কলকাতাঃ অধ্যাপক জিএন সাইবাবা সহ সমস্ত রাজবন্দিদের মুক্তির দাবিতে APDR-র কনভেনশন

23722473_1740520889589158_4286254445300593613_n

দিল্লির প্রতিবন্ধী অধ্যাপক জি এন সাইবাবাকে অবিলম্বে মুক্তির দাবি তুললো মানবাধিকার সংগঠন APDR । মঙ্গলবার APDR-র উদ্যোগে ভারতসভা হলে এ বিষয়ে এক কনভেনশনের আয়োজন করা হয়। অধ্যপক সাইবাবা ছাড়াও এ রাজ্যে বিভিন্ন জেলে বন্দি থাকা সমস্ত রাজনৈতিক কর্মীদের অবিলম্বে মুক্তির দাবিও তোলা হয় APDR-র কনভেনশন থেকে। APDR-র পক্ষ থেকে অভিযোগ তোলা হয় এ রাজ্যের শাসক দল ক্ষমতায় আসার আগে সমস্ত রাজনৈতিক বন্দিদের নিঃশর্ত মুক্তির প্রতিশ্রুতি দিলেও তা পালন করেনি। জঙ্গলমহলের মানুষজনরা শুধুমাত্র গণতান্ত্রিক আন্দোলন করার অপরাধে জেলে বন্দি আছেন বলে অভিযোগ করেন মানবাধিকার আন্দোলনের কর্মীরা। এদিনের সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিশিষ্ট সমাজকর্মী বোলান গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, গণতন্ত্র ও মানবাধিকারকে হত্যা করাই যে কোন শাসকের স্বাভাবিক রীতি হয়ে দাঁড়িয়েছে। সম্মিলিত প্রতিবাদ ছাড়া একে প্রতিহত করা সম্ভব নয় বলে তাঁর মত। মানবাধিকার আন্দোলনের কর্মী রঞ্জিত শূরও লাগাতার আন্দোলনের জন্য সাধারণ নাগরিকের কাছে আহ্বান করেন। সভায় বিভিন্ন সংগঠনের রাজনৈতিক কর্মীরাও বক্তব্য রাখেন। সভায় যে প্রস্তাব গৃহীত হয় তার উপর ভিত্তি করে প্রতিবাদ ও গণ আন্দোলোনের কর্মসূচি নেওয়া হবে বলে উদ্যোক্তাদের পক্ষ থেকে জানানো হয়।

23659324_1740520916255822_7497680670095495979_n

23754655_1740521169589130_4995038612732600873_n23754918_1740521212922459_6453774101582647464_n

সূত্রঃ satdin.in


কলকাতাঃ ভবানীপুরে ‘এপিডিআর’ এর প্রস্তাবিত সভার অনুমতি বাতিল করল পুলিশ

13362631851

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কেন্দ্র ভবানীপুরে ‘গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষা সমিতি- এপিডিআর‘-এর সভার অনুমতি দিল না পুলিশ। এপিডিআর-এর অভিযোগ, শনিবার বিকেল পাঁচটা নাগাদ ভবানীপুর থানা থেকে তাদের সাধারণ সম্পাদক ধীরাজ সেনগুপ্তকে ফোন করে সোমবারের প্রস্তাবিত সভার অনুমতি খারিজ করা হয়েছে বলে জানানো হয়। মমতা গত পাঁচ বছরে একটিও নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি  পূরণ করেননি বলে এপিডিআর-এর অভিযোগ। এই ব্যাপারে ভোটের আগে নাগরিকদের সচেতন করতে সোমবার হাজরা মোড়ে সভা করতে চেয়েছিল তারা।

সংগঠনের সহ-সভাপতি রঞ্জিত শূর বলেন, ক্ষমতায় আসার আগে উনি ‘ঝলমলে’ গণতন্ত্র ও রাজনৈতিক বন্দিদের মুক্তির প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শাসনকালে রাজ্যে গণতন্ত্র বিপন্ন। মানবাধিকার কমিশন, শিশু কমিশন, নারী কমিশনসহ সমস্ত সাংবিধানিক সংস্থাগুলিকে পঙ্গু করে রাখা হয়েছে। একজন অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ অফিসারের হাতে মানবাধিকার কমিশনের দায়িত্ব তুলে দিয়েছেন। বিরোধী নেত্রী থাকাকালীন যিনি ছত্রধর মাহাতর সঙ্গে একমঞ্চে আন্দোলন করেছেন, আজাদের মৃত্যুর তদন্ত দাবি করেছেন, সেই তিনিই এখন মুখ্যমন্ত্রী আর ছত্রধর তাঁর জমানায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজা পেয়েছেন।
মানবাধিকার সংগঠনটির তরফে যে কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে, তাতে আগামী ১৮ এপ্রিল বিকাল চারটের সময় হাজরা মোড়ে পথসভার আয়োজন করা হয়েছে। যেখানে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ ও বন্দিমুক্তি নিয়ে দ্বিচারিতার বিরুদ্ধে সরব হবে বিভিন্ন গণ সংগঠন। ২৬ এপ্রিল ওই একই সময়ে আকাদেমি অব ফাইন আর্টস থেকে হাজরা মোড় পর্যন্ত বিরাট মিছিলের আয়োজন করা হয়েছে। যেখানে শামিল হবে একাধিক গণতান্ত্রিক সংগঠন। ১১ দিনের এই কর্মকাণ্ডে প্রতিদিনই হাজরা মোড়ে পথসভা, লিফলেট বিলিসহ একাধিক সরকার বিরোধী কর্মসূচি পালন করা হবে। কিন্তু ভোটের আগেই কেন এই কর্মসূচি? জবাবে এপিডিআর-এর সহসভাপতি বলেন, ২০১১ সালে তৃণমূল নেত্রী কী প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন আর পাঁচ বছরে তার কতটা বাস্তবায়ন হয়েছে, এই বক্তব্যটাই আমরা ভবানীপুরের মানুষের কাছে তুলে ধরব। ভোটারদের কাছে আমাদের বার্তা হবে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রশ্ন করুন। রঞ্জিতবাবুর দাবি, এপিডিআর-এর ৪৩ বছরের ইতিহাসে এই প্রথম কোনও মুখ্যমন্ত্রীর কেন্দ্রে এই অভিনব কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। যদিও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ভোট দেবেন কি দেবেন না, এই বিষয়টি সাধারণ মানুষের উপরই ছেড়ে দিয়েছে সংগঠন। তাঁর কথায়, মানুষ নিজেদের অভিজ্ঞতার কষ্ঠিপাথরে যাচাই করে যাঁকে ইচ্ছা তাঁকে ভোট দেবে, এই বিষয়ে নাক গলাতে চাই না। কিন্তু ভোটের আগে এই কর্মসূচি তো বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলিকে বাড়তি সুবিধা করে দেবে? উত্তরে রঞ্জিতবাবু বলেন, আমরা জন্মলগ্ন থেকেই যে আন্দোলন করেছি, তা শাসক দলের বিপক্ষে গিয়েছে। আগে বামফ্রন্ট সরকারের বিরুদ্ধে সরব হয়েছি। এখন পরিবর্তনের সরকারের বিরুদ্ধে হব। কোন সরকারের প্রতিই আমাদের কোনও দায়বদ্ধতা নেই। আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অপকর্মের দায় তো ওঁকেই নিতে হবে।

উল্লেখ্য, গত ১২ এপ্রিল নির্বাচন কমিশন, ভবানীপুর ও কালীঘাট থানায় চিঠি দিয়ে ওই সভার অনুমতি চায় এপিডিআর। সংগঠনের সহ সভাপতি রঞ্জিত শূর জানান, গত কয়েকদিনে ভবানীপুরে থানা থেকে বেশ কয়েকবার তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে এবং বলা হয়েছে, সোমবার তাঁরা সভা করতে পারবেন। আচমকাই এ দিন সভার অনুমতি বাতিল করেছে পুলিশ।

রঞ্জিতবাবু আরো বলেন, ‘‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বন্দিমুক্তির প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেননি। মানবাধিকার কমিশনের মতো প্রতিষ্ঠানগুলিকে ঠুঁটো জগন্নাথ করে রেখেছেন। এই ব্যাপারেই আমরা সভা করতাম। নিরপেক্ষ নাগরিক কন্ঠস্বরকে ভয় পেয়ে তিনি পুলিশ দিয়ে আমাদের সভা বানচাল করিয়েছেন।’’


কলকাতাঃ ৫ই অক্টোবর এপিডিআর এর প্রতিবাদ মিছিল

1336263185

৩ অক্টোবরের নির্বাচনে সংবাদ মাধ্যমের উপর শাসকদলের দুস্কৃতিদের ব্যাপক আক্রমণ,

নির্লজ্জভাবে ভোটদান ও মতপ্রকাশের অধিকার হরণ ও

বামপন্থীদের মিছিলে হিংস্র পুলিশি বর্বরতার প্রতিবাদে

এপিডিআর এর আহ্বানে-

প্রতিবাদ মিছিল

সোমবার ৫ অক্টোবর

বিকেল ৪ টা

জমায়েত কলেজ স্কোয়ার