ভারতঃ মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের রিপোর্টে ‘নকশাল বিপ্লব’ নিয়ে সতর্ক বার্তা

naxalite-india

ভারতীয় গণমাধ্যম থেকে প্রাপ্ত সংবাদ অনুযায়ী, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্টের “সন্ত্রাসবাদ” সম্পর্কে একটি গবেষণার রিপোর্টে নকশাল আন্দোলনকে বিশ্বের সবচেয়ে বিপজ্জনক তৃতীয় শক্তি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রথম দুটি হচ্ছে আইএসআইএস এবং তালিবান। রিপোর্টে বলা হয়েছে, গত বছর সিপিআই (মাওবাদী)’র ৩৩৬টি আক্রমণে ১৭৪ জন নিহত এবং ১৪১ জন আহত হয়েছে। ২০১৬ সালে ভারতে অর্ধেকেরও বেশি সন্ত্রাসী হামলা চারটি রাজ্যে পরিচালিত হয়েছিলঃ জম্মু-কাশ্মীর, ছত্তিশগড়, মণিপুর এবং ঝাড়খন্ডে। ভৌগোলিক এলাকা দেখায় যে, মাওবাদীদের নেতৃত্বে বামপন্থী চরমপন্থীরা পূর্ব ভারতের অংশে সশস্ত্র সংঘাতেও অবদান রেখেছিল।” অনুরূপভাবে, এই প্রতিবেদনে জম্মু ও কাশ্মীরের সশস্ত্র কর্মকাণ্ডে ৯২% বৃদ্ধি পেয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।

Advertisements

মুম্বই থেকে গ্রেফতার ৭ ‘মাওবাদী’

404_09_06_13_ATS_arrests_7_suspected_Maoists_in_Mumbai_H@@IGHT_510_W@@IDTH_680

মুম্বইয়ের কল্যাণ রেল স্টেশনের কাছ থেকে সন্দেহভাজন ৭ মাওবাদীকে গ্রেফতার করল মহারাষ্ট্রের ATS। TOI এ প্রকাশিত রিপোর্ট অনুযায়ী, ধৃতদের বাড়ি থেকে মাওবাদী সাহিত্য বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিস। কোন অস্ত্রের সন্ধান পায়নি পুলিস। পুলিসের দাবি মাওবাদীদের ওই দলটি শহরাঞ্চলের বস্তি এলাকায় মাওবাদী চিন্তাধারার প্রচার করছিল। পুলিসের দাবি গ্রেফতার হওয়া ৭জনের মধ্যে রয়েছেন তেলেঙ্গানার মাও নেতা অজয় দোসরি ওরফে ভেনুগোপাল। প্রশ্ন উঠছে শুধুমাত্র মাওবাদী সাহিত্য রাখার অভিযোগে কাউকে গ্রেফতার করা যায় না বলে আগেই জানিয়েছিল দেশের সর্বোচ্চ আদালত, সুপ্রিম কোর্ট, তারপরও এরকম গ্রেফতার কেন?

সূত্রঃ satdin.in


ভারতের মাওবাদী সংগঠনের সদস্য বাংলাদেশে আটক!

IMG_২০১৬০৮২৪_২৩৪২২৭

ভারতের আসাম রাজ্যের মাওবাদী দলের সদস্য ও ৬৩ মামলার ফেরারি আসামি আমিনুর মাতব্বরকে বাংলাদেশের লালমনিরহাটের পাটগ্রামে আটক করা হয়েছে। এ সময় তার কাছ থেকে ৪৮ রাউন্ড গুলি ও একটি পিস্তল জব্দ করেছে পুলিশ। আমিনুরের সঙ্গে আরও একজনকে আটক করা হয়েছে।

পাটগ্রাম থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) ফিরোজ কবির জানান, আমিনুর মাতব্বর ওরফে জাকির মাতব্বর ওরফে পাগলা আটাং (২৬) ভারতের আসাম প্রদেশের কোকড়াঝাড় জেলার গোসাইগঞ্জ উপজেলার মাটিয়াপাড়া এলাকার মৃত বাবলু মাতব্বরের ছেলে। তাকে লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম উপজেলার পশ্চিম জগতবেড় এলাকার সাহাজুল ইসলামের ছেলে আব্দুর রশিদের (৩২) বাড়ি থেকে বৃহস্পতিবার দিনগত রাত আনুমানিক ২টার দিকে আটক করা হয়। বাড়ির মালিক আব্দুর রশিদকেও আটক করা হয়েছে। এ সময় আমিনুরের কাছ থেকে ইতালিতে তৈরি একটি পিস্তল, দুটি ম্যাগাজিন ও ৪৮ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়েছে।

ফিরোজ কবির আরও জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আমিনুর মাতব্বর জানিয়েছে ভারতের জেলে আব্দুর রশিদের সঙ্গে তার পরিচয়। এই পরিচয়ের সূত্র ধরে আমিনুর দুই থেকে আড়াই মাস আগে লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার জগতবেড় সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে অবৈধভাবে প্রবেশ করে।  

পাটগ্রাম থানার ওসি অবনী শঙ্কর কর বলেন, ‘আটক দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি চলছে। তবে তদন্তের স্বার্থে এর বাইরে এখনই আর কিছু বলা যাচ্ছে না।’

সূত্রঃ banglatribune.com


নিজেদের আপডেট রাখতে নিয়মিত ইংরেজি দৈনিক পড়ছেন মাওবাদী গেরিলারা

07nax12

জঙ্গলে ইন্টারনেট সুবিধা ও সপ্তাহে ৭দিন ২৪ঘন্টা টিভি চ্যানেলের সুবিধা না থাকা সত্ত্বেও মাওবাদীরা নিয়মিত ইংরেজি দৈনিক পড়ে নিজেদের আপডেট রাখছেন।

কর্তৃপক্ষ জানায়, বিহারের লক্ষীসরায়ী জেলার ঘন বনভূমিতে শীর্ষ মাওবাদীরা “সঠিক” তথ্যের জন্য কমপক্ষে তিনটি ইংরেজি সংবাদপত্র নিয়মিত পড়ছেন এবং বিশ্বব্যাপী ও তাদের নিজ দেশের সর্বশেষ উন্নয়নগুলির সাথে নিজেদের আপডেট রাখছেন। তিনটি ইংরেজী দৈনিক, যথাক্রমে দ্য স্টেটসম্যান, দ্য টেলিগ্রাফ ও দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া পত্রিকাগুলো কঠোর গোপনীয়তার মধ্যে কোম্পানী তাদের কাছে পৌঁছে দেয়।

রিপোর্টে বলা হয়েছে যে, তিনটি ইংরেজী খবরের কাগজ, মাওবাদীদের শক্তিশালী অবস্থান লখিসারাই জেলার কাজ্জরা বনভূমিতে সরবরাহের পর গোয়েন্দা সংস্থার নজরদারির পর কর্মকর্তারা নজরদারি আরো বাড়িয়েছে ।

সংবাদপত্রের ব্যবসার সাথে জড়িত এক ব্যক্তি বলেন, এই তিনটি জাতীয় ইংরেজি দৈনিকের ১৫০টিরও বেশি কপি লখিসারাই শহরে বিতরণের জন্যে পৌঁছে। তাদের মধ্যে, কয়েকটি কপি তাদেরকে কাজরা বনভূমিতে সরবরাহ করতে হয়। স্থানীয় সংবাদপত্রগুলিতে প্রচুর পরিমাণে তথ্যের অপ্রতুলতার জন্যেই  স্থানীয় সংবাদপত্রের পরিবর্তে ইংরেজ দৈনিকের উপর নির্ভর করে মাওবাদীরা।

“মাওবাদী সংগঠনের বেশির ভাগ শীর্ষ-অবস্থানের ক্যাডাররা ভালোই শিক্ষিত এবং ইংরেজির ভাল জ্ঞান রয়েছে তাদের। তাই তারা এই ইংরেজি দৈনিকগুলি পছন্দ করেছে, এটা অস্বাভাবিক কিছু নয়, “স্থানীয় সহকারী সুপারিনটেনডেন্ট পুলিশ- পবন কুমার উপাধ্যায় এই তথ্য জানান। উপাধ্যায় এই জেলায় মাওবাদী দমন অভিযানের দায়িত্বে রয়েছেন।

একটি সূত্র জানায়, ইংরেজি সংবাদপত্র পড়ার অন্য কারণ হচ্ছে, বিহারের গভীর দুর্ভেদ্য জঙ্গলে আশ্রয় নেয়া দক্ষিণ ভারত থেকে আসা বেশ ভালো সংখ্যক মাওবাদী নেতারা ভারতের দাপ্তরিক ভাষা হিন্দীতে খুব একটা স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন না। ফলে, তারা এই ইংরেজি সংবাদপত্রগুলোকে বেছে নিতে বাধ্য হয়।

অন্যান্য ইংরেজি দৈনিকের প্রতুলতা সত্ত্বেও তবে কেন এই তিনটি ইংরেজী দৈনিকের কাটতি বিহারে বেশী? “সম্ভবত, তাদের দৈনিকগুলোতে প্রতিদিন নতুন কাহিনী, সম্পাদকীয় এবং অন্যান্য বিষয় প্রকাশ করা হয় যা তারা সাধারণ মানুষের স্বার্থে প্রকাশ করে থাকতে পারে” বলে একজন কর্মকর্তা মন্তব্য করেন।

সূত্রঃ http://gulfnews.com/news/asia/india/maoists-read-english-dailies-to-keep-abreast-of-news-1.2142029


জেল থেকে মুক্ত হওয়ার পর মাওবাদী নেতা ‘কোবাদ গান্ধী’র প্রথম সাক্ষাৎকার

kobad

জেল থেকে মুক্তি পাওয়ার পর মুম্বাইয়ের নিজ বাড়ীতে মাওবাদী তাত্ত্বিক ‘কোবাদ গান্ধী’

মুক্ত হতে পেরে খুশি, কিন্তু এটি কেবল অর্ধ-স্বাধীনতা: মাওবাদী তাত্ত্বিক কোবাদ গান্ধী

“অনেক বছর পরে মুক্ত হওয়ার পর ভাল লাগছে” বলছেন মাওবাদী তাত্ত্বিক কোবাদ গান্ধী, যিনি ৮ বছর জেলে আটকে থাকার পর মঙ্গলবার রাতে বিশাখাপত্তনম কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পান। “আমি পার্সি খাবারগুলোকে খুব মিস করি। অনেক বছর ধরে আমার প্রিয় খাবারের স্বাদ নিতে পারিনি।”

২০০৯ সালের সেপ্টেম্বরে নিষিদ্ধ ঘোষিত সিপিআই(মাওবাদী) সদস্যের অভিযোগ এনে কোবাদ গান্ধী’কে গ্রেফতার করা হয় এবং বেআইনী কার্যকলাপ (প্রতিরোধ) আইনের অধীনে অভিযুক্ত করা হয়। গত বছর মামলায় তাকে খালাস দেওয়া হলেও তার বিরুদ্ধে আরও কয়েকটি মামলা রয়েছে এবং দিল্লির তিহার এবং হায়দরাবাদের চেরপালাপাল্লি সহ বিভিন্ন কারাগারে তাকে ৮ বছর কাটাতে হয়েছে।

৭১ বছর বয়সী গান্ধীকে মুম্বাই যাওয়ার আগে আরও দুটি আদালতে উপস্থিতি হতে হয়েছে –যে শহরে তিনি এবং তার বোন মাহরুখ বড় হয়েছিলেন, ২১ বছর আগে এই শহর তার বাড়ি ছিল, লন্ডনে চার্টার্ড একাউন্টেন্সী পড়তে যাওয়ার আগে এবং ১৯৭০ সালে বামপন্থী আন্দোলনের আদর্শবাদ দ্বারা প্রভাবিত হয়ে একজন পরিবর্তিত মানুষ হিসাবে লন্ডন থেকে এই শহরেই ফিরে আসেন তিনি।

ফিরে আসার পর, ধনী পারসী দম্পতি- নার্গিস এবং আদি গানি’র পুত্র গান্ধী, ১৯৭৮ সালে জরুরী অবস্থা পরবর্তী নাগরিক স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রতি মনোযোগ দেন এবং গণতান্ত্রিক অধিকার সুরক্ষা কমিটি প্রতিষ্ঠা করেন। এই মুম্বাইয়েই হবু স্ত্রী, এলফিনস্টোন কলেজের এমফিলের ছাত্রী অনুরাধা শানবাগ’র সাথে তার দেখা হয়। ২০০৮ সালে এই দম্পতি আত্মগোপনে থাকা অবস্থায়, ম্যালেরিয়ায় অনুরাধার মৃত্যু হয়। এর এক বছর পর, গান্ধীকে গ্রেফতার করা হয়।

“মুম্বাইতে যাওয়ার জন্য আমি আর অপেক্ষা করতে পারি না। আমার বোন, শাশুড়ি, শ্যালক সুনিল (শানবাগ, থিয়েটারের ব্যক্তিত্ব)… তারা সবাই আমাকে দেখার জন্যে অপেক্ষা করছে। প্রাথমিকভাবে, তারা আমার শাশুড়িকে বলেনি যে, আমি মুক্তি পেয়েছি, কিন্তু তিনি খবরের কাগজে পড়েছেন। সুতরাং যখন আমি সেখানে যাব, এটি একটি বিস্ময়কর ব্যাপার হবে,” তিনি বলেন। তার মুক্তির সময়ে ফোনে কথা বলার মুহুর্তে আনন্দ প্রকাশ ছাড়াও তিনি তার বিরুদ্ধে ঝুলে থাকা মামলার কথা বলেন।

“এখনও পর্যন্ত ৭টি’র মত মামলা আছে, ১০-১৫ বছর পুরনো এই মামলাগুলোর এখনো কোনো  অভিযোগপত্র তারা(পুলিশ) দাখিল করেনি। তাই আমি উদ্বিগ্ন যে, মামলাগুলো তারা হঠাৎ করেই আবার পুনরুজ্জীবিত করবে। তারপর রয়েছে গুজরাটের মামলা, যেখানে পুলিশ নাগপুর থেকে এই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে (নকশাল কার্যকলাপের জন্যে আগস্টে তুষার ভট্টাচার্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে, এই মামলায় কোবাদকেও অভিযুক্ত করা হয়)। এই বয়সে, এই সব বিষয় টেনশনের উৎস … তবে হ্যাঁ, আমি মুক্ত হতে খুশি, কিন্তু এটি শুধুমাত্র আধা-স্বাধীনতা” তিনি বলেন। “আমি সত্যিই বিরক্ত হয়েছি যে, যখন পুলিশ চার্জশিট দাখিল করার কোন উদ্দেশ্য না থাকা সত্ত্বেও এতদিন ধরে আমাকে কারাগারে আটকে রেখেছিল”।

এমন কিছু বিষয় আছে যা তাকে বিরক্ত করে। “গ্রেফতার হওয়ার পর থেকে অনেক বিষয় পরিবর্তিত হয়েছে। প্রযুক্তিটি এতটাই বদলে গেছে যে, স্মার্টফোন ব্যবহার করা সম্পর্কে আমার কোন ধারণা নেই” তিনি শুকনো কণ্ঠে বলেন।

“প্রায় ৮ বছর পর কারাগার থেকে বের হতে পেরে ভালোই লাগছে। আমি চাইতাম আমার স্বাস্থ্য একটু ভাল থাক”। গান্ধী বলেন যে, ‘তিনি হালকা বুকের ব্যথার চিকিৎসার পাওয়ার জন্যে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করতে জামিনের জন্যে আবেদন করেন’।

“ভারাভারা রাও মত পুরানো বন্ধুদের সাথে দেখা পেয়ে ভাল লাগছে। তিনি আমাদের পুরনো সুখস্মৃতির কাহিনী দিয়ে আমাকে পুনরুজ্জীবিত করেছেন। আমরা ‘সিভিল লিবারিটিজ মনিটরিং কমিটি’তে আমাদের ঐ দিনগুলোতে ফিরে যাই। তবে, কয়েক দশক আগের অনেক কিছু আমি এখন স্মরণ করতে পারিনা”।

নিজের পরিকল্পনা সম্পর্কে তিনি বলেন, “আমি ভবিষ্যতের কথা এখনো ভাবিনি, আমি জানি না আমি কী করব। এই মুহূর্তে অগ্রাধিকার দিচ্ছি আমার পরিবারকে এবং মুম্বাইতে নিজের ভাল চিকিৎসার ব্যবস্থা করা।”

সূত্রঃ http://indianexpress.com/article/india/happy-to-be-free-but-this-is-only-semi-freedom-maoist-ideologue-kobad-ghandy-4983420/


মাওবাদী নেতা কোবাদ গান্ধী মুক্তি পেয়েছেন

kobad-gandhi

মাওবাদী নেতা কোবাদ গান্ধী গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বিশাখাপত্তনম কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। মাওবাদী কার্যকলাপের জন্যে আগ্নেয়াস্ত্র ও বিস্ফোরক বহনের অভিযোগ এনে ভিজাগ পুলিশ তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছিল। এই বছরের ৪ঠা এপ্রিল থেকে তিনি বিশাখাপত্তনম কারাগারে রয়েছেন। তার বিরুদ্ধে আনা সকল মামলা মাওবাদী কর্মকাণ্ডের সাথে সম্পর্কিত।

সূত্রঃ https://www.sakshi.com/news/andhra-pradesh/bail-maoist-leader-kobad-ghandy-960792


সিপিআই(মাওবাদী) ‘পদ্মাবতী’ সিনেমাকে সমর্থন করেছে

1387

সিপিআই(মাওবাদী) পার্টি বলছে, ‘পদ্মাবতী’ সিনেমার সিনেমাটোগ্রাফি ব্লক করার মানে প্রকাশের স্বাধীনতায় বাধা এবং জনগণের মতামত প্রকাশ করার সব প্রচেষ্টা রোধ করার একটি উপায়।

রাজপুত রাণী ‘পদ্মাবতী’র জীবন নিয়ে নির্মিত এই সিনেমাকে কেন্দ্র করে ছত্তিশগড়ের বাস্তার ও দান্তেওয়াদা জেলায় লিফলেট ও পোস্টার লাগিয়েছে মাওবাদীরা, এতে পদ্মাবতী চলচ্চিত্রের অবিলম্বে মুক্তি দাবি করা হয়।

 মাওবাদী পার্টি দাবি করেছে যে, সরকার অবিলম্বে কোন ধরণের বাধা ছাড়াই ‘পদ্মাবতী’ সিনেমা মুক্তির বিষয়ে সহযোগিতা করবে। দান্তেওয়াদা নকশাল অপারেশনস এএসপি অভিষেক পল্লা মিডিয়াকে জানায়, ‘এই পোস্টারগুলি মাওবাদীদের, সেই হিসেবে রিপোর্ট করা হয়েছে’।

কিছুদিন ধরে রাজপুত সম্প্রদায় এবং তার সাম্প্রদায়িক বাহিনী ‘পদ্মাবতী’ সিনেমা’র বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে আসছে এবং ছবিটিতে নর্তকী’র ভুমিকায় দীপিকা পাড়ুকোন ও ছবির পরিচালক সঞ্জয় লীলা বানসালীকেও খুন করতে চেয়েছে। বিজেপি তাদের এই কর্মকাণ্ডের প্রতি সমর্থন জানিয়ে আসছে।

ভারতবর্ষে সাম্প্রদায়িক অভিব্যক্তি এবং খাদ্যাভ্যাসের উপর সাম্প্রদায়িক হামলার অংশ হিসাবে ‘পদ্মাবতী’ সিনেমা নিয়ে বিতর্কের পর মাওবাদী পার্টি এই ঘোষণাটি দিয়েছে।

সূত্রঃ http://avaninews.com/article.php?page=1387