Fellows remember Comrade Nizamuddin Matin

Comrade Nizamuddin Matin was a legend among the youths during 1980’s and also played a vital role during the Liberation War of 1971

Associates, co-workers and fellows remembered Comrade Nizamuddin Matin, a revolutionist left politician, widely known for his role in left-leaning politics in Bangladesh.

Prominent left politicians and comrades came up with the memories during a remembrance program held for Comrade Nizamuddin Matin at the Rc Majumdar Auditorium, Dhaka University (DU) on Friday.

Comrade Nizamuddin Matin was a legend among the youths during 1980’s and also played a vital role during the Liberation War of 1971, said his fellows and associates.

Comrade Nizamuddin Matin was a life-time revolutionist who tried to form a strong base of left-leaning politics according to Marx-Lenin and Mao’s theories, added the speakers.

Hasan Fakri was in the commemoration chair while Bangladesh Samajtantrik Andolon Convener Hamidul Haque, Jatiya Ganatantrik Ganomoncha President Masud Khan, Nayaganatantrik Gano Morcha President Zafor Hassain, Jatiya Mukti Council General Secretary Faizul Hakim, energy expert Rahamatullah and Khanon Editor Badol Sha Alam spoke at the event.

Comrade Matin was born in 1955 in Barisal and joined politics while he was a student of class nine in 1969. 

He was in prison for ten years after the Liberation War.

He died on August 11, 2019 due to old-age complications.

Source: https://www.dhakatribune.com/bangladesh/dhaka/2019/10/19/fellows-remember-comrade-nazimuddin-matin?fbclid=IwAR1M7lQz3mCqejul_aWhumUq0aRiYz036BUIlkCtTpeUBsQQjJ2uIUw45ds


18th October: Commemoration meeting of Maoist Leader Nizamuddin Motin

 

Dear Comrade

Nizamuddin Motin, a whole time revolutionary and Maoist leader, died at a hospital in Dhaka at 12pm, 11 August 2019 after suffering from prolonged illness. Nizamuddin was born at Alekanda in Barisal in 1955. He joined Purbobanglar Sormik Andolon (East Bengal Workers Movement), led by Siraj Shikder, in 1969. As a Maoist leader, he had been working to free the poor peasants and workers over five decades. A discussion will be held at 4pm, 18 October 2019 at RC Majumder Hall, University of Dhaka upholding the contribution of this whole time revolutionary attended by intellectuals and leaders from several revolutionary organizations. You are cordially requested to join us on the occasion.

With revolutionary greetings

Hasan Fakri

Convener,

Maoist Leader Nizamuddin Motin Commemoration Committee.


মোদীর সফরে মাওবাদী হাতে আটক ২৫০, মুক্তি, জনতার আদালতে ১ জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর

2afeab2c-6f96-4d23-8a29-b70f89aa5714wallpaper1

কথিত উন্নয়নের বার্তা নিয়ে এ বারে মাওবাদীদের গড়ে পৌঁছে গেলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। কিন্তু তিনি গিয়ে ওঠার আগে রাত থেকেই কমপক্ষে দু’‌শো জন গ্রামবাসীকে আটক করে রেখে মাওবাদীরা বুঝিয়ে দিল, কেন্দ্র ও রাজ্যের বিজেপি সরকারের উপরে তাদের আদৌ আস্থা নেই। মাওবাদীদের দাবি, এলাকার ভূ-সম্পদ লুঠ করে কয়েকটি বড় শিল্পগোষ্ঠীর হাতে তুলে দেওয়াই এই দুই সরকারের মূল লক্ষ্য। এ দিন রাতে ওই গ্রামবাসীদের ছেড়ে দিলেও, মাওবাদীরা ‘জন আদালত’-এ বিচার করে এক জনকে হত্যা করেছে। ঘটনাটি ঘটেছে মোদীর সভাস্থল থেকে ৬০ কিলোমিটার দূরে জিরম উপত্যকায়। দু’বছর আগে ঠিক এখানেই কংগ্রেসের কনভয়ে বড়সড় হামলা চালিয়ে বেশ কয়েক জন নেতাকে হত্যা করেছিল মাওবাদীরা।

ছত্তীসগঢ়ের মাওবাদী অধ্যুষিত দন্তেওয়াড়ায় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শেষ গিয়েছিলেন রাজীব গাঁধী। এর তিন দশক পরে গেলেন মোদী। কলকাতায় যাওয়ার আগে তাঁর এই সফরের লক্ষ্য ছিল দুটি: এক, মাওবাদী অধ্যুষিত এই একটি জেলাতেই ২৪ হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্প পৌঁছে দেওয়া। যে প্রকল্পে ইস্পাত কারখানা থেকে রেল লাইন পাতা হবে। দুই,  মাওবাদীদের সুস্থ জীবনে ফেরার বার্তা দেওয়া।

কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর সফরের আগেই মাওবাদীরা বয়কটের ডাক দেয়। শুধু তাই নয়, সুকমা জেলার বিভিন্ন গ্রামের অন্তত দু’‌শো জন গ্রামবাসীকে আটক করে। এক বিবৃতিতে তারা জানায়, শুধুই দেশি-বিদেশি কয়েকটি বড় শিল্পগোষ্ঠীকে সুবিধা পাইয়ে দিতেই প্রধানমন্ত্রী মোদী ও ছত্তীসগঢ়ের মুখ্যমন্ত্রী রমন সিংহ এই সব প্রকল্প ঘোষণা করছেন। প্রাকৃতিক সম্পদ লুঠ করাই তাঁদের উদ্দেশ্য। সেই কারণেই কেন্দ্র জমি বিল আনতে চাইছে। বস্তারে হচ্ছে সেনা প্রশিক্ষণ স্কুলও। কমিউনিস্ট পার্টি অব ইন্ডিয়ার (মাওবাদী) দণ্ডকারণ্য বিশেষ জোনাল কমিটি তাই কেন্দ্রের ‘ফ্যাসিবাদী হিন্দুত্বের সরকার’-এর বিরুদ্ধে সংগঠিত জঙ্গি আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

দন্তেওয়াড়ায় শান্তি-বার্তা দিয়ে মোদী কলকাতায় পৌঁছে গেলেও রমন সরকারের মাথাব্যথা হয়ে ওঠে আটক করে রাখা গ্রামবাসীদের মুক্তির বিষয়টি। আলোচনার পথেই তাঁদের মুক্ত করার চেষ্টা চালাতে থাকে রাজ্য প্রশাসন। রাতে এক জন বাদে সবাইকেই ছেড়ে দেয় মাওবাদীরা। সদারাম নাগ এক জন শুধু জীবিত ফেরেননি। ‘জন আদালতে দোষী’ হওয়ায় মাওবাদীরা তাঁকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে।

images (2)

মোদী সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই মাওবাদী মোকাবিলার পথ নিয়ে বিস্তর বিতর্ক হয়েছে। ইউপিএ আমলের এই নীতি থেকে অনেকটাই সরে এসে রাজনাথ সিংহের অধীনে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক একটি খসড়া নীতিও তৈরি করে। যেখানে বলা হয়, দরকারে স্থলসেনা ও বায়ুসেনাকেও মাওবাদী মোকাবিলায় কাজে লাগানো হবে। এই খসড়া সমালোচনার ঝড় তোলে। দেশের সেনাকে দেশের মানুষের বিরুদ্ধে বন্দুক তুলতে নির্দেশ দেওয়া যায় কি না, এ নিয়ে বিতর্ক হয় বিস্তর। এই পরিস্থিতিতে মোদী আজ মাওবাদী গড়ে গিয়ে যে ভাবে উন্নয়নের কথা বললেন, সেখানকার মানুষের দুঃখ-বেদনা বোঝার কথা বললেন, তাতে স্পষ্ট, কেন্দ্র এখন দ্বিমুখী রণকৌশল নিয়েই এগোতে চাইছে। এক দিকে কড়া হাতে মাওবাদী মোকাবিলার প্রস্তুতি চালানো। এর পাশাপাশি, উন্নয়নের মাধ্যমে মাওবাদীদের থেকে সাধারণ মানুষকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলা।

মোদী এই সফরে দু’টি কাজই করতে চাইলেন। চলতি বছরে এপ্রিল পর্যন্ত ছত্তীসগঢ়ে ১৮৮টি মাওবাদী হামলা হয়েছে। নিহত ৪৬ জন। এই অবস্থায় মাওবাদীদের গড়ে পৌঁছে গিয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর জওয়ান ও গ্রামবাসীদের মনোবল বাড়ানোর চেষ্টা করলেন। আর তাঁর বক্তব্যে জোর পেল দ্বিতীয় পথটি।

সূত্রঃ

http://www.hindustantimes.com/india-news/pm-modi-to-visit-dantewada-today-maoists-call-for-bandh/article1-1345390.aspx


“প্যারাগুয়ে পিপলস আর্মির (Ejército del Pueblo Paraguayo) বিবৃতি”

স্পানিশ ভাষা থেকে অনুবাদিত – 

Statement of Paraguayan People’s Army (Ejército del Pueblo Paraguayo) -2015/6/2

11004878_879355445460682_1980571020_n

Reactionaries are lies, the revolutionary truth.

 

The Narco-government,” because of Horacio Cartes has been rushing to deploy a media campaign, seeking to place blame for their crimes to the insurgency. Wednesday night the Task Forces criminals (FTC), mercenary forces of the Colorado Party, shot on a command of elite of the EPP guarding those detained, Robert Natto and Erika Reiser. In the scuffle the first shots that came from the FTC, reached to the prisoners, due to the fact that they do not have military training, being unemployed, being targets of the indiscriminate firing by the forces of repression, they fall in battle by firing on everything that has movement, are not controlled, they go crazy before the fear. Read the rest of this entry »