ফিলিপিনে বৃহস্পতিবারও বামপন্থীদের অ্যাপেক বিরোধী বিক্ষোভ

apec-protest

ফিলিপিন্সের ম্যানিলায় এশীয়-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্মেলনের দ্বিতীয় ও শেষ দিন বৃহস্পতিবারও বিক্ষোভ করেছে অ্যাপেক বিরোধী শত শত বামপন্থী নেতা।

এদিন ম্যানিলায় ছাত্র, সমাজ ও আদিবাসী সংগঠনগুলো বিক্ষোভ করলে দু’পক্ষের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ বাধে। এমন সম্মেলনের মাধ্যমে গরিব রাষ্ট্রগুলোর ওপর বাণিজ্যিক অবরোধ আরোপ করে ধনী রাষ্ট্রগুলো তাদের স্বার্থ হাসিল করে বলে অভিযোগ বিক্ষোভকারীদের। এর আগে বুধবারও তারা অ্যাপেক সম্মেলনের বিরোধিতা করে বিক্ষোভ কর্মসূচির আয়োজন করে।

Advertisements

অ্যাপেক সম্মেলন ঘিরে ফিলিপিনের ম্যানিলায় বামপন্থীদের বিক্ষোভ

_86762597_030194262-1

অ্যাপেক সম্মেলন দারিদ্র-পীড়িত রাষ্ট্রগুলোর জন্য উপহাসমূলক উল্লেখ করে এর প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার ফিলিপিনের ম্যানিলায় বিক্ষোভ করেছে দেশটির বামপন্থী দল ব্যাগং আলিয়ানসাং মাকাবায়ানের নেতাকর্মীরা। এসময় পুলিশ বামপন্থীদের বাধা দেয়ার চেষ্টা করলে দুই পক্ষের সংঘর্ষে এক পুলিশ সদস্যসহ বেশ কয়েকজন আহত হয়।

অ্যাপেক সম্মেলনের ফলে উন্নয়নশীল ও অপেক্ষাকৃত দারিদ্র-পীড়িত দেশগুলোর কোনো উন্নয়ন তো হয় না উল্টো তাদের অর্থে ধনী রাষ্ট্রগুলো তাদের ব্যবসার প্রসার ঘটায় বলে মন্তব্য বামপন্থীদের।

এ বছর ম্যানিলা দুইদিনব্যাপী অ্যাপেক সম্মেলনের আয়োজন করলে পুরো শহর নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে দেয়া হয়। তবে বামপন্থীরা পুলিশী বাধা অতিক্রম করে সম্মেলন স্থান অভিমুখে যাওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ বামপন্থীদের ছত্রভঙ্গ করতে লাঠিচার্জের পাশাপাশি গরম পানি নিক্ষেপ করে। এসময় বামপন্থীরা অ্যাপেক সম্মেলন বিরোধী স্লোগান দিয়ে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেয়।

6956640-3x2-700x467


তুরস্কে আত্মঘাতী বোমায় সরকারকে দায়ী করল এইচডিপি ও বামপন্থীরা

Still+image+taken+from+video

তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায় গতকালের (শনিবার) বোমা বিস্ফোরণে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৯৫ জনে দাঁড়িয়েছে। আহত হয়েছে আরও ২৪৫ জন। গতকাল রাজধানীর প্রধান রেল স্টেশনের কাছে কুর্দি ও বামপন্থীদের সরকার বিরোধী একটি শান্তিপূর্ণ সমাবেশে দু’টি বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। বিস্ফোরণে ঘটনাস্থলেই নিহত হয়েছে ৬২ জন। হাসপাতালে নেয়ার আরও ৩৩ জনের মৃত্যু হয়।

এখন পর্যন্ত কোনো গোষ্ঠী এই হামলার দায় স্বীকার করেনি। তবে হামলার জন্য সরকারকে দায়ী করেছে কুর্দিপন্থী পিপলস ডেমোক্রেটিক পার্টি ও  বামপন্থীরা। যদিও সরকারের পক্ষ থেকে এই অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। তুরস্কের একজন সরকারি কর্মকর্তা বলেছেন, এটি ছিল সন্ত্রাসী হামলা এবং এ বিষয়ে তদন্ত চলছে। যত দ্রুত সম্ভব তদন্তের ফলাফল সবাইকে জানানো হবে।

তুরস্কের কুর্দি সমর্থিত পিপল’স ডেমোক্রেটিক পার্টি বা এইচডিপিসহ কয়েকটি বামপন্থী দল গতকাল শান্তিপূর্ণ সমাবেশের আয়োজন করেছিল। এইচডিপি পার্টির ট্যুইটে বহু লোক হতাহত হওয়ার কথা বলা হয়েছে, এছাড়া আহত লোকদের সরিয়ে নেওয়ার সময় পুলিশ লোকজনের উপর ‘হামলা’ চালিয়েছে বলে অভিযোগ করেছে দলটি।

সম্প্রতি তুর্কিতে কুর্দিস্থানের দাবিতে আন্দোলনরত PKK গেরিলাদের  সঙ্গে সেনার লড়াই তীব্রতা পেয়েছে। ফলে নিহত হয়েছেন উভয়পক্ষের বহু মানুষ। কুর্দিদের ঘাটিতে বিমান হানা শুরু করেছে তুর্কি সরকার। শনিবারের বোমা বিস্ফোরণের দায় কেউ স্বীকার না করলেও কুর্দিদের তরফে অভিযোগ করা হয়েছে উগ্র জাতীয়তাবাদী সংগঠনকে মদত জুগিয়ে সরকারই ঘটিয়েছে এই বিস্ফোরণ ।


ভারতের গণযুদ্ধের লাল সংবাদঃ ১১/২/২০১৫

-মঙ্গলবার ব্লগার জেসন সি কুপার ও এডভোকেট থুশার নির্মল সারথীর জামিন আবেদন নাকচ করে দিয়েছে এরনাকুলাম এর জেলা ও প্রিন্সিপাল সেশন আদালতের বিচারক এস মোহনদাস। যেহেতু এই মামলার তদন্ত প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে সেহেতু এই মুহূর্তে জামিনের আবেদন মঞ্জুর করা হবেনা বলে আদালত জানায়।

-মঙ্গলবার বিকেল ৩টা থেকে ৪টা নাগাদ উড়িষ্যার কালাহান্দি জেলার লাঞ্জিগড় এলাকায় মাওবাদীদের সাথে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলি বিনিময় হয়। অল্প কিছু সময় গুলি বিনিময়ের পর মাওবাদীরা তাদের অস্ত্র ও গোলাবারুদ ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। সিআরপিএফ সূত্রের দাবী, মাওবাদীদের পক্ষে থেকে হতাহতের ঘটনা ঘটে থাকতে পারে যদিও এখনো পর্যন্ত এ ব্যাপারে নিশ্চিত ভাবে কিছু জানা যায়নি।

– মঙ্গলবার তামিলনাড়ু পুলিশের ১২ সদস্যের একটি দল তামিলনাড়ু-কেরালা সীমান্তের কাছে আদিবাসীদের গ্রামগুলোতে মাওবাদীদের দমনের উদ্দেশ্যে চিরুনী অভিযান চালায়। এসময় পুলিশ গ্রামবাসীদের কাছে সন্দেহভাজন মাওবাদীদের ছবি ও পুলিশের ফোন নাম্বার প্রদান করে। এছাড়া, সীমান্তের নিকটবর্তী থানাগুলোতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। সম্প্রতি কেরালার আন্তঃরাজ্য সীমান্তের কাছে মাওবাদীরা হামলা চালায়।

সূত্রঃ newindianexpress.com/odishasuntimes.com/ thehindu.com