ভারতঃ বক্সাইট খনি নিয়ে এসপি এর ভূমিকা নিয়ে মাওবাদী নেতার অভিযোগ

বিশাখাপত্তনমে বক্সাইট খনি

বিশাখাপত্তনমে বক্সাইট খনি

সিপিআই(মাওবাদী) পূর্ব বিভাগের সম্পাদক মাওবাদী নেতা কাইলাসাম, কয়েকটি মিডিয়াতে প্রচার হওয়া এক অডিও বার্তায় অভিযোগ করেছে যে, বিশাখাপত্তনমের পুলিশ সুপেরিন্টেনডেণ্ট কয়া প্রাভীন, জেলায় বক্সাইট খনি উত্তোলনের কাজে দায়িত্বপ্রাপ্ত কোম্পানি এজেন্সি গুলোকে সাহায্য করছে ও জনগণের আন্দোলনকে দমন করার চেষ্টা করছে। অডিও বার্তায় অভিযোগ করা হয়, এসপি বিশাখাপত্তম জেলার সংস্থা এলাকায় বক্সাইট খনির বিরুদ্ধে আদিবাসীদের আন্দোলন গড়ে উঠার প্ররোচনায় মাওবাদীদের দোষারোপ করার চেষ্টা করছে বলে দাবি করেছেন।
কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে যে, এটি জনগণের আন্দোলন ছিল এই কারণে যে বক্সাইট খনির উত্তোলনের কাজ এখানে প্রজন্ম ধরে বসবাস করা আদিবাসীদের সর্বনাশ ডেকে এনেছে।

এসপি কেন্দ্রীয় আধাসামরিক বাহিনী নিযুক্ত করে এলাকায় আধিপত্য বিস্তারের নামে  নিরীহ আদিবাসীদের ভয় দেখিয়ে এই অঞ্চলের উপর নিয়ন্ত্রণ লাভ করার চেষ্টা করছে বলে কাইলাসাম দাবি করেছেন।

পূর্ব বিভাগের সম্পাদক দাবী করেন, এসপি কয়া প্রাভীন মিথ্যা অভিযোগ করে যে-  বক্সাইট খনির প্রতিবাদে এজেন্সী এলাকায় মাওবাদীদের ডাকা সাম্প্রতিক বনধ ব্যর্থ হয়েছে । ‘সশস্ত্র রাষ্ট্রীয় পাহারায় কয়েকটি পরিবহন চলাচলকে বনধ ব্যর্থতার সফলতা হিসেবে পরিমাপ করা যায় না’- অডিও বার্তায় কাইলাসাম জাহির করেন।

তিনি পুলিশের প্রতি চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়ে বলেন – পুলিশ মিথ্যা তথ্য ছড়াচ্ছে যে, মাওবাদীরা উক্ত খনি এলাকার ভেতরে আদিবাসীদের গাঁজা চাষ ও ব্যবসার বিষয়ে সমর্থন দিচ্ছে।

সূত্রঃ http://www.thehindu.com/news/cities/Visakhapatnam/bauxite-mining-maoist-leader-alleges-sps-role/article7441904.ece


ভারতের ছত্তিশগড়ে ১০০ জন মাওবাদীর হামলায় ৭ পুলিশ নিহত, আহত ১২

abuhmarh

embed1

ভারতের ছত্তিশগড় রাজ্যে মাওবাদীদের হামলায় পুলিশের সাত এসটিএফ জওয়ান নিহত হয়েছে। সংঘর্ষে আহত হয়েছে অন্য ১২ জন পুলিশ।

আজ (শনিবার) ছত্তিশগড়ের সুকমা জেলার চিন্তাগুফার পিড়মেল-পোলামপল্লি এলাকায় পেডমাল জঙ্গলে এই হামলার ঘটনা ঘটে।

ছত্তীসগঢ় পুলিশের নকশাল দমন শাখার প্রধান, অতিরিক্ত ডিরেক্টর জেনারেল আর কে ভিজ জানিয়েছেন, পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্সের একটি দল শনিবার সুকমা জেলার চিন্তাগুফার পিড়মেল-পোলামপল্লি এলাকায় টহল দিচ্ছিলেন। রাজ্য পুলিশের বিশেষ বাহিনীর (এসটিএফ) ৬১ জন জওয়ানদের ওই  দলটি পিডমেল জঙ্গল হয়ে দরনাপাল অঞ্চলের দিকে যাচ্ছিলেন । অন্ধ্র প্রদেশের সীমানা এলাকায়  অপারেশনের জন্য রওনা হয়েছিলেন তারা। খবর পেয়ে অতর্কিত হামলা চালায় মাওবাদীরা, এলোপাথাড়ি গুলি ছুড়তে শুরু করে সশস্ত্র মাওবাদীরা। কিছু বুঝে ওঠার আগেই মৃত্যু হয় ওই জওয়ানদের। জওয়ানরা পাল্টা জবাব দিলেও গভীর জঙ্গলের আড়ালে পালাতে সক্ষম হয় মাওবাদীরা। আহত জওয়ানদের আকাশপথে চপারে করে দ্রুত চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে পুলিশের এডিজি (অ্যান্টি মাওয়িস্ট অপারেশন) আর কে ভিজ জানিয়েছেন।

জঙ্গলে তল্লাশি অভিযান চালানোর সময় প্রায় ১০০ জন মাওবাদী তাদের উপর হামলা চালায়। এই সময় এসটিএফ জওয়ানদের সঙ্গে মাওবাদীদের মধ্যে প্রায় টানা দু’ঘন্টা ধরে বন্দুক যুদ্ধ চলে। নিহত সাত পুলিশ কর্মীরা হল, প্লাটুন কমান্ডার শঙ্কর রাও, হেডকনস্টেবল রোহিত সোধি এবং মনোজ বাঘেল, কনস্টেবল মোহন ভিকে, রাজকুমার মারকাম, কিরণ দেশমুখ এবং রঞ্জন টিকাম।

২০১০ সালের এপ্রিলে ছত্তিশগড়ের সুকমাতে নকশালপন্থীদের হামলায় ৭৪ জন সিআরপিএফ জওয়ান নিহত হয়। ২০১৩ তে রাজ্যে কয়েকজন শীর্ষ কংগ্রেস নেতাসহ ২৫ জনকে হত্যা করে মাওবাদীরা।

সুত্র – http://indianexpress.com/article/india/india-others/seven-stf-personnel-killed-11-injured-in-maoist-attack-in-chhattisgarh/