স্বাধীনতা দিবসে পশ্চিমবঙ্গে নতুন করে আত্মপ্রকাশ মাওবাদীদের

85320-mb

ফের বাংলায় আত্মপ্রকাশ করল মাওবাদীরা। সেই সঙ্গে ম্লান হয়ে গেল মুখ্যমন্ত্রীর দাবি করা ‘জঙ্গলমহল হাসছে’।

জানা গিয়েছে, গতকাল মঙ্গলবার সকালে পুরুলিয়ার অযোধ্যা পাহাড় এলাকায় একটি সরকারি স্কুলে কালো পতাকা উত্তোলন করে মাওবাদীরা। শুধু তাই নয়, মাওবাদী মতাদর্শের পক্ষে নানাবিধ পোস্টারে ছেয়ে গিয়েছে অযোধ্যা পাহাড়ের বিস্তীর্ণ এলাকা। একইসঙ্গে উঠেছে সরকার বিরোধী স্লোগান।

চার বছর চুপ থাকার পর জঙ্গলমহলে চোখে পড়ল মাওবাদী কার্যকলাপ। এর আগে ২০১৩ সালে শেষবারের মতো মাওবাদী কার্যকলাপ দেখা গিয়েছিল রাজ্যের জঙ্গলমহল এলাকায়। তারপর আর মাওবাদীদের সক্রিয়তা দেখা যায়নি। এই ঘটনাকে রাজ্য সরকারের সাফল্য বলেই দাবি করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সাফল্যে যে ভাটা পড়তে চলেছে এদিনের ঘটনা তার জ্বলন্ত প্রমাণ।

সূত্রঃ https://www.kolkata24x7.com/maoist-come-out-in-bengal-after-four-years.html


মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী যুদ্ধের জন্য উ. কোরিয়ার সেনাবাহিনীতে নাম লেখাল ৩৫ লাখ জনগণ

4bn0c2d83b0698u8zk_800C450

পিয়ংইয়ং বলেছে, সম্ভাব্য মার্কিন হামলা মোকাবেলা করতে অন্তত ৩৫ লাখ মানুষ দেশটির সেনাবাহিনীতে নাম লিখিয়েছে। উত্তর কোরিয়ার ক্ষমতাসীন দলের মুখপাত্র রোডং সিনমুনে এ খবর দিয়েছে।

আমেরিকার বিরুদ্ধে হাজার হাজারবার প্রতিশোধ নেয়ার জন্য উত্তর কোরিয়ার সব মানুষ জেগে উঠছে বলে এতে উল্লেখ করা হয়। এতে আরো বলা হয়েছে, পিয়ংইয়ংয়ের ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে আমেরিকার সঙ্গে উত্তেজনা নতুন করে তুঙ্গে ওঠার পরপরই উত্তর কোরিয়ার সেনাবাহিনীতে ৩৫ লাখ মানুষ নাম লিখিয়েছে। দেশটির সেনাবাহিনীতে যারা নাম লিখিয়েছে তাদের মধ্যে সাবেক সেনাসদস্য এবং ছাত্ররা রয়েছেন।

এদিকে, গত বুধবার পিয়ংইয়ংয়েরে কিম ইল-সুং চত্বরে লাখ লাখ মানুষ বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে। জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ উত্তর কোরিয়ার বিরুদ্ধে নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপের পর এ বিক্ষোভ সমাবেশ করা হয়।


মার্কসবাদী গেরিলা দলঃ ‘পপুলার লিবারেশন আর্মি’

epl

প্রাকৃতিক খনিজ সম্পদের আকর কলম্বিয়া। পেট্রোলিয়াম, কয়লা, তেল, স্বর্ণ, পান্না, কফি, কৃষিজাত পণ্যসহ মূল্যবান সব সম্পদ কোলে নিয়েই বেড়ে উঠেছে এক লাখ ১৪ হাজার ১৭৮ বর্গকিলোমিটারের এই দেশটি। সম্পদের পরিমাণ ঈর্ষণীয় বলে বারবারই নানা কায়দায় গ্রাস করতে চেয়েছে বড়সব রাঘব বোয়ালরা। তাই তো কোরিয়ার সঙ্গে যুদ্ধে লাতিন আমেরিকার দেশগুলোর মধ্যে একমাত্র কলম্বিয়াই মিলিটারি দল নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। যার মূল ইন্ধনদাতা ছিল খোদ আমেরিকা! ১৯৬০ সালের দিকে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক দ্বিধাবিভক্তির কারণে কলম্বিয়ার সার্বিক পরিস্থিতি অশান্ত হয়ে পড়ে। সংকট নিরসনে সাম্যবাদের মূলমন্ত্র নিয়ে গড়ে উঠে বেশ কয়েকটি গেরিলা দল। এই দলগুলোর মধ্যে ‘এহেরচিতো পপুলার দে লিবারাসিওন’ বা ‘ইপিএল’ বেশ জনপ্রিয়। দলটিকে বিশ্ববাসী চিনে ‘পপুলার লিবারেশন আর্মি’ নামে। দলটির জনপ্রিয়তার মূলে ছিল তাদের কর্মপদ্ধতি ও গঠন-প্রক্রিয়া। ‘ইপিএল’ কাজ শুরু করে গ্রামের খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষদের নিয়ে। এই মানুষদেরই প্রশিক্ষণ দিয়ে তৈরি হয় জনমানুষের গেরিলা দল। কলম্বিয়ার আর্থ-সামাজিক বাস্তবতায় আমেরিকার অযাচিত নাক গলানো স্বভাব ছিল বরাবরই। কিন্তু ষাটের দশকে কম্যুনিজমের স্লোগান নিয়ে তৈরি হওয়া বেশ কয়েকটি গেরিলা দল আমেরিকাকে চিন্তিত করে তোলে। তাই কম্যুনিজমের অস্তিত্বকে নিশ্চিহ্ন করতে কলম্বিয়ান মিলিটারি বাহিনীকে তাদেরই গ্রাম্য কৃষক ও ছোট ছোট গোত্রগুলোর বিরুদ্ধে উসকে দেয়। ফল হলো, ‘ইপিএল’সহ গেরিলা দলগুলোর সঙ্গে কলম্বিয়ান মিলিটারির দীর্ঘ যুদ্ধ।
১৯৬৭ সালে ‘কম্যুনিস্ট পার্টি অব কলম্বিয়া (মার্ক্সিস্ট-লেলিনিস্ট)’-এর একটা বড় অংশ তৈরি করে ‘ইপিএল’ বা ‘পপুলার লিবারেশন আর্মি।’ গ্রামীণ পরিবেশে নিজেদের শক্ত অবস্থানের কারণে যখন বহিঃশক্তি আক্রমণ চালাতে বেগ পেল না, তখনই সন্ত্রাসী তকমা দিয়ে প্রচারণা শুরু করে দিল বিশ্বদরবারে। সত্তরের দশকে ‘ইপিএল’-এর সব বড় নেতাকে নির্বিচারে হত্যা করা হলো। জনগণের অধিকার সমুন্নত রাখার শর্তে ১৯৮৪ সালের দিকে সরকারপক্ষের আহ্বানে তারা যুদ্ধ ক্ষান্ত দেয়। এতে অসমর্থন দেখিয়ে প্রায় দুই হাজার কর্মী অন্যান্য গেরিলা দলে যোগ দেয়। ওপরে সব ঠিকঠাক দেখালেও ১৯৯১ থেকে ১৯৯৫ সাল পর্যন্ত ‘ইপিএল’ নেতাদের ৩৪৮ জনকে গুপ্ত হত্যা করা হয়। যার ফলে, ‘ইপিএল’ ফ্রান্সিসকো কারাবালোর নেতৃত্ব নতুন করে রূপ নিল। তবে এবার তাদের আকার ছোট ও অনেকটাই গোপনীয়।

c8b574eb3bf2ed76c1405d112a5e841f

 


৪৫ বছর আত্মগোপনে থাকা শ্রমজী‌বি মু‌ক্তি আন্দোল‌নের প্রধান নেতা আনোয়ার হোসেনের মৃত্যু

নিষিদ্ধ ঘোষিত শ্রমজী‌বি মু‌ক্তি আন্দোল‌নের প্রধান নেতা আনোয়ার হোসেন দেবুর মৃত্যু হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে রোগাক্রান্ত ছিলেন তিনি।

বিশ্বস্ত সুত্রে জানা গেছে, ৪৫ বছর ধরে আত্মগোপনে থাকা আনোয়ার হোসেন রবিবার সন্ধ্যায় রাজবাড়ি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন। মৃতুকালে তার বয়স হয়েছিলো ৬৮ বছর। তিনি স্ত্রী, ৬ মেয়ে ও এক ছেলে রেখে গেছেন। মৃত্যুর খবর পেয়ে তার পরিবারের সদস্যরা রবিবার রাতে মৃতদেহ আনতে রওনা হয়েছেন।

জানা গেছে, ঝিনাইদহ সদর উপজেলার ভরতপুর গ্রামে আনোয়ার হোসেন দেবুর বাড়ি। তার বাবার নাম মৃত আনসার আলী। যুবক বয়সে মাঠে কৃষি কাজ ও রাস্তায় মাটি কেটে জীবিকা নির্বাহ করা আনোয়ার হোসেন মাত্র ২২ বছর বয়সে যোগ দেন বিপ্লবী কমিউনিষ্ট (হক গ্রুপ) পার্টিতে। প‌রে শ্রমজী‌বি মু‌ক্তি আন্দোলন না‌মে দল গ‌ড়ে তো‌লেন। গোপন সংগঠনে তার নাম হয় দেবু। দ‌ক্ষিন প‌শ্চিমাঞ্চ‌লে ১৯৯৭ সা‌লের পর ১ দশ‌কের বেশী সময় ধ‌রে প্রাধান্য বিস্তার ক‌রে ছি‌ল তার এই দল‌টি। দক্ষিন পশ্চিমাঞ্চলে চরমপন্থিদলের আত্মসমর্পন প্রক্রিয়ার সমন্বয়কারী মীর ইলিয়াস হোসেন দিলিপের আহবানে সাড়া দিয়ে তিনি ২০০০ সালে আত্মসর্পন কর‌লেও চ‌ল্লিশ বছ‌রের বেশী সময় পলাতক জীবন যাপন ক‌রে‌ছেন। পরে শ্রমজীবী মুক্তি আন্দোলনের গোপন সংগঠন গণমুক্তি ফৌজে যোগদান করার কথা শোনা যায়।

অনুন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা আর পুলিশের নজরদারী এড়িয়ে দেবু বাহিনী নিয়ে ঝিনাইদহের পশ্চিমাঞ্চলে ঘাঁটি তৈরি করেন। গোপন দলগুলোর বহুধা বিভক্তির কারণে আধিপত্য বিস্তার ও ক্ষমতার দ্বন্দ্বে পূর্ববাংলার কমিউনিস্ট পার্টি ও পূর্ববাংলার সর্বহারা পার্টির সাথে বহুযুদ্ধে অংশ নেওয়ার কথা শোনা যায়। অল্পদিনে তার নাম ছড়িয়ে পড়ে জেলার আন্ডারগ্রাউন্ড মহলে।

কিছুদিন তিনি জনসমক্ষে চলাফেরা করলেও আবারো আত্মগোপনে চলে যান।

পুলিশ ও র‌্যাবসহ সরকারের বিভিন্ন বাহিনীর আধুনিকায়নের ফলে জেলাব্যাপী চরমপন্থি দমনে ব্যাপক অভিযান চালানো হয়। আনোয়ার হোসেন দেবুর অনেক সহযোগী পুলিশ ও র‌্যাবের অভিযানে নিহত হন। এমনকি তার আপন ভাই তপুও কিডন্যাপ হওয়ার পর আর ফিরে আসেনি।

দেশব্যাপী ক্রসফায়ার ও বন্দুকযুদ্ধের মধ্যে দেবু রাজবাড়ি ও ফরিদপুর এলাকায় আত্মগোপন করেন। উন্নত তথ্য প্রযুক্তির যুগেও তাকে গ্রেফতার করতে পারেনি সরকারের কোন বাহিনী। দীর্ঘ ৪৫ বছর আত্মগোপনে থাকা নিঃসঙ্গ দেবু অবশেষে স্বাভাবিক মৃত্যুবরণ করেন।

 


মাওবাদী গেরিলা দল – ‘ভুটান টাইগার ফোর্স’

Communist_Party_of_Bhutan_Flag.svg

ভারত ও চীনের মধ্যবর্তী ছোট্ট এলাকা নিয়ে রয়েছে ভুটান। দুই পার্শ্ববর্তী শক্তিশালী দেশের চাপের কারণে দীর্ঘদিন ভুটান নিজেদের গুটিয়ে রেখেছিল বহির্বিশ্বের কাছে। এমনকি টেলিভিশন, ইন্টারনেট- সব কিছুই সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ ছিল দেশটিতে ১৯৯৯ সাল পর্যন্ত। জনগণের সুখে থাকার সংখ্যা দ্বারা নির্ধারিত হয় দেশটির উন্নয়ন; অন্তত এমনটাই প্রচারিত হতো। এ প্রচার-প্রচারণার মধ্যে দেশটির অভ্যন্তরীণ শাসন ব্যবস্থা মূলত দীর্ঘদিন রাজতন্ত্রের হাতে বন্দি ছিল। উত্তরাধিকারসূত্রে রাজা দর্জি ওয়ানচেকের পর ক্ষমতাসীন হন তাঁর ১৬ বছরের ছেলে। দীর্ঘ বছর ধরে চলতে থাকা রাজতন্ত্রের উচ্ছেদ হওয়ার কোনো চিহ্ন ভুটানে ছিল না। কিন্তু ২০০০ সালের দিকে ভুটানের রাজা গোটা ভুটানের ভাষা ও সীমারেখা পুনর্নিধারিত করলে নেপালি ভাষাভাষী ভুটানিরা তার প্রতিবাদ জানায়। এ ঘটনার প্রেক্ষিতে ১০ দফা দাবি নিয়ে যাত্রা শুরু করে ‘দ্য ভুটান কমিউনিস্ট পার্টি’; যা সংক্ষেপে ‘সিপিবি’ নামে পরিচিত। আর ভুটান কমিউনিস্ট পার্টির(BCP [MLM]) সশস্ত্র বাহিনী ‘ভুটান টাইগার ফোর্স’ মূলত গেরিলা বাহিনী হিসেবে কাজ করে। ২০০৩ সালের ২২ এপ্রিল যাত্রা শুরু হয় ভুটান টাইগার ফোর্সের।

রাজতান্ত্রিক শাসন ক্ষমতা ভেঙে নয়া গণতান্ত্রিক ভুটান প্রতিষ্ঠা দলটির মূল দাবি। তা ছাড়া আদর্শিকভাবে মার্ক্সিস্ট-লেনিনিস্ট-মাওইস্ট ভাবনাপন্থী হওয়ায় সার্বিকভাবে সামাজিক সাম্য ও বৈষম্যহীনতা একান্ত কাম্য। ক্ষমতাবান দুই প্রতিবেশীর কারণে ভুটানের রাজা বরাবরই ব্রিটেনের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রেখেছেন। ফলে ভুটানের শাসনব্যবস্থায় ব্রিটেনের প্রভাব স্পষ্ট। তাই গণতন্ত্র, সাম্য- সব মিলিয়ে স্বাধীন, সর্বোভৌম ভুটান প্রতিষ্ঠা দলটির প্রধানতম দাবি। গেরিলা দলটিকে নেপালি কমিউনিস্ট পার্টি ট্রেনিং, অস্ত্র, লোকবল- সব কিছু দিয়েই সাহায্য করছে শুরু থেকেই। ভুটানে নিষিদ্ধ হলেও ‘ভুটান টাইগার ফোর্স’ এখনো আন্ডারগ্রাউন্ড গেরিলা দল হিসেবে কাজ করছে। দলটি ২০০৭ সালের ১৩ই ডিসেম্বর, ২০০৮ সালের ২৩শে এপ্রিল ও ৩০শে ডিসেম্বর, ২০০৯, ২০১০ সালে কয়েকটি গণযুদ্ধ পরিচালনা করে।  দলটির বর্তমান গেরিলা সদস্যের সংখ্যা প্রায় ৬০০-১০০০ জন।


বাংলাদেশঃ মার্কসবাদী শিল্প সাহিত্যের কাগজ ‘খনন’ এর আগস্ট ‘১৭ সংখ্যা বেরিয়েছে

20751511_1436426656438227_1757569254_n

প্রাপ্তি স্থানঃ ঘাস ফুল নদী(প্রথা বিরোধী প্রকাশনা), আজিজ সুপার মার্কেট(নীচ তলা), শাহবাগ, ঢাকা


গোর্খা জাতিসত্তার পক্ষে কলকাতা শহরে নকশালপন্থীদের কনভেনশন

gorkhaland-759

বাংলা ভাগ হতে দেবো না, বাংলা ভাগের চক্রান্ত ব্যর্থ করুন, এই চেনা স্লোগানের বিপরীতে অন্য স্বর শোনা গেল মঙ্গলবার ভারতসভা হলে। সিপিআই(এমএল) গোষ্ঠীর কয়েকটি পার্টি ও কিছু গণসংগঠনের ডাকে এদিন এক কনভেনশনে গোর্খা জাতিসত্তাকে সম্মান জানিয়ে তাদের পৃথক গোর্খাল্যান্ড রাজ্য গঠনের গণতান্ত্রিক দাবির সমর্থনে বক্তব্য রাখলেন একাধিক বক্তা। পাহাড়ে রাজ্য প্রশাসন যে ভাবে জুলুম নামিয়ে এনে সেখানকার মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ করতে চাইছে তার বিরুদ্ধেও প্রতিবাদ জানানো হয়। গোর্খাদের দীর্ঘ অর্থনৈতিক বঞ্চনা, তাদের জাতিসত্তাকে অবদমিত করে রাখার রাষ্ট্রীয় জুলুমবাজীর যৌক্তিক ও ঐতিহাসিক ব্যাখ্যা করেন এদিনের কনভেনশনে আসা একাধিক ব্যক্তি। কনভেনশনে অবিলম্বে পাহাড়ে রাষ্ট্রীয় নিপীড়ন বন্ধের দাবি তোলা হয়। নকশালপন্থী সিপিআই এমএল, সিপিআই এমএল এসওসি, সিপিআই এমএল নিউ- ডেমোক্রেসি ছাড়াও গণসংগ্রাম মঞ্চ, শ্রমিক কৃষক সংগ্রাম কমিটি ছিল এই কনভেনশনের আহ্বায়ক। কনভেনশনে গৃহীত সদ্ধান্তের ভিত্তিতে গণসচেতনতা বাড়ানো ও আন্দোলনের রুপরেখা তৈরি করার কথা ঘোষণা করা হয়। ভারতসভা হলের এই কনভেনশন আবারও দেখিয়ে দিল এ শহর এখনও অন্য স্বরকে ধারণ করার ক্ষমতা ধরে।

সূত্রঃ satdin.in