র‌্যাবের সঙ্গে কথিত ‘বন্দুকযুদ্ধে’ পূর্ববাংলার কমিউনিস্ট পার্টির ২ সদস্য নিহত

1496230903_01

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর উপজেলায় র‌্যাবের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে পূর্ববাংলার কমিউনিস্ট পার্টির ২ সদস্য নিহত হয়েছেন।

এরা হলেন- উপজেলার বখশীপুর গ্রামের মাইদুল ইসলাম রানা (৪৫) ও বহরমপুরের আলিমুদ্দিন (৫৭)।

রানা পূর্ব বাংলা কমিউনিস্ট পার্টির আঞ্চলিক নেতা ও আলিমুদ্দিন তার সহযোগী ছিলেন বলে র‌্যাব-৬ এর ঝিনাইদহ কোম্পানি কমান্ডার মনির আহমেদ জানান।

তিনি বলেন, মঙ্গলবার রাত ১টার দিকে “উপজেলার কুশনা গ্রামের একটি মাঠে পূর্ব বাংলা কমিউনিস্ট পার্টির ১০ থেকে ১২ জন বসে নাশকতার পরিকল্পনা করছিল বলে আমাদের কাছে খবর ছিল।

“র‌্যাবের একটি টহল দল রাত ১২টার দিকে সেখানে গেলে র‌্যাব সদস্যদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়। র‌্যাবও পাল্টা গুলিকবর্ষণ করে। প্রায় ১০ মিনিট বন্দুকযুদ্ধ হয়।”

এরপর সন্ত্রাসীরা পালিয়ে গেলে রানা ও আলিমুদ্দিনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পাওয়া যায়। তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

র‌্যাব কর্মকর্তা মনির বলেন, ঘটনাস্থল থেকে দুটি রাইফেল, একটি নাইন এম এম পিস্তল, ১৪টি গুলি, একটি হাঁসুয়া ও দুটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।

সূত্রঃ bdnews24.com/samagrabangladesh/detail/home/1342546


রাজবাড়ীঃ পূর্ববাংলার সর্বহারা পার্টি(MBRM) এর সদস্য গ্রেফতার

1495557789

রাজবাড়ীতে একটি বিদেশি নাইন এমএম পিস্তল ও পাঁচ রাউন্ড গুলিসহ আলমগীর খান (৩৫) নামে পূর্ববাংলার সর্বহারা পার্টি(MBRM) এর এক সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (২৩ মে) সন্ধ্যা ৭টায় জেলা সদরের দাদশী ইউনিয়নের আগমাড়াই গ্রাম থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। আলমগীর রাজবাড়ী জেলা সদরের বরাট ইউনিয়নের গোপালবাড়ী গ্রামের মোসলেম খানের ছেলে।

রাজবাড়ী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) মো. কামাল হোসেন ভূইয়া বাংলানিউজকে জানান, ২০১০ সালের রাজবাড়ী জেলা সদরের বরাট ইউনিয়নের উড়াকান্দার আলোচিত ফোর মার্ডার মামলার আসামি আলমগীর। তিনি ডিএসবি’র তালিকাভূক্ত নিষিদ্ধ ঘোষিত চরমপন্থি সংগঠন পূর্ববাংলার সর্বহারা পার্টি(MBRM) এর সক্রিয় সদস্য।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সন্ধ্যায় দাদশী ইউনিয়নের আগমাড়াই গ্রামের মাইনদ্দিনের বাড়ির পাশে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এসময় তার কাছ থেকে একটি বিদেশি নাইন এমএম পিস্তল ও পাঁচ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়। এ ব্যাপারে আলমগীরের বিরুদ্ধে রাজবাড়ী সদর থানায় অস্ত্র আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানান তিনি।

সূত্রঃ http://www.banglanews24.com/national/news/bd/576297.details


রাজবাড়ীঃ কথিত ‘বন্দুকযুদ্ধে’ পূর্ববাংলার কমিউনিস্ট পার্টি(এমএল-লাল পতাকা)-র আঞ্চলিক প্রধান নিহত

92a2b76f06343764ecbedd266682c140-59171d071e047

রাজবাড়ীতে র‌্যাবের সঙ্গে কথিত ‘বন্দুকযুদ্ধে’ পূর্ববাংলার কমিউনিস্ট পার্টির আঞ্চলিক প্রধান ও তার সহযোগী নিহত হয়েছেন। শনিবার (১৩ মে) ভোরে জেলার গোয়ালন্দ উপজেলার দেবগ্রাম ইউনিয়নের পদ্মার রাখাল গাছী চরে এ ঘটনা ঘটে। এসময় র‌্যাবের দুই সদস্য আহত হয়েছে বলে জানিয়েছে র‌্যাব।

নিহতরা হলেন— নিষিদ্ধ ঘোষিত পূর্ববাংলার কমিউনিস্ট পার্টি (এমএল-লাল পতাকা) বাহিনীর আঞ্চলিক প্রধান পাবনা জেলার জালালপুর গ্রামের সফি মুন্সির ছেলে রাকিবুল হাসান বাপ্পি (৩০) ও তার সহযোগী রাজবাড়ী জেলা সদরের বরাট ইউনিয়নের গোপালবাড়ি গ্রামের কুদ্দুস মোল্লার ছেলে লালন মোল্লা (৩৩)।

ঘটনাস্থল থেকে র‌্যাব সদস্যরা একটি টুটু রাইফেল, একটি বিদেশি পিস্তল, একটি রাম দা, দুইটি ছোরা, দুইটি এলজি, পিস্তল ও রাইফেলের ৬০ রাউন্ড গুলি, দুইটি মোবাইল, দুইটি টর্চ লাইট, একাধিক লিফলেট, দুইটি ঘড়িসহ মাদকদ্রব্য ও পানীয় উদ্ধার করা হয়।

আহত র‌্যাব সদস্যরা হলেন— ল্যান্স কর্পোরাল হারুন-অর-রশীদ, পিসি সিরাজুল ইসলাম। আহতরা প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ক্যাম্পে ফিরে গেছে বলে জানিয়েছে র‌্যাব।

ফরিদপুর র‌্যাব-৮-এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রইছ উদ্দিন সাংবাদিকদের জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব পদ্মার এই দুর্গম চরাঞ্চলে অভিযান চালায়। সেখানে নিষিদ্ধ লাল পতাকা বাহিনীর সদস্যরা মিটিং করছিল। র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে তারা র‌্যাবকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। দু’পক্ষের মধ্যে আধা ঘণ্টাব্যাপী গোলাগুলি হয়। এসময় র‌্যাব ১৩৭ রাউন্ড গুলি ছুঁড়ে। পরে ঘটনাস্থলে দুই ব্যক্তির মৃতদেহ পাওয়া যায়। অন্য সদস্যরা পালিয়ে যায়।

রাজবাড়ী জেলা পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার (অপরাধ) সদর সার্কেল মো. আসাদুজ্জামান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। মৃতদেহ দু’টির সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠিয়েছে গোয়ালন্দ ঘাট থানা পুলিশ।

সূত্রঃ banglatribune


পূর্ববাংলার কমিউনিস্ট পার্টি(লাল পতাকা) নেতার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

chuadanga_map_bangladesh

নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন পূর্ববাংলার কমিউনিস্ট পার্টির (লাল পতাকা) আঞ্চলিক নেতা জুয়েল রানা ওরফে সুজাউদ্দিন ওরফে জয়বাবুর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (২৫ এপ্রিল) বিকালে চুয়াডাঙ্গার স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল-৩ আদালতের বিচারক মো. রোকনুজ্জামান আসামির অনুপস্থিতিতে এ রায় দেন।

জুয়েল রানা চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা উপজেলার দলকালক্ষীপুর গ্রামের ইসরাইল হোসেনের ছেলে।

অ্যাডভোকেট বেলাল হোসেন জানান, ২০০৯ সালের ৭ নভেম্বর রাতে জেলার সদর উপজেলার আলোকদিয়া বাসস্ট্যান্ডের যাত্রী ছাউনির পেছন থেকে একটি সাটারগানসহ ধরা পড়ে জয়বাবু। এরপর সদর থানার তৎকালীন উপ-পরিদর্শক (এসআই) ইলিয়াস হোসেন জুয়েল রানাকে আসামি করে চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় অস্ত্র আইনে মামলা করেন।

সূত্রঃ http://bdnews24.com/samagrabangladesh/detail/samagrabangladesh/1325612


বাংলাদেশঃ লাল পতাকা বাহিনীর প্রধান গ্রেফতার

রাজবাড়ীতে চরমপন্থী সংগঠন লাল পতাকা বাহিনীর প্রধান ওমর ফারুককে (৩১) গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৮। এসময় একটি বিদেশি পিস্তল, দুটি ম্যাগজিন ও ৩ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়। সে পাবনার ঈশ্বরদীতে রেলওয়ে এর নিরাপত্তা বাহিনীতে সরকারী চাকুরী করে।

২০ এপ্রিল বৃহস্পতিবার বিকেলে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে র‍্যাব-৮ ফরিদপুর ক্যাম্পের দুই নম্বর কোম্পানীর অধিনায়ক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রইছ উদ্দিন এ তথ্য মিডিয়াকর্মীদের কাছে তুলে ধরেন।

গ্রেফতারকৃত ওমর ফারুক সদরের বরাট ইউনিয়নের নবগ্রামের আবুল কাশেম বিশ্বাসের ছেলে।

বিজ্ঞপ্তিতে র‌্যাব-৮, সিপিসি-২ ফরিদপুর ক্যাম্পের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রইছ উদ্দিন জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার (১৮ এপ্রিল) সকালে পাবনা জেলার ঈশ্বরদী থেকে ওমর ফারুককে গ্রেফতার করা হয়। এরপর তাকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে সে স্বীকার করে যে, রাজবাড়ী জেলা সদরের বরাটে তার নিজ বাড়িতে অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র রয়েছে। পরে বুধবার (১৯ এপ্রিল) দিবাগত রাত সাড়ে ১১টার দিকে তার বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। এসময় ওই বাড়ির একটি পরিত্যাক্ত ঘরে মাটির নিচে পুঁতে রাখা কলসির মধ্যে থেকে একটি বিদেশী পিস্তল, তিন রাউন্ড গুলি ও দুইটি ম্যাগজিন উদ্ধার করা হয় ।

তিনি আরও জানান, ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে রাজবাড়ী সদর ও গোয়ালন্দ থানায় হত্যা সহ একাধিক মামলা রয়েছে।

এ বিষয়ে অস্ত্র আইনে মামলা দায়ের করে তাকে রাজবাড়ী সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

সূত্রঃ http://www.banglanews24.com

http://www.dailyjanakantha.com


খুলনায় পূর্ববাংলার কমিউনিস্ট পার্টির ৩ সদস্য আটক

জেলার ফুলতলা উপজেলা থেকে গোয়েন্দা পুলিশ ২ এপ্রিল ‘১৭ এর প্রথমভাগে বিশেষ অভিযান চালিয়ে নিষিদ্ধ ঘোষিত পূর্ব বাংলার কমিউনিস্ট পার্টির আঞ্চলিক নেতা হাফিজ চৌধুরীকে তার দুই সঙ্গীসহ গ্রেপ্তার করেছে।
আটককৃত অন্য দু’জন হলো- জাহেরুল ইসলাম খান এবং হোসেন কবির রাসেল। তাদের উভয়ের বাড়িও একই উপজেলায়।
পুলিশ এ সময় দু’টি বিদেশে তৈরি বন্দুক, একটি শাটার গান, দুইটি কার্তুজ এবং আটটি হাতে তৈরি গ্রেনেড উদ্ধার করে।
এ ব্যাপারে খুলনায় গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক শিকদার আক্কাস আলী বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রোববার দিবাগত রাত ২টার সময় গোয়েন্দা পুলিশের একটি বিশেষ দল ফুলতলা উপজেলার দামোদর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে।
পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সন্ত্রাসীরা পুলিশ সদস্যদের লক্ষ্য করে ৯ থেকে ১০টি বোমা নিক্ষেপ করে। পরে পুলিশ ও সন্ত্রাসীদের মধ্যে বন্দুক যুদ্ধ শুরু হয় এবং তা প্রায় দেড় ঘন্টা ধরে চলে। এক পর্যায়ে পুলিশ অস্ত্র ও দুই সহযোগীসহ হাফিজকে আটক করে। খুলনা পুলিশের তালিকাভুক্ত আসামি হাফিজ এসময় গুলিবিদ্ধ হয়।
হত্যা মামলাসহ বিভিন্ন মামলার আসামি হাফিজ বিভিন্ন সময় পলাতক ছিল।
এ ঘটনায় ফুলতলা থানায় দু’টি মামলা দায়ের করা হয়।

সূত্রঃ http://www.bssnews.net/bangla/newsDetails.php?cat=4&id=395669&date=2017-04-02


পূর্ববাংলার কমিউনিস্ট পার্টি (লাল পতাকা) সদস্য গ্রেফতার

04-5509993-17

রাজবাড়ীতে বিদেশি অস্ত্র-গুলিসহ বশির উদ্দিন নামে পূর্ববাংলার কমিউনিস্ট পার্টি (লাল পতাকা) সদস্যকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটেলিয়ন (র‌্যাব-৮)। শনিবার (০৪ মার্চ) ভোররাতে জেলা সদরের পাঁচুরিয়া বাজার থেকে তাকে আটক করা হয়। বশির জেলা সদরের বরাট ইউনিয়নের নবগ্রামের বাসিন্দা। তার বাবার নাম আজিজুল হক।
র‌্যাব-৮ ফরিদপুর ক্যাম্পের দুই নং কোম্পানির ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রইছ উদ্দিন জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভোররাতে পাঁচুরিয়া বাজার থেকে বশিরকে আটক করা হয়। এসময় তার কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, তিন রাউন্ড গুলি, দুটি ম্যগজিন, একটি ওয়ান শুটারগান ও দুই রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার করা হয়। বশির একজন অবৈধ অস্ত্রধারী এবং পূর্ববাংলার কমিউনিস্ট পার্টি (লাল পতাকা) বাপ্পী বাহিনীর অন্যতম সদস্য। তার বিরুদ্ধে রাজবাড়ী থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

সূত্রঃ https://rajbaribarta.com/5159