পশ্চিমবঙ্গে নকশালপন্থী শ্রমিক সংগঠনসমূহের নেতৃত্বে গড়ে উঠছে হুগলী শিল্পাঞ্চ‌লের শ্রমিকদের লড়াই

24581399_1640583539390271_1974842525_n

পশ্চিমব‌ঙ্গের হুগলী শিল্পাঞ্চ‌লের রিষড়া অঞ্চ‌লে বিড়লা‌দের বস্ত্রবয়ন কারখানা জয়শ্রী টেক্সটাইলসে গত ৭ মাস ধ‌রে ৯ জন আন্দোলনকারী শ্রমিক‌কে “ব‌হিস্কার” ক‌রে রে‌খে‌ছে কারখানার মা‌লিকবা‌হিনী, আর মা‌লিকবা‌হিনীর ওই অগণতা‌ন্ত্রিক আক্রম‌ণের বিরু‌দ্ধে ঐক্যবদ্ধ লড়াই‌য়ে শ্রমিকরা। নকশালপন্থী সংগ্রামী বাম শ্রমিক সংগঠ‌নের নেতৃ‌ত্বে গ‌ড়ে উঠ‌ছে জয়শ্রী কারখানার শ্রমিকদের লড়াই, যে কারখানায় শিক্ষান‌বিশ শ্রমিকদের (‌কর্ম‌ক্ষে‌ত্রে যারা ‘‌টো‌টি’ না‌মে প‌রি‌চিত) মাত্র ৭৫ টাকায় পু‌রোটা কাজ ক‌রি‌য়ে নেয় মুনাফা‌খোর মা‌লিকবা‌হিনী আর শ্রমিকরা প্রতিবাদ কর‌লেই ম্যা‌নেজ‌মেন্ট প্রতিবাদী শ্রমিকের‌ হা‌তে ধ‌রি‌য়ে দেয় ‌শো-কজের নো‌টিশ, সেই বিড়লা‌দের জয়শ্রী কারখানার সংগ্রামী শ্রমিকরাই লড়াই চালা‌চ্ছেন লাল পতাকা‌কে আঁক‌ড়ে ধ‌রে । এই লড়াই-সংগ্রা‌মের অংশ হিসা‌বেই গত ২৬ ন‌ভেম্বর প্রায় হাজার খা‌নেক শ্রমিকের উপ‌স্থি‌তি‌তে হ‌য়ে‌ছে কন‌ভেনশন, আর সেই কন‌ভেনশ‌নের ধারাবা‌হিকতায় ৩রা ডি‌সেম্বর, ২০১৭ (র‌বিবার) বি‌কে‌লে কারখান‌ার গেট থে‌কে বে‌রো‌লো লাল পতাকা হা‌তে শ্রমিকদের মি‌ছিল, প্রায় ঘন্টা দে‌ড়েক ধ‌রে শ্রমিক মহল্লা আর রিষড়া শিল্পাঞ্চ‌লের বি‌ভিন্ন প্রান্ত ঘু‌রল ক‌য়েক‌শো শ্রমিকের এই দীপ্ত মি‌ছিল, শ্লোগান উঠল শ্রমিক ছাঁটাই‌য়ের বিরু‌দ্ধে, মালিক বিড়লা আর তা‌দের পে‌টোয়া ম্যা‌নেজ‌মে‌ন্টের বিরু‌দ্ধে, শ্রমিকদের অর্জিত অধিকার রক্ষার প‌ক্ষে, শ্রমিক ঐক্যের প‌ক্ষে; আর সব‌শে‌ষে সংগ্রামী শ্রমিকদের ইউনিয়নের নেতৃত্ব জানা‌লেন আগামী দি‌নেও এই আন্দোলন‌কে চা‌লি‌য়ে নি‌য়ে যাওয়ার কথা।

24135310_1640582619390363_1224124910_n

Advertisements

বিশ্বভারতীতে(শান্তিনিকেতন) আক্রান্ত নকশালপন্থী ছাত্ররা

বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের ভেতরেই নকশালপন্থী একদল ছাত্র ছাত্রীকে মারধোর ও হেনস্থার অভিযোগ উঠলো তৃণমূল ছাত্র পরিষদের বিরুদ্ধে। অভিযোগ শনিবার ক্যাম্পাসের ভেতর ঢুকে তৃণমূলিরা আক্রমণ করে একদল ছাত্রকে, এইসব ছাত্র ছত্রীরা রাজ্যের সাম্প্রতিক বেশ কিছু বিষয় যেমন ভাঙড়ে রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস, ভাবাদিঘি নিয়ে রাজ্য সরকারের ভূমিকার সমালোচনা করে বিশ্বভারতীর ক্যাম্পাসের ভেতরে পোষ্টার লাগিয়েছিল। আক্রমণের ফলে আহত হয়ে বেশ কয়েকজন ছাত্র হাসপাতালে ভর্তিও হয়েছে। আয়সা, পিডিএসএফ প্রমুখ ছাত্র সংগঠনের পক্ষ থেকে এক প্রেস বিবৃতিতে বলা হয়েছে বিশ্বভারতী চত্ত্বরের ভেতর যেভাবে নারী পুরুষ নির্বিশেষে তৃণমূলিদের আক্রমনের শিকার হচ্ছে তাতে এ রাজ্যের শিক্ষাভূমির সুনাম হারিয়ে, বিশ্ববিদ্যালয় গুলিও ক্রমশ গুন্ডাদের আশ্রয়স্থল হয়ে উঠতে শুরু করেছে। আগামী মঙ্গলবার এর প্রতিবাদে সকল ছাত্র সমাজকে প্রতিবাদী মিছিলে হাঁটার আহ্বান করেছে aisa, pdsf, usdf সহ একাধিক নকশালপন্থী ছাত্র সংগঠন।

সূত্রঃ satdin.in


কলকাতাঃ UGC ভবনের সামনে নকশালপন্থীদের উদ্যোগে বিক্ষোভ, পুলিশের লাঠি চার্জ, গ্রেফতার ২৩

আজ দুপুর থেকে কলকাতায় UGC ভবনের সামনে নকশালপন্থী সংগঠন USDF, AISA, RADICALPERIODS এর নেতৃত্বে  non net fellowship তুলে দেয়ার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ চলছিল। এ সময় নকশালপন্থী ও অন্যান্য সংগঠন UGC ভবনে ঢুকতে গেলে পুলিশের বাধা পেয়ে তারা সামনের রাস্তায় অবস্থান কর্মসূচী নেন। তখন সংগঠনগুলোর প্রতিনিধিরা UGC ভবনে Deputation প্রদান করেন। এ সময় ছাত্রী কর্মীরা আশে পাশে শৌচাগার না থাকায় UGC ভবনের শৌচাগার ব্যবহার করতে চাইলে, পুলিশ তখন বেধড়ক লাঠি চার্জ করে ২৩ জন ছাত্র-ছাত্রীকে গ্রেফতার করে। এতে বেশ কিছু কমরেড আহত হন। গ্রেফতারকৃত ছাত্র-ছাত্রীদের দুটো দলে ভাগ করে ২ থানায় ১৪ ও ৯ জনে বিভক্ত করে নিয়ে যাওয়া হয়। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত আটককৃতদের থানায় আটকে রাখা হয়েছে এবং থানার বাইরে USDF, AISA সহ অন্যান্য গণতান্ত্রিক ও মানবাধিকার কর্মীরা জড়ো হয়ে আটককৃত কমরেডদের মুক্তির দাবীতে বিক্ষোভ করছেন । এ সময় ছবি তুলতে চাইলে পুলিশ এসব প্রগতিশীল কর্মীদের ক্যামেরা ছিনিয়ে নেয়। 

1

2

3
4

5

6

7

8

9

10

11

12

13

14

15


কৃষক আত্মহত্যার ঘটনা অবহেলা করলে কৃষকরা নকশাল হয়ে যাবেঃ নানা পাটেকর

nana-patekar

সরকার যদি কৃষক আত্মহত্যা ঠেকাতে এখনই কোন ব্যবস্থা না নেয়, তাহলে কৃষকরা নকশালপন্থী হয়ে যেতে পারে। এরকমটাই মনে করেন অভিনেতা নানা পাটেকর। বছরের পর বছর দেশজুড়ে কৃষকরা আত্মহত্যা করলেও উদাসীন থেকেছে সব রঙের সরকারই। মহারাষ্ট্রের বিদর্ভ ও মারাঠওয়াড়ায় কৃষক আত্মহত্যা এক ভয়াবহ আকার নিয়েছে। মারাঠি শিল্পীদের সঙ্গে এদের পাশে দাঁড়াবার জন্য এগিয়ে এসেছেন নানা পাটেকারও। প্রথমে নিজের পকেট থেকে এই ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে সাহায্য শুরু করার পর নানারা বিভিন্ন জায়গা থেকে চাঁদা তুলে আর্থিক সাহায্য করে চলেছেন এই সব পরিবারগুলোকে। নানা মনে করেন মিডিয়া ইন্দ্রাণী ইস্যুকে যতটা গুরুত্ব দিচ্ছে তার ছিঁটেফোঁটাও গুরুত্ব দিচ্ছে না কৃষক আত্মহত্যার ঘটনাতে।

সূত্রঃ http://satdin.in/?p=4616


কলকাতাঃ নকশালপন্থী সংগঠন Radical/র‍্যাডিক্যাল এর কিছু কথা, কিছু ভাবনা, কিছু প্রশ্ন

stabilityami

প্রাথমিক এই বিষয়গুলিকে কেন্দ্র করেই র‍্যাডিক্যাল তার চর্চা, আলোচনা ও কাজের পরিসরকে কেন্দ্রীভূত করতে চায়। আলোচনার মধ্য দিয়ে বেরিয়ে আসা সমস্যাগুলিকে কেন্দ্র করে কি কি কাজ করা যেতে পারে ও কিভাবে মানুষের কাজে লাগা যেতে পারে তাও আলোচনার মধ্য দিয়েই স্থির করার পক্ষে র‍্যাডিক্যাল-এর বন্ধুরা।

একটি রাজনৈতিক উদ্যোগ হিসেবে র‍্যাডিক্যালের এই ভাবনার সাথে যারা সহমত পোষণ করেন বা করেন না, তাদের প্রত্যেককেই আমাদের আমন্ত্রণ রইল। সহযোগিতার মনোভাব থেকে মতামত দিন এবং মতামত দিয়ে সহযোগিতা করুন। আর যুক্ত হন আমাদের সাথে।

মাটিতো আগুনের মতোই হবে/যদি তুমি ফসল ফলাতে না জানো/যদি তুমি বৃষ্টি আনার মন্ত্র ভুলে যাও/তোমার স্বদেশ তবে মরুভূমি/তুমি মাটির দিকে তাকাও/মাটি প্রতিক্ষা করছে/তুমি মানুষের হাত ধরো/সে কিছু বলতে চায়… ‘ 

র‍্যাডিক্যালের কিছু কথা, কিছু ভাবনা, কিছু প্রশ্ন সম্পর্কে জানতে নীচে ক্লিক করুন

Radical 


কলকাতাঃ সংবাদপত্রে প্রকাশিত USDF সংক্রান্ত একটি ভুল খবরের জবাবে সংগঠনের তরফে বিবৃতি

usdf

“একটা ভূত ইউরোপকে তাড়া করছে, কম্যুনিজমের ভূত। … এমন কোন বিরোধী পক্ষ আছে যে ক্ষমতায় আসীন প্রতিপক্ষকে কম্যুনিস্ট মনোভাবাপন্ন বলে নিন্দা করেনি? এমন বিরোধী পার্টিই বা কোথায় যে নিজে আরও অগ্রসর বিরোধী দলগুলোর, তথা প্রতিক্রিয়াশীল বিপক্ষদের ছুঁড়ে দেয়নি কম্যুনিজমের অপবাদ সূচক গালি?” এই কথা গুলো বলেই  ১৮৪৮ সালে কার্ল মার্ক্স ও ফ্রেডরিখ এঙ্গেলস কম্যুনিস্ট ম্যানিফেস্টো লেখা শুরু করেছিলেন। আজকের সময়ে এই কথাগুলো হুবহু মিলে যায় যদি “কম্যুনিস্ট” শব্দটার বদলে আরও নির্দিষ্ট ভাবে “মাওবাদী” শব্দটি বসিয়ে দেওয়া যায়।

  যেমনভাবে এরাজ্যে সিপিএম সরকারের আমলে গোয়েন্দা বিভাগ মাওবাদীদের সাথে তৃণমূলের যোগসাজশের প্রমাণ পেশ করেছিল, সরকার পরিবর্তনের পরেই তৃণমূল সরকারের গোয়েন্দা বিভাগও ঠিক তেমনভাবেই “মাও-মাকু(CPIM)” আঁতাতের কথা বলতে শুরু করল! বিজেপি বহুবার ‘আম আদমি পার্টি’ কে আক্রমণ করেছে শহুরে মাওবাদী বলে। সব রাজ্যেই  এরকম উদাহরণ  পাওয়া যাবে ভূরি ভূরি। এদেশে যেকোনো সরকার বা মাফিয়া-পুঁজিপতি বিরোধী আন্দোলনকেই মাওবাদী বলে দেগে দেওয়া হয়। তা সে কামদুনি বা অন্য কোথাও ধর্ষণের বিরুদ্ধে আন্দোলন হোক, মারুতির শ্রমিক আন্দোলন হোক, জমি অধিগ্রহণ বিরোধী কৃষক আন্দোলন হোক বা খোদ সংবিধান স্বীকৃত কোন আইন লাগু করার আন্দোলন হোক। এমনকি মানবাধিকার সংগঠনগুলো পর্যন্ত মাওবাদী তকমা পায়।

      সংসদীয় পার্টিগুলোর লেজুড় নয় এরকম যেকোনো ছাত্রছাত্রী সংগঠনগুলোকেই মিডিয়া এবং সরকার মাওবাদী বলে চিহ্নিত করে। বাম সরকারের আমলে বিভিন্ন বাম গণতান্ত্রিক ছাত্রছাত্রী সংগঠনগুলোর যৌথ মঞ্চ ‘ছাত্র-ছাত্রী সংহতি’ কে মাওবাদী  পার্টির শাখা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। মিডিয়ার একাংশ ‘হোক কলরব’ আন্দলনের পেছনে মাওবাদীদের হাত দেখেছিল। একটি ইংরেজি দৈনিক আমাকে এবং একটি বাংলা চিটফাণ্ড দৈনিক প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটির ছাত্রছাত্রীদের স্বাধীন মঞ্চ IC’র এক কর্মীকে মাওবাদী বলে চিহ্নিত করে। বলা বাহুল্য, ছাত্রছাত্রী সংগঠনগুলোর মধ্যে সম্ভবত আমরাই সবচেয়ে বেশিবার ‘মাওবাদী’ তকমা পেয়েছি, কারণ সিঙ্গুর-নন্দীগ্রাম জমি অধিগ্রহণ বিরোধী আন্দোলনের সময় USDF  কর্মীরা গ্রামে গ্রামে ঘুরে বক্তৃতা, গান, নাটকের মাধ্যমে জমি অধিগ্রহণের পেছনে সাম্রাজ্যবাদী পুঁজির চক্রান্তের কথা প্রচারে নিয়ে এসেছে। শুধুমাত্র শাসকদলকে নিশানা বানিয়ে আন্দোলনকে সংসদীয় বিরোধী দলের ভোট বাক্সে পরিণত করার নীতিকে বিরোধিতা করে আমরা  শ্রমিক কৃষকের আক্রমণের নিশানায় দাঁড় করাবার চেষ্টা করেছি শাসকশ্রেণী বা গোটা সমাজ ব্যবস্থাটাকেই। ইউনিভার্সিটিতে আপোষহীনভাবে কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে, শিক্ষা ব্যবস্থার শ্রেণী চরিত্র কে উন্মোচিত  করেছে USDF কর্মীরা।

 গত ২৯ জুলাই প্রাক্তন কয়েকজন USDF কর্মীর ভুল চিন্তা সম্বলিত একটি বিভ্রান্তি লিফলেটের মতাদর্শগত সমালোচনা করে আমরা সংগঠনের ব্লগে একটি বিতর্কমূলক প্রবন্ধ প্রকাশ করি। ওই প্রাক্তন USDF কর্মীদের নামে প্রকাশিত লিফলেটটি USDF এর লিফলেট কিনা, এই নিয়ে কিছু বিভ্রান্তি তৈরি হওয়াতে আমাদের মতাদর্শগত অবস্থান স্পষ্ট করতেই প্রবন্ধটি লেখা হয়। এর পরে গত ৮ আগস্ট আমার লেখা এই প্রবন্ধটিকে

(https://usdfeimuhurte.wordpress.com/2015/07/29/%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A6%AC%E0%A6%AA%E0%A7%81%E0%A6%B0-%E0%A6%87%E0%A6%89%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%B0/)

কেন্দ্র করে একটি  ইংরেজি দৈনিকে কলকাতা শহরে মাওবাদীদের মধ্যে বিভেদের খবর প্রকাশিত হয়। রাষ্ট্র ক্ষমতা দখল কে কেন্দ্র করে মাওবাদী কম্যুনিস্ট পার্টির সাথে সরকারের যুদ্ধের কারণেই সরকার ও  বুর্জোয়া মিডিয়া মাওবাদীদের মধ্যে ভাঙন প্রচার করতে তৎপর। মাওবাদী দমন অভিযানের নামে  বারবার করে গণআন্দোলন কর্মীদের রাষ্ট্রের দমনপীড়ন নীতির শিকার বানিয়ে ন্যুনতম গণতান্ত্রিক অধিকারকে খর্ব করার ধারাবাহিক যে প্রয়াস দেখা গিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সহ দেশের অন্যান্য বিবিধ রাজ্যে, আমরা তার বিরুদ্ধে তীব্র করছি।  না আমি ভারতের কম্যুনিস্ট পার্টি (মাওবাদীর) মুখপাত্র, না USDF  ওই পার্টির শাখা সংগঠন। ফলে নিতান্তই ছাত্র সংগঠনের একটি খোলা বিতর্কের  মধ্যে মাওবাদীদের বিভেদ খোঁজার কোনো অর্থ আছে বলে আমরা মনে করিনা।  আমরা মনে করি সংবাদপত্রে প্রকাশিত ওই খবরটি যে ভুল, সেটাকে সামনে আনা দরকার। আর এ জন্যই এই বিবৃতির অবতারণা। USDF এর অবস্থান হল এই ছাত্রছাত্রীদের সংগঠন কোনো রাজনৈতিক পার্টির শাখা হিসেবে কাজ করবে না। তবে আমাদের সংগঠনের কোনো সদস্য ভারতের আধা সামন্ততান্ত্রিক – আধা উপনিবেশিক সমাজকে উচ্ছেদ করে সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য বিপ্লবী লড়াইয়ে সামিল এরকম যেকোনো বিপ্লবী পার্টির সাথে যুক্ত থাকবে কি থাকবেনা, সেটা সদস্যদের ব্যাক্তিগত ব্যাপার।

বিপ্লবী অভিনন্দন সহ

                                 সৌম্য মণ্ডল

আহ্বায়ক, ইউনাইটেড স্টুডেন্টস’ ডেমোক্রাটিক ফ্রন্ট

তারিখঃ ১৩ই আগস্ট, ২০১৫


ভারতঃ কলকাতায় নকশালপন্থীদের ভেতরে মতাদর্শগত বিভক্তির বিষয়টি প্রকাশিত হল ?

20090618_89f0f46f8eaaa369f7b7mn02P26zW9b4

কলকাতা, ৮ অগাস্ট– সিপিআই (মাওবাদী) এর কলকাতা নগর কমিটির প্রাক্তন সেক্রেটারির নেতৃত্বাধীন একটি গ্রুপকে প্রকাশ্যে সমালোচনা করলেন নকশালপন্থী ছাত্র সংগঠনের বিশিষ্ট নেতা। আর এর মধ্য দিয়ে কলকাতায় নকশালপন্থীদের কার্যক্রমের বিভক্তির বিষয়টি খোলাখুলি ভাবে সামনে এল।

মাওবাদী ছাত্রদের সংগঠন সিপিআই (মাওবাদী) এর কলকাতা নগর কমিটির সেক্রেটারি হবার অভিযোগে গ্রেফতারকৃত বিশিষ্ট ছাত্র নেতা অভিষেক মুখার্জীর নেতৃত্বে প্রধানত ছাত্রদের নিয়ে গঠিত ‘র‍্যাডিকেল’ নামে একটি নকশালপন্থী পাঠচক্রের কয়েকটি প্রকাশনার সমালোচনা করে ইউনাইটেড স্টুডেন্টস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (USDF) এর মুখপাত্র সৌম্য মণ্ডল সম্প্রতি একটি প্রবন্ধ প্রকাশ করেছেন। অভিষেক বর্তমানে জামিনে মুক্তি পেয়েছেন এবং যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করছেন।

সূত্রঃ http://www.htsyndication.com/htsportal/article/Split-among-Maoists-out-in-the-open/7654766