ভারতঃ উত্তরবঙ্গে ৪৮ ঘন্টায় ৫ চা শ্রমিকের মৃত্যু

201512031318333035_Another-death-in-Tea-Garden_SECVPF

উত্তরবঙ্গের বন্ধ চা বাগানগুলিতে শ্রমিকদের মৃত্যু মিছিল অব্যাহত। গত মঙ্গলবার ও বুধবার এই দুই দিনে আলিপুর দুয়ারের বীরপাড়া ও কেন্দাপাড়ার দুটি বন্ধ চা বাগানে ৪ জন শ্রমিক মারা গেছেন। মৃত্যু হয়েছে জলপাইগুড়ির রেডব্যাঙ্ক চা বাগানে এক শ্রমিকেরও। মিডিয়ার সামনে মৃতদের পরিবার অভিযোগ করেছেন অর্থাভাবে, বিনা চিকিৎসা ও বিনা খাবারের কারণে তাদের মৃত্যু হয়েছে।

সূত্রঃ http://satdin.in/?p=6238

Advertisements

তুর্কির সমুদ্রতটে ছোট্ট শিশুর দেহও কি আমাদের নাড়া দেবে না?

11995425_10207683911561718_466214_n

11995467_10207683910721697_64925299_n

11951002_10207683911281711_1987035788_n

11992441_10207683911121707_1254156274_n

11938051_10207683912041730_557876935_n

11992257_10207683912881751_1510033456_n

যুদ্ধ বিধ্বস্ত সিরিয়া থেকে নৌকা করে পালিয়ে আসার সময় ডুবে যায় অনেকের সঙ্গে আয়েলান কার্দিও। ৩ বছরের ছোট্ট ছেলেটির নিথর দেহ ভেসে উঠে তুর্কির সমুদ্রতটে। আর এর পর থেকে নতুন করে শুরু হয়েছে শরণার্থী সমস্যা নিয়ে বিতর্ক। সরকারের সংবেদনশীলতা নিয়ে উঠতে শুরু করেছে প্রশ্ন। সিরিয়া, আফগানিস্তান, আফ্রিকা সহ বিভিন্ন যুদ্ধ বিধ্বস্ত দেশ থেকে ইউরোপে আসা শরণার্থীদের সমস্যা নিয়ে। এদের অধিকাংশের গন্তব্য জার্মানি। কিন্তু প্যারিস থেকে হাঙ্গেরি সর্বত্র হাজার হাজার মানুষ থাকতে বাধ্য হচ্ছেন হয় রাস্তায় নয়তো বাতিল হয়ে যাওয়া বিল্ডিংয়ে। এই অসহায় মানুষদের দায় নিতে রাজী নয় কোন দেশেরই সরকার। তবে আশার কথা ইউরোপীয় দেশগুলোর নাগরিকদের একটা অংশ এগিয়ে এসেছেন এদের পাশে। দুনিয়া জুড়ে বিভিন্ন অংশে যুদ্ধ চালু রাখার পিছনে যারা আসল কারিগর সেই বড় দেশগুলোর শাসকদের বিরুদ্ধে জনমত তৈরি হওয়া অত্যন্ত জরুরী। তা না হলে আরো অনেক আয়েলানের এই পরিণতি আমাদের দেখতে হবে।

সূত্রঃ http://satdin.in/?p=4571


ভারতঃ মাওবাদী বনধের ফোন নিয়ে ধোঁয়াশা

বনধের খবরেই স্তব্ধ যানবাহন। জাতীয় সড়কে ট্রাকের সারি। ধানবাদ।

বনধের খবরেই স্তব্ধ যানবাহন। জাতীয় সড়কে ট্রাকের সারি। ধানবাদ।

সংবাদমাধ্যমে কে ফোন করে জানিয়েছিল তিন দিনের মাওবাদী বনধের কথা? ওই তথ্য কি ভুল ছিল? গত রাতে সংবাদমাধ্যমে মাওবাদী মুখপাত্র গোপালজির পাঠানো বিবৃতিতে ওই প্রশ্নই উঠল।

ওই বিবৃতিতে জানানো হয়— ১২, ১৩ ও ১৪ জুন মাওবাদীরা কোনও বনধ ডাকেনি। পলামুর জঙ্গলে সিআরপি বাহিনীর গুলিতে ১২ জনের মৃত্যুর প্রতিবাদে ২৩ জুন বনধ পালন করা হবে। গোপালজি ওই বিবৃতিতে লিখেছেন— ‘আমরা তিন দিনের বনধ নিয়ে কোনও ফোন কাউকে করিনি। পুলিশ চক্রান্ত করে এ সব করেছে। ২৩ জুন ঝাড়খণ্ড, বিহার, ছত্তীসগঢ়ে বনধ পালন করা হবে।’ তা ছাড়া, ১৬ থেকে ২৩ জুন পর্যন্ত পিপলস লিবারেশন গেরিলা আর্মি (পিএলজিএ) ‘প্রতিরোধ সপ্তাহ’ পালন করবে। গোপালজির হুঁশিয়ারি, পলামুর জঙ্গলে সিআরপি বাহিনীর অভিযানের বদলা তাঁরা নেবেন। তাঁর দাবি, ওই সংঘর্ষে নিহত ১২ জনের মধ্যে পাঁচ জন তাঁদের সংগঠনের সদস্য ছিলেন না।

মাওবাদী নেতার বক্তব্য উড়িয়েছেন রাজ্য পুলিশের এডিজি সত্যনারায়ণ প্রধান। তিনি বলেন, ‘‘১১ জুন রাতে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের দফতর থেকে পুলিশকে জানানো হয়, মাওবাদী নেতা গোপালজি ফোন করে তিন দিন বন্‌ধের কথা জানিয়েছেন।’’ প্রধান জানান, কিন্তু পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চের কাছে সে রকম কোনও তথ্য ছিল না। পুলিশকর্তার মন্তব্য, ‘‘আমরা তখন সংবাদমাধ্যমগুলিকে জানিয়েছিলাম যে ওই ফোন ভুয়োও হতে পারে। তবে বনধের খবর প্রকাশিত হওয়ায় পুলিশ সর্তকতা নিয়েছিল।’’ প্রধান জানিয়েছেন, ২৩ জুন মাওবাদী বনধের খবর তিনি পেয়েছেন।

 এ দিকে তিন দিনের মাওবাদী বনধে ঝাড়খণ্ডের বিভিন্ন প্রান্তে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়। বোকারো, ধানবাদ, লাতেহার, হাজারিবাগের খনি অঞ্চলে কাজকর্ম বন্ধ ছিল। ঝাড়খণ্ড ট্রাক ওনার্স অ্যসোসিয়েশন জানিয়েছে, আগে মাওবাদী বন্‌ধে রাস্তায় ট্রাক পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনা ঘটেছিল। তাই বন্‌ধে তাঁদের কোনও সদস্য ট্রাক চালানোর সাহস দেখাননি।

এ দিকে, গুমলার চৈনপুরে ধৃত মাওবাদী সাব-জোনাল কম্যান্ডার অরবিন্দজি ওরফে প্রসাদ লকড়ার বাড়ি থেকে প্রচুর বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, সেখানে মিলেছে ১০০ কিলোগ্রাম অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট, তার ও বোমা তৈরির নানা সরঞ্জাম। বাড়ির উঠোনে বিস্ফোরক পুঁতে রাখা হয়েছিল। শুক্রবার প্রসাদকে গ্রেফতার করা হয়। আজ সকালে গুমলা থেকে ‘পিপলস লিবারেশন ফ্রন্ট অব ইন্ডিয়া’র আঞ্চলিক কম্যান্ডার অমৃত হোর ও জোনাল কম্যান্ডার অর্জুন রামকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

সুত্রঃ http://www.anandabazar.com/national/controversy-on-maoist-strike-at-ranchi-1.160498#


ভারতঃ ঝাড়খন্ডে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষেই কি ১২ মাওবাদীর মৃত্যু?

download (2)

ঝাড়খণ্ডে  মঙ্গলবার ভোররাতে মাওবাদী সন্দেহে পুলিশের গুলিতে নিহত হলেন ১২জন।এদের মধ্যে তিন জনের বয়স ১১ থেকে ১৪ বছরের মধ্যে।

ঝাড়খন্ডের পালামৌতে একটি গাড়ি করে যখন ওই ১২ জন যাচ্ছিলেন সেই সময় আগে থেকে খবর পেয়ে ওত্ পেতে বসেছিল পুলিশ-কোবরার জওয়ানরা। গাড়ি লক্ষ করে পুলিশ গুলি চালালে, গাড়ির ভিতর থেকে পাল্টা গুলি চালায় মাওবাদীরা। পালানোর চেষ্টা করায়  ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় ১২জনের। উদ্ধার হয় বেশ কিছু অস্ত্র। এমনটাই জানাচ্ছে ndtv। অন্যদিকে first post ও india today এর ওয়েব সাইটের রিপোর্ট অনুযায়ী দুটি গাড়ি করে মাওবাদীরা যাচ্ছিল। পুলিশের চেকিংয়ের সামনে পড়ে গিয়ে একটি গাড়ি গতি বাড়িয়ে দেয় অন্যটি থেকে মাওবাদীরা নেমে কোবরা জওয়ানদের লক্ষ্য করে গুলি চালাতে শুরু করে। পাল্টা গুলি চালায় নিরাপত্তাবাহিনীর জওয়ানরাও। আর এতেই নিহত হন ওই ১২জন। একই ঘটনা ভিন্ন রিপোর্টিং।  অন্যদিকে মানবাধিকার কর্মীরা প্রশ্ন তুলছেন পুলিশ- মাওবাদী সংঘর্ষই যদি হয় তাহলে কী করে শুধু মাওবাদীদেরই মৃত্যু হল ?

নিরাপত্তা বাহিনীর দাবি, তিন ঘণ্টা গুলির লড়াই চলে। নিহত হয় ১২ মাওবাদী। এদের মধ্যে তিন জনের বয়স ১১ থেকে ১৪ বছরের মধ্যে। পুলিশ জানিয়েছে, এই তিন কিশোর কী ভাবে মাওবাদীদের সঙ্গে যুক্ত হল, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। যদিও সংঘর্ষের ধরন ও তিন নাবালকের মৃত্যু নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন তুলেছেন কেউ কেউ। তাঁদের বক্তব্য, নিহতদের প্রত্যেকের দেহেই গুলির মারাত্মক ক্ষত রয়েছে। কিন্তু পুলিশ ও কোবরার গোটা বাহিনীই অক্ষত। অথচ পুলিশই নাকি অতর্কিত হামলার মুখে পড়েছিল। স্করপিও থেকেই প্রথম গুলি চলেছিল বলে তারা দাবি করছে। সে ক্ষেত্রে অন্ধকারে ঘন জঙ্গলে তিন ঘণ্টা সংঘর্ষের পরেও পুলিশের গায়ে কেন আঁচড়টুকুও লাগল না— সেই প্রশ্ন তুলেছেন তাঁরা। স্বাভাবিক ভাবেই ইঙ্গিতটা ভুয়ো সংঘর্ষের দিকে।

সূত্রঃ

http://www.satdin.in/index.php/13-2014-04-07-17-10-23/2399-2015-06-09-04-25-42