ফিলিস্তিনি কিশোরী আহেদ তামিমি’র প্রতি সংহতি

ob_6d3cfc_free-ahed

এক ইসরাইলি সেনার গালে ঘুষি মেরে বীরের মর্যাদায় ভূষিত হয়েছেন ১৬ বছরের ফিলিস্তিনি কিশোরী আহেদ তামিমি। কোকড়ানো ও সোনালি চুলের এই কিশোরী তাদের বাড়ির প্রবেশ পাথের কাছে দাঁড়ানো দুই ইসরাইলি সেনার দিকে হেঁটে এগিয়ে যান। সেনাদের কাছাকাছি গিয়ে নিজেদের বাড়ির আঙিনা ছেড়ে চলে যাওয়ার জন্য বলেন তিনি। কিন্তু ওই দুই সেনা তার কথায় কোনো কর্ণপাত না করে দাঁড়িয়ে থাকে। তিনি ওই দুই সেনাকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দেয়ার চেষ্টা করতে থাকেন। কিন্তু সেনারা কোনো তোয়াক্কা না করায় এক সেনার গালে সজোরে থাপ্পড় বসিয়ে দেন তিনি। ইসরাইলি দুই সেনাকে ফিলিস্তিনি কিশোরীর রুখে দাঁড়ানোর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়। এরপরই ফিলিস্তিনের নবী সালেহ গ্রামের ১৬ বছর বয়সী এই কিশোরী নতুন প্রজন্মের এক বীরপ্রতীক হিসেবে ফিলিস্তিনের কাছে ব্যাপক প্রশংসা কুড়ান।
এনবিসি নিউজ জানায়, গত শুক্রবার জেরুজালেমকে ইসরাইলের রাজধানী ঘোষণা করার প্রতিবাদে পশ্চিম তীরে বিক্ষোভ করছিল ফিলিস্তিনিরা। এ সময় ফিলিস্তিনের বিখ্যাত কিশোরী অ্যাক্টিভিস্ট আহেদ তামিমির পরিবারের এক সদস্যকে মাথায় গুলি করে ইসরাইলি সেনারা। এতে ক্ষোভে ফেটে পড়ে কিশোরী আহেদ তামিমি। এই দৃশ্য কেউ একজন মোবাইল ফোনের ক্যামেরা ভিডিও করে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়। দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায় ভিডিওটি। এই ভিডিওকে ঘিরে ফিলিস্তিনি কিশোরীর বিরুদ্ধে ইসরাইলি কর্তৃপক্ষকে ব্যবস্থা নিতে উসকানি দেয় ইহুদিবাদী সংবাদ মাধ্যমগুলো।
থাপ্পড়ের প্রতিশোধ নিতে ইসরাইলি সেনারা মাসহ ওই কিশোরী আহেদ এবং তার ২১ বছর বয়সী চাচাতো বোন নুর নাজি আল তামিমিকে গ্রেফতার করে। মঙ্গলবার ভোরে ওই ফিলিস্তিনি কিশোরীর বাড়িতে অভিযান চালায় সেনাবাহিনী। আহেদের ব্যক্তিগত ল্যাপটপ, মোবাইল এবং বেশ কিছু ইলেক্ট্রনিক জিনিস জব্দ করা হয়। অভিযানের সময় তামিমির পরিবারের লোকজনকে সেনারা মারধর করেছেন বলে অভিযোগ করেছে তার পরিবার। এ ঘটনায় ফিলিস্তিনিরা সামাজিক মাধ্যমে ক্ষোভ ও নিন্দা জানান। তাদের কথা, দখলদার ইসরাইলি সেনাদের প্রতিরোধ করার অধিকার রয়েছে ফিলিস্তিনিদের। এদিকে দুই সেনার ওপর হামলার অভিযোগ এনে তার বিরুদ্ধে ১০ দিনের সাজাও ঘোষণা করা হয়েছে। ইসরাইলের শিক্ষামন্ত্রী নাফতালি বেন্নেত মঙ্গলবার আর্মি রেডিওতে এক ঘোষণায় বলেন, ‘অস্থিতিশীল কর্মকাণ্ডে জড়িত দুই ফিলিস্তিনি কিশোরীকে জেলেই পচে মরতে হবে।’

Advertisements

‘জেরুজালেম ফিলিস্তিনের রাজধানী, ইজরাইলের নয়’ -বিপ্লবী ছাত্র-যুব আন্দোলন

12417833_1688840634690050_3632575340618560178_n

জেরুজালেম ফিলিস্তিনের রাজধানী, ইজরাইলের নয়

জেরুজালেম নিয়ে ট্রাম্প ও ইজরাইলের চক্রান্তের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করুন

বিপ্লবী ছাত্র-যুব আন্দোলনের জাতীয় কমিটি জেরুজালেম নিয়ে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে। কয়েক দশক ধরে ইজরাইল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পর থেকে সাম্রাজ্যবাদের প্রত্যক্ষ মদদে ফিলিস্তিনের জনগনের উপর নিপীড়িত ও আগ্রাসন চালাচ্ছে জায়নবাদী ইজরাইল। ইজরাইল রাষ্ট্র ফিলিস্তিনকে একটি যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত করেছে যেখানে মাঝে মাঝেই তারা তাদের নতুন নতুন অস্ত্রের প্রদর্শনী করে অর্থাৎ ফিলিস্তিনকে মারণাস্ত্র পরীক্ষাগার বানিয়েছে। তারা লক্ষ লক্ষ ফিলিস্তিন জনগনকে হত্যা-উচ্ছেদ করছে। এর সাথে সরাসরি রয়েছে সারা বিশ্বের জনগনের শত্রু আমেরিকা। বিপ্লবী ছাত্র-যুব আন্দোলন- ফিলিস্তিনের সংগ্রামী জনতার সাথে সুর মিলিয়ে মনে করে, জেরুজালেম শুধু মাত্র ফিলিস্তিনের জনগনের রাজধানী। এটা ইজরাইলের রাজধানী নয়। ফিলিস্তিনের জনগনের ঐক্যবদ্ধ ফিলিস্তিন ও তার রাজধানী জেরুজালেমই ফিলিস্তিনের জনতার দাবী। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তার নগ্ন চেহারা দেখিয়ে দিয়েছে বিশ্ব জনগনের কাছে। ফিলিস্তিন জনগনের মুক্তির লক্ষ্যে, আমেরিকা -ইজরাইলের বিরুদ্ধে বিপ্লবী গণযুদ্ধ গড়ে তোলা ছাড়া দ্বিতীয় কোন উপায় নেই। সমাজতন্ত্র-সাম্যবাদ অভিমূখী একটি গণতান্ত্রিক ফিলিস্তিনই সেখানকার জনগনের মুক্তির পথ। আমরা ফিলিস্তিনের সংগ্রামী জনগনের কাছে সেই আহবান জানাই।

বিপ্লবী ছাত্র-যুব আন্দোলন

25589799_726368200879662_588193509_n

 


বিপ্লবী চলচ্চিত্রঃ The Dupes

120220_poster

ফিলিস্তিনি বিপ্লবী এবং লেখক ‘ঘাসান কানাফানি’ উপন্যাস Men in the Sun এর উপর ভিত্তি করে নির্মিত এই চলচ্চিত্র, সিরিয়ার এই চলচ্চিত্রটিতে ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের আত্মোৎসর্গ ও কষ্টের ছবি তুলে ধরা হয়েছে। সিনেমাটি অনেক ফিলিস্তিনিদের জন্য একটি রাজনৈতিক বাস্তবতা।

কানাফানি (১৯৭২ সালে মোসাদ কর্তৃক নিহত হওয়ার আগে), যিনি পপুলার ফ্রন্ট ফর দ্যা লিবারেশন অব প্যালেস্টাইন এর একজন সদস্য ছিলেন, তিনি PLO এর নেতৃত্ব ইয়াসির আরাফাতের পরাজয়বাদী কৌশল এবং পাশাপাশি অন্যান্য মুৎসুদ্দি নেতৃত্বের শাসনাধীনে দুর্নীতি ও নিষ্ক্রিয়তার সমালোচনা করেন।

এই বার্তাটি আজ ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসের পিএলও এর বিক্রি হওয়া নেতাদের বিরুদ্ধে PFLP এর তৃতীয় ইন্তিফাদা নির্মাণের অব্যাহত সংগ্রাম। 


ফিলিস্তিনি কমরেডদের প্রতি বিপ্লবী ঐক্যের সম্ভাষণ! -PYO

6166_521831317991051_1968052845641904428_n

লেবাননের ফিলিস্তিনি যুব সংগঠন (PYO)- ঔপনিবেশিক ইউরোপে, নেদারল্যান্ডে সংগ্রামরত, সমষ্টিগত মুক্তির জন্য আপনাদের নতুন সংগঠন গঠন করায় অভিবাদন জানাচ্ছি ও আমরা আমাদের উষ্ণ শুভেচ্ছা এবং সংহতি জানাচ্ছি।

লেবাননে ফিলিস্তিনি শরণার্থী হিসেবে আমরা প্রতিদিন ইহুদিবাদ ও সাম্রাজ্যবাদ, পুঁজিবাদ ও প্রতিক্রিয়াশীল, সাম্প্রদায়িকতা এবং নিপীড়নের অপরাধ মোকাবিলা করে যাচ্ছি। আমরা ইহুদিবাদী উপনিবেশবাদের ভয়াবহতা থেকে আমাদের ভূখণ্ডকে মুক্ত করতে এবং ফিরে পেতে  গত ৬৮ বছর ধরে সংগ্রাম করে যাচ্ছি।

আমরা ফিরে পেতে ও মুক্তির জন্যে এই সংগ্রাম শুরু করেছি, আমরা জানি যে আমরা একটি বিপ্লবী ফ্রন্ট আকারে বিশ্বের নিপীড়িত জনগণকে সাথে নিয়ে, সাম্রাজ্যবাদ-বিরোধী, উপনিবেশবাদ বিরোধী ও পুঁজিবাদী বিরোধী যোদ্ধাদের সাথে নিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে মুক্তি ও সমাজতন্ত্রের জন্য আমাদের সমষ্টিগত সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছি।

এমন একটি সময়ে আপনাদের যাত্রা, যখন আপনার দেশের ভিতরে এবং আমাদের দেশের মধ্যে ফ্যাসিবাদ, বর্ণবাদ ও ইউরোপীয় সাম্রাজ্যবাদসমূহ নিপীড়িত জনগণের জন্যে একটি বাড়তি হুমকি- আপনারা একটি সত্য ও বিকল্প বিপ্লবী হিসেবে ঐ সব শক্তির মুখোমুখি হয়ে এই পথের নেতৃত্ব দিচ্ছেন ও জনগণের কাছে নিজেদের উপস্থাপন করেছেন।

একসাথে, আমরা বিজয় অর্জন করবো, এবং একসাথে, আমরা আমাদের মুক্তিযুদ্ধকে আঁকড়ে ধরবো।

একটি স্বাধীন ফিলিস্তিন এবং একটি মুক্ত বিশ্বের জন্য!

অনুবাদ সূত্রঃ http://www.revolutionaireeenheid.nl/


রোজাভায় গড়ে উঠেছে আন্তর্জাতিকতাবাদী মুক্ত ব্রিগেড

R1

R2

R3

 

রোজাভা ও মধ্য পূর্বাঞ্চলীয় জনগণের শক্তিমত্তাকে বিবেচনায় রেখে রোজাভায় মুক্ত ব্রিগেড গঠন করা হয়েছে।

এই ব্রিগেডটি আইএসআইএস ও সমগোত্রীয় দখলদারী শক্তির বিরুদ্ধে লড়াই চালাবে।

জানুয়ারী থেকে এমএলকেপি (MLKP) ব্রিগেড স্থাপনের চেষ্টা চালিয়ে আসছিল।

ব্রিগেডের যোদ্ধাদের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে বিভিন্ন সংগঠন যেমন, Reconstruction (Spain), TIKKO, United Freedom Forces (BÖG), MLSPB Revolution Front ও গ্রীসের বিপ্লবীরা

৬ জুন থেকে শুরু হওয়া YPJ (Women’s Protection Units) এর কমান্ডার রুবার কামিসলোর উদয়োগকে  ব্রিগেড সমর্থন জানায় এবং এ প্রসঙ্গে নিম্নে উল্লেখিত বিবৃতিটি তারা প্রকাশ করেছে।

“সাম্রাজ্যবাদী রক্তপিপাসু শোষকদের কারণে মধ্যপ্রাচ্যে রক্তের বন্যা বইছে।

এই সাম্রাজ্যবাদী শক্তি একত্রে আইএসআইএস কে নিয়ে এসেছে যাতে করে এ অঞ্চলের জনগণ দখলদারিত্ব ও শোষণের কাছে মাথা নত করে। আইএসআইএস জঙ্গিরা খ্রিস্টান, আরবীয় ও মুসলমান জনগণদের নির্বিচারে হত্যা করেছে।

জঙ্গিরা নারী ও শিশুদের দাস বাজারে বিক্রি করছে এবং ব্যাপক আকারে হত্যাকাণ্ড চালাচ্ছে যা তাদের সাম্রাজ্যবাদী প্রভুদের শতাব্দীর পুরনো কৌশলকেই মনে করিয়ে দেয়।

এই সব গোষ্ঠীর উদ্দেশ্য তাদের ভাষা, সংস্কার, জীবনযাত্রা ও পরিচয়কে ধ্বংস করা, আর এই উদ্দেশ্যকে নস্যাৎ করতে YPG-YPJ এর নেতৃত্বে  যে প্রতিরোধ গড়ে উঠেছে তা কোবানি, সিঞ্জর, তিল-হেমিস ও সেরেকানিয়েতে সফল হয়েছে।

বিশ্ব রাজনীতির সম্মুখ ভাগে উঠে এসেছে রোজাভা বিপ্লব। দারিদ্র্যপীড়িত গণমানুষের কাছে YPG-YPJ এর প্রতিরোধ প্রশংসিত হয়েছে ও সমর্থন পেয়েছে।

আন্তর্জাতিক যোদ্ধাদের সহযোগিতায় রোজাভা আজকের বেকা ও ফিলিস্তিন হয়ে উঠেছে।

রোজাভা বিপ্লব হয়ে উঠেছে জার্মান অবরোধ কালীন প্যারি কমিউন, স্প্যানিশ গৃহযুদ্ধ কালীন মাদ্রিদ ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ কালীন স্টালিনগ্রাদ।

রোজাভা বিপ্লব প্রতিবেশী দেশগুলোর (বিশেষত তুরস্কে) ক্ষমতার ভারসাম্যকে বিপর্যস্ত করেছে এবং এভাবে বিশ্ব বিপ্লবের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে ও নিপীড়িত জনগণের প্রতিরোধের আলোকবর্তিকা হয়ে উঠেছে।

নারীদের বিপ্লব হিসেবে রোজাভা নারীর ইচ্ছাকে শক্তিশালী করে তোলার পাশাপাশি পিতৃতন্ত্র ও বৈশ্বিক ধর্মান্ধতার বিরুদ্ধে সংগ্রামের প্রতীক হয়ে উঠেছে।

সারা বিশ্বের বিপ্লবীরা রোজাভার দিকে দৃষ্টি দিয়েছেন এবং বিপ্লবকে প্রসারিত করার লক্ষ্যে এখানে বিজয় অর্জনের জন্য লড়াই করে মৃত্যু বরণ করতে তারা দ্বিধা করেননি।

বিপ্লবকে শক্তিশালী করা ও তারা যে সকল স্থান থেকে এসেছেন সে সব স্থানে যুদ্ধকে ছড়িয়ে দেবার লক্ষ্যে তুরস্কের বিপ্লবী বাহিনী ও বিশ্বের বিভিন্ন অংশ থেকে বিপ্লবীরা রোজাভায় এসেছেন।

আমরা রোজাভায় যুদ্ধ করছি, শহীদ হচ্ছি ও প্রতিরোধের ঝান্ডা বহন করে চলেছি…

আমরা এ অঞ্চলে সাম্রাজ্যবাদ ও ধর্মান্ধতার বিরুদ্ধে অগ্রভাগে যুদ্ধ করছি…

আমরা এ বিপ্লবে আইএসআইএস জঙ্গিদের নৃশংস আক্রমণের মোকাবেলা করছি…

আমরা বিপ্লবে বসবাস করছি ও নিজেদের ধমনী ও কোষের ভিতরে বিপ্লবকে অনুভব করছি…

YPG-YPJ এর পতাকার নীচে লড়াই করে আমরা কুর্দিস্তানের মেহনতি মানুষ, নিপীড়িত জনগণ, নারী ও আন্তর্জাতিকতাবাদী বিপ্লবীরা একত্রে রোজাভা বিপ্লব ঘটিয়েছি…

আমরা স্প্যানিশ, জার্মান, গ্রীক, তুর্কি, আরব, আর্মেনিয়, লাজ, সার্কেশীয় ও আলবেনিয়…

আন্তর্জাতিকতাবাদী মুক্ত ব্রিগেড গঠনের লক্ষ্যে আমরা পৃথিবীর বিভিন্ন স্থান থেকে আসা বিপ্লবী বাহিনী ও সংগঠন।

গোটা বিশ্বের নিপীড়িত, মেহনতি, শ্রমিক, নারী, তরুণ, ধ্ররমীয় দল, পরিবেশবিদ, সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী ফ্যাসিবাদ বিরোধী, পুঁজিবাদ বিরোধী, গণতান্ত্রিক ও বিপ্লবী গণমানুষকে আমরা আহ্বান জানাচ্ছি,  মধ্যপ্রাচ্য ও সারা বিশ্বে জনগণের ভ্রাতৃত্ব স্থাপনের লক্ষ্যে রোজাভা বিপ্লবকে এগিয়ে নেয়া ও একে বিস্তৃত করতে আন্তর্জাতিকতাবাদী মুক্ত ব্রিগেডের পতাকার নীচে লড়াই করুন।”

সূত্রঃ

http://en.firatajans.com/kurdistan/internationalist-free-brigade-established-in-rojava