আমেরিকায় চলতি বছর পুলিশের গুলিতে নিহত হয়েছে প্রায় ১০০০ ব্যক্তি

4bhk91e187d9071uix_620C350

চলতি বছর আমেরিকায় পুলিশের গুলিতে প্রায় ১০০০ ব্যক্তি নিহত হয়েছে। মার্কিন দৈনিক ওয়াশিংটন পোস্ট এ খবর দিয়ে লিখেছে, পুলিশের হামলায় নিহত হয়েছে মোট ৯৬৫ জন। আমেরিকার বিভিন্ন শহরে প্রায়ই বর্ণবৈষম্যের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ সমাবেশ হয় এবং পুলিশি হামলার ঘটনা ঘটে। এ পরিস্থিতিতে দৈনিকটির খবর চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।

দৈনিকটির প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, পুলিশের গুলিতে যে ৯৬৫ জন নিহত হয়েছে তাদের মধ্যে হামলার সময় প্রায় ১০০ জন ছিল সম্পূর্ণ নিরস্ত্র।

এতে আরো বলা হয়েছে, চলতি বছর পুলিশ যাদের ওপর গুলিবর্ষণ করেছে তাদের ৪০ শতাংশই হচ্ছে কৃষ্ণাঙ্গ জনগোষ্ঠী। দৈনিক ওয়াশিংটন পোস্টের এ প্রতিবেদন এমন সময় প্রকাশিত হল যখন চলতি বছর শিকাগো শহরে পুলিশের বর্ণবাদী হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে সেখানকার স্থানীয় জনগণ বহুবার বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে।

2EC9630D00000578-3332731-Hundreds_of_protesters_took_to_the_streets_of_Chicago_within_hou-a-13_1448465498163

আজও ২ কৃষ্ণাঙ্গকে গুলি করে হত্যা, উত্তাল শিকাগো

যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগোতে আবারও দুই কৃষ্ণাঙ্গকে গুলি করে হত্যা করেছে পুলিশ। বড়দিনের একদিন পর শনিবার সকালে শহরের ‘ওয়েস্ট গারফিল্ড পার্ক’-এ একই ভবনে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র ও এক নারীকে গুলি করে পুলিশ। একের পর এক কৃষ্ণাঙ্গ হত্যার প্রতিবাদে আবারো হাজার হাজার মানুষ শহরের রাস্তায়।

আবারো ক্ষোভে উত্তাল শিকাগো। পুলিশের গুলিতে একের পর এক কৃষ্ণাঙ্গ হত্যার ঘটনায় ক্ষুব্ধ হাজার হাজার মানুষ প্রতিবাদ জানাতে নেমে পড়েছে রাস্তায়।

গত বছর পুলিশের গুলিতে কৃষ্ণাঙ্গ কিশোর ম্যাকডোনাল্ডের হত্যার বিচার দাবিতে শুক্রবার উত্তাল ছিল পুরো শিকাগো। এর জের কাটতে না কাটতেই আবারো দুজনকে গুলি করে মারলো পুলিশ। পুলিশের সহিংসতা, বিচারবিভাগীয় তদন্ত ও মেয়রের পদত্যাগ দাবিতে শনিবার সকাল থেকে আবারো রাস্তায় হাজার হাজার মানুষ।

পুলিশের খোঁড়া যুক্তি, বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র কোইনটোনিও বড় দিনের ছুটিতে বাবার কাছে গিয়েছিলেন। বাক-বিতণ্ডার এক পর্যায়ে সে বেসবলের একটি ধাতব ব্যাট নিয়ে বাবাকে হত্যার হুমকি দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে বাধা দেয়ার চেষ্টা করে। পরে ব্যর্থ হয়ে গুলি চালায়।

নিহত কোইনটোনিও’র মা জ্যানেট কুকসে বলেন, ‘এটা খুবই বাড়াবাড়ি। আমার ছেলের কিছুটা মানসিক সমস্যা ছিলো, তাই বলে সে আগ্রাসী ছিলো না। কখনো কোনো সহিংসতাও করেনি সে। সাহায্যের জন্য পুলিশ ডেকে আমার ছেলেকে হারাতে হলো।’

তবে একই ভবনে ৫৫ বছর বয়সী এক নারীকে গুলি করে হত্যাকে নিছক দুর্ঘটনা বলছে পুলিশ।

এ ঘটনায় দায়ী পুলিশ সার্জেন্টকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বিভিন্ন গণমাধ্যম।

একইদিন, শহরের ‘ওয়াশিংটন হাইটস’ এলাকায় পুলিশ জরুরি আহ্বানে সাড়া দিয়ে, একজনকে গুলি করে বলে জানায় গণমাধ্যম। তার অবস্থা গুরুতর না হলেও হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।


ভারতঃ পুলিসের এসপি’র বিরুদ্ধে মিথ্যাচারের অভিযোগ মাওবাদীদের

thumbnail

বিশাখাপত্তমঃ সিপিআই (মাওবাদী) এর মালকানগিরি, বিশাখাপত্তম ও কোরাপুট সীমান্ত বিভাগীয় কমিটির নেতা ভেনু, মালকানগিরি জেলার এসপি মিত্রভানু মহাপাত্রকে মাওবাদীদের বিরুদ্ধে মিথ্যে প্রচারণা চালানোর অভিযোগে অভিযুক্ত করেছেন। তিনি অভিযোগ করেন, পুলিশ নিজেরা অস্ত্র ও গোলাবারুদ সাজিয়ে রেখে পরে সেগুলোকে মাওবাদীদের লুকিয়ে রাখা অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে এমন ঘোষণা দিচ্ছে। ভেনু বলেন, “এটা মালকানগিরি এসপির নিয়মিত কাজে পরিণত হয়েছে”। মহাপাত্র দাবী করে আসছে যে সিপিআই (মাওবাদী) এর তেলুগু নেতারা নিরপরাধ আদিবাসীদের মৃত্যুর জন্য দায়ী।
ভেনু বলেন, “মহাপাত্রের কাছে যদি কোন প্রমাণ থেকে থাকে তাহলে তার উচিত খোলাখুলি আলোচনায় আসা”। তিনি আরো বলেন, মাওবাদীদের কোন জাত, বর্ণ বা ধর্ম নেই, কারণ বিপ্লবীদের কেবল একটিই লক্ষ্য আর তা হল- বুর্জোয়াদের থাবা থেকে জনগণকে মুক্ত করা।

সূত্রঃ http://timesofindia.indiatimes.com/city/visakhapatnam/Maoist-leader-accuses-Malkangiri-SP-of-corruption-false-propaganda/articleshow/49437904.cms


ভারতঃ মাওবাদী ঠেকাতে পুলিশের জনসংযোগ

জনসংযোগ কর্মসূচিতে আইজি (পশ্চিমাঞ্চল) সিদ্ধিনাথ গুপ্ত, ঝাড়গ্রাম পুলিশ জেলার ভারপ্রাপ্ত সুপার ভারতী ঘোষ-সহ উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা। বেলপাহাড়ির চিরাকুটি এলাকায়।

জনসংযোগ কর্মসূচিতে আইজি (পশ্চিমাঞ্চল) সিদ্ধিনাথ গুপ্ত, ঝাড়গ্রাম পুলিশ জেলার ভারপ্রাপ্ত সুপার ভারতী ঘোষ-সহ উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা। বেলপাহাড়ির চিরাকুটি এলাকায়।

রাজ্যে পালা বদলের পর পুলিশি জনসংযোগ বারে বারেই দেখেছে জঙ্গলমহল। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয়নি। কখনও ফুটবল প্রতিযোগিতা, কখনও স্বাস্থ্যশিবির, কখনও আবার পোশাক ও নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র বিলি। এ বার প্রায় ছ’মাস পরে ঝাড়খণ্ড সীমানা লাগোয়া একদা মাওবাদী ধাত্রীভূমি বেলপাহাড়ির চিড়াকুটি এলাকায় ঝাড়গ্রাম জেলা পুলিশের উদ্যোগে বিশাল বড় আকারের জনসংযোগ কর্মসূচি অবশ্য কিছু প্রশ্ন উস্কে দিল।

শুক্রবার দুপুরে পুলিশ-প্রশাসনের শীর্ষকর্তাদের উপস্থিতিতে শিমুলপাল, ভুলাভেদা ও বেলপাহাড়ি এই তিনটি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার ৩০টি গ্রামের প্রায় দু’হাজার বাসিন্দার হাতে নিত্যপ্রয়োজনীয় নানা ‘উপহার’ তুলে দেওয়া হল। দশজন পড়ুয়ার হাতে তুলে দেওয়া হল সাইকেল। এলাকায় শান্তি ও উন্নয়নের প্রক্রিয়াকে অব্যহত রাখার জন্য এলাকাবাসীকে পাশে থাকার আবেদন জানালেন রাজ্য পুলিশের আইজি (পশ্চিমাঞ্চল) থেকে জেলা সভাধিপতি। প্রকাশ্য অনুষ্ঠান মঞ্চে অূবশ্য মাওবাদী সক্রিয়তার কথা কেউ মুখে আনলেন না।

কিন্তু পরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আইজি (পশ্চিমাঞ্চল) সিদ্ধিনাথ গুপ্ত সরাসরিই বললেন, “গত এক মাসে জঙ্গলমহলের সীমানাবর্তী এলাকায় মাওবাদীদের গতিবিধি বেড়েছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে অনেক তল্লাশি অভিযান চালানো হচ্ছে। এলাকাবাসীর সঙ্গে সংযোগ বাড়ানো এবং তাঁদের সাহায্য করার জন্য এই জনসংযোগ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।”

কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের সাম্প্রতিক এক রিপোর্টে ঝাড়খণ্ড রাজ্যের সীমান্তবর্তী এ রাজ্যের জঙ্গলমহলে মাওবাদী সক্রিয়তার ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। ঝাড়খণ্ড লাগোয়া বেলপাহাড়ির জামাইমারি, ডাকাই, শাঁখাভাঙা, লবনি, বীরমাদল, ঢাঙিকুসুম, পাথরচাকড়ির মতো প্রত্যন্ত গ্রামগুলিতে মাওবাদীরা প্রভাব ছক কষে বাড়ানোর চেষ্টা করছে বলে মনে করছেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। এ দিন পুলিশের জনসংযোগ কর্মসূচিতে যে ৩০ টি গ্রামের বাসিন্দারা এসেছিলেন, চার বছর আগে ওই গ্রামগুলি রীতিমতো মাওবাদী উপদ্রুত হিসেবে চিহ্নিত ছিল।

ঝাড়গ্রাম জেলা পুলিশের উদ্যোগে চিড়াকুটি গ্রামের ওদলচুয়া হাইস্কুল প্রাঙ্গণে ওই অনুষ্ঠানে সিদ্ধিনাথবাবু ছাড়াও ছিলেন ডিআইজি (মেদিনীপুর রেঞ্জ) বিশাল গর্গ, সিআরপিএফের ডিআইজি বি ডি দাস, ঝাড়গ্রামের ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার ভারতী ঘোষ। এ ছাড়াও ছিলেন জেলা পরিষদের সভাধিপতি উত্তরা সিংহ, জেলাশাসক জগদীশপ্রসাদ মিনা। ছিলেন তৃণমূলের জেলা সভাপতি দীনেন রায় ও দলের দুই কার্যকরী সভাপতি নির্মল ঘোষ ও প্রদ্যোত্‌ ঘোষ।

অনুষ্ঠান মঞ্চে আইজি (পশ্চিমাঞ্চল) সিদ্ধিনাথ গুপ্ত বলেন, “মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ অনুসারে নিয়মিত জনসংযোগ কর্মসূচি চলছে। ২০০৯-১০ সালের পরিস্থিতির সঙ্গে আজকের পরিস্থিতির তুলনা করে দেখুন। আপনারা সহযোগিতা করেছেন বলেই পরিস্থতির পরিবর্তন সম্ভব হয়েছে। প্রশাসন পাশে আছে। আপনারাও পাশে থাকুন।”

অনুষ্ঠানে বাসিন্দাদের উদ্দেশে সিআরপি-র ডিআইজি বি ডি দাস বলেন, “জঙ্গলমহলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করার জন্য আমরা রাজ্য পুলিশকে সহায়তা করে চলেছি। এর আগে আপনারা অনেক খারাপ সময় দেখেছেন। আশা করব আপনারা আগামী দিনেও আমাদের সঙ্গে থাকবেন। জঙ্গলমহলে সিআরপি-র বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের কোনও অভিযোগ নেই। আমরা জওয়ানদের বলেছি, গ্রামবাসীদের সঙ্গে পরিবারের মতো মিশে থাকতে, যাতে এলাকার সমস্ত খবর বাসিন্দারা আমাদের দিতে পারেন।”

জেলা সভাধিপতি উত্তরা সিংহ বলেন, ‘‘আপনারা পিছনে ফিরে দেখবেন না। আমরা এলাকার প্রতিটি বাড়িতে উন্নয়নের সুযোগ সুবিধা পৌঁছে দিতে চাই। সেটা বাস্তবায়নের জন্য আমাদের একটু সময় দিন। আপনারা আমাদের পাশে থেকে মুখ্যমন্ত্রীর উন্নয়ন পরিকল্পনাকে এগিয়ে নিয়ে যেতে সাহায্য করুন।’’ জেলাশাসক জগদীশপ্রসাদ মিনা বলেন, ‘‘উন্নয়নের অনেক কাজ হয়েছে। এখনও অনেক কাজ চলছে। আরও কাজ হবে। প্রশাসন আপনাদের পাশে আছে। কোনও সমস্যা হলে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।’’

এ দিন ১,২০০ বাসিন্দাদের ত্রিপল, পোষাক, ছাতা এবং বিস্কুট ও চকোলেট দেওয়া হয়। এ ছাড়াও প্রত্যন্ত গ্রামের দশজন ছাত্রছাত্রীকে সাইকেল দেওয়া হয়। অনুষ্ঠান শেষে হাজার দু’য়েক বাসিন্দাদের খিচুড়িও খাওয়ানো হয়। ভরপেট খিচুড়ি খেয়ে নতুন শাড়ি হাতে নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে লখিমণি সরেন মুচকি হেসে বলেন, “প্রশাসন আমাদের এভাবে সুখে রাখলে, এলাকাও সুখে থাকবে! কে আর সাধ করে অশান্তি চায়।”

অবশ্য এর আগেও পুলিশ বহুবার এই ধরণের জনসংযোগ করেছিল, কিন্তু লাভের লাভ হয়নি। জনগণ পুলিশ থেকে সাহায্য নিয়ে মাওবাদীদের পক্ষেই কাজ করে।

সূত্রঃ http://www.anandabazar.com/district/mednipore/%E0%A6%AE-%E0%A6%93%E0%A6%AC-%E0%A6%A6-%E0%A6%A0-%E0%A6%95-%E0%A6%A4-%E0%A6%AD%E0%A6%B0%E0%A6%B8-%E0%A6%9C%E0%A6%A8%E0%A6%B8-%E0%A6%AF-%E0%A6%97-%E0%A6%87-1.173772#


ভারতঃ ঝাড়খন্ডে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষেই কি ১২ মাওবাদীর মৃত্যু?

download (2)

ঝাড়খণ্ডে  মঙ্গলবার ভোররাতে মাওবাদী সন্দেহে পুলিশের গুলিতে নিহত হলেন ১২জন।এদের মধ্যে তিন জনের বয়স ১১ থেকে ১৪ বছরের মধ্যে।

ঝাড়খন্ডের পালামৌতে একটি গাড়ি করে যখন ওই ১২ জন যাচ্ছিলেন সেই সময় আগে থেকে খবর পেয়ে ওত্ পেতে বসেছিল পুলিশ-কোবরার জওয়ানরা। গাড়ি লক্ষ করে পুলিশ গুলি চালালে, গাড়ির ভিতর থেকে পাল্টা গুলি চালায় মাওবাদীরা। পালানোর চেষ্টা করায়  ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় ১২জনের। উদ্ধার হয় বেশ কিছু অস্ত্র। এমনটাই জানাচ্ছে ndtv। অন্যদিকে first post ও india today এর ওয়েব সাইটের রিপোর্ট অনুযায়ী দুটি গাড়ি করে মাওবাদীরা যাচ্ছিল। পুলিশের চেকিংয়ের সামনে পড়ে গিয়ে একটি গাড়ি গতি বাড়িয়ে দেয় অন্যটি থেকে মাওবাদীরা নেমে কোবরা জওয়ানদের লক্ষ্য করে গুলি চালাতে শুরু করে। পাল্টা গুলি চালায় নিরাপত্তাবাহিনীর জওয়ানরাও। আর এতেই নিহত হন ওই ১২জন। একই ঘটনা ভিন্ন রিপোর্টিং।  অন্যদিকে মানবাধিকার কর্মীরা প্রশ্ন তুলছেন পুলিশ- মাওবাদী সংঘর্ষই যদি হয় তাহলে কী করে শুধু মাওবাদীদেরই মৃত্যু হল ?

নিরাপত্তা বাহিনীর দাবি, তিন ঘণ্টা গুলির লড়াই চলে। নিহত হয় ১২ মাওবাদী। এদের মধ্যে তিন জনের বয়স ১১ থেকে ১৪ বছরের মধ্যে। পুলিশ জানিয়েছে, এই তিন কিশোর কী ভাবে মাওবাদীদের সঙ্গে যুক্ত হল, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। যদিও সংঘর্ষের ধরন ও তিন নাবালকের মৃত্যু নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন তুলেছেন কেউ কেউ। তাঁদের বক্তব্য, নিহতদের প্রত্যেকের দেহেই গুলির মারাত্মক ক্ষত রয়েছে। কিন্তু পুলিশ ও কোবরার গোটা বাহিনীই অক্ষত। অথচ পুলিশই নাকি অতর্কিত হামলার মুখে পড়েছিল। স্করপিও থেকেই প্রথম গুলি চলেছিল বলে তারা দাবি করছে। সে ক্ষেত্রে অন্ধকারে ঘন জঙ্গলে তিন ঘণ্টা সংঘর্ষের পরেও পুলিশের গায়ে কেন আঁচড়টুকুও লাগল না— সেই প্রশ্ন তুলেছেন তাঁরা। স্বাভাবিক ভাবেই ইঙ্গিতটা ভুয়ো সংঘর্ষের দিকে।

সূত্রঃ

http://www.satdin.in/index.php/13-2014-04-07-17-10-23/2399-2015-06-09-04-25-42


ভারতঃ পুলিশদের ‘বিপ্লবী সংগ্রামে’ যোগদানের আহবান জানালো মাওবাদীরা

11328940_933391860057040_1863204626_n

সিপিআই (মাওবাদী) এর মুখপাত্র মালাজুল্লা ভেনুগোপাল ওরফে অভয় এর প্রকাশিত এক বিবৃতিতে পুলিশ বাহিনীর সদস্যদেরকে তাদের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের ও রাজনৈতিক নেতাদের অশুভ ও ফ্যাসিবাদী চক্রান্তকে পরাজিত করে বিপ্লবে যোগদান করার আহ্বান জানিয়েছে মাওবাদী নেতারা। বিপর্যস্ত পুলিশ সদস্য যারা নিজেদের উর্ধতন কর্মকর্তাদের হত্যা করেছে তাদের কথা উল্লেখ করে বলা হয় মাওবাদী দমন অপারেশনে এক হাজারেরও বেশী পুলিশ সদস্য নিহত হয়েছে। বিবৃতিতে অভয় উল্লেখ করেন, “আপনারা কোথা থেকে এসেছেন সে কথা ভাবুন। আপনারা সমাজের নিম্নতর পর্যায়ে রয়েছেন। এটা অস্বীকার করতে পারেন না যে দরিদ্র আদিবাসী, শ্রমিক ও কৃষক পরিবার থেকে আপনারা উঠে এসেছেন। ভেবে দেখুন আপনারা আপনাদের পরিবারকে চালানোর জন্য এই চাকরী করছেন। আমরা জানি যে আপনাদের এই চাকরীতে যা যা করতে হয় তার সাথে আপনারা সত্যিকার অর্থে একমত নন এবং এ চাকরী করতে হচ্ছে বলে আপনাদের পরিবারের সদস্যরাও খুশি নয়। মাওবাদীদেরকে নিরাপত্তার জন্য হুমকি বলে দাঁড় করিয়ে দিয়ে আপনাদের উর্ধ্বতন অফিসাররা, ভণ্ড রাজনীতিবিদরা আপনাদের মনের ভেতরে মিথ্যে দেশপ্রেম ঢোকানোর চেষ্টা করছে। কিন্তু বাস্তবতা হল, পুলিশের চাকরী ছেড়ে দেয়ার হার প্রতি তিন জনের মধ্যে একজন। জনগণের সম্পদ লুট করার রাজনীতিবিদদের স্বার্থপর ধান্দা আপনাদেরকে অবশ্যই বুঝতে হবে।”

বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের অনেক রাজনৈতিক নেতারা দুর্নীতিপরায়ণ বলে দাবী করা হয়েছে এ বিবৃতিতে। এতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও ২০০২ সালের গুজরাট রায়টের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। অভয় বলেন, “Make in India স্লোগান দিয়ে সেই মোদীই এখন ভারতের সম্পদ বিদেশীদের কাছে বিক্রি করার উদ্দেশ্যে গোটা বিশ্বে ঘুরে বেড়াচ্ছে। সেই কারণেই বারাক ওবামা, স্টিফেন হারপার ও এনজেলা মেরকেলের মতো নেতারা তার প্রশংসা করছে। আপনাদের বন্দুকগুলো দেয়া হয়েছে কৃষকদের থেকে জোর করে তাদের ভূমি কেড়ে নেবার জন্য। আপনারা কি এই সমস্ত লোকদের জন্য আপনাদের রক্ত বিলিয়ে দিতে প্রস্তুত?”। মাওবাদী দমন অপারেশনে নিযুক্ত পঞ্চাশ হাজারেরও অধিক পুলিশ সদস্য চাকরী ছেড়ে দিয়েছে দাবী করে অভয় বলেন, “ভেবে দেখুন, কেন আপনাদের কেউ কেউ আত্মহত্যা করছেন ও নিজেদের অফিসারদের হত্যা করছেন। আপনারা কি আপনাদের উর্ধ্বতনদের থেকে সঠিক আচরণ পাচ্ছেন? গণমাধ্যমের বিভিন্ন প্রতিবেদন থেকে আপনাদের দুর্ভোগে ভরা জীবনের দুঃখজনক বাস্তবতা প্রকাশিত হয়েছে। নিজেদের কাছের মানুষ ও আপনজনদের থেকে দূরে থাকবেন না। দরিদ্র কৃষক, শ্রমিক, নারী ও অন্যান্য আক্রান্ত মানুষদের সংগ্রামে আপনাদের যোগ দেয়া উচিৎ… নরেন্দ্র মোদী, মোহন ভগত ও অমিত সিংদের হীন চক্রান্তে্র শিকার হবেন না… জনগণের সম্পদ লুট করার নীল নকশা হল অপারেশন গ্রিন হান্ট।”

 

সূত্রঃ

http://indianexpress.com/article/cities/mumbai/naxals-call-upon-cops-to-join-struggle/


যুক্তরাষ্ট্রে দুই পুলিশ কর্মকর্তাকে গুলি করে হত্যা

file (1)

যুক্তরাষ্ট্রের মিসিসিপি রাজ্যে দুই পুলিশ কর্মকর্তাকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে বলে স্থানীয় এক গণমাধ্যমের খবরে জানানো হয়েছে।

শনিবার মিসিসিপির হ্যাটিসবার্গে এ ঘটনা ঘটেছে বলে স্থানীয় টেলিভিশন স্টেশন ডাব্লিউডিএএম জানিয়েছে।

ঘটনার পর পুলিশেরই একটি গাড়ি নিয়ে গুলিবর্ষণকারীরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় বলে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। পরে স্থানীয় একটি রেল গুদামের কাছে পুলিশের গাড়িটি পরিত্যক্ত অবস্থায় পাওয়া যায়।

স্থানীয় কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে ডাব্লিউডিএএম জানিয়েছে, সন্দেহভাজনদের খোঁজে আইনপ্রয়োগকারী সংস্থাগুলো ওই এলাকায় তল্লাশি শুরু করেছে।

এলাকাটি মিসিসিপির জ্যাকসন শহর থেকে ১২৯ কিলোমিটার দক্ষিণপূর্বে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, ঘটনার বিষয়ে পুলিশের এক মুখপাত্রের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোন মন্তব্য করতে রাজি হননি, অপরদিকে হ্যাটিসবার্গ পুলিশ বিভাগের সঙ্গে ঘটনা নিশ্চিত করতে তাৎক্ষণিকভাবে যোগাযোগও করা যায়নি।

প্রকাশিত খবর অনুযায়ি, গুলিবিদ্ধ পুলিশ কর্মকর্তাদের হ্যাটিসবার্গের ফরেস্ট জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে তাদের মৃত ঘোষণা করা হয়।

ঘটনাস্থল থেকে প্রতিবেদন দেওয়া ডাব্লিউডিএএম-র সাংবাদিক রায়ান মুর এক টুইটার বার্তায় জানিয়েছেন, একটি ট্র্যাফিক সিগন্যালে ওই দুই পুলিশ কর্মকর্তা গুলিবিদ্ধ হন, এরপর সন্দেহভাজন গুলিবর্ষণকারীরা পুলিশের একটি গাড়ি নিয়ে পালিয়ে যায়।

সূত্রঃ http://bangla.bdnews24.com/world/article966196.bdnews


বাংলাদেশের গণযুদ্ধের লাল সংবাদ –

বাংলাদেশ-

সিরাজগঞ্জ জেলার তাড়াশ উপজেলার পলিস্নতে রাষ্ট্র কর্তৃক নিষিদ্ধ ঘোষিত পূর্ব বাংলার কমিউনিস্ট পাটির সদস্যরা রাতের বেলায় পথসভা ও পোস্টার বিতরণ করেছে। 

স্থানীয়রা জানান, সোমবার মধ্যরাতে নিষিদ্ধ ঘোষিত পূর্ব বাংলার কমিউনিস্ট পাটি ৩০/৩৫ জনের একটি সশস্ত্র গ্রুপ মুখে কালো কাপড় বেঁধে উপজেলার বারুহাস ইউনিয়নের বস’ল বাজারে এসে পথসভা করে। এসময় তারা বর্তমান সরকার ও বিএনপি’র সমলোচনা করে বক্তব্য রাখেন এবং লিফলেটও বিতরণ করা হয়। বিতরণকৃত লিফলেটে ‘আ’লীগ-বিএনপি ভাল না। তাদের একদল ক্ষমতায় গেলে অন্যদল হানাহানি করে। পূর্ব বাংলার কমিউনিস্ট পার্টি ভাল দল।’ এসব লেখা ছিল, বলে স্থানীয় জনগণ জানান।

গতকাল ঝিনাইদহ জেলার চুটলিয়াতে র‍্যাবের কথিত ক্রসফায়ারে পূর্ব বাংলার কমিউনিস্ট পার্টির আঞ্চলিক কমান্ডার ছোট তারিক  নিহত হয়েছেন।

গতকাল ঝিনাইদহের তেঁতুল তলায় র‍্যাবের কথিত ক্রসফায়ারে বিপ্লবী কমিউনিস্ট পার্টি নেতা রফিউল নিহত হয়েছেন ।

Source –  বাংলাভিশন  টিভি চ্যানেল , sonalisangbad.com, Channel 9