কেরলে মাও পুস্তিকা প্রচারের অভিযোগে সিপিএমের ২ কর্মী UAPAতে গ্রেফতার

কেরলে ২ সিপিএম কর্মীকে মাওবাদী পুস্তিকা প্রচারের অভিযোগে গ্রেফতার করল পুলিস। এমনটাই জানাচ্ছে দ্য নিউজ মিনিট ওয়েবসাইট। শুক্রবার রাতে কোঝিকোড়ে আইনের ২ ছাত্র মাওবাদীদের সমর্থনে লেখা পুস্তিকা বিলি করছিল বলে অভিযোগ। ওই  ২ ছাত্র  মাওবাদীদের সমর্থনে শ্লোগান দিচ্ছিল বলেও পুলিসের অভিযোগ।  সেই সময় পুলিস UAPA আইনে তাদের গ্রেফতার করে। এলেন সুয়াইব ও থাহা ফয়সল কেরলের শাসকদলের কর্মী। এলেন কোজিকোড়ে দলের শাখা সদস্য। থাহা DYFI এর স্থানীয় নেতা।

মাওবাদী পুস্তিকা বিলির অভিযোগে ২ ছাত্রকে গ্রেফতারের  নিন্দা করে একে বর্বরোচিত কাজ বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধীদলের নেতা রমেশ চেন্নিথালা। কংগ্রেসের এই নেতা স্মরণ করে দিয়েছেন আদর্শ বিশ্বাসের ক্ষেত্রে ওই আইন প্রযোজ্য করা যায় না। বাম সরকার গণতান্ত্রিক অধিকারকে খর্ব করছেন বলে অভিযোগ করেছেন কংগ্রেস নেতা।

কয়েকেদিন আগেই পাল্লাকাডে ৩ মাওবাদীকে গুলি করে হত্যার ঘটনা ভুয়ো সংঘর্ষের অভিযোগ উঠেছে। খোদ শাসকদলের শরিক সিপিআই এই প্রশ্ন তুলে তদন্তের দাবি জানিয়েছে। পুনরায় বিজয়ন সরকারে আসার পর ৬জন মাওবাদীকে সংঘর্ষে হত্যা করা হয়েছে। সিপিআই এর তরফে জানান হয়েছে গুলি করে মাওবাদীদের হত্যার তারা সবসময়েই সমালোচনা করেছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে এবার মাওবাদী পুস্তিকা প্রচারের অভিযোগে UAPAতে ২ ছাত্রের গ্রেফতার ঘটনা প্রমাণ করছে রাজ্য মাওবাদীদের মোকাবিলায় ক্রমশ পুলিস নির্ভর হয়ে পড়ছে শাসকদল। তোয়াক্কা করছে না গণতান্ত্রিক পদ্ধতির।

সূত্রঃ সাতদিন.ইন


কেরলে ভুয়ো সংঘর্ষে হত্যা ৪ মাওবাদীকেঃ অভিযোগ কেরল সিপিআই এর

তামিলনাড়ুর থেকে আসা ‘মনিভাসাকাম ও কার্ত্তিক’ এবং কর্ণাটক থেকে আগত ‘শ্রীমতী ও সুরেশ’ নামে ৪ সন্দেহভাজন নিহত মাওবাদী’র ৩জন

গত সোমবার ও মঙ্গলবার কেরলের প্রক্কালাদ জেলার আদালিতে তামিলনাড়ুর থেকে আসা ‘মনিভাসাকাম ও কার্ত্তিক’ এবং কর্ণাটক থেকে আগত ‘শ্রীমতী ও সুরেশ’ নামে ৪ সন্দেহভাজন মাওবাদীকে গুলি করে হত্যার ঘটনাকে ভুয়ো সংঘর্ষ বলে জানাল কেরলের বাম শরিক সিপিআই। সিপিআই রাজ্য কাউন্সিলের বৈঠকে গৃহীত সিদ্ধান্ত বলা হয়েছে, স্থানীয় কর্মীদের থেকে পাওয়া তথ্যে এটা মনে করা  হচ্ছে একটি ভুয়ো সংঘর্ষের ঘটনা। ম্যাজিস্ট্রেট পর্যায়ের তদন্তের দাবি জানিয়েছে সিপিআই। এমনটাই জানাচ্ছে the newindian express ওয়েবসাইট। মুখ্যমন্ত্রী পিনরাই বিজয়ন দাবি করেছেন- আত্মরক্ষার জন্যই পুলিস গুলি চালায়। মুখ্যমন্ত্রীর এই দাবি মানতে নারাজ শরিক সিপিআই। সিপিআই এর তরফে জানান হয়েছে নিহতদের মধ্যে একজন মাওবাদী অসুস্থ ছিলেন । তার পক্ষে একে ৪৭ ধরা সম্ভবই নয়। সিপিআই তরফে পুলিসের শাস্তি দেওয়ার এই পদ্ধতিকে নিন্দা করা হয়েছে।

কেরল পুলিসের থান্ডারবোল্ট বাহিনী গত সোমবার পাল্লকাডের জঙ্গলে ৩ মাওবাদী ও পরদিন আত্তাপাদিতে ১ মাওবাদীকে সংঘর্ষে হত্যা করেছে বলে দাবি করেছিল। নিহতদের মধ্যে ১জন মহিলা। সোমবার খুব ভোরে পালাক্কাড জেলার আগালির জঙ্গলে এই তথাকথিত সংঘর্ষটি হয় বলে জানাচ্ছে সংবাদ মাধ্যম। মিডিয়া রিপোর্ট অনুযায়ী, মাওবাদীদের লুকিয়ে থাকার খোঁজ পেয়ে তল্লাশির সময় এই সংঘর্ষ হয়। অধিকাংশ সংঘর্ষের মত এখানেও শুধু মাওবাদীরাই নিহত হয়েছেন। পুলিসকর্মীদের আহত হওয়ার কোন খবর নেই। কেরল গত কয়েক বছরে একাধিক সংঘর্ষের ঘটনায় বেশ কয়েকজন মাওবাদী নেতা ও কর্মী নিহত হয়েছেন। মানবাধিকার কর্মীদের তরফে ভুয়ো সংঘর্ষের অভিযোগ করা হয়েছিল আগেই এবার সিপিএমের শরিক সিপিআইও সংঘর্ষকে ভুয়ো বলাই রাজ্য সরকারের অস্বস্তিতে আরো বাড়ল বলে মনে করছে অনেকে।

সূত্রঃ সাতদিন.ইন

http://en.maktoobmedia.com/2019/10/30/4-maoists-were-shot-and-killed-by-kerala-police/

 

 


ভারতঃ ‘মাওবাদী হওয়া অপরাধ নয়’- কেরল হাইকোর্টের রায়

maoist-2

kerala-high-court-650_650x400_71432303839

mao

 

সুত্রঃ 

http://www.ndtv.com/india-news/being-a-maoist-is-not-a-crime-says-kerala-high-court-765288