বাংলাদেশঃ ‘সোভিয়েত সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবের শতবর্ষ’ উদযাপন কমিটির আহবান

22447651_1697675476909987_1331662182_n

22551473_1697675563576645_94247588_n

Advertisements

বাংলাদেশে ১০ই নভেম্বর উদযাপিত হতে যাচ্ছে ‘সোভিয়েত সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবের শতবর্ষ’

 

22471586_1697675343576667_1400848975_n


ডাউনলোড করুনঃ মার্কস-এঙ্গেলস নির্বাচিত রচনাবলি (১২ খণ্ড একত্রে)

Scanned-Document-011

 

মার্কস-এঙ্গেলস নির্বাচিত রচনাবলি (১২ খণ্ড একত্রে) ডাউনলোড করতে নীচে ক্লিক করুন

 

খণ্ড – ১, ২, ৩

খন্ড – ৪, ৫, ৬

খণ্ড – ৭, ৮, ৯

খণ্ড – ১০, ১১, ১২

 


বগুড়ায় পূর্ববাংলার সর্বহারা পার্টি – সিসি’র পোস্টারিং

image-104436-1507384391

বগুড়ার ধুনট উপজেলার মথুরাপুর ইউনিয়ন এলাকায় নিষিদ্ধ ঘোষিত পূর্ববাংলার সর্বহারা পার্টি – সিসি পোস্টারিং করেছে। গত শনিবার সকালের দিকে এলাকাবাসীর নজরে আসে এই পোস্টারগুলো।  

বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে সরেজমনি দেখা যায়, উপজেলার মথুরাপুর গ্রাম থেকে শিমুলকান্দি গ্রাম পর্যন্ত প্রায় আধা কিলোমিটার রাস্তার দুই পাশে ঘরের বেড়া, স্কুলের নামফলক ও গাছের সাথে এসব পোস্টার সাটানো হয়েছে। এরমধ্যে মথুরাপুর গ্রামে জয়নাল আবেদীনের ঘরের বেড়ায়, উলিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম ফলকে ও শিমুলকান্দি গ্রামে রাস্তার পাশে গাছের সাথে পোস্টারগুলো শোভা পাচ্ছে।

পোস্টারে লাল রঙের ছাপা অক্ষরে লেখা রয়েছে, সর্বহারা পার্টির ৪র্থ জাতীয় কংগ্রেসের আহ্বান-শোষনহীন শ্রেণিহীন বিশ্বসমাজ কমিউনিজমের লক্ষ্যে সমাজতন্ত্র কায়েমের জন্য মার্কসবাদ লেলিনবাদ মাওবাদের মতবাদকে আঁকড়ে ধরুন। ঐক্যবদ্ধ হোন-একটি একক মাওবাদী পার্টি ও একটি নতুন ধরনের কমিউনিস্ট আর্ন্তজাতিক সংগঠন গড়ে তুলন। এছাড়া সরকার বিরোধী বিভিন্ন ধরনের স্লোগান রয়েছে। প্রচারে পূর্ববাংলার সর্বহারা পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটি।

মথুরাপুর গ্রামের মাদ্রাসা ছাত্র রাসেল মাহমুদ জানায়, সকাল বেলা ঘর থেকে বের হয়ে ঘরের বেড়ার সাথে এই পোস্টার লাগানো দেখেছে। কে বা কারা এই পোস্টার লাগিয়েছে তা বলতে পারছে না। তবে পোস্টারে সরকার বিরোধী বিদ্রোহের ভাব প্রকাশ করা হয়েছে।

স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা আজাহার আলী ভূইয়া বলেন, কে বা কারা কখন এই পোস্টারগুলো লাগিয়েছে তা বলা সম্ভব হচ্ছে না।

মথুরাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হারুন-অর-রশিদ সেলিম এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, আশির দশকে এই এলাকায় সর্বহারা পার্টির আখড়া ছিল। ওই সময় প্রশাসনের হস্তক্ষেপে সর্বহারাপার্টি এলাকা থেকে বিদায় নিয়েছিল। কিন্ত আবারো পোস্টার লাগিয়ে এলাকায় সর্বহারা পার্টির আগমণের জানান দিচ্ছে। এ বিষয়টি থানা পুলিশকে জানানো হয়েছে।

ধুনট থানার ওসি মিজানুর রহমান বলেন, কতিপয় অসাধু ব্যক্তি তামাসা করার জন্যই এ ধরনের পোস্টার প্রচার করেন। প্রকৃত পক্ষে এই এলাকায় সর্বহারা পার্টির কোনো অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যায়নি। তারপরও এ বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

সূত্রঃ dainikamadershomoy


রোহিঙ্গা জাতিগোষ্ঠী নিয়ে ‘ল্যাম্পপোস্টের’ বিবৃতি

16831878_1891724551045436_2226135035126368921_n

 

খবর বিজ্ঞপ্তি

১৭/০৯/২০১৭

 

বিষয়: রোহিঙ্গা জাতিগোষ্ঠীর উপর মায়ানমার রাষ্ট্রীয় বাহিনীর হামলা-হত্যা ও ভূমি থেকে উচ্ছেদের প্রতিবাদে নিন্দা জ্ঞাপন ও নিজেদের ভূমি রক্ষায় রাজনৈতিক সক্ষমতা অর্জনের আহ্বান।

পাহাড়ি ঢল-পাহাড় ধ্বস-বন্যাক্রান্ত আমাদের প্রান্তিক জনগোষ্ঠির রাষ্ট্রীয় ত্রাণ ও পুনর্বাসনের কোন সুবন্দোবস্ত না হতেই পাশ্ববর্তী দেশ মিয়ানমারের রাষ্ট্রীয় বাহিনী কর্তৃক রোহিঙ্গা প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর উপর আগুন সন্ত্রাস ও গণহত্যা- এরই প্রেক্ষিতে আমাদের দেশে প্রাণভয়ে আশা রোহিঙ্গা মানুষের অবস্থান ও উভয়ের নিরাপত্তা এবং এই ঘটনাকে ঘিরে বিশ্বরাজনীতিতে বিভিন্ন মেরুকরণ-করণীয় নির্ধারণ জটিল পরিস্থিতির জন্ম দিয়েছে। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো আমাদের দেশ ও মায়ানমারও সাম্রাজ্যবাদের তাবেদার রাষ্ট্র। সাম্রাজ্যবাদের স্বার্থে দেশের জল-জঙ্গল-জমিন-খনি উজাড় করে দিতে উভয় রাষ্ট্রই ভূমি থেকে জনগণকে উচ্ছেদ করতে কম যান না। মায়ানমারের রোহিঙ্গাদের মতো আমাদের দেশেও সাঁওতাল জনগোষ্ঠী ও পাহাড়ে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী আগুন-হত্যার স্বীকার। এ হলো রাষ্ট্রের শাসকশ্রেণীর সাথে ব্যাপক জনগণের দ্বন্দ্ব তথা শ্রেণীদ্বন্দ্ব। ধর্মের নামে যে তকমাই শাসকশ্রেণী প্রচার করুক না কেন- এ শ্রেণীযুদ্ধই। ফলে যে শ্রেণীযুদ্ধ শাসকশ্রেণী জনগণের উপর চাপিয়ে দিয়েছে তার নিষ্পত্তি হতে পারে জনগণের পাল্টা শ্রেণী লড়াই-সংগ্রাম গড়ে তুলবার মধ্য দিয়ে আর উভয় দেশের জনগণ পরস্পর পরস্পরকে সহযোগিতা করতে পারে একমাত্র স্ব-স্ব দেশে শ্রেণীসংগ্রামের মধ্য দিয়ে বিপ্লব সংঘটনের প্রক্রিয়ায়। আজ প্রান্তিক এই রোহিঙ্গা জনগণকে সঠিক পরীক্ষিত বৈজ্ঞানিক রাজনীতিকে (মার্কসবাদ-লেনিনবাদ-মাওবাদ) আত্মস্থ করে নিজেদের তৈরি করতে হবে এবং ঐ রাজনীতির আলোকেই বিশ্ব জনমত গড়ে তুলতে হবে ভূমির আধিকার রক্ষায় নচেৎ সাম্রাজ্যবাদ ও তাদের পদলেহী দালাল সরকারগুলোর মারফত গণস্বার্থের বিরুদ্ধে ব্যবহৃত হওয়া ছাড়া পথ থাকবে না আর নিজেদের মুক্তি হবে সুদূর পরাহত। তাই, আসুন শ্রেণী রাজনীতিকে ঊর্ধ্বে তুলে ধরি- জয় জনগণের হবেই।

বার্তা প্রেরক

(নাহিদ সুলতানা লিসা) ০১৭৫৭২৮৪৫৫৮

সম্পাদক- ল্যাম্পপোস্ট


মধ্যপ্রদেশে সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করছে মাওবাদীরাঃ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের রিপোর্ট

maoists-at-convention_6e73cb82-58bb-11e7-9dcc-cc63e7fed987-800x445

নিরাপত্তা বাহিনীর আক্রমণের জেরে বাস্তারের বাইরে মহারাষ্ট্র, মধ্যপ্রদেশ ও ছত্তিশগড়ের সংযোগস্থল বালাঘাটে নতুন করে প্রভাব তৈরি করতে চাইছে মাওবাদীরা। অতিবাম কার্যকলাপ নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের  সম্প্রতি  এক পর্যালোচনা বৈঠকে নাকি এই বিষয়টি উঠে এসেছে। এমনটাই জানাচ্ছে  ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস। বালাঘাটে মাওবাদী কার্যকলাপ বিস্তারের দায়িত্ব নিয়েছেন মাও নেতা বাসবরাজ। ওয়াকিবহল মহলের মতে বাস্তারের নিরাপত্তাবাহিনীর আক্রমণে যথেষ্টই ক্ষতি হয়েছে মাও সংগঠনের। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে মাওবাদী আন্দোলন যে কিছুটা ধাক্কা খেয়েছে তাও স্বীকার করে নিয়েছে মাওবাদীদের কেন্দ্রীয় কমিটি। মিডিয়া রিপোর্ট অনুযায়ী বয়সের কারণে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক পদ থেকে সরে যেতে চাইছেন গণপতি। অপেক্ষাকৃত তরুণদের জায়গা করে দেওয়া হচ্ছে কেন্দ্রীয় কমিটিতে। বাস্তারের আদিবাসী তরুণ হিদমাকে নেওয়া হয়েছে দলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে। এই পরিপ্রেক্ষিতে  বালাঘাটে মাওবাদীদের নতুন তত্পরতা কেন্দ্র ও রাজ্য উভর সরকারের মাথা ব্যথার কারণ হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষক মহলের একাংশ।

সূত্রঃ satdin.in


কমরেড বেলা দত্তের মৃত্যুতে ল্যাম্পপোস্ট-এর শ্রদ্ধা নিবেদন

22008442_1951260405114737_1942113275502804514_n

 

খবর বিজ্ঞপ্তি

২৯/০৯/২০১৭

কমরেড বেলা দত্তের মৃত্যুতে ল্যাম্পপোস্ট-এর শ্রদ্ধা নিবেদন।

আজ ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১৭ শুক্রবার সকাল ৮টা ১৫ মিনিটে পশ্চিমবঙ্গের তেভাগা আন্দোলন ও নক্সালবাড়ি আন্দোলনের নেত্রী, নক্সালবাড়ি আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক কমরেড সরোজ দত্তের সহধর্মীনি ও সহযোদ্ধা, শহীদ সরোজ দত্ত স্মৃতিরক্ষা কমিটির আহ্বায়ক কমরেড বেলা দত্ত মারা গেছেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স ৯৪ বছর পূর্ণ করে ৯৫-এ পরেছিল। তিনি বার্ধক্য জনিত রোগে ভুগছিলেন এবং নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। তাঁর মৃত্যুর পর তাঁর দেহ কলকাতার পিজি হসপিটালে দান করা হয়, তিনি তাঁর চক্ষুও দান করে গেছেন। তথ্যসূত্র: কমরেড কোনাল দত্ত। ভারতবর্ষের কৃষি বিপ্লবে যে নতুন পথ কমরেড চারু মজুমদারের হাত ধরে রূপায়িত হয়েছিল তার প্রথম সারির সৈনিক যেমন কমরেড সরোজ দত্ত তেমনি বেলা দত্তের অবদানও উল্লেখযোগ্য। কমরেড বেলা দত্তের সাংগঠনিক কাজ, সাহস এবং আমৃত্যু আদর্শিক দৃঢ়তা নবীনদের কাছে শিক্ষণীয় হয়ে থাকবে এবং তাঁর এই চলে যাওয়ায় যে অসমাপ্ত কাজ রয়ে গেল তাকে সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যে উপনীত করাই হবে তার প্রতি শ্রদ্ধা প্রকাশ করা ও শোককে শক্তিতে পরিণত করার সঠিক মাধ্যম। করেড বেলা দত্ত লাল সালাম।

মার্কসবাদ-লেনিনবাদ-মাওবাদ জিন্দাবাদ।

কমরেড চারু মজুমদারের শিক্ষা অমর হোক।

নয়াগণতান্ত্রিক বিপ্লব সফল হোক।

 

বার্তা প্রেরক

নাহিদ সুলতানা লিসা (০১৭৫৭২৮৪৫৫৮)

সম্পাদক – ল্যাম্পপোস্ট