আন্তর্জাতিক সভা ২০১৫তে তিউনিসিয়ার Kahédin পার্টি

t1larg.tunisia.riots_.gi_

প্রিয় কমরেডগণ,

banlieuesসর্বহারা বিপ্লবের বিদ্রোহ” এই শ্লোগানে আপনাদের আন্তর্জাতিক সভাকে আমরা শুভেচ্ছা জানাচ্ছি এবং আমরা গুরুত্বের সাথে জানাচ্ছি, তিউনিসিয়ার Kahédin পার্টি – বেকারত্ব, শোষণ ও পুলিশের অত্যাচারের বিরুদ্ধে প্রতিবেশী নিপীড়িত তরুণদের বিপ্লবী সংগ্রামকে সমর্থন করছে। এই সংগ্রাম শুধুমাত্র ইউরোপে নয়, বিশ্ব সাম্রাজ্যবাদের কেন্দ্র যুক্তরাষ্ট্রেও ছড়িয়ে পড়েছে, যা সার্বজনীন বিপ্লবের দাবানল ছড়িয়ে দিতে একটি স্ফুলিঙ্গ হয়ে উঠতে পারে, তাই আমাদের এই সংগ্রামকে সংগঠিত ও শক্তিশালী করে তুলতে হবে। আমরা আপনাদের সভার শুভ কামনা করছি এবং আপনারা/কমরেডদের পাশাপাশি বলছি, শোষণ, দারিদ্র্য, বেকারত্ব ও সন্ত্রাসকে পরাজিত করতে বিপ্লবী পথ ছাড়া আর কোন পথ নেই।

বিদ্রোহ করা ন্যায়সঙ্গত !

সাম্রাজ্যবাদ ও প্রতিক্রিয়া নিপাত যাক !

সর্বহারা শ্রেণী ও নিপীড়িত জনগণের বিপ্লবী সংগ্রাম জিন্দাবাদ !

অনুবাদ সূত্রঃ http://www.signalfire.org/2016/01/06/kadehin-party-of-tunisia-at-2015-international-meeting/

Advertisements

ভারতঃ পশ্চিমবঙ্গের শালবনিতে মাওবাদী পোস্টারে আগ্রহ-জল্পনা

b

ফের মাওবাদী পোস্টার৷ এবং, এ বারও মাওবাদী ওই পোস্টার মিলল সেই শালবনিতেই৷ আর, সেখানকার বাগমারির ওই পোস্টারকে কেন্দ্র করে একদিকে যেমন নতুন করে দেখা দিয়েছে আগ্রহ, তেমনই অন্যদিকে আবার এখন শুরু হয়েছে জোর জল্পনাও৷

প্রতিটি পোস্টারে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে “দিদি” বলে সম্বোধন করে মাওবাদী নেতা কিষেণজির মৃত্যুর বদলা নেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়েছে। এরকম ৮ থেকে ১০টি পোস্টার উদ্ধার করেছে পুলিশ। উদ্ধার হওয়া পোস্টারগুলিতে মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেসকে উদ্দেশ্য করে ৭টি প্রশ্ন করা হয়েছে। পোস্টারগুলির একটিতে কিষেণজির হত্যাকারী হিসেবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। আরেকটিতে শশধর মাহাতকে হত্যা করার পর তার স্ত্রীকে নবান্নে কেন নিয়ে যাওয়া হয়েছে জানতে চাওয়া হয়েছে তাও। এছাড়াও তৃণমূল কংগ্রেস নেতাদের সাবধান হওয়ার হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়েছে মাও পোস্টারে। জঙ্গলমহল থেকে CRPF তোলার দাবিও জানানো হয়েছে।

তৃণমূল কংগ্রেসকেও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে পোস্টারে

রাষ্ট্রদ্রোহিতায় দোষী সাব্যস্ত ছত্রধর মাহাত সহ ছ’জনকে গত মঙ্গলবার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে মেদিনীপুর আদালত৷ আর, ওই রায়কে কেন্দ্র করেই, জঙ্গলমহলের সঙ্গে দ্বিচারিতার জন্য নিশানা করা হয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে৷ এমনই বিভিন্ন ঘটনার জেরে, স্বাভাবিকভাবেই, শালবনির ওই মাওবাদী পোস্টারকে কেন্দ্র করে সেখানে নতুন করে তৈরি হয়েছে জল্পনার পরিবেশ৷ লালগড়ে বিদ্রোহের জন্য সেখানকার মানুষকে এক হওয়ার কথাও বলা হয়েছে মাওবাদী ওই পোস্টারে৷ সাজা ঘোষণার পরে গত মঙ্গলবার ছত্রধর মাহাত জানিয়েছিলেন, যে বিস্ফোরণ ঘটানোর কথা বলা হচ্ছে, তার কোনও প্রমাণ নেই৷ কোনও প্রমাণ ছাড়া মিথ্যা মামলায় সাজা দেওয়া হয়েছে৷ এর জবাব দেবেন জঙ্গলমহলের মানুষ৷ জঙ্গলমহলের আন্দোলন চলবে৷

কাজেই, মঙ্গলবার ছত্রধর মাহাতর ওই দাবি অথবা অভিযোগ এবং শালবনিতে মাওবাদী পোস্টার মেলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে, প্রশাসনিক মহলের একাংশেও শুরু হয়েছে জোর জল্পনা৷ এই দুই ঘটনার সঙ্গে কোনও যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলেও জানা গিয়েছে৷ তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ৷ শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত, ওই মাওবাদী পোস্টারকে কেন্দ্র করে এখনও পর্যন্ত কাউকে আটক অথবা গ্রেফতারের কথা জানায়নি পুলিশ৷ জিন্দালদের প্রকল্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান সেরে ফেরার পথে, ২০০৮-এর দুই নভেম্বর শালবনিতে বিস্ফোরণ ঘটানো হয় রাজ্যের তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যর কনভয়ে৷ ওই বিস্ফোরণের পিছনে মাওবাদীরা যুক্ত বলে অভিযোগ ওঠে৷ আর, ওই ঘটনার জেরে পুলিশি ধরপাকড় সহ অত্যাচার (অভিযোগ)-এর বিরুদ্ধে, লালগড়ে জন্ম নেয় পুলিশি সন্ত্রাস বিরোধী জনসাধারণের কমিটির৷ ওই কমিটির-ই নেতা ছত্রধর মাহাত৷

সুত্রঃ http://www.bengali.kolkata24x7.com/again-maoist-postars-shalbani-west-bengal.html