আমেরিকায় চলতি বছর পুলিশের গুলিতে নিহত হয়েছে প্রায় ১০০০ ব্যক্তি

4bhk91e187d9071uix_620C350

চলতি বছর আমেরিকায় পুলিশের গুলিতে প্রায় ১০০০ ব্যক্তি নিহত হয়েছে। মার্কিন দৈনিক ওয়াশিংটন পোস্ট এ খবর দিয়ে লিখেছে, পুলিশের হামলায় নিহত হয়েছে মোট ৯৬৫ জন। আমেরিকার বিভিন্ন শহরে প্রায়ই বর্ণবৈষম্যের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ সমাবেশ হয় এবং পুলিশি হামলার ঘটনা ঘটে। এ পরিস্থিতিতে দৈনিকটির খবর চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।

দৈনিকটির প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, পুলিশের গুলিতে যে ৯৬৫ জন নিহত হয়েছে তাদের মধ্যে হামলার সময় প্রায় ১০০ জন ছিল সম্পূর্ণ নিরস্ত্র।

এতে আরো বলা হয়েছে, চলতি বছর পুলিশ যাদের ওপর গুলিবর্ষণ করেছে তাদের ৪০ শতাংশই হচ্ছে কৃষ্ণাঙ্গ জনগোষ্ঠী। দৈনিক ওয়াশিংটন পোস্টের এ প্রতিবেদন এমন সময় প্রকাশিত হল যখন চলতি বছর শিকাগো শহরে পুলিশের বর্ণবাদী হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে সেখানকার স্থানীয় জনগণ বহুবার বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে।

2EC9630D00000578-3332731-Hundreds_of_protesters_took_to_the_streets_of_Chicago_within_hou-a-13_1448465498163

আজও ২ কৃষ্ণাঙ্গকে গুলি করে হত্যা, উত্তাল শিকাগো

যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগোতে আবারও দুই কৃষ্ণাঙ্গকে গুলি করে হত্যা করেছে পুলিশ। বড়দিনের একদিন পর শনিবার সকালে শহরের ‘ওয়েস্ট গারফিল্ড পার্ক’-এ একই ভবনে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র ও এক নারীকে গুলি করে পুলিশ। একের পর এক কৃষ্ণাঙ্গ হত্যার প্রতিবাদে আবারো হাজার হাজার মানুষ শহরের রাস্তায়।

আবারো ক্ষোভে উত্তাল শিকাগো। পুলিশের গুলিতে একের পর এক কৃষ্ণাঙ্গ হত্যার ঘটনায় ক্ষুব্ধ হাজার হাজার মানুষ প্রতিবাদ জানাতে নেমে পড়েছে রাস্তায়।

গত বছর পুলিশের গুলিতে কৃষ্ণাঙ্গ কিশোর ম্যাকডোনাল্ডের হত্যার বিচার দাবিতে শুক্রবার উত্তাল ছিল পুরো শিকাগো। এর জের কাটতে না কাটতেই আবারো দুজনকে গুলি করে মারলো পুলিশ। পুলিশের সহিংসতা, বিচারবিভাগীয় তদন্ত ও মেয়রের পদত্যাগ দাবিতে শনিবার সকাল থেকে আবারো রাস্তায় হাজার হাজার মানুষ।

পুলিশের খোঁড়া যুক্তি, বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র কোইনটোনিও বড় দিনের ছুটিতে বাবার কাছে গিয়েছিলেন। বাক-বিতণ্ডার এক পর্যায়ে সে বেসবলের একটি ধাতব ব্যাট নিয়ে বাবাকে হত্যার হুমকি দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে বাধা দেয়ার চেষ্টা করে। পরে ব্যর্থ হয়ে গুলি চালায়।

নিহত কোইনটোনিও’র মা জ্যানেট কুকসে বলেন, ‘এটা খুবই বাড়াবাড়ি। আমার ছেলের কিছুটা মানসিক সমস্যা ছিলো, তাই বলে সে আগ্রাসী ছিলো না। কখনো কোনো সহিংসতাও করেনি সে। সাহায্যের জন্য পুলিশ ডেকে আমার ছেলেকে হারাতে হলো।’

তবে একই ভবনে ৫৫ বছর বয়সী এক নারীকে গুলি করে হত্যাকে নিছক দুর্ঘটনা বলছে পুলিশ।

এ ঘটনায় দায়ী পুলিশ সার্জেন্টকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বিভিন্ন গণমাধ্যম।

একইদিন, শহরের ‘ওয়াশিংটন হাইটস’ এলাকায় পুলিশ জরুরি আহ্বানে সাড়া দিয়ে, একজনকে গুলি করে বলে জানায় গণমাধ্যম। তার অবস্থা গুরুতর না হলেও হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

Advertisements

মার্কিন পুলিশি বর্বরতায় আবারও কৃষ্ণাঙ্গ কিশোর নিহত

1

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট লুইস শহরে আরও এক কৃষ্ণাঙ্গ কিশোর পুলিশের গুলিতে নিহত হওয়ায় সেখানে ব্যাপক অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।

‘মানসুর বল বি’ নামের ১৮ বছরের এই কিশোর গত বুধবার ঘরের পেছনের দরজা দিয়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় তার ওপর গুলি চালানো হয় বলে স্থানীয় পুলিশ প্রধান স্যাম ডটসন দাবি করেছেন। পুলিশ বলেছে, ওই ঘরে তল্লাশি চালানোর জন্য তারা আদালতের অনুমতি নিয়েছিল। তল্লাশির সময় দুই সন্দেহভাজন কৃষ্ণাঙ্গ কিশোর পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে এবং তাদের একজন পুলিশের দিকে অস্ত্র তাক করলে পুলিশ চারটি গুলি ছুড়ে তাঁকে হত্যা করে। অন্য কিশোর পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। কিন্তু শ্বেতাঙ্গ মার্কিন পুলিশের এই বর্ণনাকে স্থানীয় জনগণ প্রত্যাখ্যান করেছে তাদের অতীত আচরণের অভিজ্ঞতার কারণে।

এই কৃষ্ণাঙ্গ কিশোর এমন সময় নিহত হল যখন সেন্ট লুইস শহরের নাগরিকরা কৃষ্ণাঙ্গ নাগরিক কাজিমি পাওয়েলের হত্যাকাণ্ডের প্রথম বার্ষিকী উদযাপন করছিল। এক শ্বেতাঙ্গ মার্কিন পুলিশের গুলিতে সে নিহত হয়। কৃষ্ণাঙ্গ কিশোর নিহত হওয়ার এই ঘটনার পরপরই শহরে প্রতিবাদ ও বিক্ষোভের ঝড় ওঠে।

বর্ণবাদ বিরোধী প্রতিবাদীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ও রাবার বুলেট ব্যবহার করে। বিক্ষুব্ধ জনতা কয়েকটি সরকারি ভবনে আগুন দেয়। প্রতিবাদীদের কেউ কেউ পুলিশের দিকে কাঁচের বোতল ছুঁড়ে মারে। পুলিশ অনেক প্রতিবাদীকে গ্রেফতার করেছে।

2

চলতি বছর মার্কিন পুলিশের হাতে দেশটির প্রায় সাড়ে ৫০০ নাগরিক নিহত হয়েছে।  ২০১৪ সালের নয় আগস্ট সেন্ট লুইস শহরে  মাইক ব্রাউন নামের এক কিশোর পুলিশের গুলিতে নৃশংসভাবে নিহত হলে দেশজুড়ে বর্ণবাদ বিরোধী প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।

সূত্রঃ http://bangla.irib.ir/


যুক্তরাষ্ট্রে কৃষ্ণাঙ্গ কিশোর হত্যার এক বছর পূর্তিতে বিক্ষোভ

brown-28937

যুক্তরাষ্ট্রের পুলিশের গুলিতে কৃষ্ণাঙ্গ কিশোর মাইকেল ব্রাউন হত্যাকাণ্ডের ঘটনার এক বছর পূর্তি উপলক্ষে শনিবার বিক্ষোভ করেছে নিহতের স্বজনসহ বর্ণবাদবিরোধী সাধারণ মানুষ।

গত বছরের ৯ই আগস্ট মিসৌরি অঙ্গরাজ্যের ফার্গুসন শহরে ১৮ বছর বয়সী নিরস্ত্র কিশোর ব্রাউনের ওপর এলোপাথাড়ি গুলি চালায় এক শ্বেতাঙ্গ পুলিশ। পুলিশের এমন নৃশংস আচরণের প্রতিবাদে এ বিক্ষোভ সপ্তাহব্যাপী অব্যাহত রাখার কথা জানায় আন্দোলনকারীরা।

সূত্রঃ somoynews.tv


যুক্তরাষ্ট্রে কৃষ্ণাঙ্গ সম্প্রদায়ের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ, পিপার স্প্রে নিক্ষেপ

cleveland27n-3-web

cleveland27n-1-web

cleveland27n-2-web

2dagYwUeER210VLI

cl

DLX91_BgpbWNiBHf

যুক্তরাষ্ট্রের ক্লিভল্যান্ডে কৃষ্ণাঙ্গ সম্প্রদায়ের সঙ্গে অমানবিক আচরণের বিরুদ্ধে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশের ব্যাপক সংঘর্ষ হয়েছে।

রোববার ভয়াবহ সংঘর্ষের একপর্যায়ে আন্দোলনকারীদের ওপর পিপার স্প্রে নিক্ষেপ করে পুলিশ।

পুলিশের দাবি, সড়ক অবরোধ করে রাখায় বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পিপার স্প্রে ছোড়ে তারা। অন্যদিকে বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ ফার্গুসন ও বাল্টিমোরের মতোই ক্লিভল্যান্ডে কৃষ্ণাঙ্গদের ওপর নির্যাতন চালিয়েছে পুলিশ।

এদিকে গত সপ্তাহে ক্লিভল্যান্ডের স্টেট ইউনিভার্সিটিতে পুলিশ ও কৃষ্ণাঙ্গদের মধ্যে সংঘাতময় পরিস্থিতি নিয়ে একটি জাতীয় পর্যায়ের সম্মেলন আয়োজন করা হয়। সম্মেলনে অংশ নেয়া দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের সামাজিক আন্দোলন কর্মীরা মার্কিন পুলিশের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ শুরু করে বলে জানায় গণমাধ্যম।

সূত্রঃ http://www.huffingtonpost.com/entry/cops-pepper-spray-black-lives-matter-protestors-in-cleveland-reports_55b55998e4b0a13f9d18e364


যুক্তরাষ্ট্রে কৃষ্ণাঙ্গ শিশুদের ৪০ শতাংশ চরম দারিদ্র্যে

a-portrait-of-inequality

যুক্তরাষ্ট্রে গত ৫ বছরে শ্বেতাঙ্গ শিশুদের অর্থনৈতিক পরিস্থিতির উন্নয়ন হলেও কৃষ্ণাঙ্গ বা আফ্রিকান আমেরিকান শিশুদের চল্লিশ শতাংশ এখনও চরম দরিদ্রতার মধ্যে বসবাস করছে বলে সাম্প্রতিক এক জরিপে উঠে এসেছে।

পিউ গবেষণা সংস্থার ওই জরিপ থেকে জানা যায়,যুক্তরাষ্ট্রের সাড়ে চার কোটি নাগরিক এখনও দরিদ্রতার মধ্যে বসবাস করছে তার মধ্যে দেড় কোটিই শিশু। গত কয়েক বছরের সমীক্ষা অনুযায়ী, ১৮ বছরের নিচে শ্বেতাঙ্গ শিশুদের দরিদ্রতার হার যে হারে কমিয়ে আনা হয়েছে সে হারে কৃষ্ণাঙ্গ শিশুদের কোন উন্নয়ন হয়নি।

এর কারণ হিসেবে গবেষণা সংস্থাটির পরিচালক, কৃষ্ণাঙ্গদের বেকারত্বের হার বেশি ও পারিবারিক আয় শ্বেতাঙ্গদের তুলনায় কম হওয়াকে দায়ী করেন। একই অবস্থা যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত দক্ষিণ আমেরিকা বা হিস্পানিক শিশুদের ক্ষেত্রে। ১ কোটি ৮০ লাখ হিস্পানিক শিশুদের মধ্যে ৩০ শতাংশই দারিদ্র্যপীড়িত।

সূত্রঃ http://somoynews.tv/pages/details/%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%95%E0%A7%83%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%A3%E0%A6%BE%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%97-%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%81%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%9A%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%B6-%E0%A6%B6%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B6-%E0%A6%9A%E0%A6%B0%E0%A6%AE-%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%87