ভারতের অনেক জেলায় ছড়িয়ে পড়েছে মাওবাদীরাঃ গোয়েন্দা রিপোর্ট

Naxal-800x445

Times of India এর রিপোর্ট জানাচ্ছে, সিপিআই(মাওবাদী) -এর পশ্চিমঘাটের বিশেষ জোনাল কমিটি (WGSZC) রাজ্যের পাঁচ জেলায় তার সশস্ত্র শাখা পিপলস লিবারেশন গেরিলা আর্মি (পিএলজিএ) এর শক্তি বাড়িয়েছে বলে জানিয়েছে, রাজ্য পুলিশের নক্সাল বিরোধী স্কোয়াডের গোয়েন্দা বিভাগের একটি রিপোর্ট।

সরকারের কাছে উপস্থাপন করা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দুই বছর আগে নিলাম্বুরের বনভূমিতে এনকাউন্টারে দলের ঊর্ধ্বতন নেতাদের মৃত্যুর পর এই অঞ্চলগুলিতে পিএলজিএ সদস্যের সংখ্যা বেড়েছে। অগাস্টের শেষ সপ্তাহে ওয়ানাদ-কোজিকোডের বনভূমিতে অনুষ্ঠিত একটি শহীদ স্মৃতিসৌধ অনুষ্ঠানে প্রায়  ৪৫ জন পিএলজিএ সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে দলটির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও দণ্ডকারণ্য বিশেষ জোন কমিটির সদস্যগণ (ডিস্কজিসি) উপস্থিত ছিলেন, অনুষ্ঠানে কানুর, কোজিকোড, পাল্ককাদ, ওয়ায়ানাদ ও মালাপ্পুরমে পাঁচটি শাখা কমিটিকে শক্তিশালী করার সিদ্ধান্ত নেইয়া হয়। গত সপ্তাহে নীলাম্বুরের বনভূমিতে মাওবাদী নেতার দানিশ, গণেশ ও প্রশান্তের উপস্থিতি নিশ্চিত করেছে গোয়েন্দা স্কোয়াড।

গোয়েন্দা বিভাগ থেকে আশা করা হয়েছিল যে, ২০১৬ সালের ২৪ শে নভেম্বর নিলম্বুরের পুলিশের সাথে কথিত সংঘর্ষে কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য কুপ্পু দেবরাজ ও তার সহযোগী অজিথাকে মৃত্যুর ঘটনায় এই অঞ্চলে নকশাল বাহিনীর কর্মকান্ডে একটি বড় বাধা হতে পারে। তবে সর্বশেষ রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে যে, কেরলায় পিএলজিএ সদস্যদের সংখ্যা ২৫-২৮ থেকে ৪৫ পর্যন্ত বেড়েছে, যাদের বেশিরভাগই অপরিচিত, এখনো তাদের সনাক্ত করা যায়নি। কেরালা, তামিলনাড়ু এবং কর্ণাটকের ত্রি-জংশনের কার্যক্রমের পরিধি বাড়ানোর লক্ষ্যে উত্তর ভারতীয় রাজ্যগুলির ক্যাডাররা সম্প্রতি এই গ্রুপে যোগদান করেছে।

নকশাল-বিরোধী গোয়েন্দা স্কোয়াডের সূত্রে জানা যায়, কেরালা, কর্ণাটক ও তামিলনাডুর কর্মীরা আগেই এই অঞ্চলের গোষ্ঠীর জন্য কাজ করেন, কিন্তু অন্ধ্রপ্রদেশ, ছত্তিশগড় ও ঝাড়খন্ডের কর্মীদের কেরালার বনাঞ্চলে উপস্থিতি নিরাপত্তা বাহিনীর জন্য একটি প্রধান উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এদিকে, প্রান্তিক কোজিকোডের বিভিন্ন অংশে সিপিআই(মাওবাদী) নামে পোস্টারগুলিতে সাম্প্রতিক বন্যার বিপর্যয়ের জন্য রাজ্য সরকারকে দায়ী করা হয়েছে। কাবানী এলাকার কমিটির নামে একটি পোস্টারেও অভিযোগ করা হয় যে, সরকার, ভারী বৃষ্টি এবং বন্যার উপর সঠিক সতর্কবার্তা পাওয়ার পরেও নিরবিচ্ছিন্ন ভাবে জনগণকে নিরাপদে স্থানে সরিয়ে নেয়ার সঠিক পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হয়েছে।

Advertisements

পাথর শিল্পাঞ্চলে মাওবাদী হামলাঃ অনাহারী শ্রমিকদের জন্যে কারখানা খুলে দেয়ার দাবী

image (1)

বন্ধ থাকা শিল্পাঞ্চল খুলে দিয়ে অনাহারী শ্রমিকদের বাঁচাতে মাওবাদীরা হামলা চালিয়েছে রামপুরহাটের মাসড়া পাথর শিল্পাঞ্চলের চাঁদনী মোড়ে। পুড়িয়ে দিয়েছে তিনটি ডাম্পার ও একটি জেসিবি মেশিন। এই ঘটনায় পাথর ব্যবসায়ীরা এই ঘটনার জন্য দায়ী করেছেন পুলিশকে।

রাস্তাঘাটে পুলিশের মাত্রাতিরিক্ত তোলাবাজির জেরে গত চার মাস শালবাদরা ও মাসড়া পাথর শিল্পাঞ্চলে ব্যবসা বন্ধ রয়েছে।  ফলে এলাকার কয়েক হাজার মানুষ কর্মহীন হয়ে পড়েছে। রুটিরুজির টানে অনেকে ভিন রাজ্যের পাড়ি দিচ্ছে। সব জেনেও প্রশাসন নির্বিকার। ফলে এলাকার পাথরভাঙা মেশিনে পাহারা দিচ্ছেন নৈশ্য প্রহরী। দিন কুড়ি আগে বিভিন্ন এলাকায় মাওবাদীদের নাম করে শিল্পাঞ্চল কাজ চালু করার দাবিতে পোস্টার দেওয়া হয়েছিল।

বৃহস্পতিবার গভীর রাতে সেই অফিসেই হামলা চালায় ৩০-৩৫ জনের মাওবাদী দল। মাওবাদী জিন্দাবাদ স্লোগান দিতে দিতে তারা একটি ক্রাসারের তিনটি গাড়ি এবং অন্য একটি ক্রাসারে জেসিবিতে আগুন ধরিয়ে দেয়।  নৈশ্য প্রহরীদের মোবাইল কেড়ে নিয়ে একটি ঘরের মধ্যে আটকে রেখে চলে যায়। ঐ কারখানার নাইটগার্ড পুলিশের কাছে দাবি করেছে ওই লোকেরা মাওবাদীদের নাম করে স্লোগান দিচ্ছিল। মাওবাদীরা বলে যায়, ‘‘এত দিন ক্রাশার বন্ধ রয়েছে। শ্রমিকরা অনাহারে রয়েছে। এ বারে না খুললে আরও সমস্যা হয়ে যাবে।’’ একটি ক্রাশারের দু’টি ডাম্পার এবং অন্য ক্রাশারের একটি ভারী যন্ত্রে আগুন ধরিয়ে দেয় হামলাকারীরা। প্রায় ঘণ্টা খানেক তারা সেখানে ছিল বলে নাইট গার্ডদের দাবি। কোন দিক দিয়ে পালিয়ে যায়, সেটা আর বুঝতে পারেননি তাঁরা। তাদের হাতে বিভিন্ন ধরনের আগ্নেয়াস্ত্র ছিল বলে জানা গিয়েছে।

শালবাদরা পাথর শিল্পাঞ্চল ঝাড়খণ্ডের সীমানায়। শিল্পাঞ্চলের পরেই শুরু হচ্ছে জঙ্গল। চলে গিয়েছে গিরিডি পর্যন্ত। জঙ্গলের রাস্তায় ঝাড়খণ্ডের শিকারিপাড়া থানা শিল্পাঞ্চল থেকে মাত্র ৩ কিলোমিটার দূরে। ওই থানা এলাকায় মাওবাদীরা অনেক দিন ধরেই সক্রিয় বলে জানা যায়। বেশ কয়েক বছর আগে শালবাদরার একটি ক্রাশারে আগুন দেওয়ার ঘটনায় পুলিশ মাওবাদী যোগের প্রমাণ পেয়েছিল। ঝাড়খণ্ডের দুমকা এলাকার এক জনকে গ্রেফতারও করা হয়েছিল।

হামলা হওয়া ক্রাশারের একটির মালিক আফতাব হোসেন বলেন, ‘‘সকালে নাইট গার্ডের থেকে খবর পেয়ে এলাকায় এসে দেখি পাথর বোঝাই করার যন্ত্রের ইঞ্জিন আগুনে পুড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অন্য কারখানার দু’টি ডাম্পার পুড়েছে। ছ’মাস ধরে ব্যবসা বন্ধ রয়েছে। তার উপরে এত বড় ক্ষতি হল।’’ এই ঘটনার তদন্তের পাশাপাশি শিল্পাঞ্চলে অচলাবস্থা কাটাতে পুলিশ, প্রশাসনের পদক্ষেপ দাবি করেছেন তিনি।

সূত্রঃ biswabanglasangbad.com 

 


বোকো হারামের চেয়েও ভয়ঙ্কর মাওবাদীরা: যুক্তরাষ্ট্র

498918-jpg_343332_1000x667

নাইজেরিয়ার সন্ত্রাসবাদী সংগঠন বোকো হারামের থেকেও ভয়ঙ্কর মাওবাদীরা, এক মার্কিন প্রতিবেদনে এমনই তথ্য উঠে এসেছে। এই রিপোর্ট অনুযায়ী, জঙ্গিহামলার মোকাবিলায় ইরাক এবং আফগানিস্তানের পর তৃতীয় স্থানে রয়েছে ভারত।

তাদের তথ্য অনুযায়ী, ভয়ঙ্কর জঙ্গি সংগঠনগুলির মধ্যে সবচেয়ে প্রথম স্থানে রয়েছে আইএস এবং দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে তালিবান। তবে বোকো হারামের মতো বিপজ্জনক-ভয়ঙ্কর সংগঠনকেও পিছনে ফেলে দিয়েছে মাওবাদীরা। তাদেরকেই সন্ত্রাসবাদের তালিকায় তৃতীয় স্থানে রাখা হয়েছে।

তথ্যের ভিত্তিতে বলা হয়েছে, জম্মু-কাশ্মীরে সন্ত্রাসের মাত্রা গত বছর ৯৩শতাংশ বেড়ে গেছে। যদিও, ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের রিপোর্ট অনুযায়ী, রাজ্যে সন্ত্রাস আরও ৫৪.৮১শতাংশ বেড়েছে। আগে ভারতের স্থানে ছিল পাকিস্তান। এনসিটিআরটি-এর এক রিপোর্ট অনুযায়ী সন্ত্রাসবাদী হামলায় মৃত এবং আহতদের সংখ্যা এখন পাকিস্তানের থেকেও বেশি ভারতের। ……………..

সূত্র: কলকাতা টোয়েন্টিফোর

http://www.bd-pratidin.com/international-news/2017/07/23/250148

 


মাওবাদী নেতা RK এখন দণ্ডকারণ্যে, AOB এর নতুন দায়িত্বে গনপতি’র স্ত্রী !

state_on_alert1

মালকানগিরি জেলায় অন্ধ্র প্রদেশ ও উড়িষ্যার যৌথ পুলিশ বাহিনীর সঙ্গে এক এনকাউন্টারে সিপিআই(মাওবাদী)’র ৩১জন গেরিলা ও আদিবাসী নিহত ও তাদের বিভিন্ন শীর্ষ নেতারা আহত হওয়ার পর গত শুক্রবার AOB স্পেশাল জোনাল কমিটির সম্পাদক পদ থেকে কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আক্কিরাজু হরগোপাল ওরফে RK’কে সরিয়ে নিয়েছে সিপিআই(মাওবাদী)।

শুক্রবার একটি অডিও বার্তায় মাওবাদী নেতা ভূমিকা ওরফে পদ্মাক্কা AOBSZC এর নতুন সম্পাদক হিসেবে নিজের পরিচয় দেন। এই মাওবাদী নেত্রীকে সিপিআই(মাওবাদী) সম্পাদক গণপতির স্ত্রী হিসেবে ধারণা করা হয়। পদ্মাক্কা এনকাউন্টারের জন্য প্রতিশোধ নেওয়ার শপথ নেন।

তিনি বলেন, ‘এনকাউন্টারের পর মাওবাদীরা ঐ অঞ্চলে শক্তিশালী হয়ে উঠেছে, স্থানীয়রা আমাদের সাথে আছে কারণ আমরা তাদের জন্যেই যুদ্ধ করে যাচ্ছি’।

এনকাউন্টারের পর নিখোঁজ থাকা RK বর্তমানে নিরাপদ আছেন এবং দন্ডকারণ্য স্পেশাল জোনাল কমিটিতে তাকে স্থানান্তর করা হয়েছে বলে ঐ বার্তায় উল্লেখ করা হয়েছে। মালকানগিরি’র ঐ এনকাউন্টারে RK’র ছেলে মাওবাদী গেরিলা মুন্নাও একইসাথে নিহত হন।

সূত্রঃ http://indianexpress.com/article/india/india-news-india/top-maoist-rk-safe-but-removed-from-post-3737975/


দান্তেওয়াদা হামলায় প্রতিশোধ ছিল: সিপিআই(মাওবাদী)

dantewada-chhattisgarh-maoist-attack-vehicle_650x400_51459339105

অনূদিত – 

ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মাওবাদী), গত মাসে বস্তারের দান্তেওয়াদা জেলায় একটি আইইডি বিস্ফোরণে সেন্ট্রাল রিজার্ভ পুলিশ ফোর্স এর ৭ কর্মী হত্যার দায় স্বীকার করেছে।

সিপিআই (মাওবাদী) দক্ষিণ সাব জোনাল ব্যুরো কর্তৃক প্রচারিত এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে- “মোদী-রমন সিং এর শোষণমূলক শাসন এবং আমাদের দলের শহীদদের জন্য প্রতিশোধ হিসেবে সি আর পি এফ উপর এই আক্রমণটি যথাযোগ্য উত্তর ছিল। ছত্তীসগঢ় সরকারের মিশন ২০১৬ এর বিরুদ্ধে আমাদের (পিপলস লিবারেশন গেরিলা আর্মি) এই আক্রমণটি প্রতিক্রিয়ার একটি অংশ ছিল। বাস্তার হতে মাওবাদীদের বিতারিত করার জন্যে ছত্তীসগঢ় সরকার মিশন ২০১৬ নামে একটি প্রচারাভিযান শুরু করেছে। এই অভিযানের নামে, নিরাপত্তা বাহিনী বস্তারের গ্রামগুলোতে হামলা চালিয়ে স্থানীয় বেসামরিক নাগরিকদের হয়রানি করছে এবং তাদের মাওবাদী তকমা দেওয়া হচ্ছে। বাস্তারের জনগণকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে জেলে ঢোকানো হচ্ছে,  এনকাউন্টারের নামে স্থানীয় আদিবাসীদের অত্যন্ত ঠাণ্ডা মাথায় খুন করা হচ্ছে।

এই বছরের জানুয়ারি থেকে, ৫০টিরও বেশি মিথ্যা এনকাউন্টারে বাস্তারের স্থানীয় বেসামরিক নাগরিক এবং আমাদের দলের ক্যাডারদের হত্যা করা হয়েছে”।

সূত্রঃ http://www.thehindu.com/news/national/other-states/dantewada-attack-was-revenge-maoists/article8505715.ece


ভারতঃ অবুজমাদে পুলিশের ১০জন চরকে খতম করল মাওবাদীরা

Cops on Maoist

পুলিশের চর সন্দেহে ১০ জনকে গুলি করে খতম করল মাওবাদীরা৷ ছত্তিশগড়ের মাওবাদী অধ্যুষিত নারায়ণপুর জেলার অবুজমাদ এলাকার ঘটনা৷ গত কয়েক দিন ধরেই বেশ কিছু লোক পুলিশের কাছে খবর পাচার করছিল বলে খবর পায় মাওবাদীরা৷

সিনিয়র পুলিশ অফিসার জানান, গত সপ্তাহে নারায়ণপুর এবং ওর্চা থানার অন্তর্গত  কিছু লোকের খোঁজে বিভিন্ন গ্রামে অভিযান চালায় মাওবাদীরা৷ এখনও পর্যন্ত ১০ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে৷ গ্রামগুলিতে নিরাপত্তাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে৷ জঙ্গল এলাকায় টহল দেওয়ার সময় সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে৷ যাতে কোনও ভাবেই তারা মাওবাদীদের পাতা ফাঁদে পা না দেয়৷

পুলিশের সোর্স জানাচ্ছে, এই অঞ্চলে মাওবাদীদের সাথে পুলিশের বেশ কিছু বড় বন্দুকযুদ্ধের ঘটনার পর কিছু সিনিয়র মাওবাদী নেতা সম্প্রতি অবুজমাদে মিলিত হয়েছে বলে তাদের কাছে খবর আছে।

অনুবাদ সূত্রঃ http://www.ndtv.com/india-news/maoists-kill-10-villagers-in-chhattisgarh-for-being-informers-police-1282995


ভারতঃ ২০১৫ সালে বস্তার ও বিহারে নকশাল সহিংসতার পরিসংখ্যান

back2.tif

২০১৫ সালে  ছত্তিসগড়ের বস্তার অঞ্চলে মাওবাদীদের আক্রমণে নিরাপত্তা বাহিনীর ৪৭ জন সদস্য নিহত হয়েছে, গুরুতর জখম হয়েছে ১১৫ জন, ৪৭ জন ব্যক্তিকে পুলিশের চর অভিযোগে খতম করেছে মাওবাদীরা। কথিত মাওবাদী নামে আত্মসমর্পণ করেছে ৩২৭জন! পক্ষান্তরে নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে নিহত হয়েছেন ৪৬ জন মাওবাদী, উদ্ধার করা হয়েছে  একটি একে -47, একটি SLR, একটি 303 বন্দুক এবং চারটি 9 মিমি পিস্তল সহ ১৬৭টি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়- ছত্তিসগড় পুলিশের মাওবাদী দমন ইউনিট (Anti-Naxal Operation (ANO) unit) গত বুধবার এই পরিসংখ্যানটি প্রকাশ করেছে।

অপরদিকে বিহারে ২০১৫ সালে ৫২৭ জন মাওবাদীকে গ্রেফতার করেছে নিরাপত্তা বাহিনী। যদিও ২০১৫ ও ২০১৪ সালে মাওবাদীদের কোন প্রশিক্ষণ শিবির ধ্বংস করতে পারেনি নিরাপত্তা বাহিনী। এখানে গত কয়েক বছর ধরে বেশ কয়েকটি গ্রামে ” প্রতিষ্ঠা করেছে মাওবাদীরা।  ২৩টি মাওবাদী অধ্যুষিত এলাকায় ৮৫টি নতুন থানা স্থাপন করেছে বিহার সরকার, এর মধ্যে নির্মাণাধীন ৪৩টি থানার কাজ ২০১৬ সালের মার্চের মধ্যে শেষ হবে বলে সুত্র জানাচ্ছে। এ ছাড়াও রাজ্য সরকার কেন্দ্রের কাছে সবচেয়ে বেশী মাওবাদী অধ্যুষিত ৬টি জেলায় আরো ৪০টি নতুন থানার অনুমোদন চেয়েছে।

অনুবাদ সূত্রঃ 

http://www.thehindu.com/news/national/other-states/140-people-killed-in-bastar-naxal-violence-in-2015/article8103681.ece

http://timesofindia.indiatimes.com/city/patna/527-Maoists-arrested-in-2015-in-Bihar/articleshow/50568562.cms