ঝাড়খণ্ডে মাওবাদী হামলায় ৪ পুলিশ নিহত

ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য ঝাড়খণ্ডে নির্বাচনি প্রচারণা চলাকালে লাতেহার শহরে ভয়াবহ মাওবাদী হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত এক অফিসারসহ অন্তত চার পুলিশ কর্মকর্তার প্রাণহানি হয়েছে। তাছাড়া আহত হয়েছে বাহিনীর আরও বেশকিছু সদস্য।

কর্তৃপক্ষের বরাতে গণমাধ্যম ‘ইন্ডিয়া টুডে’ জানায়, শুক্রবার (২২ নভেম্বর) গভীর রাতে স্থানীয় থানার পাশেই মর্মান্তিক এই হামলাটি চালানো হয়। মাওবাদী স্কোয়াড টহলরত পুলিশের গাড়ি লক্ষ্য করে অতর্কিতভাবে গুলি বর্ষণ করলে এ হতাহতের ঘটনা ঘটে। এ সময় মাওবাদীরা অন্তত ৭০-৮০ রাউন্ড গুলি চালায়।

সংশ্লিষ্টদের মতে, গত বৃহস্পতিবার (২১ নভেম্বর) ঝাড়খণ্ড বিধানসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এই লাতেহার শহরেই প্রথম জনসভা করেছিলেন বিজেপি সভাপতি ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

ঐ জনসভায় তিনি বলেছিলেন, ‘বিজেপির আমলেই মাওবাদীদের আগ্রাসন থেকে মুক্তি পেতে যাচ্ছে ঝাড়খণ্ড। মুখ্যমন্ত্রী রঘুবর দাসের আমলেই এটা বাস্তবায়ন সম্ভব।’  তার এই জনসভার একদিনের মাথায় ভয়াবহ মাও হামলা হলো লাতেহার।

এ দিকে রাজ্য পুলিশের এক কর্মকর্তা জানান, ঘটনার দিন রাতে পুলিশ একটি ভ্যান চান্দোয়া থানার পাশে টহল দিচ্ছিল। তখনই মাওবাদীরা তাদের চারদিক থেকে ঘিরে একের পর এক গুলি চালাতে শুরু করে। সশস্ত্র পুলিশের পক্ষ থেকে পাল্টা জবাব দেওয়া হলেও শেষ পর্যন্ত এক ওসিসহ ৪ পুলিশের প্রাণহানি হয়।

অপর দিকে ঘটনাস্থল পরিদর্শনের জন্য এরই মধ্যে লাতেহারে অবস্থান করছেন পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্তারা। পরিস্থিতি অগ্নিগর্ভ, তাই সড়কে টহল দিতে শুরু করেছেন সিআরপিএফ বাহিনীর জাওয়ানরা। মোট ৫ দফায় হবে এই নির্বাচন। তাই প্রতি দফাতেই মাওবাদী হামলার আশঙ্কা বেড়ে গেছে।


সূত্রঃ https://www.odhikar.news/international/106269


ভারতঃ পালামুর বদলা নিতেই রেল লাইন উড়িয়েছে মাওবাদীরা

23_06_2015-24palamu012

latehar-district-759

পলামুতে মাও বিরোধী অভিযানের বদলা নিতেই লাতেহারে ট্রেন লাইন উড়িয়েছে মাওবাদীরা। পুলিশের দাবি, ঘটনাস্থলে উদ্ধার মাওবাদীদেরদের পোস্টারে এমনই লেখা রয়েছে। রাজ্য পুলিশের এডিজি (অপারেশন) সত্যনারায়ণ প্রধান বলেন, ‘‘পোস্টারে লেখা, সম্প্রতি পলামুতে যৌথ বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে কয়েক জনের মৃত্যুর প্রতিবাদেই রেল লাইনে বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছে।’’ তিনি জানান, তার জেরে পলামু এক্সপ্রেসের তিনটে কামরা লাইনচ্যূত হয়। রেল জানিয়েছে, রাত ৮টা চল্লিশ নাগাদ লাতেহারের কুচিলার ছিপাদোহর স্টেশন ছাড়ে বরকাখানা থেকে পটনাগামী ট্রেনটি। তখনই চালক কিছু দূরে লাইনে কয়েক জনকে দেখতে পান। ট্রেনের গতি কমিয়ে দেন তিনি। মুহূর্তের মধ্যেই বিস্ফোরণে লাইন উড়ে যায়। তখনই ইঞ্জিন ও তিনটি কামরা লাইনচ্যূত হয়।

সুত্রঃ http://www.anandabazar.com/national/%E0%A6%AC%E0%A6%A6%E0%A6%B2-%E0%A6%A8-%E0%A6%A4-%E0%A6%87-%E0%A6%B2-%E0%A6%87%E0%A6%A8-%E0%A6%AC-%E0%A6%AE-1.165341