মাওবাদী তাত্ত্বিক নেতা- জোসে মারিয়া সিসন-এর কবিতা ‘ব্লেডের মত ক্ষুরধার’

eus6384_2

জোসে মারিয়া সিসন-এর জন্ম ৮ ফেব্রুয়ারি ১৯৩৯, ফিলিপাইনের কেবুগাউ শহরে। তিনি ১৯৮৬ সালে কবিতার জন্যে Southeast Asia WRITE পুরস্কারে ভূষিত হন। তিনি ফিলিপাইনের একজন সর্বহারা-আন্তর্জাতিকতাবাদী মার্কসবাদী-লেনিনবাদী ও মাওবাদী নেতা এবং তাত্ত্বিক হিসেবেও সুপরিচিত।

 

ব্লেডের মত ক্ষুরধার

 

দেখো কবিতাটি কেমন

ব্লেডের মতো ধারালো

উত্তেজিত ও ক্ষুরধার,

শীতল ও রুপোর মতোন চকচকে

আলো বা আঁধারে ।

দেখো কালো পাখিটি কেমন

ছোরার মতোন নখ নিয়ে ওড়ে,

মুক্তাখচিত প্রতিজ্ঞাবদ্ধ

চলিষ্ণু তার হাত ।

প্রতিটি মুখের দিকে তাকাও

যেন ইস্পাতের পাতে

পৌরুষের আগুন

খোদাই করা সোনালি প্রতিকৃতি ।

একটি মুখে কাঠের শ্রমের ছাপ

যেন নানা আকরিক ও পাইক দিয়ে তৈরি

ধাতু গলানোর পাত্র, হাতুড়ি ও নেহাই,

পানি ও পাথরে শান দেয়া ।

লাঙল চষে জমির ওপর যেন

তুলে আনে সামুদ্রিক ঝিনুক,

অথবা যেন শৈল্পিক খোদাই কাজে

টেবিলে রাখা এসিডের বর্তন ।

অপর একটি মুখেও একইভাবে

সেঁটে থাকে শ্রমজীবী প্রত্যয়ী মুখ

ন্যায়-যুদ্ধে প্রস্তুত,

উজ্জ্বল পতাকাটির পেছনে ।

বিদ্রোহের অবসানে

শ্রমজীবীরা

নতুন স্বপ্নের ঢেউ তুলে

এগিয়ে চলে সুসজ্জিত অস্ত্রে ।

তোমাদের হাতে হাতে গান হোক

ব্লেডের মতো ক্ষুরধার কবিতাটি

এ তলোয়ারটি হোক

তোমাদের চেতনার রক্ষাকবচ ।

ভাষান্তরঃ দিলারা রিঙকি

সূত্রঃ

খনন ( শিল্প সাহিত্য সংস্কৃতি বিষয়ক কাগজ)

বর্ষ ১০ । সংখ্যা ০১

বৈশাখ ১৪২৪ । এপ্রিল ২০১৭

 

Advertisements

বাংলাদেশের এক শ্রমিকের লেখা শ্রমজীবী কবিতা – ‘মজদুর মেয়ে’

মজদুর মেয়ে

ইচ্ছে ছিল না মজদুর মেয়েটাকে নিয়ে গদ্য লিখার

কালি-কলম রক্তের অক্ষর লিখে যায়- সোনাফলানো

ক্ষেতের চাষি-মজদুরের কাহিনী, চাষি-বউরা নিদ্রায়।

মজদুর মেয়েটা কথা সারে চাষিদের সাথে, খুব ভোরে

বুনবে স্বপ্নের রোয়া চাষিদের জমিতে অথবা ভাড়ায়

কেনা। মজদুর মেয়েটার জমি নেই, তবু সব জমি তার

বেগার খেটে যাওয়া নয়, সে যেন চাষির সহদোর বোন

বর্ষার জলে ভিজে ভিজে সতেজ জমিতে ধান বোনা হয়

চাষিদের সাথে মজদুর মেয়েটাও ধান বুনে নিজ হাতে।

বৃষ্টির ছন্দ চাষিদের হাতে। পায়রার মত দোলায়

খোঁপা মজদুর মেয়েটা, গান ধরেঃ আয় বৃষ্টি ঝেপে- ধান

দেব যে মেপে। হেমন্তে নাচে বাঁকা ধানের শীষ। মজদুর

মেয়েটা গিয়েছে শহরে। বস্তিতে ব্যস্ত নারী শ্রমিকের কাজে

ফিরবে এ-গাঁয়ে বা অন্য গাঁয়ে। আন্ধার মেঘের ছায়ায়

নিখোঁজ সংবাদ এলো- সে ছিল এক কমরেড মজদুর।

 

রচনাকালঃ ২৪.০৫.২০১৫

 


ভারতের নকশালপন্থী কবি ভারাভারা রাও এর কবিতা

কবি ও লেখক ভারাভারা রাও


কসাই কবিতাটি ভারাভারা রাও এর তেলেগু কবিতার কে বালাগোপালকৃত (k Balagopal) ইংরেজি অনুবাদ The Butcher থেকে অনুদিত। কবিতাটি লেখা হয় ৯ জুন ১৯৮৫ সালে

আমি মুক্তির সাগরে মুক্তি খুঁজে বেড়ানো একফোঁটা জল...”

কসাই
– – – ভারাভারা রাও

আমি একজন মাংসের ব্যবসায়ী
তুমি যদি আমাকে কসাই ডাকতে চাও
তবে তা তোমার ইচ্ছে
আমি রোজ পশু হত্যা করি
তাদের মাংস কেটে বিক্রি করি
রক্ত আমার কাছে এক পরিচিত দৃশ্য
কিন্তু
সেই দিন আমি দেখেছিলাম
কসাই শব্দের আক্ষরিক রূপ

আমার এই হাত দিয়ে রোজ পশু হত্যা করি
রক্ত আমার হৃদয়কে স্পর্শ করেনি কোনদিন,
কিন্তু সেই দিন রক্ত রাজপথে গড়িয়ে পড়েনি
পড়েছিল আমার হৃৎপিণ্ডে
তুমি কি ধুয়ে দেবে সেই রক্ত ?

তোমাদের মাঝে কেউ কি আছো যে বাড়িয়ে দেবে
একটি মানবিক হাত
আর আমার হৃদয়কে করবে অবমুক্ত
সেই বিভৎস দৃশের অসহনীয় বোঝা থেকে ?

ছয়টি লাঠি তার অস্থিগুলোকে ভেঙ্গে চুরমার করেছিল
যেন-কোন উন্মাত্ত ক্রোধে-
রাইফেলের বাট তার দেহকে দুমড়ে মুচড়ে পরিণত করেছিল
একতাল মাংসপিণ্ডে

সেই মাংসপিণ্ডের মুখ আটকে দিয়েছিল পুলিশওয়ালাদের চোয়াল
তারা তখন বলেছিল
“নষ্ট যুবকটি একটি ছুরি নিয়ে হামলা চালায়
এবং সেখানে একটি ‘এনকাউন্টার’ ঘটে”

পশু হত্যা করি আমিও
কিন্তু তাদের আমি কখনো ঘৃণা করিনি ,
আমি মাংস বিক্রি করি
কিন্তু কখনো কারো কাছে
আমি নিজেকে বিক্রি করিনি

চুঁইয়ে পড়ছে রক্তধারা
তার দেহের সহস্র ক্ষতস্থান থেকে
জলে ভরা সহস্র দৃষ্টি
কিন্তু ছেলেটির শুষ্ক চোখ
আমার ছুরির ফলার নীচে ক্রন্দনরত ছাগলের মত
সে ’ব্যা ব্যা’ চিৎকার করে ওঠে না
মনে হয় তার দৃষ্টি যেন চেয়ে আছে ভবিষ্যতের পানে

গতকালের দৃষ্টি
না, এটি ইতোমধ্যেই পরশু দিনের
এটি ১৫ই মে’র বন্ধের দৃশ্য
আমার সে স্মৃতি তাড়ানো যাবে না কোনদিন
যতদিন নিঃশ্বাস বইবে এ দেহে

আজ আমি তোমাকে অনুভব করাতে পারছি
কারণ আমি নিজের মাঝে লুকিয়ে রাখতে পারছি না
লুকিয়ে ফেলতে পারি কাল

আমার জীবিকা ওরা ধ্বংস করুক
কিন্তু সেই শিশুটি
আমাকে সারাজীবন তাড়িয়ে বেড়াবে ।

শোনো আমার ভাই, বোন, তোমরা শোনো
একটি সাপও আমরা ওভাবে মারি না
যে আমি, রোজ পাঁঠা হত্যা করি, সেদিন বুঝেছিলাম
নিষ্ঠুরতা কী, যা সম্মিলিত হয়ে ষড়যন্ত্র চালায়
একটি জীবনকে কেড়ে নেবার জন্য

আমি মাংসের ব্যবসায়ী
হ্যাঁ, আমি একজন কসাই
ভেড়ার মাংস আর পাঁঠার মাংস
আমি বিক্রি করি জীবিকার জন্য

সেই মন্ত্রী নিজে
পুলিশওয়ালাদের ভূষিত করে
পুরস্কার আর পদোন্নতি দিয়ে
পদক আর টাকার ওজন দিয়ে
মানুষের জীবন কেড়ে নেয়ার পুরস্কার হিসেবে
মন্ত্রী অর্থ সরকার
পুলিশ আমাদের রক্ষক
যাদের(যে মন্ত্রীদের) নিয়ে এ সরকার আর
যার রক্ষক হল তারা(পুলিশ)

অসীমে ভেসে চলা
সেই ছেলেটির প্রাণ
বলে গিয়েছিল আমাকে
জেনেছিলাম
প্রকৃত কসাই এর পরিচয়
রাষ্ট্র
***

৯ই জুন ১৯৮৫


নকশালপন্থী পাঞ্জাবী কবি ‘লাল সিং দিল’ এর কবিতা – ‘DANCE’

লাল সিং দিল

লাল সিং দিল

 

নকশালপন্থী পাঞ্জাবী কবিলাল সিং দিল এর কবিতা

Dance

When the labourer woman
Roasts her heart on the tawa
The moon laughs from behind the tree
The father amuses the younger one
Making music with bowl and plate
The older one tinkles the bells
Tied to his waist
And he dances
These songs do not die
Nor either the dance…

সূত্রঃ http://english.ohmynews.com/articleview/article_view.asp?menu=c10400&no=292104&rel_no=1


ফ্রী ডাউনলোড করুন শহীদ কমরেড সিরাজ সিকদার রচিত- “গণযুদ্ধের পটভূমি” শীর্ষক কবিতা সংকলন

Photo_of_Siraj_Sikder

শহীদ কমরেড সিরাজ সিকদার রচিত- গণযুদ্ধের পটভূমি” শীর্ষক কবিতা সংকলন

অনলাইনে শহীদ কমরেড সিরাজ সিকদার রচিত- গণযুদ্ধের পটভূমি” শীর্ষক কবিতা সংকলনের বইটি দুষ্প্রাপ্য। বিপ্লবী পাঠক কমরেডদের কাছে বইটি pdf  আকারে সহজলভ্য করে দিচ্ছে লাল সংবাদ/ Red News । পাঠক খুব সহজেই pdf টি ডাউনলোড করে নিতে পারবেন।  সকল পাঠক কমরেডদের প্রতি লাল সালাম রইল।

 

ডাউনলোড করুন

গণযুদ্ধের পটভূমি

গণযুদ্ধের পটভূমি শীর্ষক

কবিতা সংকলনের ভূমিকা

(অক্টোবর, ১৯৭৩)

                                                        —সিরাজ সিকদার

            

 সাহিত্য–শিল্পকলা মতাদর্শগত ক্ষেত্রের অন্তর্ভূক্ত। ইহা মানুষের চিন্তাধারাকে প্রভাবান্বিত করে এবং কর্মকে নিয়ন্ত্রিত করে ।

বিপ্লব আর প্রতিবিপ্লব উভয়ের জন্য প্রথম প্রয়োজন জনমত সৃষ্টি করা।

প্রতিক্রিয়াশীল শিল্প-সংস্কৃতি প্রতিবিপ্লব ঘটানো এবং প্রতিবিপ্লবী ক্ষমতা টিকিয়ে রাখার পক্ষে জনমত সৃষ্টি করে ।

প্রতিক্রিয়াশীল বিষয়বস্তু ও উচ্চমানের শিল্পরূপের সাহিত্য-সংস্কৃতি সবচাইতে বিপদজনক। রবীন্দ্র সাহিত্য তার প্রমাণ।

পূর্ববাংলায় সর্বহারার দৃষ্টিকোণ দিয়ে সঠিক এবং উচ্চমানের শিল্পরূপ সম্পন্ন জাতীয় গণতান্ত্রিক শিল্প-সংস্কৃতি (সম্প্রসারণবাদ, সামাজিক সাম্রাজ্যবাদ, সাম্রাজ্যবাদ এবং আমলাতান্ত্রিক পুঁজিবাদ ও সামন্তবাদ বিরোধী শিল্প-সংস্কৃতি) গড়ে উঠেনি ।

এ ধরনের শিল্প-সংস্কৃতি গড়ে তোলার সময় আমাদেরকে শুধু শ্রেণী সংগ্রামকে তূলে ধরলেই চলবে না, কারণ তা বুর্জোয়া এমন কি বড় বুর্জোয়াদের নিকটও গ্রহণীয় ।

শ্রেণী সংগ্রামের অনিবার্য পরিনতি সর্বহারা শ্রেণীর একনায়কত্ব (বর্তমানে জনগণের গণতান্ত্রিক একনায়কত্ব ), ইহা প্রতিষ্ঠার জন্য সর্বহারা শ্রেণীর রাজনৈতিক পার্টি,এর নেতৃত্বে সশস্ত্র ও অন্যান্য সংগ্রাম এবং সর্বহারাদের শ্রেণী সংগ্রাম পরিচালনার বৈজ্ঞানিক তাত্ত্বিক ভিত্তি মার্ক্সবাদ-লেনিনবাদ-মাও সে তুং চিন্তাধারা ও তার প্রয়োগ-অনুশীলন শিল্প-সাহিত্য-সংস্কৃতিতে প্রতিফলিত হতে হবে । তখনই এ ধরনের শিল্প-সংস্কৃতির বিষয়বস্তু সর্বহারার বিশ্ব দৃষ্টিকোণ দিয়ে সঠিক বলে বিবেচিত হবে ।

এভাবে সুকান্তের সীমাবদ্ধতাকে অতিক্রম করতে হবে।

সাহিত্য-সংস্কৃতিকে শুধু বিষয়বস্তুর দিক দিয়েই ঠিক হলে চলবে না-ব্যাপক ক্যাডার, সৈনিক, সহানুভুতিশীল, সমর্থক এবং জনগণ কর্তৃক গ্রহণীয় ও সমাদৃত এরূপ শিল্পরূপ সম্পন্ন হতে হবে ।

এভাবে আধুনিক সাহিত্য-কবিতা-শিল্পকলার সীমাবদ্ধতা অতিক্রম করতে হবে ।

বিপ্লবী বিষয়বস্তু ও উচ্চমানের শিল্পরূপের (জনগণ কর্তৃক গ্রহণীয় ও সমাদৃত) একাত্মতা সম্পন্ন সাহিত্য-শিল্প-সংস্কৃতি পূর্ব বাংলার বিপ্লবে মতাদর্শগত প্রস্তুতির সৃষ্টি করবে, বিপ্লবের পক্ষে জনমত সৃষ্টি করবে এবং জনগণকে বিপ্লবী কর্মে উদ্বুদ্ধ  করবে।

বিপ্লবী শিল্প-সংস্কৃতি নিয়ে চীন-ইন্দোনেশিয়া-ভারত এবং অন্যান্য দেশে ভ্রাতৃপ্রতিম কমরেডগণ পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছেন।

আমাদেরকেও পূর্ববাংলায় পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালাতে হচ্ছে-কারণ বাংলা সাহিত্যে আমাদের সঠিক পথ সঠিক পথ দেখাবার মত কোন উত্তরসূরী নেই।

এ কারণে আমাদের বিষয়বস্তু ও শিল্পরূপে দুর্বলতা দেখা দিতে পারে। কিন্তু আমরা গুরুত্ব দেবো বিষয়বস্তু অর্থাৎ রাজনীতিতে, আর অনুশীলনের প্রক্রিয়ায় গড়ে উঠবে নিখুঁত শিল্পরূপ।

দেশের এবং বিদেশের অতীত-বর্তমান সাহিত্য শিল্পকলাকে বিশ্লেষণ করতে হবে এবং সৃজনশীলভাবে সেগুলো থেকে শিখতে হবে, অন্ধভাবে নয়।

সর্বহারার দৃষ্টিকোণ দিয়ে সঠিক, একই সাথে আমাদের ক্যাডার, গেরিলা,  সহানুভূতিশীল, সমর্থক এবং জনগণ গ্রহণ করবে, বিপ্লবে প্রেরণা পান-এরূপ শিল্প-সাহিত্য সার্থক বলে বিবেচিত হবে। কাজেই শিল্প-সাহিত্যের ক্ষেত্রে  জনগণের সেবার মনোভাবের সার্থক প্রয়োগ হবে সর্বহারার দৃষ্টিকোণ দিয়ে সঠিক, জনগণের গ্রহণীয় এবং প্রেরণাদায়ক শিল্প-সাহিত্য গড়ে তোলা।

পূর্ববাংলার সর্বহারা পার্টি যেমন রচনা করছে বিপ্লবী কাজের নূতন ইতিহাস, বিপ্লবী প্রবন্ধের নূতন রীতি, তেমনি ঐতিহাসিক পদক্ষেপ নিয়েছে বিষয়বস্তুর দিক দিয়ে সত্যিকার বিপ্লবী এবং নিখুঁত শিল্পরূপ সম্পন্ন জনগণ সমাদৃত শিল্প-সাহিত্যের সম্পূর্ণ নূতন পথ গড়ে তোলার।

আমাদের এ প্রচেষ্টা তখনই সফল হবে যখন কমরেড, গেরিলা-জনগনের কণ্ঠে ধ্বনিত হবে আমাদের গান, কবিতা, তাদের আসরে আলোচিত হবে আমাদের শিল্প-সাহিত্য, আত্মত্যাগে তাদের করবে উদ্বুদ্ধ, পার্টির নেতৃত্বে বিপ্লব করা, পুরানো দুনিয়া ভেঙ্গে চুরমার করা, বিপ্লবী রাজনৈতিক ক্ষমতা প্রতিষ্ঠা ও তা টিকিয়ে রাখার পক্ষে জনগণকে মতাদর্শগতভাবে তৈরী করবে, তাদেরকে বিপ্লবী কর্মে উদ্বুদ্ধ করবে। তখনই সার্থক হবে সাহিত্য-শিল্পকলার ক্ষেত্রে আমাদের জনগণের সেবার মনোভাব।