তুরস্কে সামরিক বাহিনীর স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে মাওবাদী MKP/HKO গেরিলারা

MKPHKO-800x445

গত ১৮ই জুনে, MKP/HKO গেরিলারা ওভেইক-কুশুলুকা সামরিক স্থাপনায় গেরিলা হামলা চালিয়েছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, এতে একজন সৈনিক নিহত এবং দুই সৈন্য আহত হয়।

মাওবাদী কমিউনিস্ট পার্টি/পিপলস লিবারেশন আর্মি(MKP/HKO) এর পরিচালনায় ওভেইক-কুশুলুকা’র সামরিক স্থাপনার বিরুদ্ধে এই হামলাটি চালানো হয়।

MKP/HKO দারসিম আঞ্চলিক কমান্ড এক বিবৃতি বলেছে: “১৮ই জুন ২০১৭ এ সকাল ৮.১৫মিনিটে কুশুলুকা সামরিক স্থাপনায় আমাদের গেরিলাদের পরিচালনায় এই আক্রমণটি চালানো হয়েছে।

এতে দুই শত্রু সৈন্য আহত এবং একজনকে হত্যা করা হয় এবং আমাদের বাহিনীর কোনও ক্ষতি ছাড়াই নিরাপদে ফিরে আসতে পেরেছে। আক্রমণের পরে, শত্রুরা এলাকায় মর্টার আক্রমণ শুরু করে।

দারসিমের মেরকানে শহীদ ১৭জন গেরিলার সম্মানার্থে এই আক্রমণটি চালানো হয়েছে”।

বিবৃতিটি স্লোগান দিয়ে শেষ হয়: “আমাদের পার্টি এবং সমাজতান্ত্রিক গণযুদ্ধ দীর্ঘজীবী হোক”

সূত্রঃ http://www.halkingunlugu.org/index.php/guncel/item/11044-mkp-hko-gerillalarindan-eylem

Advertisements

রোজাভা থেকে তুরস্কের মাওবাদী TKP/ML-র গেরিলা যোদ্ধার চিঠি (ইংরেজি থেকে অনুবাদ)

10380994_173384719717563_1837776385379154892_n

রোজাভার চিঠিঃ “আমরা যুদ্ধ করার মধ্য দিয়েই যুদ্ধ শিখি”

চিঠিটা লিখেছেন তুরস্কের একজন TKP/ML গেরিলা যোদ্ধা (ইংরেজি থেকে অনুবাদ)

বিপ্লব একটা পথ; জনগণ যখন এ পথে পা বাড়ায় তারা একটা অচেনা পৃথিবীর দরজাই খোলে। আমরা এ পথে এসেছি আগুন ও মাটিকে ভালবেসে। আমরা এ পথে হাটা শুরু করেছি ব্যক্তিগত সম্পদের সাথে সব ধরনের যোগসুত্র ছিন্ন করে, একজন নবজাতকের মত জীবনে পদার্পণ করতে পেরে যে খুব খুশি ও আশাবাদী। আমরা এ পথে হাটা শুরু করেছি মধ্যরাত্রে, চাঁদের আলো আমাদের পথ দেখিয়েছে। যে বন্ধুরা আমাদের এখানে নিয়ে এসেছে তারা সতর্কবাণী দিয়েছে, আমরা হাটতে শুরু করেছি। উচু উচু পর্বত, প্রমত্ত নদী ও গম ক্ষেতের বিষাক্ত গন্ধ পেরিয়ে আমরা অবশেষে রোজাভায় এসে পৌঁছেছি। আমাদের ভ্রমন ছিল মোট চৌদ্দ ঘন্টা, কোন রুটি, কোন পানি ও সিগারেট ছাড়া। এমন সব মানুষের সাথে যাত্রা যাদেরকে আমরা আগে কখনো দেখিনি….রাতের অন্ধকারের কারনে, এসব বন্ধুদের মুখ পর্যন্ত দেখতে পাইনি। এটা অবাক করার মত, হতে পারে তাদের কারো কারো সাথে পাশাপাশি যুদ্ধ করছি একই অবস্থানে দাঁড়িয়ে। হতে পারে অন্যের বাহুতেই শেষ নিশ্বাসটি নিয়েছি কিন্তু জানা হয়নি তার প্রিয় বই কিংবা প্রিয় মুভি কি।

আমরা এখন রোজাভায়। এখানে কেবল অস্ত্রধারীরাই মিলিত হয় আর চুমু খায়। একটা উষ্ণ অভ্যর্থনার পর আমরা চা পান করলাম,চিজ দিয়ে রুটি খেলাম। সবার উৎসুক দৃষ্টি। প্রত্যেকের চোখ অন্যের চোখের উপর, অন্যের দিকে তাকিয়ে এমনতর কমরেডসুলভ হাসির মধ্যে যেন তলিয়ে গেছে সমস্ত ক্লান্তি।

তিন/চার দিন অপেক্ষার পর সংগঠন আমাদেরকে ফ্রন্টে নিয়ে গেল, যেখানে আমরা যুদ্ধ করব। উভয় পাশে দুটো পর্বত দাঁড়িয়ে : একটা ধুলো দিয়ে তৈরি অন্যটা ধোয়ায়। এক পাশে আব্দুল আজিজ পর্বত অন্য পাশে সেনগাল পর্বত। আর বাকী যা তা হল বিশাল শুন্যতা, এক উষর প্রান্তর সমতল ও অনুর্বর, গাছের চিহ্নমাত্র নেই। তাপমাত্রা যে কারো চোখকে বিষন্ন করে দিতে পারে। প্রত্যেক দিনই ধুলিঝড় দৃষ্টিসীমা শুন্যের কাছাকাছি নিয়ে আসে। আমরা যেখানে আছি সেখানে কমরেডরা এসেছে কুর্দিস্তানের চার কোনা থেকে- টার্কি, ইরান,ইরাক ও সিরিয়া থেকে। সবাই তরুন যোদ্ধা জীবনী শক্তিতে ভরপুর। এটা আমাকে আহমেদ আরিফের কবিতা মনে করিয়ে দেয় : ‘যদি তুমি আমার ভাই বোনদের জান, তারা কতোটা ভাল তবে আমিও তোমাকে জানাব ‘।

ব্যাটেলিয়নে যৌথজীবন পদ্ধতি। যা কিছু করা হবে তার পরিকল্পনা যৌথভাবেই হয়। এখানে আমাদের বন্ধুত্বটাই আসল। অনেক বন্ধুরা TKP-ML/TiKKO সম্পর্কে জানেনা। এটা তাদের জন্য উৎসুকের ব্যাপার যে YPG/YPJ ছাড়াও তাদের জন্য আরেকটি সংগঠন রয়েছে। যখন আমরা বলি, আমাদের রোজাভায় আসার কারন আমাদের পার্টি, আমাদের বন্ধুত্ব দৃঢ হয় এবং একে অপরের প্রতি আত্মবিশ্বাস প্রসারিত হয়।আমাদের ব্যাটেলিয়নে আমাদের একটা স্লোগান আছে,” চা, সিগারেট এবং যুদ্ধ “।এই তিনটা জিনিস যেন এখানে দৃঢভাবে গেঁথে আছে।

আমরা সম্মুখ সমরে। ISIL গ্যাংদের থেকে আমাদের অবস্থান মাত্র সাতশত মিটার দুরে। প্রতিদিনই কোন না কোন লড়াইয়ের মুখোমুখি হতে হয়। মর্টার, মিসাইল, বুলেট আমাদের কালোরাতকে আলোকিত করে। রাতে আমরা এম্বুশের জন্য অপেক্ষা করি, আমাদের ক্ষেত্র তৈরি করি । কোন কোন দিন আট থেকে দশ ঘন্টা সারভেইলেন্স ডিউটি থাকে। আমাদের মনোবল দৃঢ় কারন আমরা যুদ্ধের মধ্যেই তাকে কেন্দ্রীভূত করতে পেরেছি। এখানে শহর ও যুদ্ধক্ষেত্র সম্পর্কে অনেককিছু শিখেছি, আমাদের নেতা কমরেড ইব্রাহিম কায়পাক্কায়া ঠিক যেমনটি আমাদের শিখিয়েছিলেন :” আমরা যুদ্ধ করার মধ্য দিয়েই যুদ্ধ শিখি”। স্বাধীনতা মানে হল নিজের আবশ্যক বিষয়গুলো সম্পর্কে সচেতন হওয়া এবং পার্টির নির্দেশনা মতো আমরা সর্বহারা শ্রেণীর ডাকে সাড়া দিতে প্রস্তুত। আত্মবিশ্বাসের সাথে ছোট ছোট পদক্ষেপে আমরা সামনের দিকে এগিয়ে যাব, আমরা এটাও অবশ্যই বিনয়ের সাথে স্মরন করব- আমাদের ক্ষমতা ও আদর্শের ব্যাপ্তি।

কমরেড সেফাগুল কেশকিন আমাদের নির্দেশনা দিয়েছেন : “প্রত্যেকে অবশ্যই তাদের দায়িত্ব পালন করবে”। আমরা আমাদের নির্দেশনা পেয়েছি, আমরা আমাদের কাজের প্রতি অঙ্গীকারবদ্ধ। সে সব কাজ আজ রোজাভায়, আগামীকাল দারসিমে তারপর কৃষ্ণসাগরে- আমরা আমাদের কাজ করে যাব। আর সবসময় এই কথাটিই স্মরন করব, পুনরাবৃত্ত করব: যেখানে নিপীড়ন আছে, সেখানে প্রতিরোধ আছে এবং কমরেড ইব্রাহিম সেখানেই আছেন।

রোজাভা থেকে একজন TKP/ML গেরিলা যোদ্ধা।

অনুবাদঃ সাইফুদ্দিন সোহেল

সূত্রঃ http://www.signalfire.org/2016/03/16/hi-comrades-a-letter-from-a-tkpml-tikko-fighter-in-rojava/


তুরস্কঃ মাওবাদী TKP / ML TIKKO এর দারসিম আঞ্চলিক কমান্ডের ১২ জন কমরেড শহীদ হয়েছেন

tumblr_nq1vi8apZ61rgok2xo1_500

২০১৬ সালের ২৪ – ২৮শে নভেম্বর তারিখের মধ্যে ফ্যাসিবাদী তুরস্ক রাষ্ট্রের বাহিনী দারসিম অঞ্চলে এক অভিযান চালায়। এতে রাষ্ট্রীয় বাহিনীর সাথে সংঘর্ষে ১২জন মাওবাদী কমরেড শহীদ হয়।

এই ১২ জন শহীদ কমরেডদের পরিচয়

* কোড: Ahmet / Yetis Alone / ১৯৮০ সালে ফ্রান্সে জন্ম

* কোড: Munzur / Serkan Lamba / ১৯৮৫ সালে মারাসে জন্ম

* কোড: Aşkın / Hasan Karakoç / ১৯৮০ সালে দারসিমে জন্ম

* কোড: Cem / Umut Polat / ১৯৯৩ সালে দারসিমে জন্ম

* কোড: Bakış / Samet Tosun / ১৯৯৬ সালে তোকাতে জন্ম

* কোড: Orhan / Alişêr Bulut / ১৯৯২ সালে দারসিমে জন্ম

* কোড: Tuncay / Murat / ১৯৯৩ সালে পেরতেকে জন্ম

* কোড: Hakan / Ersin Erel / ১৯৮৭ সালে দারসিমে জন্ম

* কোড: Ferdi / Doğuş Fırat / ১৯৯৮ সালে এরজিনকানে জন্ম

* কোড: Zilan / Esrin Güngör / ১৯৯৫ সালে দারসিমে জন্ম

* কোড: Özlem / Hatayi Balcı / ১৯৯৪ সালে দারসিমে জন্ম

* কোড: Ekin / Gamze Gülkaya / ১৯৯৫ সালে দারসিমে জন্ম

সূত্রঃ ANF


তুরস্কঃ দারসিমে শহীদ কমরেডদের হত্যাকাণ্ডের বদলা নিতে হামলা চালালো মাওবাদী গেরিলারা

1082086_639960539397332_485190706_o1

৩১শে অক্টোবর তুরস্কের দারসিম প্রদেশের হোজাতে বেলা দেড়টার দিকে ভারী অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে আমুতকা মিলিটারি ক্যাম্পে এক দুর্ধর্ষ হামলা চালায় TKP / ML – TIKKO এর গেরিলারা। এতে তিন মিলিটারি খতম হয়।

মাওবাদী গেরিলাদের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে জানানো হয়, গত ২১শে অক্টোবর সাহভারদির মারকান গ্রামে TKP / ML – TIKKO এর তিন মাওবাদী গেরিলা শহীদ হয়। তাদের হত্যাকাণ্ডের বদলা হিসেবে এই হামলা চালানো হয়েছে।

tkp-ml-tikko1

অনুবাদ সূত্রঃ http://www.nouvelleturquie.com/fr/guerilla/action-du-tikko-en-hommage-aux-martyrs-de-sahverdi/


তুরস্কের শহীদ ১৭ জন মাওবাদী কমরেড স্মরণে –

তুরস্ক-কুর্দিস্তানের দারসিমের মেরকান অঞ্চলে ২০০৫ সালের ১৬ই জুন বৃহস্পতিবার থেকে ১৭ই জুন শুক্রবারের মধ্যে তুরস্কের ফ্যাসিবাদী রাষ্ট্রের সেনাবাহিনী মাওবাদী কমিউনিস্ট পার্টির ১৭ জন মাওবাদী কমরেডকে ঠাণ্ডা মাথায় হত্যা করে ও অন্য ৩ জনকে আহত করে। তুরস্কের মাওবাদী কমিউনিস্ট পার্টি(MCP) এর সাধারণ সম্পাদক সহ ৬জন কেন্দ্রীয় সদস্য এতে শহীদ হন। MCP-র কেন্দ্রীয় কমিটির পরিবর্ধিত সভার সময় আক্রমণটি ঘটে। প্রথমে রাষ্ট্র এই সম্পর্কে কোনো বিবৃতি দেয়নি। পরে টেলিভিশন সংবাদে দেখানো হয়, রাষ্ট্র কর্তৃক আটক ১৭ জন গেরিলাকে হত্যা এবং অপর ৩ জনকে আহত করা হয়, এ সময় তাদের নাম প্রকাশ প্রত্যাখ্যান করা হয়।

মাওবাদী কমিউনিস্ট পার্টি(MCP)র শহীদ ১৭ জন মাওবাদী কমরেড

মাওবাদী কমিউনিস্ট পার্টি(MCP)র শহীদ ১৭ জন মাওবাদী কমরেড

শহীদ কমরেডদের নাম  –

Cafer Cangöz (MCP কেন্দ্রীয় সদস্য),

Aydýn Hanbayat (MCP কেন্দ্রীয় সদস্য),

Ali Riza Sabur (MCP কেন্দ্রীয় সদস্য),

Cemal Çakmak (MCP কেন্দ্রীয় সদস্য),

Ökkeþ Karaoðlu (MCP কেন্দ্রীয় সদস্য),

Gülnaz Yýldýz (MCP কেন্দ্রীয় সদস্য),

Okan Ünsal (Conference Security Unity Commander),

Berna Ünsal,

Alaattin Ataþ,

Kenan Çakýcý,

Taylan Yýldýz,

Ýbrahim Akdeniz,

Binali Güler,

Dursun Turgut,

Ahmet Bektaþ ,

Cagdas Can ve Ersin Kantar.

রাষ্ট্র কর্তৃক বিকৃত মৃতদেহ গুলি মর্গ থেকে মুক্তি দেয়ার পর, শহীদ গেরিলাদের জন্য শেষকৃত্য অনুষ্ঠিত হয়। ঐ সময় শহীদদের মৃতদেহের ছবি স্পষ্ট ইঙ্গিত দেয় যে, তুরস্ক সেনাবাহিনীর সন্ত্রাস দমন ইউনিট প্রথমে গেরিলাদের উপর তীব্র নির্যাতন চালায় ও পরে হত্যা করে।

মাওবাদী কমিউনিস্ট পার্টি(MCP) ২০০৩ সালের নভেম্বরে প্রতিষ্ঠিত হয়, এর আগে দলটিকে TKP-ML/ টিকেপি (এম-এল) বলা হতো । শীতকালের এই হামলাটি তুরস্কের মাওবাদীদের উপর ধারাবাহিক ব্যাপক নিপীড়ন ছাড়া আর কিছুই ছিল না। ঐ শীতকালীন সময়টিতে বিশেষ করে তুরস্ক-কুর্দিস্তানের দারসিমে তুরস্কের ফ্যাসিবাদী সেনাবাহিনীর ও পিপলস আর্মি TIKKO (যা তুরস্কের অন্যতম মাওবাদী দল TKP-ML এর নেতৃত্বাধীন) ও পিএলএ(পিপলস লিবারেশন আর্মি-MCP নেতৃত্বাধীন) এর মধ্যে অনেক বন্দুক যুদ্ধের ঘটনা ঘটে। এই সময়কালীন MCP-র ২০ জনেরও বেশী গেরিলা ও তুরস্কের কমিউনিস্ট পার্টি – মার্কসবাদী লেনিনবাদী(TKP-ML) এর ৩ জন গেরিলা কমরেড Cafer Kara, Aþkýn Günel ও Muharem Yiðitsoy শহীদ হন। পুরো শীতকাল জুড়েই তুরস্ক-কুর্দিস্তানের সর্বত্র দারসিম সিরনাক, ভান ও মূপ সহ বিভিন্ন এলাকায় তুর্কী সেনাবাহিনী মাওবাদীদের বিরুদ্ধে অনেক অপারেশন চালায়। এ ছাড়াও হাকাকীতে PKK/পিকেকে‘র অনেক গেরিলাকেও হত্যা করা হয়।


তুরস্কে মাওবাদীদের আক্রমণে পুলিশ প্রধান গুরুতর আহত

1234

গত ২১শে সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ৭.৩০ এর দিকে তুরস্কের মাওবাদী গেরিলা বাহিনী TKP-ML/TIKKO দারসিমে একটি সেতুর উপর পুলিশের গাড়ির উপর তীব্র সশস্ত্র অ্যাকশন চালায়। এতে গাড়ির মধ্যে থাকা পুলিশ প্রধান সহ অন্য পুলিশ সদস্যরা গুরুতর আহত হয়। ঘটনার পরে মাওবাদীদের উপর ড্রোন নজরদারীর মাধ্যমে সামরিক অ্যাকশন জোরদার করেছে তুরস্ক রাষ্ট্র।

সূত্রঃ http://ozgurgelecek.net/manset-haberler/16727-tkko-ve-hpgden-emniyet-amirine-saldr.html


তুরস্কে কারাবন্দী মাওবাদী নারীরা অনশনে

etha-20121026-bakirkoy-cezaevi-04_display

YJA Star এর নারী গেরিলা কমরেড একিন ভান ও অন্যান্য শহীদ কমরেডদের শবদেহের প্রতি তুরস্কের সেনাবাহিনীর অমানবিক আচরণের প্রতিবাদে কারাবন্দী মাওবাদী MLKP / Komünist Kadın Örgütü (মার্কসবাদী-লেনিনবাদী কমিউনিস্ট পার্টি / কমিউনিস্ট নারী সংগঠন) এর নারীরা ২৭ শে আগস্ট থেকে ৫ দিনের অনশন শুরু করেছে। এ সময় মাওবাদী নারী বন্দীরা PKK এবং PJAK সংগঠনের কারাবন্দী গেরিলা কমরেডদের সাথে সংহতি জানিয়ে শহীদদের শবদেহ গুলো তাদের পরিবারকে ফিরিয়ে দেয়ার দাবী জানান।

MLKP/KKÖ এর কারাবন্দী মাওবাদী নারীরা লিখিত এক বিবৃতিতে জানান, সুরুক হত্যার পর AKP সরকার জনগণ, বিপ্লবী, সমাজতন্ত্রী ও দেশপ্রেমিক কুর্দিদের উপর তীব্র নিপীড়ন চালাচ্ছে। তুর্কি রাষ্ট্র জনগণের প্রতিরোধের স্থান গুলোতে বোমা বর্ষণ করছে, রাস্তা ঘাটে নির্যাতন চালিয়ে নির্বিচারে বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড চালাচ্ছে, Lice এবং Varto এর মত গ্রামের পর গ্রাম জ্বালিয়ে দিচ্ছে ও শহীদের শবদেহের প্রতি অমানবিক আচরণ করে যাচ্ছে ।

মাওবাদী নারীরা আরো জানান, সেনারা Varto গ্রামে নারী গেরিলা কমরেড একিন ভানকে ধর্ষণ ও হত্যা করে মৃতদেহ রাস্তায় ফেলে রাখে। এসময় সেনারা তাদের নৃশংসতা প্রকাশের জন্যে তার ছবি তুলে প্রচার করে।  আমরা সকল প্রগতিশীল, গণতন্ত্রী, বিপ্লবী বাহিনী এবং আমাদের জনগণ বিশেষ করে নারীদের আহবান জানাচ্ছি, এই রাষ্ট্র বিরোধী সংগ্রামকে শক্তিশালী করতে প্রতিরোধ আন্দোলন গড়ে তুলুন।

b

সূত্রঃ https://nouvelleturquie.wordpress.com/2015/08/27/female-prisoners-from-mlkpkko-go-on-a-hunger-strike/

http://www.etha.com.tr/Haber/2015/08/27/guncel/mlkpkkolu-kadin-tutsaklar-aclik-grevinde/