ভারতঃ বিপ্লবী লেখক সমিতি(VIRASAM) এর ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত

03hycnh01-viras_04_2919397f

13557712_1152332214837420_4234834536904148673_n

13557735_1152332094837432_5753762789167030671_n

13619817_1152332091504099_1750570713508396218_n

13620381_1152332081504100_7395124821219613392_n

ভারতের বিপ্লবী লেখকদের সংগঠন VIRASAM (Viplava Rachayitala Sangham)/ভিরাসাম এর ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বিপ্লবী লেখকরা তাদের আলোচনা সভায় শ্রেণী সংগ্রামের উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করে সামাজিক-রূপান্তরের সমান গুরুত্ব দিয়েছেন।  দিনব্যাপী  এই অধিবেশনে বিশিষ্ট লেখকরা কিছু ক্রমবর্ধমান ভূমিকার কথা তুলে ধরে বলেন যে, বিপ্লবী সাহিত্য তৃণমূল সমাজের দুর্দশার উপর মনোযোগ নিবদ্ধ করে তোলে। এসময় পানি’র লিখিত ‘জনতানা রাজ্যম’ নিয়ে আলোচনা করা হয়।

ভিরাসাম মহানগর ইউনিট সদস্য পি গীতাঞ্জলী অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।  সেমিনারে ‘বুর্জোয়া গণতন্ত্র, উন্নয়ন মডেল এবং বিপ্লবী গণতন্ত্র’ শীর্ষক মূল বক্তব্য রাখেন প্রফেসর পি কাশিম।  বক্তব্যে কাশিম বলেন, অসম এবং অন্যায্যের বিরুদ্ধে বিপ্লবী সাহিত্যের হস্তক্ষেপ জরুরী।  ভিরাসামের পদক্ষেপ তরুণ বিপ্লবীদের মধ্যে অধ্যয়নের ঐকান্তিকতা আনবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।  সামাজিক রূপান্তরের দিকে আলোকপাত করে ভিরাসামের সাধারণ সম্পাদক পি ভারালক্ষী বলেন, “শ্রেণী-সংগ্রামের জন্য সমর্থনের ভিত্তি হচ্ছে সামাজিক সংগ্রাম, শ্রেণী ও জাতিগতসহ বিষয়গুলির উপাদান বিপ্লবী লেখায় তুলে ধরা হয়েছে বলে তিনি জানান।  শ্রেণীহীন সমাজের জন্য কমিউনিস্ট সংগ্রামে আগ্রহী তরুণ লেখকদের নিয়েই ভিরাসাম প্রতিষ্ঠিত হয়।  ভারাভারা রাও ও অন্যান্যরা মিলে শ্রী শ্রী সহ আরো অনেক পুরনো প্রজন্মের লেখকদের সমর্থনে নিয়েই প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ভিরাসাম”।

Advertisements