বিপ্লবী নারী মুক্তি ও বিপ্লবী ছাত্র-যুব আন্দোলনের উদ্যোগে ‘নারী দিবস’ পালিত

বিপ্লবী নারী মুক্তি

চট্রগ্রাম মহানগর শাখা

০৯/০৩/২০১৮

 বরাবর,

 বার্তা সম্পাদক,

৮ মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে আজ চট্রগ্রাম নগরের নাসিরাবাদ এলাকায় “বিপ্লবী নারী মুক্তি” চট্রগ্রাম মহানগর শাখার উদ্যোগে এক ঘরোয়া আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। গার্মেন্টস শ্রমিক কমরেড নীলু আক্তারের সভাপতিত্ব ও বিপ্লবী ছাত্র যুব আন্দোলন, চট্টগ্রাম মহানগরের সংগঠক কমরেড লক্ষ্মী রাণীর পরিচালনায় বক্তাগণ ১৮৫৭ সালের ৮ই মার্চ আমেরিকার নিউইর্য়ক শহরের কারখানা গুলোতে সুষ্ট কর্মপরিবেশ, নারী শ্রমিকদের নিরাপত্তা ও সমমজুরি সহ কর্মঘন্টা নির্ধারনের দাবিতে নারী শ্রমিকদের কতৃর্ক সংঘঠিত কর্মসূচীর প্রতি সংহতি জানিয়ে এদেশের নারী শ্রমিকের কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা ও অধিকার প্রদান সহ সমাজে নারীদের অধিকার প্রতিষ্ঠার জোর দাবী জানান। সাথে আরো বলেন- নারী মুক্তির একই পথ- সমাজতন্ত্র সাম্যবাদ।

বার্তা প্রেরক

লক্ষ্মী রাণী

বিপ্লবী ছাত্র যুব আন্দোলন

Advertisements

৮ মার্চ বিশ্ব নারী দিবসে ‘বিপ্লবী নারী মুক্তি’র আহ্বান

নারীর শত্রু সাম্রাজ্যবাদী-পুঁজিবাদী বিশ্বব্যবস্থা, দালাল শাসকশ্রেণি, পুরুষতন্ত্র উচ্ছেদের বিপ্লবী আন্দোলনে যোগ দিন!

নারীমুক্তির সমাজ, সমাজতন্ত্র-কমিউনিজম প্রতিষ্ঠার লক্ষে বিপ্লবী আন্দোলন বেগবান করুন!

Untitled

 

আওয়াজ তুলুন

* নারীর মুক্তির জন্য পুরুষতান্ত্রিক সমাজ বদলে ফেলুন! শ্রমিক-কৃষক-মধ্যবিত্তের নতুন সমাজ নির্মাণ করুন!

* পুরুষতন্ত্রের রক্ষক সাম্রাজ্যবাদ-পুঁজিবাদ-সামন্তবাদ দালাল শাসকশ্রেণিকে বিরোধিতা না করে নারীমুক্তির কথা বলা ভন্ডামি ! শাসকশ্রেণি, সরকার, এনজিও সেটাই করে!

* বুর্জোয়ার নারীদের শোষণ-শাসন করার ক্ষমতাকে শ্রমিক-কৃষক-মধ্যবিত্ত নারীদের ক্ষমতা বলার ভন্ডামিকে উন্মোচন করুন !

* আওয়ামী ফ্যাসিবাদের ছত্রছায়ায় নারী ধর্ষণ-খুন-নির্যাতন ও পুলিশী নিপীড়নের বিরুদ্ধে সোচ্চার হোন!

* নাটক, সিনেমা, বিজ্ঞাপন, ব্লুফিল্ম, ও সুন্দরী প্রতিযোগিতায় নারীদেহ প্রদর্শনের মাধ্যমে নারীকে পণ্য বানানো চলবে না !

* রোহিঙ্গা নারী ও শিশুদের ধর্ষণ, হত্যা ও জাতিগত নির্মূলীকরণের সত্যিকার বিরোধিতার জন্য তাদের জাতিগত স্বতন্ত্রতার স্বীকৃতি, রাখাইনে স্বায়ত্তশাসনসহ জাতিগত আত্মনিয়ন্ত্রণাধিকারের সংগ্রামকে সমর্থন ও সহযোগিতা করুন!

– সুচি সরকার ও হাসিনা সরকারের মধ্যকার ভূয়া চুক্তির মুখোশ উন্মোচন করুন! রোহিঙ্গা নারী-শিশুদের মিয়ানমার সরকারের সেনাবাহিনীর বর্বর অত্যাচারের মুখে ঠেলে দেয়াকে বিরোধিতা করন!

* বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন,‘১৭-এ মৌলবাদীদের চাপের মুখে অপ্রাপ্ত বয়স্ক কিশোরীদের বিয়ের ব্যবস্থা করেছে হাসিনা সরকার। এই আইন বাতিলের দাবীতে এবং বাল্যবিবাহ রোধের নামে পুলিশ ও প্রভাবশালীদের হয়রানির বিরুদ্ধে সোচ্চার হোন!

* গার্মেন্ট শ্রমিকদের ন্যূনতম মূল বেতন ৫মণ চালের মূল্যের সমান নির্ধারণ করতে হবে!

– বাসস্থান, চিকিৎসা ও সন্তানদের শিক্ষার দায়িত্ব মালিক ও রাষ্ট্র পক্ষকেই নিতে হবে!

* কর্মক্ষেত্রে নারীদের সমশ্রমে সমমজুরি প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম জোরদার করুন!

* পার্বত্য চট্টগ্রামে ক্ষুদ্র জাতিসত্তার নারীদের সেনাবাহিনী কর্তৃক ধর্ষণ-নির্যাতনের প্রতিবাদ করুন!

* দেশে-বিদেশে গৃহশ্রমিকদের উপর বর্বর নির্যাতনের বিরুদ্ধে সোচ্চার হোন! তাদের ৮ঘণ্টা কাজের সময় ও নির্ধারণ ও ন্যায্য মজুরির জন্য আন্দোলন গড়ে তুলুন!

* নারী বিরোধী পশ্চাদপদ সামন্ততান্ত্রিক আইএস সহ সকল মৌলবাদীদের বিরুদ্ধে সোচ্চার হোন!

– নারী বিরোধী ওয়াজ-নসিহত, ফতোয়া ও ক্যাসেট নিষিদ্ধ করতে হবে!

* মহান নারী নেত্রী চিয়াং চিং, নাদেজদা ক্রুপস্কায়া, ক্লারাসেৎকিন, রোজালুক্সেমবার্গ, কলোনতাই- লাল সালাম!

* নারীমুক্তির একই পথ- সমাজতন্ত্র-সাম্যবাদ !

বিপ্লবী নারী মুক্তি

ফেব্রুয়ারি, শেষ সপ্তাহ,’১৮

মোবাইলঃ ০১৯১৫ ২২ ১৯ ৮০


রোকেয়া দিবসে ‘বিপ্লবী নারী মুক্তি’র আহবান

Begum-Rokeya....

 

৯ ডিসেম্বর, ২০১৭ “রোকেয়া দিবস”-এর আহবান

বেগম রোকেয়া’র অগ্রসরতাকে ঊর্ধ্বে তুলে ধরুন, তাঁর সীমাবদ্ধতাকে অতিক্রম করুন!

এ সমাজ ধর্ষকদের সীমাহীন দৌরাত্মের সমাজ। এই রাষ্ট্র ও শাসকশ্রেণি ধর্ষক ও নারী নিপীড়কদের স্রষ্টা, রক্ষক ও মদদকারী। নারীর প্রকৃত মুক্তির জন্য এ সমাজকে বদলে ফেলুন! সমাজতন্ত্রের লক্ষে শ্রমিক-কৃষক-মধ্যবিত্তের নতুন গণতান্ত্রিক সমাজ নির্মাণ করুন!

* পুরুষতন্ত্রের রক্ষক সাম্রাজ্যবাদ-পুঁজিবাদ-সামন্তবাদের বিরোধিতা না করে নারীমুক্তির কথা বলা ভন্ডামি! শাসকশ্রেণি, সরকার ও বহু এনজিও সেটাই করে।

* রোহিঙ্গা নারী ও শিশুদের ধর্ষণ, হত্যা ও জাতিগত নির্মূলীকরণের সত্যিকার বিরোধিতা জন্য তাদের জাতিগত স্বতন্ত্রতার স্বীকৃতি, রাখাইনে স্বায়ত্তশাসনসহ জাতিগত আত্মনিয়ন্ত্রণাধিকারের সংগ্রামকে সমর্থন ও সহযোগিতা করুন! সুচি সরকার ও হাসিনা সরকারের মধ্যকার ভূয়া চুক্তির মুখোশ উন্মোচন করুন! চরম বিপদাপন্ন রোহিঙ্গা নারী-শিশুদের মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর বর্বর অত্যাচারের মুখে ঠেলে দেয়াকে বিরোধিতা করুন!

* বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন,’১৭-এ মৌলবাদীদের চাপের মুখে অপ্রাপ্ত বয়স্কা কিশোরীদের বিয়ের ব্যবস্থা করেছে হাসিনা সরকার। এই নারী বিরোধী আইন বাতিলের দাবিতে এবং বাল্যবিবাহ রোধের নামে পুলিশ ও প্রভাবশালীদের হয়রানির বিরুদ্ধে সোচ্চার হোন!

* নারীদেহকে পণ্য বানানোর সুন্দরী প্রতিযোগিতা, নারী-বিরোধী ব্লুফিল্ম, ফ্যাশন-শো, বিজ্ঞাপন, সিনেমা, নাটকের বিরোধিতা করুন ও প্রতিবাদ করুন!

* গার্মেন্টস শ্রমিকদের ন্যূনতম মূল বেতন ৫ মণ চালের মূল্যের সমান নির্ধারণ করতে হবে! বাসস্থান, চিকিৎসা ও সন্তানদের শিক্ষার দায়িত্ব মালিক ও রাষ্ট্র পক্ষকে নিতে হবে।

* নারীমুক্তি আন্দোলনের মহান নেত্রী চিয়াং চিং, নাদেজদা ক্রুপস্কায়া, রোজা লুক্সেমবার্গ, ক্লারাসেৎকিন, কল্লোনতাই লাল সালাম!

নারীমুক্তির একই পথ সমাজতন্ত্র-সাম্যবাদ !

বিপ্লবী নারী মুক্তি

ডিসেম্বর, প্রথম সপ্তাহ, ’১৭


তনুসহ নারী ধর্ষণ-গণধর্ষণ, হত্যা-নির্যাতনের বিরুদ্ধে ‘বিপ্লবী নারী মুক্তি’র বিবৃতি

12864388-Vector-drawing-woman-with-revolution-flag-Stock-Vector-revolution

তনুসহ নারী ধর্ষণ-গণধর্ষণ, হত্যা-নির্যাতনের জন্য দায়ী সাম্রাজ্যবাদ, দালাল শাসকশ্রেণি ও রাষ্ট্রব্যবস্থার বিরুদ্ধে বিপ্লবী সংগ্রাম গড়ে তুলুন!

সংগ্রামী জনতা,

  দেশে নারী ধর্ষণ-গণধর্ষণ, হত্যা-নির্যাতন আজ মহামারীরূপ ধারণ করেছে। তনু ধর্ষণ-হত্যা তারই অংশ। নারীরা আজ ঘরে-বাইরে, কর্মক্ষেত্রে কোথাও নিরাপদ নেই। পত্রিকার পাতা খুললেই প্রতিদিন ২/৪টি নারী-শিশু হত্যা-ধর্ষণের খবর পাওয়া যায়। এমনকি শাসকশ্রেণির নিরাপদ স্থান বলে পরিচিত ক্যান্টমেন্টের সংরক্ষিত এলাকার মধ্যেই তনু ধর্ষণ-হত্যার শিকার হলেন। পুলিশ-প্রশাসন সেদিকে নজর না দিয়ে বরং তনুর পরিবারকে ক্যান্টমেন্টে জিম্মি করে জিজ্ঞাসাবাদ করছে যেন এই বর্বরোচিত হত্যাকান্ডের জন্য তনুর পরিবারই দায়ী। ইতিমধ্যেই প্রশ্ন উঠেছে  অপরাধীদের আড়াল করার অপচেষ্টা চলছে। তনু হত্যার পর তার সহপাঠীগণ যখন প্রতিবাদে রাস্তায়  নামে তখনই ছাত্রলীগ, যুবলীগসহ আওয়ামী ঘরনার সংগঠনগুলো তনু হত্যার বিচার দাবীতে মাঠ গরম করে শাসকশ্রেণি, সরকার ও ফ্যাসিষ্ট রাষ্ট্রযন্ত্রকে আড়াল করতে চাইছে।

সংগ্রামী বন্ধুগণ,

 নারী ধর্ষণ-গণধর্ষণ, হত্যা-নির্যাতনের জন্য দায়ী হচ্ছে পুরুষতন্ত্রের প্রতিনিধি শাসকশ্রেণি, সরকার ও তাদের রাষ্ট্রব্যবস্থা। তার সদ্য উদাহরণ হচ্ছে গত বছর পহেলা বৈশাখে যৌন নিপীড়নের সময় পুলিশ অফিসার, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, সরকারি নেতারা সম্পূর্ন  নিরব ছিল। এই ঘটনায় পুলিশের সর্বোচ্চ অফিসার আইজি মন্তব্য করে ৩/৪টি ছেলের দুষ্টমি বলে। গত ৮ মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবসে নৌমন্ত্রি শাহজাহান খান পহেলা বৈশাখের ঘটনাকে তেমন কোন বিষয় নয় বলে উল্লেখ করে। এই ঘটনা যে ক্ষমতাসীন দলের সূর্য সন্তাদেরই কাজ তা প্রকাশ হতে বাকী থাকেনি। তাই এই ঘটনার অপরাধীদের শেষ পর্যন্ত সনাক্ত বা শাস্তির ব্যবস্থা করা হয়নি। বরং যৌন নির্যাতনের প্রতিবাদী ছাত্র-ছাত্রীদের উপর পুলিশ বর্বরোচিত দমন-পীড়ন চালিয়েছিল। নিকট অতীতে আওয়ামী ছাত্র সংগঠনের জনৈক নেতা প্রকাশ্যে ধর্ষণের সেঞ্চুরির ঘোষণা দিয়েছিল। পাহাড়ে আদিবাসী নারীদের অবস্থা আরো ভয়াবহ। সেখানে প্রতিনিয়ত শাসকশ্রেণি ও রাষ্ট্রযন্ত্রের ছত্রছায়ায় আদিবাসী নারী ধর্ষণ-নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন। যৌন নির্যাতনের প্রশ্নে পুলিশ-প্রশাসনও পিছিয়ে নেই। সম্প্রতি মোহাম্মদপুর ও মালিবাগের ঘটনাই তার দৃষ্টান্ত।

 এছাড়া একদিকে সাম্রাজ্যবাদ-পুঁজিবাদীবিশ্ব পর্নোগ্রাফী, বিজ্ঞাপন, সিনেমা, ফ্যাশন শোতে নারীকে পণ্য ও ভোগ্য বস্তু হিসেবে তুলে ধরে তরুণ-যুবকদের মাঝে যৌন উম্মাদনা সৃষ্টি করছে। অপরদিকে ফ্যাসিষ্ট আওয়ামী সরকার ও রাষ্ট্রযন্ত্র বিপ্লবী গণতান্ত্রিক শক্তি ও জনগণের উপর প্রতিনিয়ত হত্যা-দমন-নির্যাতন চালাচ্ছে। এই ফ্যাসিবাদী সংস্কৃতির প্রভাব জনগণের মধ্যেও পড়ছে। ফলে এই অপসংস্কৃতিতে কলুষিত উম্মাদরাই নারী ধর্ষণ-হত্যার মত অপরাধ ঘটাচ্ছে। সুতরাং শুধু তনু হত্যাকারীদের ফাঁসি হলেই সমাজ থেকে নারী ধর্ষণ-হত্যা বন্ধ হবে না। যতদিন  না ধর্ষকদের সৃষ্টিকারী সাম্রাজ্যবাদ দালাল শাসকশ্রেণি, সরকার ও ফ্যাসিষ্ট রাষ্ট্রযন্ত্রকে উচ্ছেদ  করা না হয়।

তাই আসুন, তনু হত্যার বিচারের দাবীর সাথে সাথে নারী ধর্ষণ-হত্যার জন্য দায়ী পুরুতন্ত্রের প্রতিনিধি সাম্রাজ্যবাদ, দালাল শাসকশ্রেণি, সরকার ও রাষ্ট্র ব্যবস্থা উচ্ছেদের  বিপ্লবী আন্দোলনে সমবেত হই, দুর্বার আন্দোলন গড়ে তুলি।

আওয়াজ তুলুন

* অবিলম্বে তনু হত্যার প্রকৃত অপরাধীদের সনাক্ত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে।

* পুরুষতন্ত্রের প্রতিনিধি সাম্রাজ্যবাদ-সম্প্রাসরণবাদ, আমলা-মুৎসুদ্দি পুঁজিবাদ, সামন্তবাদ ও ধর্মীয় মৌলবাদ-নিপাত যাক।

* নারীর প্রতি যৌন সন্ত্রাস বন্ধ করতে পুরুষতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা উচ্ছেদের বিপ্লবী সংগ্রাম গড়ে তুলুন!

* যৌন উত্তেজনাকর সাম্রাজ্যবাদী ও সম্প্রসারণবাদী অপসংস্কৃতির বিরুদ্ধে সংগ্রাম গড়ে তুলুন!

* নারী মুক্তির একই পথ- সমাজতন্ত্র-সাম্যবাদ!

বিপ্লবী নারী মুক্তি

মোবাইলঃ ০১৮২৪৬২৯৩০০

তারিখঃ মার্চ শেষ সপ্তাহ,’১৬

1


বাংলাদেশঃ তনুসহ নারী ধর্ষণ-হত্যা-নির্যাতনের বিরুদ্ধে বিপ্লবী নারী মুক্তি’র প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত

12900059_1669629346632444_2058666040_n

12895358_1669629229965789_293809361_n

12899660_1669629183299127_269366643_n

12900062_1669629289965783_1695972704_n

12895358_1669629229965789_293809361_n

12910317_1669629269965785_1074868898_n (1)

বিপ্লবী নারী মুক্তি

ঢাকা মহানগর

মোবাইল: ০১৮২৪৬২৯৩০০

 

প্রেস রিলিজ

তনুসহ নারী ধর্ষণ-গণধর্ষণ,হত্যা-নির্যাতনের জন্য দায়ী সাম্রাজ্যবাদ,দালাল শাসকশ্রেণী  ও রাষ্ট্র ব্যবস্থার বিরুদ্ধে বিপ্লবী সংগ্রাম গড়ে তুলুন!

বিপ্লবী নারী মুক্তি ঢাকা মহানগরের উদ্যোগে ২৯ মার্চ মঙ্গলবার শাহাবাগে জাদুঘরের সামনে বিকাল ৫টায় তনু ধর্ষণ-হত্যার প্রতিবাদে এক প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন বিপ্লবী নারী মুক্তির আহবায়ক নাসিমা নাজনীন। বক্তব্য রাখেন নয়া গণতান্ত্রিক গণমোর্চার সভাপতি জাফর হোসেন, জাতীয় গণতান্ত্রিক গণমঞ্চের মাসুদ খান সহ বিপ্লবী ছাত্র-যুব আন্দোলন, বিপ্লবী শ্রমিক আন্দোলন, ছাত্র গণমঞ্চ, বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন, পাহাড়ী ছাত্র পরিষদের নেতৃবৃন্দ। সভার শুরুতে একটি মিছিল বিপ্লবী নারী মুক্তির নেতৃত্বে টিএসসি হয়ে শাহাবাগে এসে শেষ হয়।

বক্তারা বলেন, তনুর উপর সংগঠিত এ বর্বরোচিত হত্যাকান্ড কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়।শুধু তনু নয় সারা দেশেই অব্যাহতভাবে এ ধরনের ধর্ষণ-হত্যা-নিপীড়ন-নির্যাতনের অসংখ্য ঘটনা ঘটে চলেছে। সাম্রাজ্যবাদ-সম্প্রসারনবাদ নির্ভর দালাল শাসন ও তাদের অপসংস্কৃতি ধর্ষক সৃষ্টি করে। সুতরাং এই প্রতিক্রিয়াশীল ব্যবস্থা যতদিন বলবৎ থাকবে ততদিন তনুরা নিরাপদে থাকতে পারবেনা। সুতরাং তনুদের নিরাপত্তা বা নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত হতে পারে সাম্রাজ্যবাদ নির্ভর ফ্যাসিবাদী দালাল শাসন ব্যবস্থা উচ্ছেদের মধ্য দিয়ে।সমাজ পরিবর্তনের বিপ্লবী সংগ্রাম বেগবান করার মধ্য দিয়েই নারীর সত্যিকার মুক্তি আসতে পারে।


বাংলাদেশঃ ৮ই মার্চ অান্তর্জাতিক নারী দিবসে ‘বিপ্লবী নারী মুক্তি’ এর ডাক

1

2

3

4

 

5