অধ্যাপক জিএন সাইবাবা’র প্রতিরক্ষায় ২৯শে মার্চ, ভারত বনধ ডেকেছে সিপিআই(মাওবাদী)

 

বার্তা সংস্থা TNN থেকে প্রাপ্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, গত ৭ই মার্চ দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অধ্যাপক জিএন সাইবাবা এবং অন্য চারজন- হেম মিশ্র, বিজয় তিকরী, মহেশ তিকরী, প্রশান্ত রাহী ও পাণ্ডু নারটে’র যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের প্রতিবাদে আগামী ২৯শে মার্চ সিপিআই(মাওবাদী) দেশব্যাপী হরতাল, ভারত বনধ ডেকেছে।

বিপ্লবী নেতা ভগৎ সিং, সুখদেব ও রাজগুরু’র শহীদ দিবস স্মরণে পুঁজিবাদ বিরোধী সপ্তাহের শেষের দিকে ২৯শে মার্চের এই কর্মসূচী নেয়া হয়েছে।

Advertisements

দিল্লী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ডঃ সাইবাবা’র প্রেস বিবৃতি

gnsaibaba

Press Statement

April 14, 2016

On the 4th of April, the Hon’ble Supreme Court of India granted me bail, and I have finally returned home, after spending more than three and a half months in prison, pursuant to the cancellation of the interim bail granted to me by the Bombay High Court.This last stint in Jail has adversely affected my health and I have to resume medical treatment immediately, to try and restore basic mobility of some of my limbs and muscles.

At the outset, I wish to thank all my lawyers in Delhi, Bombay, Nagpur, and Gadchiroli, who appeared for me, and defended me in the strongest manner in Court, both to secure my bail and while conducting the trial of my case in Gadchiroli. Without them, I would still be languishing in jail. My fight for justice, is far from over and I forsee many more legal challenges in the case but I am confident that my lawyers will deal with those challenges with professional skill and dedication.

I would specially like to thank the teachers, students and activists who formed a Defense Committee and conducted several programmes in the last two years demanding that I be released forthwith. I thank Professor Haragopal, Dr. Nandita Narain, Dr. Karen Gabriel, Dr. Hany Babu and all other members of the Defense Committee who relentlessly fought for my release. I thank the Delhi University Teachers Association (DUTA) and various teachers’ unions of different universities that stood up for my rights and release.

I would also like to thank all those intellectuals, teachers, students, political organizations, writers, democratic rights activists, disability rights activists, cultural activists, media
persons and many others who fought for my release. In prison, I got news about various programmes that were being held across the world demanding that I be released from prison. This gave me the mental strength and will power to combat and endure the hostile and inhuman conditions that I was exposed to in prison. I do not personally know many of the people who stood in my support and who came out to protest against the violation of my democratic rights. I feel humbled and I am truly grateful that I received such widespread support.

We now, more than ever before in our history, face an unprecedented assault on all forms of democratic rights and freedoms. Our campaigns, therefore, must not end with the release of a few individuals but must oppose all forms of injustice, oppression and exploitation. Hundreds of thousands of Adivasis are being displaced from their homes and forests as they face brutal repression at the hands of the State and so many of them remain in jail, without proper legal representation and on very flimsy charges. We must come out in support of these poorest and most vulnerable sections of our population. We must also, aim to break free from the larger prison that forces us to live under the shackles of Brahmanical feudalism and fascism. We must remain
vigilant, so that the rights of minorities, both ethnic and religious, are not violated by the State. As someone who has been a democratic rights activist throughout my life, I can say with confidence, that in the days to come, these struggles will continue, with renewed passion and vigour.

G N SAIBABA
University of Delhi
Delhi


‘মাওবাদী সহানুভূতিশীল’ সাইবাবার স্থানান্তর ঝুঁকিপূর্ণঃ মহারাষ্ট্র সরকার

freesaibabaredstar

দেবেন্দ্র ফডনবিশ সরকার হুইলচেয়ারে আবদ্ধ দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও কথিত মাওবাদী সহানুভূতিশীল সাইবাবার  নাগপুর জেল থেকে গাদচিরোলিতে জেলায় স্থানান্তরের বিষয়ে বিরোধিতা করেছে, সরকারের ধারণা মাওবাদী অধ্যুষিত এই এলাকার মাওবাদীরা সাইবাবাকে উদ্ধারের চেষ্টা চালাতে পারে।

সুপ্রিম কোর্ট গত ২৩শে ফেব্রুয়ারি সাইবাবার নির্জন কারাবাসের বিষয়ে মহারাষ্ট্র সরকারকে সাইবাবার জন্যে গাদচিরোলিতে বিকল্প আবাসনের কথা বলেন, কারণ নিষিদ্ধ নকশাল সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে আনা ফৌজদারি মামলা সেখানে অমীমাংসিত রয়ে গেছে।

২০১৪ সালের মে মাসে দিল্লী বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস থেকে গ্রেফতার হওয়া অধ্যাপক সাইবাবা নাগপুর জেলেই বন্দী আছেন। গাদচিরোলিতে তার মামলার কার্যক্রম জন্যে প্রতিবার তাঁকে ১৭০কিমি ভ্রমন করতে হয়।

শীর্ষ আদালতের আগে দেয়া এক হলফনামায় মহারাষ্ট্রের সরকার বলছে, ‘তাদের কাছে গোয়েন্দা তত্থ্য রয়েছে যে মাওবাদীরা সাইবাবাকে মুক্ত করতে একটি প্রচারণা শুরু করেছে। সাইবাবাকে যদি গাদচিরোলিতে কারাগারের বাইরে রাখা হয়, তবে মাওবাদীরা তাঁকে মুক্ত করতে পুলিশের উপর হামলা করতে পারে।’

এটা একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক প্রেস নোটে উল্লেখ করা হয় যে সাইবাবার মুক্তির জন্য একটি দেশব্যাপী আলোড়ন তৈরি করতে ক্যাডারদের আহবান জানানো হয়।

একটি বেঞ্চ, রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী নিশান্ত কাটনেসরকারকে বলেন, “আমরা চাই আপনারা(রাজ্য সরকার) তাঁকে আরামদায়ক অবস্থানে রাখবেন, আমাদের বলুন আপনারা তাকে কিভাবে স্বস্তিপূর্ণ রাখবেন, আপনারা তাঁকে নির্জন কারাবাসে রাখতে পারেননা।”

অনুবাদ সূত্রঃ hindustantimes


কারারুদ্ধ অধ্যাপক সাইবাবা চিকিৎসার অভাবে তার হাত হারানোর শঙ্কা প্রকাশ করেছেন

saibabaprof

গাদচিরোলিতে জেলা ও দায়রা জজ আদালতে প্রধান বিচারকের কাছে হাতে লেখা একটি চার পৃষ্ঠার  চিঠিতে, কারারুদ্ধ দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক জি সাইবাবা বিশেষ চিকিৎসা সেবা চেয়েছেন এবং মাটিতে বসে খাবারের ব্যবস্থার কারণে তার স্বাস্থ্যের দ্রুত অবনতি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন। গত ৫ই জানুয়ারী তারিখে NDTV তে প্রচারিত এক চিঠিতে হুইলচেয়ার আবদ্ধ থাকা ইংরেজির এই অধ্যাপক দাবী করেন যে, তিনি শারীরিক ভাবে ৯০ ভাগ অক্ষম। তিনি বলেন, “আমি হার্ট, লিভার, স্নায়ু, কিডনি ও গলব্লাডার সহ বিভিন্ন ধরণের খুব খারাপ রোগে ভুগছি, জেলে যাওয়ার পূর্বে আমার কর্মক্ষম বাঁ হাতটি বর্তমানে ক্রমান্বয়ে প্যারালাইজ হয়ে যাচ্ছে। আমার বাম কাঁধের জন্যে Indian Spinal Injuries Centre (ISIC) এ নিয়মিত চিকিৎসা নিয়েছি,  যা কারাগারে গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আমার স্নানের জন্যে এবং পা, পেছনের মেরুদণ্ডের স্নায়ুর ব্যাথা কমাতে ও ক্ষতিগ্রস্ত বা হাতের জন্যে গরম জল দরকার- এই সুবিধা আমাকে আগে দেয়া হত, আমাকে আবারো একই সুবিধা দেয়ার আহবান রাখছি- এগুলো ছাড়া আমি বেঁচে থাকতে পারবো না”। সাইবাবা আগে থেকেই তার পা ব্যবহার করতে না পারার কারণে তিনি তার দৈনন্দিন কাজে হাতের উপরেই নির্ভরশীল আছেন। তিনি আরো বলেন, “আগে আমি রোগের জন্যে বিভিন্ন থেরাপি নিতাম, বর্তমানে সেগুলো বন্ধ করে দেয়া হয়েছে, এতে আমার বাঁ হাত বেশ ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে, পোলিও’র কারণে আমার দুই পা সহ শরীরের ৯০ ভাগই অক্ষম, যার ফলে আমি না পারছি দাঁড়াতে, না পারছি হাঁটতে । আমি হুইল চেয়ারে আবদ্ধ হয়ে গেছি, আমার বাঁ হাতটির চিকিৎসা না হলে, এক হাত নিয়েই বেঁচে থাকতে হবে। যা আমার জীবনকে অনেকটা অসম্ভব পরিণতির দিকে নিয়ে যাবে।”

উল্লেখ্য যে, মাওবাদীদের সাথে যোগাযোগের কারণে অভিযুক্ত অধ্যাপক সাইবাবার ৩১শে ডিসেম্বর ২০১৫ পর্যন্ত জামিন ছিল।

2A736FB200000578-3157571-Dr_G_Naga_Saibaba_47_as_born_and_grew_up_in_East_Godavari_in_And-a-12_1436654691635

অনুবাদ সূত্রঃ http://www.huffingtonpost.in/2016/01/14/saibaba-jail-treatment_n_8975794.html


ভারতঃ অধ্যাপক সাইবাবাকে বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসার অনুমতি দিল বোম্বে হাইকোর্ট

gn_saibaba_20150518.jpg

মাওবাদীদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার সন্দেহে জেলবন্দি দিল্লী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক জিএন সাইবাবাকে বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা করানোর অনুমতি বুধবার দিল বোম্বে হাইকোর্ট। এর আগে সাইবাবার তরফে আদালতকে জানান হয় জেলে তাঁর কোন চিকিৎসা সম্ভব নয়।

আদালতকে গত সপ্তাহেই সংবাদপত্রের রিপোর্টকে উল্লেখ করে পূর্ণিমা উপাধ্যায়ে নামে এক  মহিলার  আদালতে পাঠানো চিঠিকে গুরুত্ব দিয়ে সাইবাবার মেডিক্যাল রিপোর্ট সরকারের কাছে চেয়ে পাঠায় বোম্বে হাইকোর্টের প্রধান বিতারপতি মোহিত শা ও একে মেননের ডিভিশন বেঞ্চ।

গত বছর মে মাসে দিল্লির ফ্ল্যাট  থেকে কার্যত অপহরণের কায়দায় ৯০ শতাংশ শারীরিক প্রতিবন্ধী সাইবাবাকে  গ্রেফতার করে মহারাষ্ট্রের পুলিস। এর পর তাঁকে রাখা হয়েছে নাগপুরের কুখ্যাত আন্ডা সেলে। সাইবাবার মুক্তির দাবিতে সরব হয়েছেন বহু বিশিষ্টজন। কিন্তু সারাদেশে অসংখ্য মানুষ বিনা বিচারে বা জামিনের অর্থ জোগাড় করতে না পেরে জেলেই থাকতে বাধ্য হচ্ছেন।

সুত্রঃ http://satdin.in/?p=2258


ভারতঃ মাওবাদী সন্দেহে গ্রেফতার অধ্যাপকের মুক্তির দাবিতে সরব অরুন্ধতি রায়

saibabaprof

images (2)

দিল্লির রামলাল কলেজের অধ্যাপক জিএন সাইবাবা জেলে রয়েছেন কারণ তিনি সরকারের গ্রিন হ্যান্ট অভিযানের পর্দা ফাঁস করেছিলেন। ২৩ মে দিল্লিতে সাইবাবার মুক্তির দাবিতে হওয়া এক  কনভেনশনে এই কথা বলেন অরুন্ধতি রায়।

অরুন্ধতির মতে  সাইবাবার মুক্তির দাবিতে শুধু নয় সবাইকে এক হয়ে করপোরেট শোষণের  বিরুদ্ধে সংগ্রামে সামিল হতে হবে। কারণ সেই সংগ্রাম করতে গিয়েই  সাইবাবা এখন জেলে রয়েছেন বলে মনে করেন এই বিশিষ্ট লেখিকা।

সলমন খান মত্ত অবস্থায় গাড়ি চাপা দিয়ে মানুষ মারায় দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পরও সাজা না কেটে জেলের বাইরে থাকেন অথচ দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক জিএন সাইবাবাকে ১ বছর ধরে জেলে পচতে হচ্ছে। গত বছর মে মাসে তাঁর দিল্লির ফ্ল্যাট থেকে কার্যত অপহরণ করে নিয়ে যাওয়া হয় সাইবাবাকে। এর পর জানা যায় মহারাষ্ট্র পুলিস তাঁকে গ্রেফতার করেছে। সাইবাবার বিরুদ্ধে অভিযোগ তিনি কোন মাওবাদী নেতাকে কম্পিউটার চিপ দিয়েছিলেন। অভিযোগ মাত্র, তাঁর বিরুদ্ধে কোন অপরাধ এখনও প্রমাণ  হয়নি। তা সত্ত্বেও ৯০ শতাংশ শারীরিক প্রতিবন্ধী  এই অধ্যাপককে রাখা হয়েছে কুখ্যাত আন্ডা সেলে। সাইবাবার মত ৩ লক্ষের বেশি বিচারাধীন বন্দি সারা দেশে জেলে পচে মরছেন।

এই বিষয় বিস্তারিত একটি লেখা প্রকাশিত হয়েছে কাফিলা(kafila) ওয়েবসাইটে।


দোষী সলমন জামিন পায়, অধ্যাপক জিএন সাইবাবাকে দোষ না করেও জেলে পচতে হয়

yhg

সলমন খান মত্ত অবস্থায় গাড়ি চাপা দিয়ে মানুষ মারায় দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পরও সাজা না কেটে জেলে থাকেন অথচ দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক জিএন সাইবাবাকে ১ বছর ধরে জেলে পচতে হচ্ছে। গত বছর মে মাসে তাঁর দিল্লির ফ্ল্যাট থেকে কার্যত অপহরণ করে নিয়ে যাওয়া হয় সাইবাবাকে। এর পর জানা যায় মহারাষ্ট্র পুলিস তাঁকে গ্রেফতার করেছে। সাইবাবার বিরুদ্ধে অভিযোগ তিনি কোন মাওবাদী নেতাকে কম্পিউটার চিপ দিয়েছিলেন। অভিযোগ মাত্র, তাঁর বিরুদ্ধে কোন অপরাধ এখনও প্রমাণ  হয়নি। তা সত্ত্বেও ৯০ শতাংশ শারীরিক প্রতিবন্ধী  এই অধ্যাপককে  রাখা হয়েছে কুখ্যাত আন্ডা সেলে। সাইবাবার মত ৩ লক্ষের বেশি বিচারাধীন বন্দি সারা দেশে জেলে পচে মরছেন। এই বিষয় বিস্তারিত একটি লেখা প্রকাশিত হয়েছে কাফিলা(kafila) ওয়েবসাইটে।

সুত্রঃ http://kafila.org/2015/05/10/much-better-to-run-over-the-poor-than-to-speak-up-for-them/#more-25354