মধ্যপ্রদেশে সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করছে মাওবাদীরাঃ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের রিপোর্ট

maoists-at-convention_6e73cb82-58bb-11e7-9dcc-cc63e7fed987-800x445

নিরাপত্তা বাহিনীর আক্রমণের জেরে বাস্তারের বাইরে মহারাষ্ট্র, মধ্যপ্রদেশ ও ছত্তিশগড়ের সংযোগস্থল বালাঘাটে নতুন করে প্রভাব তৈরি করতে চাইছে মাওবাদীরা। অতিবাম কার্যকলাপ নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের  সম্প্রতি  এক পর্যালোচনা বৈঠকে নাকি এই বিষয়টি উঠে এসেছে। এমনটাই জানাচ্ছে  ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস। বালাঘাটে মাওবাদী কার্যকলাপ বিস্তারের দায়িত্ব নিয়েছেন মাও নেতা বাসবরাজ। ওয়াকিবহল মহলের মতে বাস্তারের নিরাপত্তাবাহিনীর আক্রমণে যথেষ্টই ক্ষতি হয়েছে মাও সংগঠনের। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে মাওবাদী আন্দোলন যে কিছুটা ধাক্কা খেয়েছে তাও স্বীকার করে নিয়েছে মাওবাদীদের কেন্দ্রীয় কমিটি। মিডিয়া রিপোর্ট অনুযায়ী বয়সের কারণে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক পদ থেকে সরে যেতে চাইছেন গণপতি। অপেক্ষাকৃত তরুণদের জায়গা করে দেওয়া হচ্ছে কেন্দ্রীয় কমিটিতে। বাস্তারের আদিবাসী তরুণ হিদমাকে নেওয়া হয়েছে দলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে। এই পরিপ্রেক্ষিতে  বালাঘাটে মাওবাদীদের নতুন তত্পরতা কেন্দ্র ও রাজ্য উভর সরকারের মাথা ব্যথার কারণ হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষক মহলের একাংশ।

সূত্রঃ satdin.in

Advertisements

গৌরী লঙ্কেশ হত্যার জন্য RSSকেই দায়ী করল মাওবাদীরা

gauri-696x437

গৌরী লঙ্কেশের খুনের নিন্দা করল মাওবাদীরা। এক প্রেস বিজ্ঞপ্তি জারি করে সিপিআই মাওবাদীর তরফে দাবি করা হয়েছে গণতান্ত্রিক স্বরকে স্তব্ধ করার জন্যই বামপন্থী সাংবাদিক গৌরীকে হত্যা করেছে সংঘ পরিবারের লোকজন। গৌরীর ভাইকে চাপ দিয়ে হত্যার জন্য তাদেরকে কাঠগড়ায় দাড় করানোরও নিন্দা করেছে মাওবাদীরা। সেই সঙ্গে গৌরী লঙ্কেশ হত্যার পর মোদির নীরবতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে তারা।

সূত্রঃ satdin.in


মাওবাদী ছকে গোর্খা আন্দোলন কলকাতা শহরেও!

Gorkha-Protests

গোর্খাল্যান্ড আন্দোলন শুধু পাহাড়েই থেমে থাকবে এমন নয়, তা কলকাতা শহরেও ছড়িয়ে পড়তে পারে বলে রাজ্যকে সতর্ক করল কেন্দ্রীয় সরকার। রাজ্যের মুখ্যসচিব মলয় দে-কে পাঠানো বার্তায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিব রাজীব গৌবা বলেছেন, মাওবাদীদের কয়েকটি গণসংগঠন কলকাতার কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস থেকে গোর্খাল্যান্ডের আওয়াজ তোলার চেষ্টা চালাচ্ছে।

মাওবাদী কার্যকলাপ নিয়ে প্রতি ছ’মাসে রাজ্যকে কিছু পরামর্শ দেয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। সেই সূত্রেই গোর্খাল্যান্ড আন্দোলনের সঙ্গে মাওবাদীদের যোগসূত্রের কথা জানিয়েছে কেন্দ্র। স্বরাষ্ট্রসচিবের লেখা চিঠিতে বলা হয়েছে, মাওবাদীদের বিভিন্ন গণসংগঠন জাতিসত্তা এবং আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের কথা বলে কলকাতা শহরে দার্জিলিংয়ের পড়ুয়াদের একত্রিত করার চেষ্টা করছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের দাবি, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে দার্জিলিং, সিকিম-সহ উত্তর পূর্ব থেকে আসা ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে ‘গোর্খা ডেমোক্রেটিক ফোরাম’ নামে সংগঠন গড়ে তুলেছে মাওবাদীরা। সেই সংগঠনের আড়ালেই গোর্খাল্যান্ডের সমর্থনে আন্দোলন শুরু হয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা নর্থ ব্লকের।

মন্ত্রক আরও জানিয়েছে, ২০১১ সালে ২৪ নভেম্বর পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে মাওবাদীদের অন্যতম শীর্ষ নেতা কিষেনজি মারা যাওয়ার পরে পশ্চিমবঙ্গে মাওবাদী কার্যকলাপ অনেকটাই স্তিমিত হয়ে আসে। কিন্তু সম্প্রতি নকশালবাড়ি আন্দোলনের ৫০ বছর পালনকে সামনে রেখে মাওবাদী আদর্শঘেঁষা বেশ কিছু গণসংগঠন ফের সক্রিয় হয়েছে। তাদের সঙ্গে তলায় তলায় যুক্ত হচ্ছে কয়েকটি বামপন্থী দলও। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের এক কর্তা জানান, কাশ্মীরে পাথর ছোড়া শুরুর পর দিল্লির জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ে বামপন্থী ছাত্ররা ‘আজাদি’ আন্দোলন শুরু করেছিল। তার প্রভাব পড়ে দেশ জুড়ে। এ বার সেই ধাঁচে কলকাতার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেও গোর্খা আন্দোলন শুরু হতে পারে।

নবান্নের এক কর্তার বক্তব্য, ‘‘কেন্দ্রের সতর্কবার্তা পেয়ে আমরা যাদবপুর, প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয় এবং কয়েকটি কলেজের উপর নজর রাখছি। পাহাড়ের ছেলেমেয়েরা যে সব এলাকায় থাকে, সেই সব এলাকাতেও নজরদারি চালানো হচ্ছে।’’ তা ছাড়া, পাহাড়ে মাওবাদীদের যুক্ত থাকার কিছু প্রমাণও ইতিমধ্যেই মিলেছে বলে রাজ্যের দাবি। পাহাড়ে পর পর যে ভাবে বিস্ফোরণ হচ্ছে তার সঙ্গে অনেক ক্ষেত্রে জঙ্গলমহলে নাশকতার ঘটনার মিল রয়েছে বলেও মনে করছেন রাজ্য গোয়েন্দারা। এখন দিল্লির সতর্কবার্তা আসায় বিশেষ নজরদারি অব্যাহত থাকবে বলে জানান নবান্নের কর্তারা।

সূত্রঃ http://www.anandabazar.com/state/gorkhaland-movement-started-in-the-city-just-like-maoist-scheme-1.671214


ফিলিপাইনে প্রতিক্রিয়াশীল সেনাবাহিনীর ৪ সেনা সদস্যকে হত্যা করেছে মাওবাদীরা

664780574

গত ১লা সেপ্টেম্বর, শুক্রবার সকালে নিউভিযকায়া’তে কাসাবু’র কাছে বারঙ্গে কাতারাভানে মাওবাদী নিউ পিপলস আর্মির লাল যোদ্ধাদের হামলায় ৪ সেনা, ৩ জন অস্থায়ী কর্মকর্তা ও ১ জন ব্যক্তিগত সৈনিক নিহত হয়।

চতুর্থ পদাতিক ব্যাটালিয়নের সেনারা মাওবাদী বিরোধী অভিযানে অংশ নেয়ার সময় গেরিলাদের একটি দল তাদের উপর পাল্টা গুলিবর্ষণ করে। এতে পঞ্চম সৈনিক আহত হয়। ঘটনার পরে, নুয়েভ-ভিজ্কিয়া পুলিশ সশস্ত্র বাহিনীর সহায়তায় প্রদেশে নিজেদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা শক্তিশালী করে।


পেরুতে মাওবাদী গেরিলাদের হামলায় ৪ পুলিশ সদস্য নিহত

patrullero1_gbSugxv

সংবাদপত্রে প্রকাশিত এক রিপোর্ট জানাচ্ছে, দেশটির ভ্রায়েম অঞ্চলে কমিউনিস্ট মাওবাদী গেরিলাদের এক অভিযানে ৪ জন পুলিশ কর্মকর্তা নিহত হয়েছে।

গতকাল সন্ধ্যা ৬ টায় হুয়াঙ্কাভেলিকার তুকুচাসা – হুচুয়াপাম্পা মহাসড়কে পুলিশ বাহিনীর ২টি বাহনে এই হামলার ঘটনাটি ঘটে।

হামলার সময়ে গেরিলাদের স্বয়ংক্রিয় অস্ত্রের আঘাতের ফলে বড়সড় অগ্নিকাণ্ড ঘটে এবং পুলিশের সকল যানবাহন এবং সদস্যদের ধ্বংস করে দেয় গেরিলারা। এছাড়াও পুলিশের সকল অস্ত্র গেরিলারা লুঠ করে নিয়ে যায়।

সূত্রঃ Correovemello-news

 


মাওবাদীদের প্রতি সংবেদনশীল, প্রবীণ বামপন্থী সাংবাদিক গৌরী লঙ্কেশ খুন হলেন

gauri-696x437

মঙ্গলবার রাত ৮টা নাগাদ ব্যাঙ্গালুরুর নিজের বাড়ির দরজায় বিশিষ্ট বামপন্থী, কন্নড় সাংবাদিক গৌরি লঙ্কেশকে গুলিকে খুন করল দুষ্কৃতীরা। দক্ষিণপন্থী হিন্দুত্ববাদীদের বিরোধী বলে পরিচিত গৌরি বিজেপি -আরএসএসের বিরুদ্ধে সরব ছিলেন। এক বিজেপি নেতার তার  বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করায় তাকে জেলে পর্যন্ত যেতে হয়। সাপ্তাহিক লঙ্কেশ পত্রিকার বিশিষ্ট  এই সম্পাদককে হত্যা প্রমাণ করছে দেশে কী মাত্রায় সাম্প্রদায়িক শক্তিরা দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। এর আগে ২০১৫ সালে বিশিষ্ট বুদ্ধিজীবী তথা হাম্পি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য কালবু্র্গিকেও তার বাড়ির দরজার সামনে গুলি করে খুন করা হয়। আজ পর্যন্ত একজনকেও গ্রেফতার করতে পারেনি অপদার্থ সিদ্ধারামাইয়া  সরকার।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় পশ্চিম বেঙ্গালুরুর রাজ্যেশ্বরীনগরে তাঁর বাড়ির গাড়িবারান্দায় গৌরীকে গুলি করা হয়। গৌরী যখন সবে তাঁর কর্মক্ষেত্র থেকে ফিরে বাড়িতে ঢুকতে যাচ্ছিলেন ঠিক তখনই কিছু অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি তাঁকে খুব কাছ থেকে গুলি করে। তিনটি বুলেট তাঁর শরীরে লাগে, তার মধ্যে একটি কপালে। ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। তাঁর দেহ ময়নাতদন্তের জন্য ভিক্টোরিয়া হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

বেঙ্গালুরুর পুলিশ কমিশনার টি সুনীল কুমার বলেন, “মোট সাতটি বুলেট ছোঁড়া হয়েছিল গৌরীকে লক্ষ করে। চারটি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে বাড়ির দেওয়ালে লাগে। বাকি তিনটির মধ্যে দু’টি বুকে লাগে এবং একটি কপালে লাগে।” ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ চারটি কার্তুজ উদ্ধার করেছে।

হিন্দুত্ব-বিরোধী বামপন্থী সাংবাদিক

৫৫ বছরের গৌরী শুধু এক জন সাংবাদিকই ছিলেন না, ছিলেন এক জন সক্রিয় কর্মীও। তাঁর বাবা পি লঙ্কেশকে নতুন ধরনের কন্নড় সাংবাদিকতার জনক বলা হয়। গৌরী তাঁর জ্যেষ্ঠ কন্যা। বাবারই পদাঙ্ক অনুসরণ করে চলতেন গৌরী। নিজের ভাবনা চিন্তার কথা খোলা মনে প্রকাশ করতেন। তিনি ‘গৌরী লঙ্কেশ পত্রিকে’ নামে একটি সাপ্তাহিক কন্নড় ট্যাবলয়েড পত্রিকা চালাতেন। কাগজ চালাতে গিয়ে কখনও সাবধানতা অবলম্বন করেননি বা সব দিক বজায় রেখেও চলতেন না। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির জন্য কাজ করে এমন একটি গোষ্ঠীর সক্রিয় কর্মী ছিলেন গৌরী। হিন্দুত্ব-বিরোধী বামপন্থী হিসাবে তিনি পরিচিত ছিলেন।

বাবা যেমন তাঁর লেখনীর জন্য মাঝে মাঝে সমালোচনায় বিদ্ধ হতেন, মেয়েকেও ঠিক তেমনই নানা বিরোধিতার মুখে পড়তে হত। ২০১৬-এর নভেম্বর মাসে বিজেপি সাংসদ প্রহ্লাদ জোশিকে নিয়ে একটি মানহানির মামলায় দোষী সাব্যস্ত হন তিনি। তাঁর ছ’ মাসের জেল হয়। তিনি জামিনে ছাড়া পান।

২০১৫-য় প্রখ্যাত পণ্ডিত এবং হাম্পি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য ৭৭ বছরের এম এম কালবুর্গিকে কর্নাটকের ধারয়াড়ে তাঁর বাড়ির সামনে এ ভাবেই খুন করা হয়েছিল। পুলিশ ওই খুনের ঘটনায় এখনও কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি।

গৌরী রেখে গেলেন তাঁর মা, বোন কবিতা এবং ভাই ইন্দ্রজিৎকে। কবিতা চলচ্চিত্র নির্মাতা আর ইন্দ্রজিৎ লঙ্কেশ পত্রিকা চালানোর পাশাপাশি ফিল্মও তৈরি করেন।

 

মাওবাদীদের প্রতি সংবেদনশীল গৌরি অনেকদিন ধরেই টার্গেট সংঘ পরিবারের

Bengaluru: The body of Senior journalist Gauri Lankesh, who was shot dead by unidentified men at her residence, Rajarajeshwari Nagar in Bengaluru on Sept 5, 2017. (Photo: IANS)

Bengaluru: The body of Senior journalist Gauri Lankesh, who was shot dead by unidentified men at her residence, Rajarajeshwari Nagar in Bengaluru on Sept 5, 2017. (Photo: IANS)

গৌরি লঙ্কেশের হত্যার খবর জাতীয় মিডিয়ার একটা অংশ গুরুত্ব দিয়েই প্রচার করছে। রিপোর্ট থেকে জানা যাচ্ছে বিজেপি ও হিন্দুত্ববাদীদের বিরুদ্ধে সরব ছিলেন গৌরি। কিন্তু গৌরি শুধু সাম্প্রদায়িকতার বিরোধিতা করার জন্যই বিজেপি বা আরএসএসের রাগের কারণ ছিলেন না। তিনি মাওবাদীদের প্রতি সংবেদনশীল ছিলেন বলেও তার বিরুদ্ধে ক্ষুব্ধ ছিল  সংঘ পরিবার। ২০০৬ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি কর্নাটকের চিকমাগালুরে ভূয়ো সংঘর্ষে নিহত হন সিপিআই(মাওবাদী)’র গুরুত্ত্বপুর্ণ নেতা সাকেত রাজেন সহ ২জন। একই কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে সাকেতের সঙ্গে  পড়তেন গৌরি। সাকেতের মৃত্যুর  পর তার স্মৃতিচারণায় তেহেলকা পত্রিকায় গৌরি লিখেছিলেন একদিকে মাওবাদীদের সঙ্গে সেই সময় শান্তি আলোচনায় তারা উদ্যোগী হওয়ায় ও সাকেত সহ ২ মাওবাদীদের সসন্মানে শেষকৃত্য সম্পন্ন করার আবেদনের জন্য সংঘ পরিবারের লোকজন তাদের ক্ষেপে উঠেছিল।

সূত্রঃ

Gauri Lankesh on Com Saketh Rajan, satdin.in, khaboronline.com


স্বাধীনতা দিবসে পশ্চিমবঙ্গে নতুন করে আত্মপ্রকাশ মাওবাদীদের

85320-mb

ফের বাংলায় আত্মপ্রকাশ করল মাওবাদীরা। সেই সঙ্গে ম্লান হয়ে গেল মুখ্যমন্ত্রীর দাবি করা ‘জঙ্গলমহল হাসছে’।

জানা গিয়েছে, গতকাল মঙ্গলবার সকালে পুরুলিয়ার অযোধ্যা পাহাড় এলাকায় একটি সরকারি স্কুলে কালো পতাকা উত্তোলন করে মাওবাদীরা। শুধু তাই নয়, মাওবাদী মতাদর্শের পক্ষে নানাবিধ পোস্টারে ছেয়ে গিয়েছে অযোধ্যা পাহাড়ের বিস্তীর্ণ এলাকা। একইসঙ্গে উঠেছে সরকার বিরোধী স্লোগান।

চার বছর চুপ থাকার পর জঙ্গলমহলে চোখে পড়ল মাওবাদী কার্যকলাপ। এর আগে ২০১৩ সালে শেষবারের মতো মাওবাদী কার্যকলাপ দেখা গিয়েছিল রাজ্যের জঙ্গলমহল এলাকায়। তারপর আর মাওবাদীদের সক্রিয়তা দেখা যায়নি। এই ঘটনাকে রাজ্য সরকারের সাফল্য বলেই দাবি করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সাফল্যে যে ভাটা পড়তে চলেছে এদিনের ঘটনা তার জ্বলন্ত প্রমাণ।

সূত্রঃ https://www.kolkata24x7.com/maoist-come-out-in-bengal-after-four-years.html