ভারতঃ মাওবাদী সংবাদ(ভিডিও)

maoist1-655x360

ভারতের বিহার ও ঝাড়খন্ড রাজ্যে বনধকে কেন্দ্র করে ৩২টি যানবাহনে আগুন ধরিয়ে দিল মাওবাদীরা। তাদের দু’দিনের ডাকা বনধের প্রথম দিনেই আজ (সোমবার) গ্রান্ড ট্রাঙ্ক রোডে ট্যাঙ্কার ও কন্টেইনারসহ ৩২টি যানবাহনে আগুন ধরিয়ে দেয়া হয়।

 এক নারী নেত্রীকে হত্যা করার ঘটনার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানানোর জন্য মাওবাদীরা এই বনধের ডাক দেয়। রোববার গভীর রাতের এই হামলায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

 বিহার পুলিশের পাটনা জোনাল মহাপরিদর্শক (আইজি) কুন্দন কৃষ্ণাণ জানান, ‘বিষ্ণুপুর এবং তারাডিহ গ্রামের কাছে জিটি রোডের উপর ৫০ জনের বেশি মাওবাদী হামলা চালিয়ে ৩২টি যানবাহনে আগুন ধরিয়ে দেয়। এসব যানবাহনের মধ্যে চারটি ট্যাঙ্কারে গ্যাস সিলিন্ডার ছিল। এছাড়া একটি ট্যাঙ্কারে ডিজেল ছিল। অন্য একটি গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়ার আগে আরোহীদের নিরাপদে চলে যেতে দেয় তারা।’

রাজ্যের সারণ জেলায় পানাপুরেও সশস্ত্র মাওবাদীরা একটি মোবাইল টাওয়ারে আগুন ধরিয়ে দেয়।

 মাওবাদীরা গত ১৬ মে সিআরপিএফের সঙ্গে সংঘর্ষে চাতরা-গিরিডিহ সীমান্ত জোনের কমান্ডার ও বিহার-ঝাড়খন্ড-ছত্তিশগড় বিশেষ এরিয়া কমিটির মেম্বার সারিতা ওরফে ঊর্মিলা গঞ্জু নিহত হওয়ার প্রতিবাদে এই বনধের ডাক দেয়।

 পুলিশের মহাপরিদর্শক বলছেন, ঘটনাস্থলে গয়ার সিনিয়র পুলিশ সুপার এবং উপ মহাপরিদর্শক পৌঁছেছেন এবং আগুনে জ্বলতে থাকা যানবাহন সরিয়ে ফেলা হয়েছে।

অন্যদিকে, ঝাড়খন্ড সরকার মাওবাদীদের ডাকা বনধকে কেন্দ্র করে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।

ভারতের মধ্যপ্রদেশে এক মাওবাদী নেতাকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে।
দিলীপ মারকাম নামে এই নেতার বিরুদ্ধে হত্যা, লুট, রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ সংগঠিত করার কারণে একশো ত্রিশটি মামলা আছে।
তাকে ধরিয়ে দেয়ার জন্য বিশ লাখ রুপি পুরস্কার ঘোষণা করেছিল রাজ্য সরকার।

সূত্রঃ

http://www.satdin.in/index.php/13-2014-04-07-17-10-23/2318-2015-05-25-03-17-56

http://somoynews.tv/pages/details/%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AE%E0%A6%A7%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A7%87-%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%93%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%80-%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%A4%E0%A6%BE-%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B0

Advertisements

ভারতঃ ১৫ লাখ টাকা পুরস্কার ঘোষিত- শীর্ষ নারী মাওবাদী নিহত: সিআরপিএফ-আইজি

337929-maoist

গত ১৬ই মে মঙ্গলবার রাতে নিরাপত্তা বাহিনীর সাথে কথিত এনকাউন্টারে সারিতা ওরফে উর্মিলা গাঞ্জু নামে একজন শীর্ষ নারী মাওবাদী নিহত হয়েছেন বলে একজন সিনিয়র সিআরপিএফ অফিসার জানান।

শীর্ষ পদের এই মাওবাদী অপারেশনের নেত্রী সুনিল গাঞ্জুর স্ত্রী ছিলেন ও ঝাড়খণ্ডে ছাত্র জেলার সিমারা থানার পুতকি গ্রামের অধিবাসী ছিলেন।

সিআরপিএফ আইজি (বিহার-ঝাড়খণ্ড) অরুণ কুমার পিটিআইকে বলেছেন, উর্মিলা নিষিদ্ধ মাওবাদী পার্টির বিহার-ঝাড়খণ্ড বিশেষ এলাকা কমিটির সদস্য ছিলেন এবং বিভিন্ন মামলার ফেরারি ছিলেন এবং তার নামে ১৫ লাখ টাকা পুরস্কার ঘোষিত ছিল বলে তিনি জানান।

এনকাউন্টার পরবর্তী তার কাছ থেকে ২০০৯ সালে ঝাড়খন্ডের বেরমোতে এসবিআই ব্যাঙ্ক শাখার গার্ড থেকে লুট হওয়া INSAS রাইফেল উদ্ধার করা হয়।

সিআরপিএফ আইজি বলেন- এছাড়াও ব্যাঙ্কটি আক্রমন শেষে মাওবাদীরা পুলিশের একটি গাড়ি বোমা মেরে উড়িয়ে দেয়।

সুত্রঃ http://www.dnaindia.com/india/report-top-woman-maoist-carrying-rs-15-lakh-award-killed-crpf-ig-2087298


আত্মসমালোচনাঃ নেতৃত্বের সংকট, দুর্বল হতে থাকা ঘাঁটির কথা স্বীকার করে ক্যাডারদের প্রতি লড়াইয়ের ক্ষেত্র প্রস্তুত করার আহ্বান জানালেন ভারতের মাওবাদী প্রধান

b

পার্টির “বেশ কয়েকজন নেতাকে হারানোর” কথা স্বীকার করে সিপিআই (মাওবাদী) এর নেতৃত্বের সুরক্ষার বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করছে এবং গ্রামীণ সমতল এলাকা শহর এলাকায় দুর্বল হয়ে পড়া আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে ক্যাডারদের শক্তি যোগাতে প্রচারণা চালানোর বিষয়টির উপর গুরুত্ব আরোপ করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

মাওবাদী তথ্য বুলেটিনের জন্য দেয়া অভ্যন্তরীণভাবে প্রচারিত এক সাক্ষাৎকারে সিপিআই (মাওবাদী) এর সাধারণ সম্পাদক মুপ্পালা লক্ষণ রাও ওরফে গণপতি পার্টির কাছে চ্যালেঞ্জগুলো উল্লেখ করে বলেন, “কেন্দ্রীয় কমিটি থেকে শুরু করে গ্রাম পর্যায় পার্টি কমিটি পর্যন্ত আমরা বেশ কয়েকজন নেতাকে হারিয়েছি। সুতরাং, বর্তমানে যেসকল বাহিনী রয়েছে তাদেরকে শত্রুর হামলা থেকে সুরক্ষিত রাখা পার্টির সামনে অন্যতম মুখ্য কাজ হিসেবে আমরা চিহ্নিত করেছি”।

“নেতৃত্বকে” সুরক্ষা প্রদানের বিষয়টির উপর গুরুত্ব আরোপ করে গণপতি ‘নতুন নেতৃত্বকে প্রস্তুত করতে এবং সফল বিপ্লবের শর্ত হিসেবে নেতৃত্বের ধারাবাহিকতায় একটি শক্তিশালী দলের লক্ষ্যে সচেতনতা গড়ে তোলার” আহ্বান জানিয়েছেন।

গণপতি দলের সক্রিয় কর্মীদের গণ আত্মসমর্পণের কথা স্বীকার করেন তবে এটি সরকারের ‘উন্নত আত্মসমর্পণ নীতিমালার’ ফলে ঘটেছে এমনটা তিনি অস্বীকার করেন।

তিন চতুর্থাংশের বেশি গণ আত্মসমর্পণের ঘটনার পিছনে রয়েছে সক্রিয় সদস্যদের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করে তাদের উপর তীব্র অত্যাচার, ধর্ষণ, সম্পদ ধ্বংস, মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধ, হত্যা ও জখমের হুমকি ইত্যাদি।”

তিনি বলেন পিপলস লিবারেশন গেরিলা আর্মি (PLGA)  ও গণ সংগঠনের কিছু সদস্য ” শত্রুদের কাছে অবনত হচ্ছে। হ্যাঁ, সাম্প্রতিক সময়ে এই সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। রাজ্য, জেলা ও এরিয়া কমিটি থেকেও কয়েকজন আত্মসমর্পণ করেছে”।

এই সবকিছুর সমাধান হল সকল পর্যায়ের ক্যাডারদের ভেতরে রাজনৈতিক সচেতনতা ও অঙ্গিকার গড়ে তোলা। বলশেভিকীকরণ ক্যাম্পেইনে এ বিষয়টি নিয়ে কাজ চলছে।”

গণপতি বলেছেন বহুদিন ধরে যেসব এলাকায় মাওবাদী পার্টি সক্রিয় ছিল সেসব এলাকায় পার্টি দুর্বল হয়ে পড়েছে। সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “আমাদেরকে আরো নতুন নতুন এলাকায় আন্দোলনের বিস্তার ঘটাতে হবে ও নতুন যুদ্ধক্ষেত্র শুরু করতে হবে”।

সকল স্তরে “সর্বোচ্চ আত্মত্যাগ” করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন বলশেভিকীকরণ (বিপ্লবী অঙ্গিকার) ক্যাম্পেইনকে জোরদার করার প্রয়োজন ছিল। “শত্রুর হামলা বৃদ্ধি পাওয়া, পার্টিতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হওয়ার কারণে আন্দোলন কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি  হচ্ছে, এ কারণে ক্রমবর্ধমান প্রলেতারিয়েত বিমুখ ধারার পরিপ্রেক্ষিতে প্রলেতারিয়েত ধারার বৃদ্ধি ঘটাতে হবে”।

তিনি “মোদী সরকার ও সাং পরিবারের সাম্রাজ্যবাদ ও সামন্তবাদ পন্থী প্রোপাগান্ডার বিরুদ্ধে ব্যাপক আকারে প্রোপাগান্ডা” চালানোর ব্যাপারে উৎসাহ প্রদান করেন কারণ এতে করে “নয়া উদারপন্থী ও হিন্দুত্ব নীতিমালার ফলে দলিত,  মুসলমান ও শ্রমজীবী শ্রেণীর উপর অন্যায়ের ক্ষেত্র তৈরী হয়”।

তিনি বলেন,  “নাগরিক অধিকার আন্দোলনকে গড়ে তোলা ও শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে ভাল সম্ভাবনা রয়েছে”।

অপারেশন গ্রিন হান্টের তৃতীয় পর্যায়কে মোকাবেলার ক্ষেত্রে পার্টি কী ধরণের প্রস্তাবনা রেখেছে এ প্রশ্নের উত্তরে গণপতি বলেন, “মোদী সরকারের গণ বিরোধী এজেন্ডার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত সকল স্তরের জনগণকে দৃঢ়ভাবে ঐক্যবদ্ধ করতে হবে। এর জন্য, আমাদের নীতিমালা ও কৌশল এমন হতে হবে যেন সকল গণতান্ত্রিক, প্রগতিশীল, ধর্মনিরপেক্ষ ও দেশপ্রেমিক শক্তি উজ্জীবিত হয়ে একত্রে জনগণের পক্ষে মোদির প্রতিক্রিয়াশীল নীতিমালার বিশেষ করে অপারেশন গ্রিন হান্টের তৃতীয় পর্যায়ের বিরোধিতা করে ও পাল্টা লড়াই চালায়। সংসদীয় বামধারার রাজনৈতিক দলগুলোকেও জনগণের ইস্যুকে তুলে ধরার ক্ষেত্রে চাপ প্রয়োগ করা হবে। শত্রুর বহুমুখী অত্যাচারের বিরুদ্ধে সকল লড়াইয়ের ক্ষেত্র থেকে সকল শক্তিকে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার আহবান জানান।

সূত্র – 

http://indianexpress.com/article/india/india-others/maoist-chief-admits-to-loss-of-leaders-weakening-base-asks-cadres-to-open-fronts/2/


ভারতে নকশালরা ২০শে ফেব্রুয়ারি থেকে ৫ রাজ্যে বন্ধ ডেকেছে …

বিশাখাপত্তনম : রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকারের জন বিরোধী কার্যক্রমের প্রতিবাদে সিপিআই (মাওবাদী) ফেব্রুয়ারীর ২০ তারিখ থেকে অন্ধ্র প্রদেশ ও তেলেঙ্গানা সহ পাঁচ রাজ্যে বন্ধ ডেকেছে। বৃহস্পতিবার টিওআই পাঠানো একটি প্রেস রিলিজে মাওবাদীদের কেন্দ্রীয় আঞ্চলিক ব্যুরো (CRb) মুখপাত্র প্রতাপ- ছত্তিশগড়, উড়িষ্যা এবং মহারাষ্ট্রে ধ্বংসাত্মক এবং গণবিরোধী নীতি বাস্তবায়নকারী হিসেবে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি , পি মুখ্যমন্ত্রী এন চন্দ্রবাবু নাইডু, তেলেঙ্গানা মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রশেখর রাও কে দায়ী করেন। 

Source – http://timesofindia.indiatimes.com/city/visakhapatnam/Naxals-call-for-5-state-bandh-on-Feb-20/articleshow/46224136.cms