পিসিপির ২৭ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালনে বাধা দেয়ার প্রতিবাদে বিপ্লবী ছাত্র-যুব আন্দোলনের বিবৃতি

12417833_1688840634690050_3632575340618560178_n

বিপ্লবী ছাত্র-যুব আন্দোলন

জাতীয় কমিটি

বিবৃতি

পিসিপি’র ২০ মে ২৭ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর সমাবেশ স্থলে সমাবেশ পন্ড করার লক্ষ্যে সেনাবাহিনীর অবস্থান ও মঞ্চ করতে বাধা দেয়ার তীব্র নিন্দা জানাই।

বিপ্লবী ছাত্র-যুব আন্দোলনের জাতীয় কমিটির পক্ষ থেকে এক বিবৃতির মাধ্যমে বলা হয়, পিসিপির ২৭ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালনে বাধা দেয়া ও পাহাড়ের অধিকার আদায়ের গণতান্ত্রিক সংগঠন বৃহত্তর পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ী ছাত্র পরিষদের নেতাদের মঞ্চ তৈরীতে বাধা দেয়ার তীব্র প্রতিবাদ জানাই বিপ্লবী ছাত্র-যুব আন্দোলন। ছাত্র-যুব আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ বলেন, এই বাঙালী ধনীক শ্রেনির রাষ্ট্র কাঠামো গড়ে ওঠার শুরু থেকেই পাহাড়ের নিপীড়ণ চালিয়ে আসছে।  আজও প্রতিদিন বুর্জোয়া খবরের কাগজ খুললে দেখা যায় পাহাড়ের নিপীড়ন এর কোন না কোন খবর।  পাহাড়ে অঘোষিতভাবে সেনা শাসন চলছে।সেখানে জনগনের মত প্রকাশের প্রধান বাধা এই রাষ্ট্র ও তার পোষা সেনাবাহিনী।  সারাদেশব্যাপী বর্তমান আওয়ামীলীগ সরকার চরম ফ্যাসীবাদী কায়দায় জনগনকে দমনপীড়ণ করে চলেছে।   প্রতিদিন প্রতি মুহুর্তে আতঙ্কে থাকতে হচ্ছে সাধারণ জনগনকে।  এমন একটি পরিস্থিতিতে যখন পাহাড়ে সমাবেশ এর আয়োজন চলছিল তখন সেখানে বাধা দেয়া বর্তমান সরকারের ফ্যাসীবাদী আচরনের ধারাবাহিকতা মাত্র।  তাই আজ পাহাড়-সমতলের সকল নিপীড়িত মানুষ ঐক্যবদ্ধ হয়ে মার্ক্সবাদ-লেনিনবাদ-মাওবাদের ভিত্তিতে বিপ্লবী সংগ্রাম গড়ে তুলতে হবে।

বার্তা প্রেরক

আহনাফ আতিফ অনিক

সহ-আহবায়ক

13245860_488392468010571_802297275_n


বাংলাদেশঃ JNU আন্দোলনের প্রতি সমর্থন জানিয়েছে বিপ্লবী ছাত্র-যুব আন্দোলন জাতীয় কমিটি

images2

কমরেডস,

লাল সালাম।

আপনারা আজ যে সংগ্রাম করছেন আমরা তাকে নীতিগতভাবে সমর্থন করি। আমরা কমরেড কানহাইয়া কুমার ও অধ্যাপক গিলানি কে গ্রেফতারের তীব্র প্রতিবাদ জানাই।কমরেড উমার খালিদের বিরুদ্ধে ইসলামি সন্ত্রাসবাদী বলে প্রচার ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার মামলা দেয়ার তীব্র প্রতিবাদ জানাই। এই জওহর লাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘটনা আমাদের আবারো ভারতীয় সম্প্রসারণবাদের ফ্যাসিবাদী চরিত্রকে নগ্নভাবে দেখিয়ে দিল। আমরা এর আগে ব্রাহ্মন্যবাদের বিরুদ্ধে আন্দোলনে সমর্থন জানিয়েছিলাম।এখনো আমরা এই ফ্যাসিবাদী ভারত রাষ্ট্রকে ধিক্কার জানাই।সমগ্র ভারতবর্ষে আজকে আওয়াজ উঠেছে কাশ্মীর, মনিপুর,নাগার স্বাধীনতার।আমরা এই আওয়াজ এর সাথে সুর মিলিয়ে বলছি,কাশ্মীর,মনিপুর,নাগার স্বাধীনতা দিতে হবে। জাতপাতের অবসান ঘটাতে হবে।আমরা তার সাথে সাথে আহবান জানাই,

ভারতীয় সম্প্রসারণবাদী ফ্যাসিবাদকে রুখে দিন, চূর্ণ-বিচূর্ণ করুন!

জাতপাতের বিরুদ্ধে আন্দোলনকে আদিবাসীদেরকে ভুমি থেকে উচ্ছেদের আন্দোলনের সাথে যুক্ত করুন!

কানহাইয়া কুমার ও অধ্যাপক গিলানির মুক্তি আন্দোলনের সাথে সাথে সকল রাজ বন্দিদের মুক্তির দাবিতে আন্দোলন গড়ে তুলুন!

জনগনের গনতান্ত্রিক ভারত নির্মাণের চলমান সংগ্রামে নিজেকে সামিল করুন!

বার্তা প্রেরক,

আহনাফ আতিফ অনিক,

সহ আহবায়ক,

বিপ্লবী ছাত্র-যুব আন্দোলন”,বাংলাদেশ


বাংলাদেশঃ ব্রাহ্মন্যবাদের বিরুদ্ধে সংগ্রামের সমর্থনে ‘বিপ্লবী ছাত্র-যুব আন্দোলন’-র পক্ষ থেকে পাঠানো চিঠি

12562831364_915523f563_b

‘ভারতের হিন্দু ব্রাহ্মন্যবাদ আর বাংলাদেশের ধর্মীয় মৌলবাদী ফ্যাসিবাদ একসূত্রে গাঁথা।’ তাই আমাদের দেশের মৌলবাদ আর ভারতের হিন্দু মৌলবাদের বিরুদ্ধে যে লড়াই তাও একই পথে হবে। আমরা এপার থেকে বলতে চাই,কমরেড রহিতের জন্য গড়ে ওঠা আজকের এই আন্দোলন আমাদেরও আন্দোলন।আমরা মনে করি ভারতের জনগনের মৌলিক শত্রু আমাদের দেশের জনগনেরও মৌলিক শত্রু।আর মৌলিক শত্রুর বিরুদ্ধে যে লড়াই সে লড়াই কাঁধে কাধ মিলিয়েই করতে হবে।ভারতের কমরেডগন ও আজকের আন্দোলনে সামিল জনগণকে,আমরা আমাদের সংগঠন ‘বিপ্লবী ছাত্র-যুব আন্দোলনের’ জাতীয় কমিটির পক্ষ থেকে লাল সালাম জানায় এবং জনগনের ব্রাহ্মন্যবাদের বিরদ্ধে যে লড়াই সে লড়াইকে রাষ্ট্র ক্ষমতা দখলের লড়াইয়ের সাথে যুক্ত করার আহবান জানাই। তারসাথে,যে আন্দোলন আজ সমগ্র ভারতব্যাপী ছড়িয়ে পড়েছে অর্থাৎ ভারতের মাওবাদীদের আন্দোলন দমনের নামে আদিবাসি ও দলিতের ওপর যে দমন নিপীড়ন চলছে আমরা এই বার্তার মাধ্যমে সেই দমন-নিপীড়নেরও তীব্র প্রতিবাদ জানাই।

বার্তা প্রেরক
আহনাফ আতিফ অনিক
সহ-আহ্বায়ক
বিপ্লবী ছাত্র-যুব আন্দোলন’, বাংলাদেশ।

২৫/০১/২০১৬


বাংলাদেশঃ বর্তমান পরিস্থিতির উপর বিপ্লবী ছাত্র-যুব আন্দোলনের পোস্টারিং

1

2

3

4


বাংলাদেশঃ বিপ্লবী ছাত্র-যুব আন্দোলন জাতীয় কমিটির বিবৃতি

images2

বিপ্লবী ছাত্র-যুব আন্দোলন জাতীয় কমিটির বিবৃতি

৫ অক্টোবর ২০১৫

‘৭ অক্টোবর সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী ছাত্র ঐক্য ও প্রগতিশীল ছাত্র জোটের ডাকা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সর্বাত্মক ধর্মঘট সফল করুন এবং ভর্তি পরীক্ষা বাতিল ও ছাত্রদের উপর হামলার বিচারের দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যেতে হবে’

বিপ্লবী ছাত্র-যুব আন্দোলনের জাতীয় কমিটির পক্ষ থেকে একটি বিবৃতিতে দুই জোটের ডাকা ৭ অক্টোবরের(বুধবারের) ধর্মঘটকে সফল করার আহবান জানানো হয়। বিবৃতিতে আরও বলা হয় যে, বর্তমান চলমান ন্যায্য আন্দোলনকে দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত চালিয়ে যেতে হবে।অতীত ইতিহাসের ধারাবাহিকতায় বর্তমান শাসক গোষ্ঠী তার কাজ শুরু করে দিয়েছে।স্বাস্থ্য মন্ত্রি বলছেন প্রশ্ন ফাঁস হয়নি।তারা তাদের তাবেদার মিডিয়ার মাধ্যমেও নানা ধরণের অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে আন্দোলনকে থামিয়ে দেবার জন্য।এসব যখন হচ্ছে তখন আর বুঝতে বাকি থাকেনা যে ‘মা’ হাসিনা তার সন্তানদের কতটুকু ভালবাসেন!অতএব মায়ের কাছে আবদার নয়,তার কাছে থেকে নিজেদের অধিকার ছিনিয়ে নিতে হবে।নতুবা কিছুই হবে না।মনে রাখতে হবে এই দেশের সকল ব্যবস্থাপনাতেই ভেজাল রয়েছে।তাই যতক্ষণ না আপনার আমার নিজেদের ব্যবস্থাপনা গড়ে উঠছে ততদিন এমনটা চলতেই থাকবে। তাই এই আন্দোলন থেকে শিক্ষা নিয়ে সমগ্র ব্যবস্থা পরিবর্তনের আন্দোলনে মেডিক্যাল ছাত্রদের যুক্ত হতে হবে।ভাবতে হবে জনগণের সামগ্রিক সংকট নিয়ে।

বার্তা প্রেরক
আহনাফ আতিফ অনিক
সহ-আহবায়ক
বিপ্লবী ছাত্র যুব আন্দোলন
মোবাইলঃ০১৫২১-৫১৭৪০০


বাংলাদেশঃ বিপ্লবী ছাত্র-যুব আন্দোলন জাতীয় কমিটির বিবৃতি

images2

বিপ্লবী ছাত্র-যুব আন্দোলন জাতীয় কমিটির বিবৃতি – 

১০ সেপ্টেম্বর, ২০১৫

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের উপর গত বুধবার ও বৃহস্পতিবার দুই দফায় ছাত্রলীগ-পুলিশের হামলার তীব্র নিন্দা জানাই।

গত বুধবার ইস্ট-ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটিতে ও বৃহস্পতিবার ধানমণ্ডিতে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ৭.৫% ভ্যাট প্রত্যাহারের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের উপর ছাত্রলীগ-পুলিশের হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বিপ্লবী ছাত্র যুব আন্দোলনের আহ্বায়ক বিপ্লব ভট্যাচার্য এক বিবৃতিতে বলেন বর্তমান এই ফাসিস্ট সরকার তার পেটোয়া বাহিনী ও পোষা গুণ্ডাদের দিয়ে হামলা করিয়ে ছাত্রদের ন্যায় সঙ্গত আন্দোলন দমন করতে পারবে না। বর্তমান সরকার একদিকে দফায় দফায় গ্যাস বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি করে জনগণের উপর নির্যাতন চালাচ্ছে অন্যদিকে জনগণের ন্যায় সঙ্গত আন্দোলনে দমন পীড়নের মাধ্যমে তার ফাসিস্ট চরিত্রকে নগ্নভাবে উন্মোচন করছে।আজ আমরা পরিস্কার দেখতে পাচ্ছি শিক্ষা ব্যবস্থাকে পণ্যে পরিণত করার সব রকমের বন্দোবস্ত এই রাষ্ট্র করে ফেলেছে।অতীতে আমরা সকল সরকারকেই দেখেছি এমন গনবিরোধি সিদ্ধান্ত নিতে।সুতরাং এটা আজ নক্ষত্রের আলোর মত পরিস্কার যে আমাদের আন্দোলনকে আরও দীর্ঘস্থায়ীভাবে এই রাষ্ট্র ব্যবস্থার উপর আঘাত হানার আন্দোলনের দিকে নিয়ে যেতে হবে।আমরা শুধু মার খেতে জানি না,আমরা পাল্টা আঘাত দিতে জানি।আমাদের গৌরবময় ইতিহাস তার সাক্ষী দেয়।সুতরাং ভয়ের কিছু নেই এই রাষ্ট্রের দমনকে মোকাবেলা করেই ৭.৫% ভ্যাট প্রত্যাহারের আন্দোলনকে এগিয়ে নিতে হবে। বিবৃতিতে তিনি আরো বলেন,সরকার ও তার দালালদের কোন ফাঁদে পা না দিয়ে দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত ঘরে ফেরা চলবে না।আর আমাদের সহযোদ্ধাদের উপর হামলার ন্যায্য বিচাররের দাবিতে সোচ্চার থাকতে হবে।

বার্তা প্রেরক

আহনাফ আতিফ অনিক

সহ-আহ্বায়ক

বিপ্লবী ছাত্র-যুব আন্দোলন

জাতীয় কমিটি


বাংলাদেশঃ ‘বিপ্লবী ছাত্র-যুব আন্দোলনের’ ঢাকা মহানগর কমিটি গঠিত

images2

গত ৪ সেপ্টেম্বর শুক্রবার ঢাকা মহানগর ‘বিপ্লবী ছাত্র-যুব আন্দোলনের’ দিনব্যাপী প্রতিনিধি সভার মধ্য দিয়ে আহ্বায়ক কমিটি গঠিত হয়েছে ও গ্যাস বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে পথসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।”

৪ সেপ্টেম্বর শুক্রবার নির্মল সেন অডিটরিয়ামে ছাত্র-যুব আন্দোলন ঢাকা মহানগরের উদ্যোগে দিনব্যাপি এক প্রতিনিধি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় আহনাফ আতিফ অনিককে আহ্বায়ক করে ১১ সদস্য বিশিষ্ট ঢাকা মহানগর কমিটি গঠিত হয়।

ঘরোয়া সভা শেষে একটি মিছিল পল্টন মোড় প্রদক্ষিণ করে প্রেসক্লাবের সামনে গিয়ে এক সংক্ষিপ্ত পথ সভার মধ্য দিয়ে শেষ হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন বিপ্লবী ছাত্র-যুব আন্দোলনের জাতীয় কমিটির আহ্বায়ক বিপ্লব ভট্টাচার্য। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নয়া গণতান্ত্রিক গনমোর্চার সভাপতি জাফর হোসেন ও বিপ্লবী শ্রমিক আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ। সভায় বক্তব্য রাখেন বিপ্লবী ছাত্র-যুব আন্দোলনের ঢাকা নগরের নেতৃবৃন্দ।

বক্তারা আওয়ামী মহাজোট সরকারের গ্যাস-বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধির গণবিরোধী সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিবাদ জানান একই সাথে সরকারের ফ্যাসিবাদী তৎপরতার অংশ হিসেবে বিচার বহির্ভূতভাবে রাষ্ট্রীয় হত্যাকাণ্ড ও অগণতান্ত্রিক কায়দায় মিছিল-মিটিং-সভা-সমাবেশে বাঁধা প্রদান ও সকল ধরণের মত প্রকাশের উপর বিধি নিষেধের তীব্র নিন্দা জানান।তারা আরও বলেন গণবিরোধী এ সরকার বা শাসন ব্যবস্থা থেকে জনগণের সার্বিক মুক্তির জন্য মার্কসবাদ-লেনিনবাদ-মাওবাদের ভিত্তিতে বিপ্লবী সংগ্রাম জোরদার করতে হবে।এ লক্ষ্যে ধনিক শ্রেণির ধোঁকাবাজির নির্বাচন নয়,বল প্রয়োগের মাধ্যমে রাষ্ট্র ক্ষমতা দখলের বিপ্লবী রাজনীতির প্রচার-প্রসারে ছাত্র সমাজকে আজ দায়িত্ব নিতে হবে।