মরক্কোর ছাত্র রাজবন্দীদের অনশন ধর্মঘটকে সমর্থন করুন!

les-p.p.-de-Mekness

Advertisements

কলকাতাঃ রাজবন্দীদের দৃঢ়তায় নত হল কারা কর্তৃপক্ষ

11911049_10207634939657451_992281949_n

ar

অনশনরত রাজবন্দীদের সাথে আলোচনার পর তাঁদের দৃঢ়তার কাছে হার স্বীকার করে বেশ কিছু দাবী জেল কর্তৃপক্ষ মেনে নেওয়ার পর আজ দুপুরে অনশন তুলে নিয়েছেন প্রেসিডেন্সী জেলে আন্দোলনরত রাজবন্দীরা । বারবার ‘জেল ট্রান্সফার’এর বিষয়ে ‘আই.জি কারা’ স্বরাষ্ট্র দপ্তরের নির্দেশের কথা বলছেন । জেল ট্রান্সফার বন্ধ করা, রাজনৈতিক বন্দীদের অধিকার রক্ষা ও রাজবন্দীদের নিঃশর্ত মুক্তির দাবীতে জারি থাকবে আন্দোলন ।

বন্দীমুক্তি কমিটি


ভারতঃ পশ্চিমবঙ্গের প্রেসিডেন্সি কারাগারের ৩০ জন রাজনৈতিক বন্দী অনির্দিষ্টকালের জন্য অনশনে

11911049_10207634939657451_992281949_n

মাওবাদীদের সাবেক মুখপাত্র গৌর চক্রবর্তী

ar

মাওবাদী নেতা অর্ণব দাম

কারা প্রশাসন কর্তৃক কারাবন্দীদের অধিকার সংকোচনের প্রতিবাদে মাওবাদীদের সাবেক মুখপাত্র গৌর চক্রবর্তী সহ পশ্চিমবঙ্গের প্রেসিডেন্সি কারাগারের ৩০ জন রাজনৈতিক বন্দী ২৮শে অগাস্ট ২০১৫ থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য অনশন পালন করছেন। অনশন পালনরত সকল রাজনৈতিক বন্দীদের উপর প্রেসিডেন্সি কারা কর্তৃপক্ষ solitary confinement (২৪ ঘন্টার লক আপ) চাপিয়ে দিয়েছে। কারা কল্যাণ কর্মকর্তা অর্ণব দামকে (অনশনরত রাজনৈতিক বন্দীদের একজন) হুমকি দিয়েছে। এখনো পর্যন্ত কোন ডাক্তার আসেনি কিংবা কোন মেডিকেল চেক আপ হয়নি। রাজনৈতিক বন্দীরা বলেছে, “যদি কোন অবাঞ্ছিত পরিস্থিতি তৈরি হয়, তার জন্য কারা কর্তৃপক্ষ ও পশ্চিমবঙ্গের  রাজ্য সরকার দায়ী থাকবে”। গৌর চক্রবর্তী, সদানল্লা রামকৃষনন, অখিল ঘোষ, সন্তোষ দেবনাথ, বিমল মল্লিক, বাপি মুদি, দীপক কুমার, দীনেশ ওয়াংখেদে, অর্ণব দাম, মোহন বিশ্বকর্মা, সুকুমার মণ্ডল, শম্ভু চরণ পাল সহ ৩০ জন রাজনৈতিক কারাবন্দী অনশন পালন করছেন।

তাদের সাথে সংহতি জানান।

বন্দী মুক্তি কমিটি


ভারতঃ নকশাল তাত্ত্বিক কোবাদ গান্ধী অনশন ভঙ্গ করেছেন

SS-E2614-KobadG

k1

তিহার জেলে আটক বিচারাধীন ৬৮ বছর বয়সী নকশাল তাত্ত্বিক কোবাদ গান্ধী শুক্রবার অনশন ভঙ্গ করেছেন। আদালত থেকে কারা কর্তৃপক্ষের প্রতি কোবাদ গান্ধীকে যথাযথ স্বাস্থ্য সুবিধা ও মৌলিক সুযোগ সুবিধা প্রদানের নির্দেশ আসার পরপরই তিনি অনশন ভঙ্গ করেন। কোবাদের আইনজীবী ভাভুক চৌহান সাংবাদিকদের বলেন, “এটি অত্যন্ত উপযোগী একটি নির্দেশ। আদালত তার (কোবাদের) বয়স ও প্রয়োজনের কথা বিবেচনা করেছে।” মাওবাদী মতাদর্শবাদী তাত্ত্বিক হবার অভিযোগে ২০০৯ সালের সেপ্টেম্বর মাসে তাকে গ্রেফতার করা হয়। তার স্বাস্থ্যের যাতে অবনতি ঘটে সেই উদ্দেশ্যে তিহার কারা কর্তৃপক্ষ তাকে হয়রানি করছে এই অভিযোগে গত শনিবার থেকে কোবাদ অনশন শুরু করেন। এক কারাগার থেকে তাকে আরেক কারাগারে স্থানান্তর করা হলে ঔষধপত্র, গরম পানি, বিছানা ও কমোড ইত্যাদি মৌলিক সুবিধাগুলো থেকে তিনি বঞ্চিত হবেন; তাই মুলতঃ এই স্থানান্তরের প্রতিবাদে তিনি অনশন করেছিলেন। কোবাদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তিহার কারা কর্তৃপক্ষ একটি প্রতিবেদন পেশ করে, যাতে উল্লেখ করা হয় তাকে চিকিৎসা সেবা থেকে কখনো বঞ্চিত করা হয়নি। ‘অভিযুক্তকে যেসকল সুযোগ সুবিধা প্রদান করার কথা সেগুলো যেন তাকে যথাযথ ভাবে প্রদান করা হয়’ সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে আদালত জেল সুপারিন্টেন্ডেন্টকে নির্দেশ দেয়। ১৫ মিনিটের শুনানি শেষে এ নির্দেশ দেয়া হয়।

সুত্রঃ http://www.thehindu.com/news/national/ghandy-ends-hunger-strike/article7287551.ece