মহালছড়িতে পাহাড়ীদের উপর বর্বর আক্রমণ, বেনামে সামরিক শাসন চলছে

elaheebd_1266775294_4-Bangladesh-Army_jumma_town

মহালছড়িতে পাহাড়ীদের উপর বর্বর আক্রমণ, বেনামে সামরিক শাসন চলছে

(অক্টোবর/২০০৩)

কিছুদিন আগে সেনাবাহিনী, পুলিশ ও পুনর্বাসিত বাঙালীরা সম্মিলিতভাবে পার্বত্য চট্টগ্রামের মহালছড়িতে পাহাড়ীদের ৪০টা বাড়ি পুড়িয়ে দিয়েছে।  এখানেই শেষ নয়।

পাহাড়ী জনগণের প্রতিবাদ-প্রতিরোধকে স্তব্ধ করার জন্য সন্ধ্যার পর কোন পাহাড়ী চলাফেরা করতে পারবে না- এ জাতীয় অধ্যাদেশ জারির পাঁয়তারা করছে চারদলীয় সরকার।
বিগত ৩০ বছর বাঙালী বড় ধনী শ্রেণীর সরকার আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টির নামে সংখ্যালঘু পাহাড়ী জাতিসত্তাকে উচ্ছেদের লক্ষ্যে অব্যাহত দমন- নির্যাতন চালিয়ে আসছে।  তথাকথিত শান্তিচুক্তির নামে জনসংহতি সমিতি আত্মসমর্পণের পর এই দমন-নির্যাতন ভিন্নরূপ নিয়েছে ও সম্প্রতি তা পুনরায় তীব্র হয়ে উঠেছে।
বিএনপি’র নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট সরকার ক্ষমতায় এসেই বিশ্বব্যাংক, আইএমএফ-এর নির্দেশে আদমজীসহ মিলকারখানা উচ্ছেদ-বস্তি উচ্ছেদ-হকার উচ্ছেদ-রিক্সা উচ্ছেদ-ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের উচ্ছেদ-পাহাড়ী জাতিসত্তা উচ্ছেদসহ সর্বত্র উচ্ছেদ অভিযান চালাচ্ছে। তাই পাহাড়ী নিপীড়িত জাতিসত্তাকে বাঙালী নিপীড়িত জনগণের সাথে সম্মিলিতভাবে সাম্রাজ্যবাদের দালাল আমলা-মুৎসুদ্দি বুর্জোয়া শ্রেণীকে উচ্ছেদের সংগ্রাম করতে হবে।  এজন্য সারা দুনিয়ার সর্বহারা শ্রেণী ও নিপীড়িত জনগণের মুক্তির মতবাদ মাওবাদকে গ্রহণ করতে হবে। পাহাড়ী জনগণের বিগত ৩০ (ত্রিশ) বছরের সংগ্রাম প্রমাণ করেছে এছাড়া জুম্ম জাতিসত্তার মুক্তির কোন বিকল্প নেই।

সূত্রঃ পাহাড় ও সমতলে আদিবাসী জাতিসত্ত্বার সংগ্রাম সম্পর্কে নিবন্ধ সংকলন, আন্দোলন প্রকাশনা

Advertisements

ধর্ষণই বেতন দক্ষিণ সুদানের সেনাদের!

Sudan_2200498b

প্রাচীন রোমে সেনাদের বেতন হিসেবে লবণ দেওয়া হতো। মাঝখানে কেটে গেছে বহু সময়। এখন অবশ্য সেনাদের বেতন নগদ অর্থেই মেটায় সরকারগুলো। কিন্তু দক্ষিণ সুদানে এবার সেনাদের বেতন দেওয়া হচ্ছে ধর্ষণের বিনিময়ে। এমন অস্বাভাবিক ও গা শিউরে ওঠা বিভৎসতায় স্তম্ভিত পুরো বিশ্ব।

‘চোখের সামনে স্বামীকে হত্যা করলো সেনারা। আর তারপরই ১৫ বছর বয়সী কিশোরীর ওপর হায়নার মতো ঝাপিয়ে পড়লো ১০ জন।’- এই দু’টো লাইন একটা নির্দিষ্ট ঘটনাকে উপস্থাপন করলেও এই চিত্রনাট্য এখন নিত্যদিনের ঘটনা দক্ষিণ সুদানে।

খোদ জাতিসংঘ বলছে, দেশটির সরকার তার সেনা ও মিলিশিয়াদের জন্য বেতন হিসেবে ধর্ষণকে বৈধতা দিয়েছে।

শুক্রবার (১১ মার্চ) প্রকাশিত নতুন এক প্রতিবেদনে এ মন্তব্য করেছে বিশ্বসংস্থাটি। এতে জানানো হয়, ২০১৫ সালে শুধুমাত্র দেশটির তেলসমৃদ্ধ ইউনিটি রাজ্যেই ধর্ষণের শিকার হয়েছেন এক হাজার তিনশ নারী।

দেশটির এমন পরিস্থিতিকে বিশ্ব মানবতার ‘সবচেয়ে ভয়ঙ্কর চেহারা’ বলে মন্তব্য করেছেন দক্ষিণ সুদানে জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক দূত জেইদ রা’আদ আল আল হুসেইন।

এক নারী প্রত্যক্ষদর্শীর বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে জানানো হয়, ১৫ বছর বয়সী এক কিশোরীর স্বামীকে হত্যার পর তার ওপর ঝাপিয়ে পড়ে গোটা দশেক সেনা। পাষণ্ডের মতো তাকে গণধর্ষণ করে তারা।

জাতিসংঘ বলছে, দক্ষিণ সুদানে সেনাদের জন্য অপহরণ, ধর্ষণ-গণধর্ষণ, হত্যা-গণহত্যার বৈধতা দিয়ে রেখেছে দেশটির সরকার।

প্রতিবেদনে মানবাধিকার সংস্থাটি বলেছে, আমাদের মূল্যায়নকারী দল তথ্য পেয়েছে, দক্ষিণ সুদানিজ আর্মির (এসপিএলএ) সঙ্গে কাজ করা দেশটির সশস্ত্র মিলিশিয়াদের সঙ্গে সরকারের ‘যেকোনো কিছু করার ও যেকোনো কিছু ছিনিয়ে নেওয়ার’ চুক্তি রয়েছে।

প্রতিবেদনে আরো জানানো হয়েছে, এ চুক্তির পর দেশটির সেনারা বিভিন্ন বাড়িতে হানা দিয়ে সম্পদ ছিনিয়ে নেওয়া, ধর্ষণ এবং নারী ও কিশোরীদের অপহরণ শুরু করে। এগুলোই তাদের বেতন বলে ধরা হয়।

এছাড়া, বিরোধীদের সমর্থনের অভিযোগে দেশটিতে শিশু থেকে প্রাপ্তবয়স্ক অনেককেই জীবন্ত পুড়িয়ে বা শিপিং কন্টেইনারে পুরে শ্বাসরোধ করে কিংবা গাছের সঙ্গে ফাঁস দিয়ে হত্যা করেছে সেনারা। কাউকে কাউকে তো কেটে টুকরো টুকরোও করা হয়েছে।

অপর এক প্রতিবেদনে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালও দক্ষিণ সুদানের সেনাদের বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগ তুলেছে। বেসরকারি মানবাধিকার সংস্থাটির দাবি, এ অভিযোগের পক্ষে তাদের কাছে প্রমাণও রয়েছে।

প্রতিবেদনে সংস্থাটি জানিয়েছে, গত বছরের অক্টোবর মাসে ৬০ জনেরও বেশি নিরস্ত্র মানুষকে শিপিং কন্টেইনারে পুরে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছে সেনারা। হত্যার পর তাদের দেহগুলো ইউনিটি রাজ্যের লীর শহরের একটি মাঠে পুঁতে ফেলা হয়েছে।

অ্যামনেস্টির লামা ফাইখ বলেছেন, দেশটির সরকারি বাহিনীর সদস্যরা শত শত মানুষকে হত্যা করেছে। নির্যাতন করে ধীরে ধীরে তাদেরকে বিভীষিকাময় মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেওয়া হয়েছে।

অ্যামনেস্টি জানিয়েছে, ঘটনা জানতে তারা ৪২ জনেরও বেশি প্রত্যক্ষদর্শীর সাক্ষাৎকার নিয়েছে। এর মধ্যে ২৩ জন দাবি করেছেন, তারা সরাসরি হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হতে দেখেছেন। নিহতদের মধ্যে বেশ কয়েকজন কিশোরও ছিল।

২০১১ সালে সুদানের কাছ থেকে স্বাধীনতা অর্জনের পর দক্ষিণ সুদান ধীরে ধীরে গৃহযুদ্ধের দিকে এগিয়ে যেতে থাকে। ২০১৩ সালের ডিসেম্বর মাস থেকে এ সংকট প্রকট আকার ধারণ করে। এরপর গত তিন বছরে সেখানে প্রাণ গেছে হাজারো মানুষের। ঘরছাড়া হয়েছেন লাখেরও বেশি।

তবে এসব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে দেশটির সরকার। প্রেসিডেন্ট সালভা কিইরের মুখপাত্র আতেনি ওয়েক আতেনি বলেছেন, আমাদের আইন রয়েছে এবং আমরা সে অনুসারেই কাজ করছি।

সূত্রঃ http://www.banglanews24.com/fullnews/bn/473132.html


মার্কিন সেনাবাহিনীতে আত্মহত্যার প্রবণতা আরও বেড়েছে

4bhkb9ede309b81j3a_620C350

মার্কিন সেনাবাহিনীতে আত্মহত্যার হার গত বছরের তৃতীয় ত্রৈমাসিকে আশংকাজনকভাবে বেড়েছে। মার্কিন সেনাবাহিনীর এক প্রতিবেদনে এ কথা বলা হয়েছে। মার্কিন ডিফেন্স সুইসাইড প্রিভেনশন অফিস এ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

এতে দেখা যায়, রিজার্ভ ইউনিটসহ মার্কিন সেনাবাহিনীর সব শাখায় গত বছরের জুলাই থেকে সেপ্টেম্বরের মধ্যে আত্মহত্যার হার বেড়েছে। ২০১৪ সালের একই সময়ের তুলনায় এ হার বেড়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৪ সালে চাকরিতে সক্রিয় সেনা সদস্যদের মধ্যে ৫৭ জন আত্মহত্যা করেছিল। কিন্তু গত বছর এ সংখ্যা বেড়ে ৭২-এ পৌঁছেছে। অন্যদিকে একই সময়ে রিজার্ভে সেনাদের আত্মহত্যার সংখ্যা ৪৮ থেকে বেড়ে ৭০-এ গিয়ে ঠেকেছে।

একই সময়ে সবচেয়ে বেশি আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে মেরিন কোরে। এ বাহিনীতে ২০১৪ সালে ৬ জনের আত্মহত্যার ঘটনা ঘটলেও ২০১৫ সালে তা এক লাফে ১৩-তে গিয়ে পৌঁছেছে।

প্রতিবেদনে আত্মহত্যার কারণ নিয়ে কোনো মন্তব্য করা হয় নি।

অবশ্য বিদেশে দীর্ঘদিন মোতায়েন রাখা এবং যুদ্ধ ফেরত সেনাদের যথাযথ সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত না করাকে দেশটির সেনা সদস্যদের আত্মহত্যার প্রধান কারণ হিসেবে মনে করা হয়ে থাকে।


ভারতঃ আসাম- মাওবাদী দমনে আধা সেনার বিজ্ঞপ্তি লক্ষীপুরে

download

 

assam

 

সুত্রঃ  http://samayikprasanga.in/epaper.php?pn=2