বাংলাদেশের গণযুদ্ধের সংবাদ-

b9831

পাবনায় অস্ত্রসহ মাওবাদী আটক

গত ১০ই আগস্ট পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার আতাইকুলা থানার রঘুনাথপুর গ্রাম থেকে অস্ত্রসহ ১২ মামলার ফেরারি মাওবাদী নেতা স্বপন হোসেন (৩২) কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার ভোর রাতে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত স্বপন উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামের নাজিম উদ্দিনের ছেলে। তিনি পূর্ববাংলা কমিউনিস্ট পার্টির (এম এল লাল পতাকা) আঞ্চলিক নেতা বলে পুলিশ জানায়। আতাইকুলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুরে আলম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার ভোর রাতে সড়াডাঙ্গী বাজারে অভিযান চালিয়ে স্বপনকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে দেশীয় তৈরি পাইপগান ও দুই রাউন্ড গুলি উদ্ধার করে পুলিশ।

টাঙ্গাইলে র‌্যাবের সঙ্গে কথিত বন্দুক যুদ্ধে ‘মাওবাদী’ নিহত

টাঙ্গাইলে র‌্যাবের সঙ্গে কথিত বন্ধুকযুদ্ধে এক ‘মাওবাদী’ নিহত হয়েছেন। শুক্রবার ভোরে তিনি গুলিবিদ্ধ হন। বেলা সাড়ে ১২টার দিকে টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। নিহত মজিবর রহমান ওরফে শেখে (৪০) টাঙ্গাইল সদরের কাশিনগর গ্রামের মৃত সোনা মন্ডলের ছেলে। তিনি পূর্ব বাংলা কমিউনিস্ট পার্টির (এমএল লাল পতাকা) আঞ্চলিক নেতা বলে র‌্যাব জানিয়েছে। র‌্যাব-১২ সিপিসি-৩ এর কোম্পানি কমান্ডার মুহাম্মদ মহিউদ্দিন ফারুকী জানান, ভোর ৪টার দিকে সদর উপজেলার শ্যামার ঘাট এলাকায় দুই মাওবাদী গ্রুপের গোলাগুলির সংবাদ পেয়ে র‌্যার সদস্যরা সেখানে গেলে তারা র‌্যাবকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। র‌্যাবও পাল্টা গুলি ছুড়লে শেখে গুলিবিদ্ধ হন। পরে তাকে টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে দুপুরে সেখানে তার মৃত্যু হয়। ঘটনাস্থল থেকে একটি বিদেশি পিস্তল ও দুই রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয় বলেও তিনি জানান। শেখের বিরুদ্ধে টাঙ্গাইল সদর মডেল থানাসহ বিভিন্ন থানায় তিনটি হত্যাসহ ৯টি মামলা রয়েছে, বলেন এই র‌্যাব কর্মকর্তা।

সূত্রঃ

http://www.sheershanewsbd.com/2015/08/11/92017

http://www.priyo.com/2015/Aug/21/163390-%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%97%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%B0%E2%80%8C%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%97%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A7%81%E0%A6%95%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A7%87-%E2%80%98%E0%A6%9A%E0%A6%B0%E0%A6%AE%E0%A6%AA%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A7%80%E2%80%99-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%B9%E0%A6%A4

Advertisements

বাংলাদেশঃ কুষ্টিয়ায় পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে কমিউনিস্ট নেতা নিহত

কথিত বন্দুকযুদ্ধের পর পলাশ মালিথার লাশ নিয়ে পুলিশ

কথিত বন্দুকযুদ্ধের পর পলাশ মালিথার লাশ নিয়ে পুলিশ

1a11694509ebe77ac719ad6770fb276a_XL

কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলায় পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে পলাশ মালিথা (২৮) নামের একজন নিহত হয়েছেন। এ সময় পুলিশের ৩ সদস্য আহত হয়েছেন বলেও পুলিশ দাবি করে।

শুক্রবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে উপজেলার ভাঙ্গাবটতলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পলাশ মালিথা মিরপুরের আমলা খামারপাড়া গ্রামের আবুল মালিথার ছেলে। পুলিশের দাবি, পলাশ মালিথা পূর্ব বাংলা কমিউনিস্ট পার্টির (এমএল-লাল পতাকা) আঞ্চলিক নেতা।

মিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী জালাল উদ্দিন আহমেদ জানান, রাতে ভাঙ্গাবটতলা এলাকার কুষ্টিয়া-মেহেরপুর সড়কে দড়ি বেঁধে একদল ‘চরমপন্থী’ অবস্থান করছে- এমন সংবাদের ভিত্তিতে টহলরত পুলিশ তাদের ঘিরে ধরে। এ সময় সেখানে থাকা চরমপন্থী সদস্যরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। পুলিশও পাল্টা গুলি ছুড়লে চরমপন্থীরা পালিয়ে যায়। পরে পুলিশ সেখান থেকে গুলিবিদ্ধ পলাশকে উদ্ধার করে মিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

ওসি বলেন, নিহত পলাশ মালিথা (২৮) প্রায় এক ডজন মামলার আসামি। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ছাড়া পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ধারালো অস্ত্র, একটি শাটারগান ও তিনটি কার্তুজ উদ্ধার করেছে।

উল্লেখ্য যে, কথিত বন্দুক যুদ্ধ নিয়ে পুলিশ সবসময়ই একই গল্প সাজিয়ে আসছে। সেই গল্পে এবারে বলি হলেন পলাশ মালিথা ।

সূত্রঃ http://bangla.bdnews24.com/samagrabangladesh/Khulna/article1001501.bdnews


ভারতঃ বন্দুকযুদ্ধের কাহিনী ভূয়া, দাবী মাওবাদীদের

Palamau: Dead bodies of 12 maoist rebels after an encounter with police at Palamau district in Jharkhand on June 9, 2015. (Photo: IANS)

রাঁচিঃ মঙ্গলবার গভীর রাতে পালামৌ-লাতেহার সীমান্তের কাছে যে বন্দুকযুদ্ধে ১১ জন সক্রিয় মাওবাদী সদস্য ও একজন জোনাল কমান্ডার নিহত হন, সেটি ভুয়া বলে দাবী করেছে মাওবাদীরা। স্থানীয় একটি দৈনিক পত্রিকায় পাঠানো এক চিঠিতে তারা দাবী করে। চিঠিতে সিপিআই (মাওবাদী) এর মুখপাত্র গোপালজী আরও উল্লেখ করেন, ঝাড়খণ্ড জন মুক্তি পরিষদ (JJMP) নামে বিচ্ছিন্ন একটি মাওবাদী গোষ্ঠীর সশস্ত্র সদস্যরা পুলিশের মদদে মাওবাদীদের হত্যা করে। বন্দুকযুদ্ধের দুই দিন পর নিহত ১২ জনের মধ্যে ১১ জনকে মাওবাদী হিসেবে চিহ্নিত করার কোন সূত্র খুঁজে পায়নি পুলিশ। নিহতদের মধ্যে একজন ছিল শিশু।

ইতিপূর্বেও, ঝাড়খণ্ড পুলিশের বিরুদ্ধে ভুয়া বন্দুকযুদ্ধে যুক্ত থাকার অভিযোগ রয়েছে। কয়েক মাস আগে লাতেহারে এ ধরনের একটি বন্দুকযুদ্ধে দুইজন মাওবাদী নিহত ও একজন আহত হওয়ার ঘটনার তদন্ত করছে রাজ্যের অপরাধ তদন্ত দপ্তর state crime investigation department (CID)। এর আগে যে বড় ধরনের বন্দুকযুদ্ধ গুলো ঘটেছে সেখানে পুলিশ অনেক দ্রুত মাওবাদীদের পরিচয় শনাক্ত করতে সক্ষম হয়েছিল কিন্তু এবারের ঘটনায় তারা সেটা করতে পারেনি এবং এতে করে তাদের বিরুদ্ধে সন্দেহ আরো বৃদ্ধি পেয়েছে। পালামৌ এর এসপি ময়ূর প্যাটেল বলেন, “নিহতদের মধ্যে অনুরাগ যাদব ওরফে আরকেজী ওরফে ডাক্তারজীকে আমরা শনাক্ত করতে পেরেছি, তিনি জোঅনাল কমান্ডার ছিলেন, তাকে ধরিয়ে দেবার জন্য ১০ লাখ রুপি পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছিল। আমরা অন্যদেরকেও শনাক্ত করেছি কিন্তু তাদের মাওবাদী পরিচয় খুঁজে বের করতে কিছুটা সময় লাগবে।” ছত্র গ্রামের অধিবাসী ডাক্তারজীর ভাই লখন যাদব স্থানীয় টেলিভিশনকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, সন্তোষ কুমার (ডাক্তারজীর ছেলে) ও যোগেশ কুমার (ডাক্তারজীর ভাইপো) কোনদিন মাওবাদীদের জন্য কাজ করেনি। ওদের একজন ছিল পাড়ার শিক্ষক ও অপরজন ছিল গাড়িচালক। বৃহস্পতিবার লখন তাদের তিনজনের লাশ গ্রহণ করেন।

অবসরপ্রাপ্ত এক নিরাপত্তা কর্মকর্তা বলেন, বন্দুকযুদ্ধ নিয়ে পুলিশ প্রদত্ত তত্ত্বের মধ্যে বেশ কিছু ফাঁক রয়েছে। তার প্রশ্ন, “১২ জন মানুষ কীভাবে অস্ত্র সহ একটা SUV গাড়িতে চড়ে? এমন একটা শক্তিশালী অপারেশনে একটা SUV গাড়ি এত সহজে পালিয়ে গেল আর আরেকটা গাড়ি ধরা পড়ে গেল? ১২ জন মাওবাদী এত সহজে মারা গেল আর নিরাপত্তা বাহিনীর একজন সদস্য নূন্যতম আহতও হল না,” এক আইপিএস অফিসার জানান, ডাক্তারজীর মতো শীর্ষ পর্যায়ের একজন মাওবাদী যার মাথার মূল্য ১০ লাখ রুপি, তিনি কখনো এমন অপ্রস্তুত অবস্থায় চলাফেরা করেন না। তারা যখন বিশ্রাম নেন, তখনো সশস্ত্র ক্যাডাররা তাদের পাহারা দেয়। তিনি বলেন, “সত্যিকারের বন্দুকযুদ্ধে মাওবাদীরা অন্তত কয়েকজন নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যকে আহত করত। রাতের অন্ধকারে তাদের ১২ জনকে এমন অবলীলায় মেরে ফেলা এত সহজ নয়।”

মাওবাদী মুখপাত্র গোপালজী একইরকম অভিযোগ করেছেন। প্রেস নোটে বলা হয়েছে, “মাওবাদীদের সাথে অত্যাধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র ছিল। JJMP এর বিদ্রোহীরা ১২ জনকে হত্যা করে এবং পুলিশ তাদেরকে সেইসব অত্যাধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র পুরস্কার হিসেবে প্রদান করে যেগুলো তারা মৃত কমরেডদের থেকে কেড়ে নিয়েছিল। রাজ্য পুলিশের মুখপাত্র এস এন প্রধান এইসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, “যাদের হত্যা করা হয়েছে তাদের সকলের সাথেই আগ্নেয়াস্ত্র ছিল এবং তারা ডাক্তারজীর (মোস্ট ওয়ান্টেড) সাথে যাচ্ছিল। পুলিশকে দোষী সাব্যস্ত করার যে দাবী মাওবাদীরা করছে এটি তাদের একটি পুরনো অভ্যাস। আমরা অপারেশনে যে সূত্রই ব্যবহার করি না কেন, মাওবাদীরা তাদেরকে বলে JJMP।” মৃতদের মধ্যে একজন শিশু ছিল এ প্রসঙ্গে প্রধান বলেন, “একজন শিশু যদি আমাদেরকে গুলি করার চেষ্টা করে, আমরা প্রথমে তাকে প্রতিরোধ করব, তার বয়স জিজ্ঞেস করব না।”

সূত্রঃ http://timesofindia.indiatimes.com/city/ranchi/Encounter-fake-claim-Maoists/articleshow/47633626.cms