ইসরায়েল কর্তৃক যাবজ্জীবন দণ্ড প্রাপ্ত ১১ বছরের ফিলিস্তিনি শিশু ‘আলী আলকাম’

আলী আলকাম

আলী আলকাম

শিশুদের ওপর সহিংসতা ও নৃশংসতা নিয়ে কখনও কখনও বিশ্বে তোলপাড় বা উদ্বেগ দেখা যায়। কিন্তু বর্তমান সময়ে বিশ্বের শোষক শাসক-গোষ্ঠী বিশ্ব-সমাজের নীরবতার সুযোগে এবং কখনওবা মানবাধিকারের তথাকথিত সমর্থকদের সহায়তা নিয়েই শিশু হত্যা ও শিশু-পীড়ন অব্যাহত রেখেছে। এক্ষেত্রে ইসরাইল সরকারের নৃশংসতা লোমহর্ষক হলেও তা নিয়ে খুব-একটা জোরালো প্রতিবাদ বা নিন্দা বিশ্ব সমাজে দেখা যাচ্ছে না।

সম্প্রতি বর্ণবাদী ইসরাইল চলমান ইন্তিফাদা আন্দোলনে অংশ নেয়ার ‘মহা-অপরাধে’ ১১ বছরের এক বিপ্লবী ফিলিস্তিনি শিশুকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে। আলী আলকাম নামের এই ফিলিস্তিনি শিশু হচ্ছে এখন বিশ্বের সবচেয়ে কম-বয়সী কারাবন্দি। ইসরাইলি সেনারা তাকে বন্দি করার সময় তার হাতে ও পেটে তিনটি গুলি বিদ্ধ করে। বন্দি আলীকে দেখতে আসে তার বাবা-মা। কিন্তু তাদেরকে মাত্র বিশ মিনিট সময় দেয় ইসরাইলি সেনারা।

শত শত ফিলিস্তিনি শিশু ইসরাইলি কারাগারে বন্দি রয়েছে বলে ফিলিস্তিনি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। এই শিশুদেরকে অত্যন্ত যন্ত্রণাদায়ক অবস্থায় রেখেছে দখলদার ইসরাইল।
ইহুদিবাদী ইসরাইল শিশুদের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ পাচার করতে অভ্যস্ত এবং শিশু বন্দীদেরকে পরীক্ষাগারের ইঁদুরের মত ব্যবহার করে বলেও শোনা গেছে।

ইসরাইলের এসব নৃশংসতা নিয়ে তেমন জোরালো প্রতিবাদ শোনা যায় না। অথচ ফিলিস্তিনি সংগ্রামীদের কারণে ইহুদিবাদী ইসরাইলের কেবল একটি শিশুরও যদি কোনো অনিচ্ছাকৃত ক্ষতি হত তাহলে তা নিয়ে পশ্চিমা বিশ্বের নেতারাও সরব হয়ে উঠতেন এবং পশ্চিমাদের নিয়ন্ত্রিত সংবাদ মাধ্যমগুলোও নিন্দাবাদের ঝড় বইয়ে দিত।

Advertisements