মাওয়ের অবদানই প্রধান, মনে করেন চীনের মানুষ

Mao-NYPL

মাও জে দঙের ভুলভ্রান্তির তুলনায় তাঁর অবদান অনেক বেশি। মাওয়ের ১২০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে গ্লোবাল টাইমস পত্রিকার ওই সমীক্ষায় ৮৫শতাংশ উত্তরদাতা জানিয়েছেন মাওয়ের অবদানই প্রধান, ভুলগুলি নয়। সমীক্ষায় প্রশ্ন ছিলো, ‘আপনি কি মনে করেন মাও জে দঙের অবদান তাঁর ভুলগুলিকে অতিক্রম করে যায়?’ ৭৮.৩শতাংশ উত্তরদাতা বলেছেন, হ্যাঁ, তাঁরা তাই মনে করেন। ৬.৮শতাংশ বলেছেন, তাঁরা জোরের সঙ্গে এ কথা মনে করেন। ১১শতাংশ বলেছেন, তাঁরা এই বক্তব্যের সঙ্গে একমত নন। উত্তরদাতাদের ৯০শতাংশই বলেছেন মাওয়ের বৃহত্তম অবদান ‘বিপ্লবের মধ্যে দিয়ে এক স্বাধীন দেশ প্রতিষ্ঠা করা’।

Advertisements

পলপট ও মাও সে তুং এর কথোপকথন

krchinaderon11

বেইজিং, ২১শে জুন ১৯৭৫

গণতান্ত্রিক বিপ্লব থেকে সমাজতান্ত্রিক পথ অবলম্বনের ক্রান্তিকালে দুইটি সম্ভাবনা রয়েছেঃ একটি সমাজতন্ত্র অপরটি পুঁজিবাদ। আমাদের পরিস্থিতি এখন এরকম। আজ থেকে পঞ্চাশ বছর পর কিংবা একশো বছর পর দুই লাইনের দ্বন্দ্ব থাকবে। এমনকি আজ থেকে দশ হাজার বছর পরেও দুই লাইনের দ্বন্দ্ব থাকবে। কমিউনিজম সম্পন্ন হবার পরেও দুই লাইনের সংগ্রাম থাকবে। নইলে মার্ক্সবাদী হওয়া যায় না। এটি হল বৈপরীত্যের একত্ব। দুটি দিকের কেবল একটির উল্লেখ করাকে অধিবিদ্যা বলে। মার্কস এবং লেনিন বলেছিলেন, পথটা আঁকাবাঁকা; আমি সেটাই বিশ্বাস করি।

লেনিনের আমল থেকে ক্রুশ্চেভ ও ব্রেঝনেভের আমল পর্যন্ত সোভিয়েত ইউনিয়ন বদলে গেছে। কিন্তু এটা নিশ্চিত যে ভবিষ্যতে এটি লেনিনের পথে ফিরে আসবে। চীনের ক্ষেত্রেও তাই। চীন ভবিষ্যতে সংশোধনবাদের দিকে যেতে পারে কিন্তু ধীরে ধীরে তাকে মার্কস ও লেনিনের পথে ফিরে আসতে হবে। লেনিনের ভাষায়, আমাদের রাষ্ট্রটি এখন একটি পুঁজিবাদীহীন পুঁজিবাদী রাষ্ট্র। রাষ্ট্র পুঁজিবাদীদের অধিকার রক্ষা করে এবং বেতন সমান নয়। সাম্যের স্লোগানের আড়ালে অসাম্যের ব্যবস্থার প্রচলন করা হয়েছে। কমিউনিজম নিষ্পন্ন হবার পরেও দুই লাইনের সংগ্রাম, অগ্রসর ও অনগ্রসরের সংগ্রাম থাকবে। আজ আমাদের পক্ষে এটা পূর্ণাঙ্গভাবে ব্যাখা করা সম্ভব নয়।

……

চীনের অভিজ্ঞতা পুরোপুরি নকল না করে নিজে চিন্তা করা উচিত। মার্ক্স বলেছেন,তার তত্ত্ব অনুশীলনের পথে একটি দিক নির্দেশনা,কোন মতবাদ নয়।


মোদীর সফরে মাওবাদী হাতে আটক ২৫০, মুক্তি, জনতার আদালতে ১ জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর

2afeab2c-6f96-4d23-8a29-b70f89aa5714wallpaper1

কথিত উন্নয়নের বার্তা নিয়ে এ বারে মাওবাদীদের গড়ে পৌঁছে গেলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। কিন্তু তিনি গিয়ে ওঠার আগে রাত থেকেই কমপক্ষে দু’‌শো জন গ্রামবাসীকে আটক করে রেখে মাওবাদীরা বুঝিয়ে দিল, কেন্দ্র ও রাজ্যের বিজেপি সরকারের উপরে তাদের আদৌ আস্থা নেই। মাওবাদীদের দাবি, এলাকার ভূ-সম্পদ লুঠ করে কয়েকটি বড় শিল্পগোষ্ঠীর হাতে তুলে দেওয়াই এই দুই সরকারের মূল লক্ষ্য। এ দিন রাতে ওই গ্রামবাসীদের ছেড়ে দিলেও, মাওবাদীরা ‘জন আদালত’-এ বিচার করে এক জনকে হত্যা করেছে। ঘটনাটি ঘটেছে মোদীর সভাস্থল থেকে ৬০ কিলোমিটার দূরে জিরম উপত্যকায়। দু’বছর আগে ঠিক এখানেই কংগ্রেসের কনভয়ে বড়সড় হামলা চালিয়ে বেশ কয়েক জন নেতাকে হত্যা করেছিল মাওবাদীরা।

ছত্তীসগঢ়ের মাওবাদী অধ্যুষিত দন্তেওয়াড়ায় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শেষ গিয়েছিলেন রাজীব গাঁধী। এর তিন দশক পরে গেলেন মোদী। কলকাতায় যাওয়ার আগে তাঁর এই সফরের লক্ষ্য ছিল দুটি: এক, মাওবাদী অধ্যুষিত এই একটি জেলাতেই ২৪ হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্প পৌঁছে দেওয়া। যে প্রকল্পে ইস্পাত কারখানা থেকে রেল লাইন পাতা হবে। দুই,  মাওবাদীদের সুস্থ জীবনে ফেরার বার্তা দেওয়া।

কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর সফরের আগেই মাওবাদীরা বয়কটের ডাক দেয়। শুধু তাই নয়, সুকমা জেলার বিভিন্ন গ্রামের অন্তত দু’‌শো জন গ্রামবাসীকে আটক করে। এক বিবৃতিতে তারা জানায়, শুধুই দেশি-বিদেশি কয়েকটি বড় শিল্পগোষ্ঠীকে সুবিধা পাইয়ে দিতেই প্রধানমন্ত্রী মোদী ও ছত্তীসগঢ়ের মুখ্যমন্ত্রী রমন সিংহ এই সব প্রকল্প ঘোষণা করছেন। প্রাকৃতিক সম্পদ লুঠ করাই তাঁদের উদ্দেশ্য। সেই কারণেই কেন্দ্র জমি বিল আনতে চাইছে। বস্তারে হচ্ছে সেনা প্রশিক্ষণ স্কুলও। কমিউনিস্ট পার্টি অব ইন্ডিয়ার (মাওবাদী) দণ্ডকারণ্য বিশেষ জোনাল কমিটি তাই কেন্দ্রের ‘ফ্যাসিবাদী হিন্দুত্বের সরকার’-এর বিরুদ্ধে সংগঠিত জঙ্গি আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

দন্তেওয়াড়ায় শান্তি-বার্তা দিয়ে মোদী কলকাতায় পৌঁছে গেলেও রমন সরকারের মাথাব্যথা হয়ে ওঠে আটক করে রাখা গ্রামবাসীদের মুক্তির বিষয়টি। আলোচনার পথেই তাঁদের মুক্ত করার চেষ্টা চালাতে থাকে রাজ্য প্রশাসন। রাতে এক জন বাদে সবাইকেই ছেড়ে দেয় মাওবাদীরা। সদারাম নাগ এক জন শুধু জীবিত ফেরেননি। ‘জন আদালতে দোষী’ হওয়ায় মাওবাদীরা তাঁকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে।

images (2)

মোদী সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই মাওবাদী মোকাবিলার পথ নিয়ে বিস্তর বিতর্ক হয়েছে। ইউপিএ আমলের এই নীতি থেকে অনেকটাই সরে এসে রাজনাথ সিংহের অধীনে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক একটি খসড়া নীতিও তৈরি করে। যেখানে বলা হয়, দরকারে স্থলসেনা ও বায়ুসেনাকেও মাওবাদী মোকাবিলায় কাজে লাগানো হবে। এই খসড়া সমালোচনার ঝড় তোলে। দেশের সেনাকে দেশের মানুষের বিরুদ্ধে বন্দুক তুলতে নির্দেশ দেওয়া যায় কি না, এ নিয়ে বিতর্ক হয় বিস্তর। এই পরিস্থিতিতে মোদী আজ মাওবাদী গড়ে গিয়ে যে ভাবে উন্নয়নের কথা বললেন, সেখানকার মানুষের দুঃখ-বেদনা বোঝার কথা বললেন, তাতে স্পষ্ট, কেন্দ্র এখন দ্বিমুখী রণকৌশল নিয়েই এগোতে চাইছে। এক দিকে কড়া হাতে মাওবাদী মোকাবিলার প্রস্তুতি চালানো। এর পাশাপাশি, উন্নয়নের মাধ্যমে মাওবাদীদের থেকে সাধারণ মানুষকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলা।

মোদী এই সফরে দু’টি কাজই করতে চাইলেন। চলতি বছরে এপ্রিল পর্যন্ত ছত্তীসগঢ়ে ১৮৮টি মাওবাদী হামলা হয়েছে। নিহত ৪৬ জন। এই অবস্থায় মাওবাদীদের গড়ে পৌঁছে গিয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর জওয়ান ও গ্রামবাসীদের মনোবল বাড়ানোর চেষ্টা করলেন। আর তাঁর বক্তব্যে জোর পেল দ্বিতীয় পথটি।

সূত্রঃ

http://www.hindustantimes.com/india-news/pm-modi-to-visit-dantewada-today-maoists-call-for-bandh/article1-1345390.aspx


ভারতের গণযুদ্ধের লাল সংবাদ – ২২/০৩/২০১৫, ঝাড়খণ্ডের বনেদী ভূস্বামী পরিবারের তিন সদস্যকে খতম করেছে মাওবাদীরা

india-colpisce-duro-723x1024

ঝাড়খণ্ডের বনেদী ভূস্বামী পরিবারের তিন সদস্যকে খতম করেছে মাওবাদীরা

শনিবার গভীর রাতে লোহারগাদা জেলায় ঝাড়খণ্ডের বনেদী শাহদেও পরিবারের তিন সদস্যকে অপহরণের পর খতম করেছে মাওবাদীরা। পেশরার থানা এলাকা থেকে মাওবাদীরা তাদের অপহরণ করে। তারা শিকারের উদ্দেশ্যে জঙ্গলে গিয়েছিল। রাঁচি রেঞ্জের ডিআইজির ভাষ্য অনুযায়ী, রবিবার সকালে শাহদেও পরিবারের তিন সদস্যের লাশ উদ্ধার করা হয়। এরা হল, ঝাড়খণ্ড দূষণ নিয়ন্ত্রণ বোর্ডের প্রাক্তন চেয়ারম্যান ঠাকুর বালমুকুন্দ শাহদেও এর দুই ভাই বাল কিশোর নাথ শাহদেও, লাল জয় কিশোর নাথ শাহদেও ও বাল কিশোর নাথ শাহদেওর ছেলে লাল প্রমোদ নাথ শাহদেও। লাশ তিনটির ময়নাতদন্তের জন্য পার্শ্ববর্তী লাতেহার জেলায় পাঠানো হয়েছে। শাহদেও পরিবারের সদস্যরা জেলার পেশরার ব্লকের মুরমু গ্রামে বাস করত। শাহদেও পরিবার ঝাড়খণ্ডের প্রাক্তন শাসক ছিল। মাওবাদীরা দীর্ঘদিন ধরে শাহদেও পরিবারের সদস্যদের কার্যকলাপের বিরোধিতা করে আসছে। এ পরিবারের অনেক সদস্যের নাম মাওবাদীদের খতম তালিকায় রয়েছে। ছোটনাগপুর বিভাগ জুড়ে বিস্তৃত ভূমির মালিক শাহদেও পরিবারের বেশ কয়েকজন সদস্যের উপর মাওবাদীরা ইতঃপূর্বেও হামলা চালিয়েছিল।

 –জামুইতে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার

সিআরপিএফ, কোবরা ব্যাটেলিয়ন ও এসটিএফ পরিচালিত তিন দিন ব্যাপী এক যৌথ অপারেশনে জামুই জেলার গভীর জঙ্গল থেকে সিপিআই (মাওবাদী) এর সংগ্রহ কৃত সিলিন্ডার বোমা ও সকেট বোমা সহ বিপুল পরিমাণ অস্ত্র, গোলাবারুদ ও বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া মাওবাদীদের একটি বাংকার ধ্বংস করা হয়েছে।

মাওবাদীদের মোকাবেলায় পুলিশ প্রধানদের সভা

ওয়েনাদের পুলপল্লি থানায় মাওবাদীদের হুমকির পরিপ্রেক্ষিতে কেরালা, কর্ণাটক ও তামিলনাড়ুর পুলিশ প্রধানরা মাওবাদীদের দমনে পদক্ষেপ গ্রহণ করতে অতি শীঘ্র এক সভায় অংশগ্রহণ করবেন। কেরালার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী রমেশ চেন্নিথালা বলেন, মাওবাদীদের দমনে কেরালা সরকা্রকে সব ধরনের সহায়তা প্রদানের নিশ্চয়তা দিয়েছে কেন্দ্র। তিনটি রাজ্যের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পর্যায় থেকে মাওবাদীদের হুমকির বিষয়টি খতিয়ে দেখবে ইউনিয়ন সরকার। তিনি আরো জানান, মাওবাদীদের দমনে যৌথ অপারেশন চালানোর প্রয়োজনীয়তা বিষয়ে আলোচনার উদ্দেশ্যে কেরালা, কর্ণাটক ও তামিলনাড়ু রাজ্যের পুলিশ প্রধানরা নিয়মিত সভায় বসছেন।

সূত্রঃ

http://timesofindia.indiatimes.com/city/ranchi/Maoists-kill-three-Jharkhand-royal-family-members/articleshow/46652458.cms

http://timesofindia.indiatimes.com/city/patna/Forces-reap-rich-haul-of-arms-ammo-in-Jamui/articleshow/46647850.cms

http://timesofindia.indiatimes.com/city/kochi/Police-chiefs-meet-on-Maoist-menace/articleshow/46649153.cms


প্রতি তিন দিনে একজন সিআরপিএফ জওয়ান আত্মহত্যা করে বলে পরিসংখ্যানে প্রকাশ

09Fir06.qxp

 

 

ভারত

মাওবাদীদের বুলেটে ভারত যত না মিলিটারি জওয়ান হারাচ্ছে তার চেয়ে বেশী হারাচ্ছে কর্মক্ষেত্রে দরিদ্র অবস্থা ও উচ্চ মানসিক চাপের কারণে। আশংকাজনক এক পরিসংখ্যানে দেখা যায় প্রতি তিন দিনে একজন প্যারামিলিটারি জওয়ান আত্মহত্যা করে। মাওবাদীদের সাথে যুদ্ধরত সিআরপিএফ জওয়ানরা অত্যন্ত মানবেতর জীবনযাপন করে থাকে।

হৃদরোগ, ম্যালেরিয়া ও এইচআইভি র মত রোগে আক্রান্ত হচ্ছে সিআরপিএফ বাহিনীর জওয়ানরা। গত পাঁচ বছরে এই তিনটি রোগে ১,১৩১ জন জওয়ান মৃত্যবরণ করেছে অথচ মাওবাদীদের হাতে মৃত্যুবরণ করেছে মাত্র ৩২৩ জন। দেশটির বৃহত্তম প্যারামিলিটারি বাহিনী সিআরপিএফ এ তিন লাখের বেশি জওয়ান রয়েছে যারা প্রতিকূল পরিবেশে যুদ্ধরত। জঙ্গলে মাওবাদীদের সাথে, জম্মু ও কাশ্মীরে, উত্তর পূর্ব অঞ্চলে সর্বত্র জওয়ানদের পরিস্থিতি শোচনীয়। ২০১২ থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে প্যারামিলিটারি বাহিনীর ৩৭০ জন জওয়ান আত্মহত্যা করে। প্যারামিলিটারি বাহিনীর ভেতরে সিআরপিএফ এ জওয়ানদের ঝরে পড়ার হার সবচেয়ে বেশী। অন্যান্য বাহিনীর ভেতরে এ হার সীমিত অথচ সিআরপিএফ ঝরে পড়ার হার অনেক বেশী। ২০১৪ সালে প্রতিদিন গড়ে ২০ জন জওয়ানকে হারায় এ বাহিনী। ২০১৪ সালে পরিণত হবার আগেই ছয় হাজারের বেশী জওয়ান বাহিনী ত্যাগ করে। অপরদিকে ২০১৩ সালে এ সংখ্যা ছিল ৪১৮৬। টয়লেটের অভাব সহ বিভিন্ন মৌলিক সুযোগ সুবিধার অভাবে মাওবাদী অধ্যুষিত জঙ্গলগুলোতে বাহিনীর জওয়ানরা রোগাক্রান্ত হচ্ছে। সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে জানা যায়, মানবেতর অবস্থার কারণে সিআরপিএফ এর জওয়ানরা বাহিনী ছেড়ে চলে যেতে বাধ্য হচ্ছে।

সূত্রঃ dailymail.co.uk


ব্রাজিলের প্রতিক্রিয়াশীল রাষ্ট্র, কৃষক নেতাদের হত্যা করে যাচ্ছে

7a6f539e6c901b9b1cde9ff6f89a8370 745d39cd74f55093c867f388244c31f1 1695be3c29420699d1a86d920e53c4c4 3405f51b2c5c31f6728980a95a8fd881 97661a8957fd0564f6b45e512251af11 c8e1886685a9e901f935e60b30c3a02c d3378b2a516c70b9bae49ec6d884edf4 dfcc16753db305fc7227246bbfd7190d f23611f8c23d87c8b25dca783a05961f

ব্রাজিলের প্রতিক্রিয়াশীল রাষ্ট্র, কৃষক নেতাদের হত্যা করে যাচ্ছে। জমির জন্য সংগ্রাম করা এই নেতারা সামাজিক ফ্যাসিস্ট শাসকদের অধীনে পুলিশ এবং ভূস্বামীদের ব্যক্তিগত বন্দুকধারীদের দ্বারা নিহত হচ্ছেন। .এর মধ্যে রয়েছেন

-Gilson Goncalves, ইনি LCP Rondônia প্রধান, বন্দুকধারীরা 8/12/2009 তারিখে তার উপর নির্যাতন এবং হত্যা করে।
–Elcio Machado, ইনি LCP RO প্রধান, বন্দুকধারীরা 8/12/2009 তারিখে তার উপর নির্যাতন এবং হত্যা করে।
– Jose Claudioএবং Maria do Espirito Santo 5/24/2011 তারিখে বন্দুকধারী কর্তৃক নিহত হন।
– RO কৃষক নেতা Renato Nathan নিহত হন 9/4/2012 তারিখে।
– MT কৃষক নেতা Josiah P. de Castro এবং তার স্ত্রী নিহত হন 16/08/2014 তারিখে বন্দুকধারী কর্তৃক নিহত হন।
– আদিবাসী Guarni Kaiowa নেতা Marinalva Manoelকে 11/01/2014 বন্দুকধারী কর্তৃক হত্যা করা হয়।.
-বন্দুকধারীরা 10.22.2014 তারিখে উত্তর LCP এম জি প্রধান Cleomar Rodrigues কে হত্যা করে।
– Jose Antonio dos Santos, 27/01/2015 তারিখে Rondônia তে সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা নেতৃত্বে একটি সশস্ত্র গ্রুপ দ্বারা নিহত।
– ‘Keno’, MST এর জনসংযোগ নেতা Valmir Mota de Oliveira 21/10/2007 তারিখে বন্দুকধারী কর্তৃক নিহত হন।
– LCP Para প্রধান Luiz Lopes, June 15, 2009 তারিখে ভূস্বামীর বন্দুকধারীদের হাতে নিহত হন।

Source- Nova Democracia