বাংলাদেশঃ যশোর কারাগারে পূর্ববাংলার কমিউনিস্ট পার্টি’র ২ সদস্যকে ফাঁসি দেয়া হয়েছে

photo-1510887646

চুয়াডাঙ্গা জেলার মনোয়ার মেম্বর হত্যা মামলায় পূর্ব বাংলা কমিউনিস্ট পার্টির ২ আঞ্চলিক নেতা মোকিম ও ঝড়ুর ফাঁসি কার্যকর হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৬ নভেম্বর) রাত পৌনে ১২টায় যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে তাদের মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেন সিনিয়র জেল সুপার কামাল আহমেদ।

যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার আবু তালেব বাংলানিউজকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

আসামিরা হলেন, চুয়াডাঙ্গা জেলার আলমডাঙ্গা উপজেলার দুর্লভপুর গ্রামের মৃত মুরাদ আলীর ছেলে আব্দুল মকিম (৬০) ও একই গ্রামের মৃত আকছেদ আলীর ছেলে ঝড়ু (৬২)।

রাত সাড়ে ১০টার দিকে কারাগারের সামনে ও আশপাশে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। জেলখানার মূল ফটকের সামনের রাস্তায় যানচলাচল নিয়ন্ত্রণ ছাড়াও প্রশাসনের অনুরোধে আশপাশের দোকানপাট বন্ধ করতে দেখা যায়। পুলিশ ও কারারক্ষী ছাড়াও বিভিন্ন সংস্থার লোকজনের উপস্থিতি দেখা যায়।

যশোর কেন্দ্রীয় কারাগার সূত্র জানায়, দুই আসামির ফাঁসি কার্যকরের লক্ষে চলতি সপ্তাহে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে দুই জল্লাদকে যশোরে এনে মহড়া দেওয়া হয়। রাত ১১টার দিকে দুইটি এ্যাম্বুলেন্স, জেলা প্রশাসনের একজন ম্যাজিস্ট্রেট ও সিভিল সার্জন কারাগারে যান।

সশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, পূর্ববাংলা কমিউনিস্ট পার্টির নেতারা ১৯৯৪ সালের ২৮ জুন চুয়াডাঙ্গা জেলার আলমডাঙ্গা উপজেলার দুর্লভপুর গ্রামের ইউপি সদস্য মনোয়ার হোসেনকে হত্যা করে। এ ঘটনার পরদিন নিহতের ভাই অহিম উদ্দিন বাদী হয়ে ২১ জনকে আসামি করে আলমডাঙ্গা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ একযুগ পর ২০০৬ সালে ৩ আসামির ফাঁসি, ২ আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ১৬ আসামির বেকসুর খালাস দিয়ে রায় ঘোষণা করেন আদালত। তবে ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা উচ্চ আদালতে রিভিউ করলে এক আসামির ফাঁসি মওকুফ করা হয়।

সূত্রঃ http://www.banglanews24.com/national/news/bd/617868.details

Advertisements

বগুড়ায় পূর্ববাংলার সর্বহারা পার্টি – সিসি’র পোস্টারিং

image-104436-1507384391

বগুড়ার ধুনট উপজেলার মথুরাপুর ইউনিয়ন এলাকায় নিষিদ্ধ ঘোষিত পূর্ববাংলার সর্বহারা পার্টি – সিসি পোস্টারিং করেছে। গত শনিবার সকালের দিকে এলাকাবাসীর নজরে আসে এই পোস্টারগুলো।  

বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে সরেজমনি দেখা যায়, উপজেলার মথুরাপুর গ্রাম থেকে শিমুলকান্দি গ্রাম পর্যন্ত প্রায় আধা কিলোমিটার রাস্তার দুই পাশে ঘরের বেড়া, স্কুলের নামফলক ও গাছের সাথে এসব পোস্টার সাটানো হয়েছে। এরমধ্যে মথুরাপুর গ্রামে জয়নাল আবেদীনের ঘরের বেড়ায়, উলিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম ফলকে ও শিমুলকান্দি গ্রামে রাস্তার পাশে গাছের সাথে পোস্টারগুলো শোভা পাচ্ছে।

পোস্টারে লাল রঙের ছাপা অক্ষরে লেখা রয়েছে, সর্বহারা পার্টির ৪র্থ জাতীয় কংগ্রেসের আহ্বান-শোষনহীন শ্রেণিহীন বিশ্বসমাজ কমিউনিজমের লক্ষ্যে সমাজতন্ত্র কায়েমের জন্য মার্কসবাদ লেলিনবাদ মাওবাদের মতবাদকে আঁকড়ে ধরুন। ঐক্যবদ্ধ হোন-একটি একক মাওবাদী পার্টি ও একটি নতুন ধরনের কমিউনিস্ট আর্ন্তজাতিক সংগঠন গড়ে তুলন। এছাড়া সরকার বিরোধী বিভিন্ন ধরনের স্লোগান রয়েছে। প্রচারে পূর্ববাংলার সর্বহারা পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটি।

মথুরাপুর গ্রামের মাদ্রাসা ছাত্র রাসেল মাহমুদ জানায়, সকাল বেলা ঘর থেকে বের হয়ে ঘরের বেড়ার সাথে এই পোস্টার লাগানো দেখেছে। কে বা কারা এই পোস্টার লাগিয়েছে তা বলতে পারছে না। তবে পোস্টারে সরকার বিরোধী বিদ্রোহের ভাব প্রকাশ করা হয়েছে।

স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা আজাহার আলী ভূইয়া বলেন, কে বা কারা কখন এই পোস্টারগুলো লাগিয়েছে তা বলা সম্ভব হচ্ছে না।

মথুরাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হারুন-অর-রশিদ সেলিম এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, আশির দশকে এই এলাকায় সর্বহারা পার্টির আখড়া ছিল। ওই সময় প্রশাসনের হস্তক্ষেপে সর্বহারাপার্টি এলাকা থেকে বিদায় নিয়েছিল। কিন্ত আবারো পোস্টার লাগিয়ে এলাকায় সর্বহারা পার্টির আগমণের জানান দিচ্ছে। এ বিষয়টি থানা পুলিশকে জানানো হয়েছে।

ধুনট থানার ওসি মিজানুর রহমান বলেন, কতিপয় অসাধু ব্যক্তি তামাসা করার জন্যই এ ধরনের পোস্টার প্রচার করেন। প্রকৃত পক্ষে এই এলাকায় সর্বহারা পার্টির কোনো অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যায়নি। তারপরও এ বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

সূত্রঃ dainikamadershomoy


৪৫ বছর আত্মগোপনে থাকা শ্রমজী‌বি মু‌ক্তি আন্দোল‌নের প্রধান নেতা আনোয়ার হোসেনের মৃত্যু

নিষিদ্ধ ঘোষিত শ্রমজী‌বি মু‌ক্তি আন্দোল‌নের প্রধান নেতা আনোয়ার হোসেন দেবুর মৃত্যু হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে রোগাক্রান্ত ছিলেন তিনি।

বিশ্বস্ত সুত্রে জানা গেছে, ৪৫ বছর ধরে আত্মগোপনে থাকা আনোয়ার হোসেন রবিবার সন্ধ্যায় রাজবাড়ি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন। মৃতুকালে তার বয়স হয়েছিলো ৬৮ বছর। তিনি স্ত্রী, ৬ মেয়ে ও এক ছেলে রেখে গেছেন। মৃত্যুর খবর পেয়ে তার পরিবারের সদস্যরা রবিবার রাতে মৃতদেহ আনতে রওনা হয়েছেন।

জানা গেছে, ঝিনাইদহ সদর উপজেলার ভরতপুর গ্রামে আনোয়ার হোসেন দেবুর বাড়ি। তার বাবার নাম মৃত আনসার আলী। যুবক বয়সে মাঠে কৃষি কাজ ও রাস্তায় মাটি কেটে জীবিকা নির্বাহ করা আনোয়ার হোসেন মাত্র ২২ বছর বয়সে যোগ দেন বিপ্লবী কমিউনিষ্ট (হক গ্রুপ) পার্টিতে। প‌রে শ্রমজী‌বি মু‌ক্তি আন্দোলন না‌মে দল গ‌ড়ে তো‌লেন। গোপন সংগঠনে তার নাম হয় দেবু। দ‌ক্ষিন প‌শ্চিমাঞ্চ‌লে ১৯৯৭ সা‌লের পর ১ দশ‌কের বেশী সময় ধ‌রে প্রাধান্য বিস্তার ক‌রে ছি‌ল তার এই দল‌টি। দক্ষিন পশ্চিমাঞ্চলে চরমপন্থিদলের আত্মসমর্পন প্রক্রিয়ার সমন্বয়কারী মীর ইলিয়াস হোসেন দিলিপের আহবানে সাড়া দিয়ে তিনি ২০০০ সালে আত্মসর্পন কর‌লেও চ‌ল্লিশ বছ‌রের বেশী সময় পলাতক জীবন যাপন ক‌রে‌ছেন। পরে শ্রমজীবী মুক্তি আন্দোলনের গোপন সংগঠন গণমুক্তি ফৌজে যোগদান করার কথা শোনা যায়।

অনুন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা আর পুলিশের নজরদারী এড়িয়ে দেবু বাহিনী নিয়ে ঝিনাইদহের পশ্চিমাঞ্চলে ঘাঁটি তৈরি করেন। গোপন দলগুলোর বহুধা বিভক্তির কারণে আধিপত্য বিস্তার ও ক্ষমতার দ্বন্দ্বে পূর্ববাংলার কমিউনিস্ট পার্টি ও পূর্ববাংলার সর্বহারা পার্টির সাথে বহুযুদ্ধে অংশ নেওয়ার কথা শোনা যায়। অল্পদিনে তার নাম ছড়িয়ে পড়ে জেলার আন্ডারগ্রাউন্ড মহলে।

কিছুদিন তিনি জনসমক্ষে চলাফেরা করলেও আবারো আত্মগোপনে চলে যান।

পুলিশ ও র‌্যাবসহ সরকারের বিভিন্ন বাহিনীর আধুনিকায়নের ফলে জেলাব্যাপী চরমপন্থি দমনে ব্যাপক অভিযান চালানো হয়। আনোয়ার হোসেন দেবুর অনেক সহযোগী পুলিশ ও র‌্যাবের অভিযানে নিহত হন। এমনকি তার আপন ভাই তপুও কিডন্যাপ হওয়ার পর আর ফিরে আসেনি।

দেশব্যাপী ক্রসফায়ার ও বন্দুকযুদ্ধের মধ্যে দেবু রাজবাড়ি ও ফরিদপুর এলাকায় আত্মগোপন করেন। উন্নত তথ্য প্রযুক্তির যুগেও তাকে গ্রেফতার করতে পারেনি সরকারের কোন বাহিনী। দীর্ঘ ৪৫ বছর আত্মগোপনে থাকা নিঃসঙ্গ দেবু অবশেষে স্বাভাবিক মৃত্যুবরণ করেন।

 


আদিবাসীদের কমিউনিস্ট স্কুল উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি ফিলিপাইনের প্রেসিডেন্ট দুয়ার্তের

2-communist-party-philippines-ndf-filipino-children

বোমা মেরে লুমাড নামের আদিবাসী জনগোষ্ঠীর স্কুল উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিলেন ফিলিপাইনের বহুল বিতর্কিত প্রেসিডেন্ট রদ্রিগো দুয়ার্তে। শিক্ষকরা স্কুলের শিক্ষার্থীদের মাওবাদী কমিউনিস্ট বিদ্রোহী হওয়ার শিক্ষা দেন; এমন অভিযোগ তুলে স্কুলে বোমা হামলার হুমকি দেন তিনি। মানবাধিকার সংগঠনগুলো দুয়ার্তের এই মন্তব্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। উল্লেখ্য, চলতি মাসেই আইএস-এর পর মাওবাদী কমিউনিস্ট বিদ্রোহীদের নিশানা করবেন বলে জানিয়েছিলেন ফিলিপাইনের এই বিতর্কিত প্রেসিডেন্ট।

সোমবার টেলিভিশনে প্রচারিত এক সংবাদ সম্মেলনে দেশজুড়ে সেতু আর স্কুল ধ্বংসের নিন্দা জানান দুয়ার্তে। তবে লুমাডদের স্কুল সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে তিনি বলেন, স্কুলগুলো সরকার নয়, পরিচালিত হয় কমিউনিস্ট বিদ্রোহীদের কথায়। দুয়ার্তে ওই বক্তৃতায় বলেন, ‘লুমাড জনগোষ্ঠীকে বলছি, এইসব ছাড়ুন। আপনাদের অবকাঠামোসহ সবকিছু আমি বোমা মেরে উড়িয়ে দেব’।

উল্লেখ্য অস্ত্রভক্তির জন্য দুয়ার্তের পরিচিতি রয়েছে। গত বছর নভেম্বরে নিজ হাতে গুলি করে হত্যার কথাও স্বীকার করেন দুয়ার্তে। তখন ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি-কে তিনি জানান, দাভাও শহরের মেয়র থাকাকালে তিনি তিন সন্দেহভাজন মাদক ব্যবসায়ীকে গুলি করে হত্যা করেছিলেন। ওই শহরে দুয়ার্তে ২০ বছর ধরে নির্বাচিত মেয়র ছিলেন। চলতি মাসে দুয়ার্তে মারাউই সিটির একটি সামরিক ঘাঁটি পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি সেনাদের উদ্দেশে বলেন, আইএসের সঙ্গে জড়িত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর সঙ্গে লড়াইয়ের পর তারা কমিউনিস্ট বিদ্রোহীদের দমনে যুদ্ধে নামবেন।

সূত্রঃ banglatribune


র‌্যাবের সঙ্গে কথিত ‘বন্দুকযুদ্ধে’ পূর্ববাংলার কমিউনিস্ট পার্টির ২ সদস্য নিহত

1496230903_01

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর উপজেলায় র‌্যাবের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে পূর্ববাংলার কমিউনিস্ট পার্টির ২ সদস্য নিহত হয়েছেন।

এরা হলেন- উপজেলার বখশীপুর গ্রামের মাইদুল ইসলাম রানা (৪৫) ও বহরমপুরের আলিমুদ্দিন (৫৭)।

রানা পূর্ব বাংলা কমিউনিস্ট পার্টির আঞ্চলিক নেতা ও আলিমুদ্দিন তার সহযোগী ছিলেন বলে র‌্যাব-৬ এর ঝিনাইদহ কোম্পানি কমান্ডার মনির আহমেদ জানান।

তিনি বলেন, মঙ্গলবার রাত ১টার দিকে “উপজেলার কুশনা গ্রামের একটি মাঠে পূর্ব বাংলা কমিউনিস্ট পার্টির ১০ থেকে ১২ জন বসে নাশকতার পরিকল্পনা করছিল বলে আমাদের কাছে খবর ছিল।

“র‌্যাবের একটি টহল দল রাত ১২টার দিকে সেখানে গেলে র‌্যাব সদস্যদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়। র‌্যাবও পাল্টা গুলিকবর্ষণ করে। প্রায় ১০ মিনিট বন্দুকযুদ্ধ হয়।”

এরপর সন্ত্রাসীরা পালিয়ে গেলে রানা ও আলিমুদ্দিনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পাওয়া যায়। তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

র‌্যাব কর্মকর্তা মনির বলেন, ঘটনাস্থল থেকে দুটি রাইফেল, একটি নাইন এম এম পিস্তল, ১৪টি গুলি, একটি হাঁসুয়া ও দুটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।

সূত্রঃ bdnews24.com/samagrabangladesh/detail/home/1342546


রাজবাড়ীঃ পূর্ববাংলার সর্বহারা পার্টি(MBRM) এর সদস্য গ্রেফতার

1495557789

রাজবাড়ীতে একটি বিদেশি নাইন এমএম পিস্তল ও পাঁচ রাউন্ড গুলিসহ আলমগীর খান (৩৫) নামে পূর্ববাংলার সর্বহারা পার্টি(MBRM) এর এক সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (২৩ মে) সন্ধ্যা ৭টায় জেলা সদরের দাদশী ইউনিয়নের আগমাড়াই গ্রাম থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। আলমগীর রাজবাড়ী জেলা সদরের বরাট ইউনিয়নের গোপালবাড়ী গ্রামের মোসলেম খানের ছেলে।

রাজবাড়ী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) মো. কামাল হোসেন ভূইয়া বাংলানিউজকে জানান, ২০১০ সালের রাজবাড়ী জেলা সদরের বরাট ইউনিয়নের উড়াকান্দার আলোচিত ফোর মার্ডার মামলার আসামি আলমগীর। তিনি ডিএসবি’র তালিকাভূক্ত নিষিদ্ধ ঘোষিত চরমপন্থি সংগঠন পূর্ববাংলার সর্বহারা পার্টি(MBRM) এর সক্রিয় সদস্য।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সন্ধ্যায় দাদশী ইউনিয়নের আগমাড়াই গ্রামের মাইনদ্দিনের বাড়ির পাশে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এসময় তার কাছ থেকে একটি বিদেশি নাইন এমএম পিস্তল ও পাঁচ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়। এ ব্যাপারে আলমগীরের বিরুদ্ধে রাজবাড়ী সদর থানায় অস্ত্র আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানান তিনি।

সূত্রঃ http://www.banglanews24.com/national/news/bd/576297.details


রাজবাড়ীঃ কথিত ‘বন্দুকযুদ্ধে’ পূর্ববাংলার কমিউনিস্ট পার্টি(এমএল-লাল পতাকা)-র আঞ্চলিক প্রধান নিহত

92a2b76f06343764ecbedd266682c140-59171d071e047

রাজবাড়ীতে র‌্যাবের সঙ্গে কথিত ‘বন্দুকযুদ্ধে’ পূর্ববাংলার কমিউনিস্ট পার্টির আঞ্চলিক প্রধান ও তার সহযোগী নিহত হয়েছেন। শনিবার (১৩ মে) ভোরে জেলার গোয়ালন্দ উপজেলার দেবগ্রাম ইউনিয়নের পদ্মার রাখাল গাছী চরে এ ঘটনা ঘটে। এসময় র‌্যাবের দুই সদস্য আহত হয়েছে বলে জানিয়েছে র‌্যাব।

নিহতরা হলেন— নিষিদ্ধ ঘোষিত পূর্ববাংলার কমিউনিস্ট পার্টি (এমএল-লাল পতাকা) বাহিনীর আঞ্চলিক প্রধান পাবনা জেলার জালালপুর গ্রামের সফি মুন্সির ছেলে রাকিবুল হাসান বাপ্পি (৩০) ও তার সহযোগী রাজবাড়ী জেলা সদরের বরাট ইউনিয়নের গোপালবাড়ি গ্রামের কুদ্দুস মোল্লার ছেলে লালন মোল্লা (৩৩)।

ঘটনাস্থল থেকে র‌্যাব সদস্যরা একটি টুটু রাইফেল, একটি বিদেশি পিস্তল, একটি রাম দা, দুইটি ছোরা, দুইটি এলজি, পিস্তল ও রাইফেলের ৬০ রাউন্ড গুলি, দুইটি মোবাইল, দুইটি টর্চ লাইট, একাধিক লিফলেট, দুইটি ঘড়িসহ মাদকদ্রব্য ও পানীয় উদ্ধার করা হয়।

আহত র‌্যাব সদস্যরা হলেন— ল্যান্স কর্পোরাল হারুন-অর-রশীদ, পিসি সিরাজুল ইসলাম। আহতরা প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ক্যাম্পে ফিরে গেছে বলে জানিয়েছে র‌্যাব।

ফরিদপুর র‌্যাব-৮-এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রইছ উদ্দিন সাংবাদিকদের জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব পদ্মার এই দুর্গম চরাঞ্চলে অভিযান চালায়। সেখানে নিষিদ্ধ লাল পতাকা বাহিনীর সদস্যরা মিটিং করছিল। র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে তারা র‌্যাবকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। দু’পক্ষের মধ্যে আধা ঘণ্টাব্যাপী গোলাগুলি হয়। এসময় র‌্যাব ১৩৭ রাউন্ড গুলি ছুঁড়ে। পরে ঘটনাস্থলে দুই ব্যক্তির মৃতদেহ পাওয়া যায়। অন্য সদস্যরা পালিয়ে যায়।

রাজবাড়ী জেলা পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার (অপরাধ) সদর সার্কেল মো. আসাদুজ্জামান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। মৃতদেহ দু’টির সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠিয়েছে গোয়ালন্দ ঘাট থানা পুলিশ।

সূত্রঃ banglatribune