ভারতঃ হাইকোর্টে গৃহীত ছত্রধর মাহাতোর মামলা

kolkata.high_.court_

আদালতে গৃহীত হল ছত্রধর মাহাত’র মামলা। এবার এই মামলার শুনানি হবে হাইকোর্টে। জামিনের আবেদন জানাতে পারবেন ছত্রধর মাহাত সহ ছয় অভিযুক্ত।

রাজ্যে প্রথম দেশদ্রোহিতা এবং সন্ত্রাসদমন আইনে দোষী সাব্যস্ত করা হয় ছত্রধর মাহাতকে। যাবজ্জীবনের সাজা হয় তাঁর।  মেদিনীপুরের চতুর্থ জেলা দায়রা আদালত। একই অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত সাগেন মুর্মু, সুখশান্তি বাসকে, শম্ভু সোরেনসহ আরও ৬ জনকেও একই সাজা দেওয়া হয়।

তবে রাষ্ট্রদোহিতায় দোষী সাব্যস্ত হলেও, ইউএপিএতে অন্তর্ভূক্ত হননি রাজা সরখেল ও প্রসূন চট্টোপাধ্যায়।

পশ্চিম মেদিনীপুরের দলিতপুরে একটি নাশকতামূলক বিস্ফোরণের ঘটনায় ও মাওবাদী সংস্রবের অভিযোগে ২০০৯-এর ২৬ সেপ্টেম্বর গ্রেফতার করা হয় পুলিশি সন্ত্রাস বিরোধী জনসাধারণের কমিটির নেতা ছত্রধর মাহাতকে। ২০১১-র বিধানসভা নির্বাচনে জেল থেকেই ভোটে লড়েন ছত্রধর। রাজ্যে ক্ষমতার পরিবর্তনের পর বন্দিমুক্তি কমিটি গঠিত হয়। কিন্তু, রেহাই পাননি তিনি। যদিও ২০০৯-এর লোকসভা ভোটের আগে ছবিটা ছিল অন্যরকম। রাজ্যের তৎকালীন বিরোধী নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে একই সভামঞ্চে দেখা গিয়েছে ছত্রধর মাহাতকে। মমতা ছত্রধরের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে বলে জঙ্গলমহলের জনগণ বলে আসছেন।

সূত্রঃ http://www.bengali.kolkata24x7.com/chhatradhar-case-at-highcourt.html


ভারত/পশ্চিমবঙ্গঃ রাজনৈতিক বন্দীদের মুক্তির দাবীতে ১১ই আগস্ট গণ কনভেনশন

r

 

rr


ভারতঃ কলকাতা- আগামী ১১ই জুলাই, মুক্তাঙ্গন প্রেক্ষাগৃহে গণ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ‘মুক্তি চাই’ সফল করুন

CORPoster_Web-724x1024

মুক্তি চাই!
ছত্রধর মাহাতো সহ সমস্ত রাজনৈতিক বন্দীদের মুক্তির দাবিতে গণ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

দাবী
এই নিরন্ন স্তব্ধ মধ্যরাত্রির রক্তচোষা উদারতায় নীল নক্ষত্রের
কোটি কোটি মশাল জ্বালানো মুক্ত আকাশের নীচে
ভারতবর্ষ নামক এই বিশাল নিখুঁত ভাবে নির্যাতিত
মনুষ্যত্বগ্রাসী জেলখানা থেকে
সমস্ত রাজনৈতিক বন্দী সহ
সমস্ত গরীব মানুষের
শর্তহীন মুক্তি চাই।”
– ‘মানুষের অধিকার’, মণিভূষণ ভট্টাচার্য।

সুধী,

আজ থেকে দু’মাস আগে, মেদিনীপুরের সেশন কোর্ট ছত্রধর মাহাতো, সুখশান্তি বাস্কে, সগুন মূর্মু, শম্ভু সোরেন, রাজা সরখেল ও প্রসূন চ্যাটার্জীকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দেয়। অপরাধ ‘রাষ্ট্রদ্রোহ’! প্রথম চারজনের বিরুদ্ধে ইউ-এ-পি-এ নামক একটি দানবীয় আইনও ব্যবহার করা হয়। সারা দেশ জুড়েই এই রায়ের বিরুদ্ধে গণতান্ত্রিক, শুভবুদ্ধিসম্পন্ন মানুষ সরব হয়েছেন। আইনের লড়াই-এর পাশাপাশি অন্যান্য ভাবে প্রতিরোধ খাড়া করা ছাড়া আমাদের সামনে আজ পথ নেই।

কিন্তু ছত্রধর মাহাতোরা একা নন। কাশ্মীর থেকে মণিপুর। ছত্তিসগড় থেকে বিহার। মারুতি কারখানার ১৪৮ জন শ্রমিক থেকে সন্ত্রাসবাদী সন্দেহে অসংখ্য মুসলিম যুবক। জমি লুঠ, জঙ্গল লুঠ, শ্রম লুঠ, দেশ লুঠের বিরুদ্ধে কথা বলার অপরাধে সাংস্কৃতিক কর্মীরাও। ভারতরাষ্ট্রের জেলখানাগুলিতে পচছেন অনেক ছত্রধর মাহাতো আর অনেক মৌলানা মাদানি। অনেক সাইবাবা আর অনেক শচীন মালি। দেশের যে মানুষেরা খেতে ফসল ফলান, কারখানায় ঘাম ঝরান, বা যারা বনের সম্পদকে বহুযুগ ধরে ব্যবহার ও রক্ষা করে বেঁচে আছেন, তাদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রের আক্রমণ আরো সুচারুরূপে প্রাণঘাতী হচ্ছে। দেশের আইন-কানুন অতীতের ধারাবাহিকতা মেনেই যেন আরো বেশি সর্বনেশে হয়ে উঠছে। বিচার-ব্যবস্থাও।

এই প্রেক্ষিতকে মাথায় রেখেই, ‘প্রতিরোধের সিনেমা’র পক্ষ থেকে সমস্ত রাজনৈতিক বন্দীদের মুক্তির দাবিতে আগামী ১১ই জুলাই, মুক্তাঙ্গন প্রেক্ষাগৃহে (বেলা ৩টে থেকে সন্ধ্যে ৭টা) একটি গণ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। বক্তব্য রাখবেন ডাঃ বিনায়ক সেন, সোনি সোরি, শুভেন্দু দাশগুপ্ত, রাজীব যাদব, অজয় টিজি ও অন্যান্যরা। গান নিয়ে থাকবেন অনুশ্রী-বিপুল, নীতিশ রায়, সুস্মিত বোস, স্বভাব নাটক দল, রঞ্জন প্রসাদ ও ‘প্রতিরোধের গান’। আনন্দ পটবর্ধনের তথ্যচিত্র ‘জমির কে বন্দী’ (প্রিজনার্স অফ কনশেন্স) প্রদর্শিত হবে।

আপনার/আপনার সংগঠনের উপস্থিতি অনুষ্ঠানকে সমৃদ্ধ করবে।


ভারতঃ ‘এমন রাত্রি নেই যা প্রভাত হয় না’ – ছত্রধর মাহাতোর প্রতি কমরেড সব্যসাচী গোস্বামীর খোলা চিঠি

Page_00001

 

Page_00002

 

Page_00003

 

সুত্রঃ http://sanhati.com/articles/13585/