বাংলাদেশঃ নয়া গণতান্ত্রিক গণমোর্চা জাতীয় কমিটির বিবৃতি

12360093_10207388390286850_7213180172363690027_n

নয়া গণতান্ত্রিক গণমোর্চা জাতীয় কমিটি বিবৃতি

ডানকান ব্রাদার্সের চা শ্রমিকদের আন্দোলনকে সমর্থন করুন,চা শ্রমিকদের আন্দোলনকে সামগ্রিক শোষণ মুক্তির লক্ষ্যে এগিয়ে নিতে প্রস্তুতি নিন।’

গত কয়েকদিন ধরেই চান্দপুর ডানকান ব্রাদার্সের চা শ্রমিকরা তাদের ন্যায্য দাবিতে আন্দোলন করছেন।এই আন্দোলনের মূল কারণ খুব পরিষ্কার।তারা তাদের বাপ দাদার জমি অর্থাৎ তারা তাদের অস্তিত্বকে বিলীন করতে চান না। ১৮৯০ সাল থেকে যারা এই ৫১১ দশমিক ৮৩ একর জমিতে ফসল ফলিয়ে আসছেন,তাদের স্পেশাল ইকনোমিক জোনের নাম করে জমি থেকে উচ্ছেদ করা হচ্ছে।এটা একটি অগণতান্ত্রিক জুলুমবাজ সরকারের ‘সাধারণ’ সিদ্ধান্ত বটে।এই গণবিরোধী সরকার গত কয়েক বছর ধরে উন্নয়নের নামে যা শুরু করেছে এই চা বাগান থেকে জনগণকে উচ্ছেদ তার একটি নমুনা।এর আগে আমরা দেখেছি কয়লা খনি বানানোর নাম করে ফুলবাড়ির জনগণকে উচ্ছেদের চেষ্টা,যা এখনো চলমান।এছাড়াও রামপালে বিদ্যুৎ কেন্দ্রের নাম করে জীববৈচিত্র্য ধ্বংস করার যে উৎসবে মেতেছে এই ফ্যাসিবাদী রাষ্ট্র তাতে বাঁচার জন্য জনগণের জঙ্গি হয়ে ওঠার শর্ত সৃষ্টি করছে। আমরা এই স্পেশাল ইকনোমিক জোনের নাম করে জনগণকে তার জমি থেকে উচ্ছেদের তীব্র বিরোধিতা করি ও অবিলম্বে সেখান থেকে ফ্যাসিবাদী সরকারকে হাত গুটানোর দাবি জানাই। জনগণের প্রতি আহবান জানাই আন্দোলনকে দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত চালিয়ে যাওয়ার এবং এই আন্দোলন থেকে শিক্ষা নিয়ে জনগণের সার্বিক মুক্তির লক্ষ্যে আন্দোলন গড়ে তোলায় অংশ নেয়ার আহবান জানাই।

বার্তা প্রেরক

বিপ্লব ভট্টাচার্য্য

13516

Advertisements

ভারতে ক্ষুধার জ্বালায় মেয়েদের বিক্রি করছেন চা শ্রমিক বাবারা!

tea-garden-reuters.jpg.image.975.568

কয়েক মাস ধরে বন্ধ চা বাগান। কাজ নেই, স্বাভাবিকভাবেই নেই আয়ের কোনো সংস্থান। অগত্যা ক্ষুধা মেটাতে নিজের মেয়েদের বিক্রি করে বাঁচার পথ খুঁজছেন চা শ্রমিকরা!

ভারতের সিকিম রাজ্যে বিক্রি হয়ে যাওয়া এমনই দুই কিশোরীকে গতকাল শনিবার উদ্ধার করেছে পুলিশ। পুলিশের কাছে উদ্ধার হওয়া কিশোরীদের অভিযোগ, এমনই আরো অনেক কিশোরীকে বিক্রি করে দিয়েছেন তাদের চা শ্রমিক বাবারা।

সিকিমের অনেক চা বাগান ঘুরে ভারতের সংবাদমাধ্যম জিনিউজের সংবাদদাতা দেখতে পেয়েছেন একই চিত্র। বেশ কয়েক মাস ধরেই কাজ নেই চা শ্রমিকদের। ঘরে অভুক্ত বহু মানুষ। বংশনুক্রমিকভাবে চা বাগানে কাজ করা এসব চা শ্রমিক অন্য কোনো কাজও জানে না যা করে চালাবে পেট।  আর এই অবস্থাতেই বাগান থেকে বিক্রি হচ্ছে একের পর এক কিশোরী।

জিনিউজের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে ১০ মাস বন্ধ সিকিমের মালবাজারের মেটালি ব্লকের ডানকানের কিলকোট চা বাগানের শ্রমিকদের কথা । বন্ধ হওয়ার দুই মাস আগে থেকে কাজ হারিয়েছে বাগানের ১৪০০ শ্রমিক। এদের মধ্যে কাজের খোঁজে শহরে পাড়ি দিয়েছে অনেকে। যারা কোথাও যেতে পারেনি তারা আধপেটা খেয়ে কোনো রকমে মানবেতর জীবনযাপন করছে। খুঁজছে নিজে বেঁচে থাকার আর পরিবারকে বাঁচিয়ে রাখার অন্য উপায়ও। সেই উপায় খুঁজতে গিয়েই ওই দুই মেয়েকে মাত্র আট হাজার টাকায়  বিক্রি করে দেন তাদের বাবারা।


ভারতঃ উত্তরবঙ্গে ৪৮ ঘন্টায় ৫ চা শ্রমিকের মৃত্যু

201512031318333035_Another-death-in-Tea-Garden_SECVPF

উত্তরবঙ্গের বন্ধ চা বাগানগুলিতে শ্রমিকদের মৃত্যু মিছিল অব্যাহত। গত মঙ্গলবার ও বুধবার এই দুই দিনে আলিপুর দুয়ারের বীরপাড়া ও কেন্দাপাড়ার দুটি বন্ধ চা বাগানে ৪ জন শ্রমিক মারা গেছেন। মৃত্যু হয়েছে জলপাইগুড়ির রেডব্যাঙ্ক চা বাগানে এক শ্রমিকেরও। মিডিয়ার সামনে মৃতদের পরিবার অভিযোগ করেছেন অর্থাভাবে, বিনা চিকিৎসা ও বিনা খাবারের কারণে তাদের মৃত্যু হয়েছে।

সূত্রঃ http://satdin.in/?p=6238