ভারতের গণযুদ্ধের ৩টি সংক্ষিপ্ত সংবাদ

  • behind-enemy-lines1ছত্তিসগড় পুলিশ নকশাল প্রভাবিত বস্তারে নকশালদের হুমকি মোকাবেলায় অতিরিক্ত ৫০টি থানা বসাচ্ছে। ইতিমধ্যে কেন্দ্রীয় সরকার কর্তৃক অনুমোদিত ৭৫টি ছাড়াও আরো ৫০টি সুরক্ষিত পুলিশ স্টেশন (FPS) করা হচ্ছে।
  • ঝাড়খণ্ড পুলিশ মাওবাদীদের অস্ত্র সমর্পণে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে মাওবাদী প্রভাবিত এলাকায় পোস্টার লাগাবে। এডিজি অপারেশন ও পুলিশ মুখপাত্র এস.এন প্রধান TOIকে বলেন, মাওবাদীদের আত্মসমর্পণে উৎসাহ যোগাতে মাওবাদী প্রভাবিত গ্রাম ও প্রকাশ্য স্থানগুলোতে এই পোস্টার গুলো প্রচার করা হবে।
  • গত মঙ্গলবার রায়গোদা জেলার বিভিন্ন স্থানে মাওবাদীদের পোস্টার দেখা গেছে। পোস্টারে মাওবাদীরা, স্থানীয় দরিদ্র মানুষের কাছ থেকে বিভিন্ন কোম্পানি এবং অন্যান্য বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে জমি ক্রয় করছে এমন ব্যক্তিদের কঠোর শাস্তি সম্পর্কে সতর্ক করেছে। এছাড়াও সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কাজ প্রদান করতে বেকার যুবকদের কাছ থেকে টাকা লুটকারী এজেন্টদের সতর্ক কর হয়েছে।

images-cms-image-000011557

অনুবাদ সূত্রঃ

http://timesofindia.indiatimes.com/city/raipur/Chhattisgarh-police-seeks-fortification-of-50-policestations-in-Naxal-hit-Bastar/articleshow/50564715.cms

http://timesofindia.indiatimes.com/city/ranchi/Police-posters-hardsell-rebel-surrender-policy/articleshow/50560300.cms

http://www.prameyanews7.com/en/jan2016/odisha/11302/Maoist-posters-found-at-several-places-in-Rayagada-district-Maoist-posters-found-Odisha.htm

Advertisements

ভারতঃ মাওবাদীদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার অভিযোগে বন্দি অধ্যাপক সাইবাবার স্বল্প মেয়াদের জামিন হয়েছে

gn_saibaba_20150518.jpg

১ বছরের বেশি সময় জেলে বন্দি থাকার পর অবশেষে বোম্বে হাইকোর্ট থেকে মাত্র ৩ মাসের জন্য জামিন পেলেন দিল্লির অধ্যাপক জে এন সাইবাবা। চিকিত্সার জন্যই স্বল্প মেয়াদের জামিন সাইবাবাকে দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে আদালত। মাওবাদীদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার সন্দেহে বন্দি অধ্যাপক জিএন সাইবাবাকে শর্ত সাপেক্ষে জামিন দেওয়ার ভাবনার  কথা  কিছু দিন আগে রাজ্য সরকারকে জানায় বোম্বে হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি মোহিত শা ও একে মেননের ডিভিশন বেঞ্চ। এর আগে বেসরকারি হাসপাতলে  সাইবাবার চিকিত্সা  করানোর অনুমতি দিয়েছিল বোম্বে হাইকোর্ট। বন্দি অধ্যাপকের শারীরিক অবস্থার কথা মাথায় রেখেই জামিনের আবেদনের পুনর্বিবেচনা করল হাইকোর্ট।

(মুম্বই: তিন মাসের সাময়িক জামিন পেলেন মাওবাদীদের সঙ্গে যোগসূত্র থাকার অভিযোগে সাসপেন্ড হওয়া দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর জি এন সাইবাবা। তাঁর স্বাস্থ্যের ক্রমাবনতি হতে থাকায় জামিন মঞ্জুর করল প্রধান বিচারপতি মোহিত শা ও বিচারপতি এসবি শুকরেকে নিয়ে গঠিত বম্বে হাইকোর্টের ডিভিশন  বেঞ্চ। মহারাষ্ট্র পুলিশ গত বছর গ্রেফতার করে সাইবাবাকে। তারপর থেকে তিনি নাগপুর জেলেই রয়েছেন। শারীরিক অক্ষমতার জন্য হুইলচেয়ারেই পড়ে থাকেন। ৫০ হাজার টাকার বন্ডে তাঁকে জামিনে ছেড়ে দিতে এদিন কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেয় বেঞ্চ। বিচারপতিরা বলেছেন, সাইবাবাকে চিকিত্সার জন্য সাময়িক জামিনে ছেড়ে না দেওয়া হলে তাঁর যে প্রাণ সংশয় হতে পারে, সে ব্যাপারে আমরা নিশ্চিত। সাইবাবার মৌলিক অধিকার রক্ষায় সতর্ক রয়েছে এই আদালত।

পুর্ণিমা উপাধ্যায় নামে জনৈক সমাজকর্মীর লেখা চিঠি ও সংবাদপত্রে প্রকাশিত প্রতিবেদন পড়ে স্বতঃপ্রনোদিত হয়ে সাইবাবার বিষয়টি হাতে নেয় হাইকোর্ট। এর আগে আদালত ডাক্তারের রিপোর্টও খতিয়ে দেখে। সাইবাবা এমন এক অসুখে ভুগছেন যার ফলে তাঁর মেরুদণ্ড ধীরে ধীরে ক্ষয় হচ্ছে, এমনটাই বলা হয়েছে সেই রিপোর্টে। সেই প্র্রেক্ষাপটে বেঞ্চ বলেছে, সাইবাবার থেরাপি চাই, ব্যাথা-যন্ত্রণা লাঘবের চিকিত্সা দরকার। সর্বোপরি, পরিবার, প্রিয়জনেদের সেবাযত্নও চাই। দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্যানেলভুক্ত যে কোনও হাসপাতালে তাঁর চিকিত্সা হতে পারে।

তবে তিনি পালিয়ে গা ঢাকা দিতে পারেন বা তথ্যপ্রমাণ নষ্ট করে ফেলতে পারেন, এই যুক্তি দিয়ে রাজ্য সরকারের তরফে সাইবাবাকে জামিন দেওয়ার বিরোধিতা করা হয়। সরকারি কৌঁসুলির দাবি, সাইবাবার বিরুদ্ধে মারাত্মক অভিযোগ রয়েছে। তিনি নিষিদ্ধ ঘোষিত মাওবাদী কমিউনিস্ট পার্টির সদস্য। তাঁর ল্যাপটপ, বাড়ি থেকে মাওবাদী যোগসূত্রের একাধিক প্রমাণ মিলেছে।)

গত বছর মে মাসে দিল্লির ফ্ল্যাট  থেকে কার্যত অপহরণের কায়দায় ৯০ শতাংশ শারীরিক প্রতিবন্ধী সাইবাবাকে  গ্রেফতার করে মহারাষ্ট্রের পুলিস। এর পর তাঁকে রাখা হয়েছে নাগপুরের কুখ্যাত আন্ডা সেলে। সাইবাবার মুক্তির দাবিতে সরব হয়েছেন বহু বিশিষ্টজন। কিন্তু সারাদেশে অসংখ্য গরীব মানুষ বিনা বিচারে বা জামিনের অর্থ জোগার করতে না পেরে জেলেই থাকতে বাধ্য হচ্ছেন।

সূত্রঃ http://satdin.in/?p=2795