৮ কমরেডকে হত্যার প্রতিবাদে ৭ই মার্চ বনধ ডেকেছে সিপিআই(মাওবাদী)

গত ১লা মার্চ তেলেঙ্গনা পুলিশ বাহিনী কর্তৃক ভুয়া এনকাউন্টারের নামে ৮ মাওবাদীকে হত্যার প্রতিবাদে ৭ই মার্চ সোমবার অন্ধ্রপ্রদেশ, তেলেঙ্গনা ও দণ্ডকারণ্যে বনধ ডেকেছে সিপিআই(মাওবাদী)

কমরেড রাগো ওরফে নাভাথা লাল সালাম!

কমরেড লাছহান্না লাল সালাম!

বত্তেমথোনগু শহীদরা লাল সালাম!!!

ওয়ারাঙ্গাল জেলার পাইদিপল্লী'তে সিপিআই(মাওবাদী)'র শহীদদের স্মরণে শহীদ বেদী-

ওয়ারাঙ্গাল জেলার পাইদিপল্লী’তে সিপিআই(মাওবাদী)’র শহীদদের স্মরণে শহীদ বেদী

12806018_1249621821720703_8325631149546944132_n

h


ভারতঃ ৮ই জানুয়ারী বনধ ডেকেছে ‘সিপিআই(মাওবাদী) উড়িষ্যা রাজ্য কমিটি’

Maoist-poster

৮ই জানুয়ারী বনধ ডেকে উড়িষ্যার নুয়াপাদাতে পোস্টারিং করেছে মাওবাদীরা। উড়িষ্যা রাজ্যের নুয়াপাদা জেলার সারাজাঙ্গা গ্রামের কয়েকটি বাড়ির দেয়াল ও দরজায় পোস্টার লাগিয়েছে মাওবাদীরা। এর কয়েকদিন আগেই নিকটস্থ সিরিগিরি গ্রামে লাল বিদ্রোহীরা ৭টি নির্মাণ যানবাহন পুড়িয়ে দিয়েছে।  সশস্ত্র মাওবাদী বিদ্রোহীদের একটি গ্রুপ সিরিগিরিতে ঠিকাদার এর ক্যাম্প আক্রমণ করে এবং  রাস্তা নির্মাণ কাজে ব্যবহৃত গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, এই পোস্টারের প্রচারাভিযান তাদের সংখ্যা বৃদ্ধি এবং তাদের অনুসারীদের জোরদার করার একটি পদক্ষেপ হতে পারে। এদিকে রিপোর্ট অনুযায়ী, সিপিআই(মাওবাদী) উড়িষ্যা রাজ্য কমিটির  ৮ই জানুয়ারি উড়িষ্যা ও ছত্তিসগড়ে বনধ ডেকেছে।

অনুবাদ সূত্রঃ http://odishasuntimes.com/2016/01/04/maoist-call-for-bandh-on-jan-8-leave-posters-in-odishas-nuapada/


ভারতঃ আগামীকাল ৬ অগাস্ট ছত্তিসগড়, বিহার ও ঝাড়খণ্ডে বন্ধ ডেকেছে মাওবাদীরা

26naxal

রায়পুরঃ গত ২৫শে জুলাই ঝাড়খন্ডের আঞ্চলিক সদস্যকে ভুয়া বন্দুকযুদ্ধে হত্যার প্রতিবাদে আগামীকাল ৬ অগাস্ট ছত্তিসগড়, ঝাড়খণ্ড-বিহারে বন্ধ ডেকেছে সিপিআই (মাওবাদী)।

সিপিআই (মাওবাদী) এর বিহার-ঝাড়খণ্ড বিশেষ এরিয়া কমিটি প্রকাশিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে মাওবাদীরা বলেছে গত ২৫শে জুলাই ঝাড়খণ্ডের গুমলা জেলার চৈনপুরের দীপাতলী গ্রামে এক ভুয়া বন্দুকযুদ্ধে পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে নিহত তাদের আঞ্চলিক সদস্য ডাঃ শিবনন্দন ভগত ওরফে সিলভেস্টার মিঞ্জ এর হত্যার প্রতিবাদে আগামীকাল ৬ অগাস্ট তিনটি রাজ্যে ২৪ ঘন্টার বন্ধ পালিত হবে।

প্রেস বিবৃতিতে বলা হয়, “সাব জোনাল কমান্ডার কমরেড দিলওয়ারের গ্রেফতারের পর, ভোর ৪টার দিকে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা সিলভেস্টারকে ঘুম থেকে তুলে তাকে গুলি করে হত্যা করে। এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের প্রতি নিন্দা জানিয়ে আমরা নিহত সদস্যের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করছি এবং এর প্রতিবাদে  আহ্বান করছি।”

হাসপাতাল, এ্যাম্বুলেন্স, ওষুধের দোকান ও পানি সরবরাহ এই বনধ এর আওতামুক্ত থাকবে বলে জানিয়েছে মাওবাদীরা।

সূত্রঃ http://timesofindia.indiatimes.com/india/Maoist-call-for-bandh-in-Chhattisagrh-Bihar-Jharkhand-on-August-6/articleshow/48358600.cms


ভারতঃ ১লা জুলাই থেকে প্রতিবাদ সপ্তাহ পালনের ডাক দিয়েছে মাওবাদীরা

Indian-Maoists

পেদেরু (বিশাখাপত্তম): পুলিশের ভুয়া এনকাউন্টার, অত্যাচার, গ্রেফতার, হয়রানি এবং ভুয়া আত্মসমর্পণের বিরুদ্ধে অসম্মতি প্রকাশের ভাষা হিসেবে জনগণের প্রতি ১লা জুলাই থেকে ৭ই জুলাই পর্যন্ত প্রতিবাদ সপ্তাহ পালনের আহ্বান জানিয়েছে সিপিআই (মাওবাদী)। মালকানগারি-বিশাখা-কোরাপুট বিভাগীয় কমিটির সম্পাদক ভেনু, সকল চাকুরীজীবী, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষার্থীদের প্রতি ৬ ও ৭ জুলাই বিভাগীয় বন্ধ পালনের আহ্বান জানিয়েছেন। সিপিআই (মাওবাদী) এর নামে প্রকাশিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে ভেনু বলেন, পুলিশ ভুয়া বন্দুকযুদ্ধ চালাচ্ছে, নারীদের উপর অত্যাচার চালাচ্ছে, গ্রামবাসীদের সম্পদ লুট করছে, বেআইনী গ্রেফতার চালাচ্ছে ও গ্রামবাসীদের জেল হাজতে ঢুকাচ্ছে।

তিনি বলেন, কয়েক সপ্তাহ পর যারা আত্মসমর্পণ করছে তাদেরকে মাওবাদী হিসেবে উপস্থাপন করা হচ্ছে ও তাদেরকে মাওবাদীদের বিরুদ্ধে বিবৃতি দিতে বাধ্য করা হচ্ছে। তিনি বলেন সাম্প্রতিক সময়ে বইতিলি ও কিল্লামকতা থেকে প্রায় ২০জন গ্রামবাসীকে পুলিশ তাদের হেফাজতে নিয়ে যায়, তাদের উপর অত্যাচার চালায় ও তাদেরকে আত্মসমর্পণকারী মাওবাদী হিসেবে উপস্থাপন করে। তিনি বিশাখা রেঞ্জের ডিআইজি রবি চন্দ্র ও এসপি কয়া প্রভীনকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে বলেছেন, আত্মসমর্পণগুলো যে প্রকৃত সেটা তারা প্রমাণ করে দেখাক। ভেনু আরো বলেন, “পুলিশের এইসব বেআইনী কর্মকাণ্ড জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হতে সাহায্য করবে এবং তাদেরকে বিপ্লবী পথে নিয়ে যাবে।” এইসব বেআইনী কর্মকাণ্ডের প্রতি নিন্দা জানিয়ে প্রতিবাদ সপ্তাহকে সমর্থন জানাতে বুদ্ধিজীবী ও আদিবাসীদের প্রতি আহ্বান জানান মাওবাদী নেতা ভেনু। ইতোমধ্যে, গত মঙ্গলবার পেদাবয়ালু মণ্ডলের লিঙ্গেতি পঞ্চায়েতের ময়ালাগুম্মি গ্রামের কাছে রাস্তা নির্মাণের কাজে ব্যবহৃত সরঞ্জামাদিতে আগুন লাগিয়ে দিয়েছে মাওবাদীরা। ঘটনাস্থলে তারা উড়িয়া ভাষায় লেখা একটি প্রেস নোট ফেলে গেছে যাতে লেখা ছিল পুলিশ ভুয়া এনকাউন্টার চালাচ্ছে এবং বেআইনীভাবে নিরীহ গ্রামবাসীদের গ্রেফতার করছে। বৃহস্পতিবার বইতিলি, জি মদুগুলা মন্ডল ও পেদাবয়ালু মণ্ডল এলাকায় প্রচুর পরিমাণে ব্যানার পাওয়া যায়।

সূত্রঃ

http://timesofindia.indiatimes.com/city/visakhapatnam/Maoists-call-for-protest-week-from-July-1/articleshow/47823354.cms


ভারতঃ মাওবাদী বনধের ফোন নিয়ে ধোঁয়াশা

বনধের খবরেই স্তব্ধ যানবাহন। জাতীয় সড়কে ট্রাকের সারি। ধানবাদ।

বনধের খবরেই স্তব্ধ যানবাহন। জাতীয় সড়কে ট্রাকের সারি। ধানবাদ।

সংবাদমাধ্যমে কে ফোন করে জানিয়েছিল তিন দিনের মাওবাদী বনধের কথা? ওই তথ্য কি ভুল ছিল? গত রাতে সংবাদমাধ্যমে মাওবাদী মুখপাত্র গোপালজির পাঠানো বিবৃতিতে ওই প্রশ্নই উঠল।

ওই বিবৃতিতে জানানো হয়— ১২, ১৩ ও ১৪ জুন মাওবাদীরা কোনও বনধ ডাকেনি। পলামুর জঙ্গলে সিআরপি বাহিনীর গুলিতে ১২ জনের মৃত্যুর প্রতিবাদে ২৩ জুন বনধ পালন করা হবে। গোপালজি ওই বিবৃতিতে লিখেছেন— ‘আমরা তিন দিনের বনধ নিয়ে কোনও ফোন কাউকে করিনি। পুলিশ চক্রান্ত করে এ সব করেছে। ২৩ জুন ঝাড়খণ্ড, বিহার, ছত্তীসগঢ়ে বনধ পালন করা হবে।’ তা ছাড়া, ১৬ থেকে ২৩ জুন পর্যন্ত পিপলস লিবারেশন গেরিলা আর্মি (পিএলজিএ) ‘প্রতিরোধ সপ্তাহ’ পালন করবে। গোপালজির হুঁশিয়ারি, পলামুর জঙ্গলে সিআরপি বাহিনীর অভিযানের বদলা তাঁরা নেবেন। তাঁর দাবি, ওই সংঘর্ষে নিহত ১২ জনের মধ্যে পাঁচ জন তাঁদের সংগঠনের সদস্য ছিলেন না।

মাওবাদী নেতার বক্তব্য উড়িয়েছেন রাজ্য পুলিশের এডিজি সত্যনারায়ণ প্রধান। তিনি বলেন, ‘‘১১ জুন রাতে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের দফতর থেকে পুলিশকে জানানো হয়, মাওবাদী নেতা গোপালজি ফোন করে তিন দিন বন্‌ধের কথা জানিয়েছেন।’’ প্রধান জানান, কিন্তু পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চের কাছে সে রকম কোনও তথ্য ছিল না। পুলিশকর্তার মন্তব্য, ‘‘আমরা তখন সংবাদমাধ্যমগুলিকে জানিয়েছিলাম যে ওই ফোন ভুয়োও হতে পারে। তবে বনধের খবর প্রকাশিত হওয়ায় পুলিশ সর্তকতা নিয়েছিল।’’ প্রধান জানিয়েছেন, ২৩ জুন মাওবাদী বনধের খবর তিনি পেয়েছেন।

 এ দিকে তিন দিনের মাওবাদী বনধে ঝাড়খণ্ডের বিভিন্ন প্রান্তে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়। বোকারো, ধানবাদ, লাতেহার, হাজারিবাগের খনি অঞ্চলে কাজকর্ম বন্ধ ছিল। ঝাড়খণ্ড ট্রাক ওনার্স অ্যসোসিয়েশন জানিয়েছে, আগে মাওবাদী বন্‌ধে রাস্তায় ট্রাক পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনা ঘটেছিল। তাই বন্‌ধে তাঁদের কোনও সদস্য ট্রাক চালানোর সাহস দেখাননি।

এ দিকে, গুমলার চৈনপুরে ধৃত মাওবাদী সাব-জোনাল কম্যান্ডার অরবিন্দজি ওরফে প্রসাদ লকড়ার বাড়ি থেকে প্রচুর বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, সেখানে মিলেছে ১০০ কিলোগ্রাম অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট, তার ও বোমা তৈরির নানা সরঞ্জাম। বাড়ির উঠোনে বিস্ফোরক পুঁতে রাখা হয়েছিল। শুক্রবার প্রসাদকে গ্রেফতার করা হয়। আজ সকালে গুমলা থেকে ‘পিপলস লিবারেশন ফ্রন্ট অব ইন্ডিয়া’র আঞ্চলিক কম্যান্ডার অমৃত হোর ও জোনাল কম্যান্ডার অর্জুন রামকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

সুত্রঃ http://www.anandabazar.com/national/controversy-on-maoist-strike-at-ranchi-1.160498#


ভারতঃ পশ্চিমবঙ্গ- ছত্রধরদের সাজার প্রতিবাদে মাওবাদীদের জঙ্গলমহল বনধে মিশ্র সাড়া

c

RAJASARKHEL

জনসাধরণ কমিটির নেতা ছত্রধর মাহাতো সহ ৬ জনকে দোষী সাব্যস্ত করে তাদের যাবজ্জীবন সাজা ঘোষণা করার প্রতিবাদে জনসাধরণের কমিটি ও মাওবাদীদের ডাকা  জঙ্গলমহল বনধে মিশ্র সাড়া পড়েছে ।

পুরুলিয়ায়  বন্ধ রয়েছে বাস পরিষেবা। বাঁকুড়ায় রানিবাঁধ, সাড়েঙ্গা ও বারিকুলেও বনধে মিশ্র সাড়া। ঝাড়গ্রামে বনধ চলছে।২০১১ সালের ২৪ নভেম্বর পুলিসের গুলিতে মাওনেতা কিষাণজির নিহত হওয়ার পর জঙ্গলমহলে বনধ ডেকে সেরকমভাবে সফল করতে পারেনি মাওবাদীরা।

ছত্রধর , সাগর মুর্মু, শম্ভু সোরেন ও সুখশান্তি বাস্কেকে UAPA আইন ও রাষ্ট্রদোহিতায় দোষী সাব্যস্ত করে আদালত। সেই সঙ্গে রাষ্ট্রদ্রোহিতায় দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছেন রাজা সরখেল, প্রসূন চট্টোপাধ্যায়কে। ২০০৯ সালের সেপ্টেম্বর মাসে সাংবাদিক সেজে সাক্ষাত্কার নেওয়ার ছলে ছত্রধরকে গ্রেফতার করে পুলিস।রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে ছত্রধরদের ‘অন্যায় সাজা’কে হাতিয়ার করে  জঙ্গলমহলে আদিবাসীদের আস্থা অর্জন করতে চাইছে মাওবাদীরা। বনধ কিছুটা হলেও সফল হওয়ায় মাওবাদীদের মনোবল বাড়বে বলে মনে করছেন তাঁরা।

সূত্রঃ http://www.satdin.in/index.php/13-2014-04-07-17-10-23/2309-2015-05-23-09-34-26