তুরস্কে কারাবন্দী মাওবাদী নারীরা অনশনে

etha-20121026-bakirkoy-cezaevi-04_display

YJA Star এর নারী গেরিলা কমরেড একিন ভান ও অন্যান্য শহীদ কমরেডদের শবদেহের প্রতি তুরস্কের সেনাবাহিনীর অমানবিক আচরণের প্রতিবাদে কারাবন্দী মাওবাদী MLKP / Komünist Kadın Örgütü (মার্কসবাদী-লেনিনবাদী কমিউনিস্ট পার্টি / কমিউনিস্ট নারী সংগঠন) এর নারীরা ২৭ শে আগস্ট থেকে ৫ দিনের অনশন শুরু করেছে। এ সময় মাওবাদী নারী বন্দীরা PKK এবং PJAK সংগঠনের কারাবন্দী গেরিলা কমরেডদের সাথে সংহতি জানিয়ে শহীদদের শবদেহ গুলো তাদের পরিবারকে ফিরিয়ে দেয়ার দাবী জানান।

MLKP/KKÖ এর কারাবন্দী মাওবাদী নারীরা লিখিত এক বিবৃতিতে জানান, সুরুক হত্যার পর AKP সরকার জনগণ, বিপ্লবী, সমাজতন্ত্রী ও দেশপ্রেমিক কুর্দিদের উপর তীব্র নিপীড়ন চালাচ্ছে। তুর্কি রাষ্ট্র জনগণের প্রতিরোধের স্থান গুলোতে বোমা বর্ষণ করছে, রাস্তা ঘাটে নির্যাতন চালিয়ে নির্বিচারে বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড চালাচ্ছে, Lice এবং Varto এর মত গ্রামের পর গ্রাম জ্বালিয়ে দিচ্ছে ও শহীদের শবদেহের প্রতি অমানবিক আচরণ করে যাচ্ছে ।

মাওবাদী নারীরা আরো জানান, সেনারা Varto গ্রামে নারী গেরিলা কমরেড একিন ভানকে ধর্ষণ ও হত্যা করে মৃতদেহ রাস্তায় ফেলে রাখে। এসময় সেনারা তাদের নৃশংসতা প্রকাশের জন্যে তার ছবি তুলে প্রচার করে।  আমরা সকল প্রগতিশীল, গণতন্ত্রী, বিপ্লবী বাহিনী এবং আমাদের জনগণ বিশেষ করে নারীদের আহবান জানাচ্ছি, এই রাষ্ট্র বিরোধী সংগ্রামকে শক্তিশালী করতে প্রতিরোধ আন্দোলন গড়ে তুলুন।

b

সূত্রঃ https://nouvelleturquie.wordpress.com/2015/08/27/female-prisoners-from-mlkpkko-go-on-a-hunger-strike/

http://www.etha.com.tr/Haber/2015/08/27/guncel/mlkpkkolu-kadin-tutsaklar-aclik-grevinde/


ভারতঃ ২০১৩ সালের মাওবাদী হামলাঃ কংগ্রেস নেতাদের হত্যাকাণ্ডে সিপিআই (মাওবাদী) নেতৃত্বের দুঃখ প্রকাশ

article-2330992-19FF989E000005DC-674_634x507

২০১৩ সালে জীরাম ঘাঁটিতে মাওবাদীদের যে হামলায় ছত্তিসগড়ে কংগ্রেসের প্রায় পুরো নেতৃত্বকে মুছে ফেলা হয়, সে হামলাটি কেবল রাজ্য মন্ত্রী মহেন্দ্র কর্মাকে লক্ষ্য করেই চালানো হয়েছিল, কিন্তু পিএলজিএ এর গেরিলারা অন্যান্যদেরও হত্যা করে ফেলে। বালাঘাট থেকে শীর্ষ মাওবাদী নেতা দিলীপ ওরফে গুহ উইককে গ্রেফতারের পর উদ্ধারকৃত দলিলপত্র থেকে এসব তথ্য বেরিয়ে এসেছে। এতে লেখা আছে, সালওয়া জুডুম চালু করার কারণে কর্মাকে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করা হয়েছিল। সুকমা জেলার দরভা উপত্যকার হামলায় ছত্তিসগড় কংগ্রেসের প্রধান নন্দ কুমার প্যাটেল, তার পুত্র দীনেশ, প্রাক্তন ইউনিয়ন মন্ত্রী ভি সি শুক্লা ও অন্যান্যদেরও হত্যা করা হয়। দলিলপত্র থেকে আরো বেরিয়ে এসেছে যে, স্থান বাছাই, ২৩টি অস্ত্র উদ্ধার ও সফল ভাবে নিশপন্ন করার কারণে এ হামলাকে একটি ‘শানদার হামলা’ হিসেবে বিবেচনা করেছে সিপিআই (মাওবাদী) নেতৃত্ব। তবে নেতৃত্ব এটাও অনুভব করছে যে এ হামলায় ব্যাপক মূল্য দিতে হয়েছে। কারণ এ হামলার কারণে মাওবাদী আন্দোলনকে সন্ত্রাসবাদের সাথে মিলিয়ে দেখানোর সুযোগ পেয়েছিল রাজনৈতিক দল ও গণমাধ্যম গুলো। দলিলে উল্লেখ করা হয়েছে, “প্যাটেল, তার পুত্র, শুক্লা ও অন্যান্যদের ছেড়ে দিয়ে আমরা সহানুভূতি জয় করতে পারতাম, কিন্তু অনিচ্ছাকৃতভাবে নিরপরাধদের হত্যা করার ফলে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও কর্পোরেট গণমাধ্যমগুলো আমাদেরকে সন্ত্রাসীর তকমা এঁটে দিল।”

দিলীপকে জেরাকারী এক উর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তা বলেছেন সিপিআই (মাওবাদী) এর কেন্দ্রীয় কমিটি প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ হামলার বিশ্লেষণ করে ও ভবিষ্যতে ভুল ও ক্ষয়ক্ষতি এড়ানোর লক্ষ্যে হামলার মধ্যকার সমস্যাগুলো দলের অল্প কিছু শীর্ষ নেতার সাথে আলোচনা করে থাকে। গত সপ্তাহে দিলীপকে (৩৬) গ্রেফতার করা হয়, তার নামে ছত্তিসগড়, মহারাষ্ট্র ও মধ্য প্রদেশে ২০০টির বেশী মামলা রয়েছে। তার গ্রেফতারের পর পুলিশ প্রায় ১০০০ পৃষ্ঠার মতো দলিলপত্র উদ্ধার করেছে। এর অধিকাংশই ছত্তিসগড়ি ও গোন্ডি ভাষায়। পুলিশের ভাষ্যমতে, দিলীপ জানিয়েছেন যেসব দলিলপত্রে ‘গোপনীয়” লেখা থাকে সেগুলো কেবল দলের বিভাগীয় পর্যায়ের ও কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্যদের জন্য। তিনি বলেন, এছাড়া অন্যান্য কাগজপত্র ক্যাডারদের পরিচালনা ও হিসাবপত্র সংক্রান্ত হয়ে থাকে।

সূত্রঃ

http://indianexpress.com/article/india/india-others/2013-naxal-attack-cpi-maoist-leadership-regrets-killing-congress-leaders/