনাবাহিনী একথা জানিয়েছে।
দেশটির সবচেয়ে বড় বিদ্রোহী গোষ্ঠী ফার্কের সঙ্গে সরকারের শান্তি চুক্তির পর এ ঘটনা ঘটল।

ইএলএন একমাত্র বিদ্রোহী দল যারা এই চুক্তির পরও দেশটিতে বিদ্রোহী তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে। খবর এএফপি’র।

সেনাবাহিনী এক বিবৃতিতে জানায়, বাজো কাউকা এলাকায় সেভেনথ আর্মি ইউনিট ফোর্সের সঙ্গে ইএলএন যোদ্ধাদের এ সংঘর্ষ হয়। এতে সেনা কর্মকর্তা জন ফ্রেডি গোমেজ সালাজার নিহত হন।

সূত্রঃ http://www.bssnews.net/bangla/newsDetails.php?cat=3&id=410375&date=2017-07-17


শান্তিচুক্তির শর্ত বারবার লঙ্ঘন : কলম্বিয়া সরকারের সমালোচনা মার্কসবাদী ফার্কের

farc_tropa_tres

কলম্বিয়া সরকারের তীব্র সমালোচনা করেছে মার্কসবাদী গেরিলা দল ‘ফার্ক’। তাদের সাথে করা শান্তিচুক্তির শর্ত বারবার লঙ্ঘন করায় সরকারকে অভিযুক্ত করে অস্ত্র পরিত্যাগ বিলম্ব করার হুমকি দিয়েছে ফার্ক।

গত নভেম্বরে স্বাক্ষরিত শান্তিচুক্তির শর্ত সরকার বারবার লঙ্ঘন করায় তারা এ হুমকি দিয়েছে। খবর এএফপি’র। এক বিবৃতিতে ফার্কের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সরকারের এই ধরণের দীর্ঘসূত্রিতা চলতে থাকলে তারা অস্ত্র পরিত্যাগের ক্ষেত্রে বিলম্ব করবে।

দলটির গেরিলা নেতা রদ্রিগো লন্ডনো এক টুইটার বার্তায় বলেন, সরকারের এমন আচরণের কারণে ফার্ক আন্তর্জাতিক মনিটরিংয়ের দাবি জানাতে যাচ্ছে। এর আগে তিনি গেরিলাদের অস্ত্র ত্যাগ স্থগিতের কথা বিবেচনা করেছিলেন। চুক্তি অনুযায়ী কলম্বিয়ার ২৬টি অঞ্চলের ৭ হাজার বিদ্রোহীর জাতিসংঘের কাছে অস্ত্র সমর্পণের কথা রয়েছে।


ইউক্রেনে অপহৃত ফ্যাসিবাদ বিরোধী বিপ্লবী যোদ্ধা কমরেড আন্দ্রেই শকলভ কোথায় ?

whereissokolov

11538110_10204561026968456_1123118217264422709_o-1024x768

আন্দ্রেই শকলভ, রাশিয়া থেকে আসা একজন ফ্যাসিবাদ বিরোধী বিপ্লবী যোদ্ধা।  ১৬ মাস জেলে থাকার পর গত ১৫ই এপ্রিল তিনি ইউক্রেন আদালত কর্তৃক মুক্ত হন, আদালত থেকে মুক্তি পেয়ে হেঁটে আসার সময় কয়েক মিনিটের মধ্যেই তিনি অপরিচিত ব্যক্তিদের দ্বারা অপহৃত হন; অপহরণকারীরা যদি ডেথ স্কোয়াড সদস্য বা গুপ্ত পুলিশ অফিসার হন তবে তা জানাটা অসম্ভব।  অপহরণের ঐ মুহূর্ত থেকে পরিবার, বন্ধু এবং কমরেডগণ কাছে আন্দ্রেই’র কোন খবর নেই।

কমরেড, আন্দ্রেই শকলভ এবং সকল ফ্যাসিবাদ বিরোধী বিপ্লবী বন্দীদের প্রতি আমাদের সংগ্রামী লাল সালাম !


কলম্বিয়ার বামপন্থী গেরিলা দল ‘ইএলএন’ এর গেরিলা নেতা ফ্রাংকলিন নিহত

41d7828e6ebdbc04513f757084707c211287f6ee

আজ (রোববার) কলম্বিয়ার সামরিক বাহিনীর হাতে দেশটির উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে একজন বামপন্থী গেরিলা নেতাসহ ৪জন নিহত হয়েছে।  দেশটির চোকো অঞ্চলে সরকারি বাহিনীর অভিযানের সময় ফ্রাংকলিন ওরফে এল মোচো (৫৫) নামে পরিচিত এ গেরিলা নেতা নিহত হয়।

ফ্রাংকলিনের নিহত হওয়ার ঘটনাকে কলাম্বিয়ার বামপন্থী গেরিলা দল ন্যাশনাল লিবারেশন আর্মি বা ইএলএন’র জন্য বড় বিপর্যয় হিসেবে উল্লেখ করেছে সামরিক বাহিনী।  সামরিক কর্তৃপক্ষ টুইটারে এক বার্তায় বলেছে, ইএলএন-কে অর্থ যোগানো এবং দলটির পরিচালনার সঙ্গে জড়িত ছিলেন ফ্রাংকলিন।

ফ্রাংকলিনের স্থলাভিষিক্ত জোটানো ইএলএন’র জন্য সহজ হবে না বলে কলাম্বিয়ার সামরিক বাহিনী মনে করছে। ফার্কের পরই ইএলএন-কে কলাম্বিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম মার্কসবাদী গেরিলা দল হিসেবে মনে করা হয়।  গত প্রায় ২৫ বছর ধরে ইএলএন’র সঙ্গে জড়িত ছিলেন ফ্রাংকলিন।