শ্যামাপ্রসাদের মূর্তি ভাঙার পরিপ্রেক্ষিতে RADICAL এর বক্তব্য

12247036_742767462524008_4543130701378490812_n

শ্যামাপ্রসাদের মূর্তি ভাঙার পর পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির রাজ্য সভাপতি আমাদের ‘লেনিনের বাচ্চা’ বলে চিহ্নিত করেছেন। প্রথমত আমরা দিলীপ ঘোষকে ধন্যবাদ জানাই আমাদের সঠিক সম্ভাষণে ভূষিত করার জন্য। হ্যাঁ, আমরা লেনিনের সন্তান বলেই নিজেদের মনে করি। গোটা দুনিয়ার মেহনতী মানুষকে যিনি মুক্তির রাস্তা দেখিয়েছিলেন, অত্যাচারের প্রতিটি ঘটনায় রুখে দাঁড়ানোর হিম্মত যুগিয়েছিলেন বিশ্বের তামাম নিপীড়িত জনগণকে, সেই লেনিনের সন্তান হওয়া আমাদের প্রত্যেকের কাছে গর্বের বিষয়। আমরা শ্রদ্ধা করি আম্বেদকর, পেরিয়ারের মতো মানুষদের, এই নৃশংস বর্ণব্যবস্থার শেকল ছিঁড়ে আত্মমর্যাদার লড়াইয়ে যাঁরা উদ্বুদ্ধ করেছিলেন দেশের পীড়িত-শোষিত দলিত সমাজকে। এটা স্পষ্ট হয়ে নেওয়া ভালো যে বিজেপি আজ লেনিন, আম্বেদকর, পেরিয়ারের মূর্তি ভাঙছে শুধুমাত্র কয়েকটি রাজ্যে ওদের নির্বাচনী জয়ের উদযাপনের জন্য নয়, মানুষের মন থেকে এদের গৌরবময় স্মৃতি মুছে ফেলার জন্য; পুঁজির জোয়াল স্বৈরতন্ত্র, ফ্যাসিবাদ আর বর্ণবাদের বিরুদ্ধে এদের সারা জীবনের সংগ্রামকে ভুলিয়ে দেওয়ার জন্য। এমনকি তালিকা থেকে বাদ যান নি সুভাষচন্দ্র বা মাইকেল মধুসূদন দত্তও। পৃথিবীর দেশে দেশে ফ্যাসিবাদ এ কাজ করে এসেছে। আর বারবার কবরও খুঁড়েছে নিজেদের। দিলীপ ঘোষ আমাদের ‘কুকুরের মতো তাড়া করে মারার’ কথা ঘোষণা করেছেন। দিলীপবাবু জেনে রাখবেন গোটা দেশজুড়ে আপনাদের অত্যাচার যত বাড়বে আপনারা এমনই নতুন নতুন বাঘের বাচ্চার মুখোমুখি হবেন। গামছা পরেও সেদিন ইতিহাসের পাতা থেকে পালাবার পথ খুঁজে পাওয়া যাবে না।

মাননীয় নরেন্দ্র মোদী, আপনি দেশের প্রধানমন্ত্রী। কিন্তু গৌরী লঙ্কেশের মত প্রতিবাদী সাংবাদিককে যেদিন গুলি করে হত্যা করা হয় সেদিন আপনাকে মুখ খুলতে দেখা যায় নি। আখলাক, জুনেইদ এর ঘটনার পর, উনায় দলিত নিধনের পর, নৃশংসভাবে আফরাজুলকে হত্যা করার পর, ভীমা কোরেগাঁও এর ঘটনার পর আপনাকে মুখ খুলতে দেখা যায়নি। দেশের মানুষের সারা জীবনের গচ্ছিত সম্পদ চুরি করে নীরব মোদিরা পালিয়ে গেলেও আপনাকে মুখ খুলতে দেখা যায়নি। লেনিন থেকে বাবাসাহেব আম্বেদকর, পেরিয়ারের মূর্তি ভেঙে যখন রণহুঙ্কারে তান্ডবনৃত্য করছে আপনার সংগঠনের কর্মীবাহিনী তখনও আপনাকে মুখ খুলতে দেখা যায়নি। মুখ খুললেন কখন যখন শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের মূর্তিতে হাতুড়ির ঘা পড়ল। হে হিন্দুত্বের কাণ্ডারী, অত্যাচার সহ্য করতে করতে মানুষের ধৈর্য একদিন সহনশীলতার সমস্ত সীমা ছাড়িয়ে যায়। পৃথিবীর কোনো শাসকই মানুষের সেই অনন্ত ঘৃণার আগুন থেকে নিজেদের রক্ষা করতে পারে নি।

আমরা স্পষ্ট ভাষায় বলছি, আমরা মূর্তি ভাঙার বিরুদ্ধে। কারণ আমরা জানি মূর্তি ভেঙে শুধুমাত্র কোনো মতাদর্শকে নিশ্চিহ্ন করা যায়নি, যায়ও না। এমনকি সত্তর দশকে যে নকশালপন্থীরা রামমোহন, বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভেঙেছিলেন আমরা সমালোচনামূলক দৃষ্টিভঙ্গীতে দেখার পক্ষপাতী তাকেও। কিন্তু এখানে দুটো কথা বলার। প্রথমত বিদ্যাসাগর, রামমোহনের মতো মানুষ যারা নিজেদের গোটা জীবন সমাজের কল্যাণের জন্য উৎসর্গ করেছিলেন তাঁদের সাথে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের মতো হিন্দু মহাসভার নেতা, গোটা ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনে যে মহাসভার কোনো ভূমিকা নেই, ব্রিটিশ রাজশক্তি আর ক্ষমতার বৃত্তের কাছাকাছি থেকেছেন বরাবর যে শ্যামাপ্রসাদ, তীব্রভাবে বিরোধিতা করেছেন ভারত ছাড়ো আন্দোলনের; রামমোহন, বিদ্যাসাগরের সাথে তার কোনো তুলনাই করা চলে না। আমরা জানি না কোন সম্প্রদায়ের ভোটব্যাঙ্ককে তুষ্ট করার জন্য পূর্বতন বামফ্রন্ট সরকার দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাসের মতো মহান মানুষের সমাধিস্থলে শ্যামাপ্রসাদের মূর্তি স্থাপন করেছিলো। আর দ্বিতীয়ত ফ্যাসিবাদের চূড়ান্ত আক্রমণের মুখে দাঁড়িয়ে মানবতা, বিবেক আর মননশীলতার সমস্ত ক্ষেত্র যখন আক্রান্ত হয়েছিলো একদিন, রোমা রোল্যাঁর মতো বিশ্ববরেণ্য মানুষও সেদিন বলতে বাধ্য হয়েছিলেন, “when order is injustice, disorder is the beginning of justice.” শ্যামাপ্রসাদের মূর্তি ভাঙার পর মোদী-অমিত শাহ-রাজনাথ সিং চক্রের সরব হওয়ার মধ্যে দিয়েই পরিষ্কার যে শ্রমিকের হাতুড়ি ভুল জায়গায় আঘাত করেনি।

ফ্যাসিস্ট শক্তিগুলি মতাদর্শগতভাবে বামপন্থাকে তার প্রধান শত্রু বলে মনে করে। কারণ তারা জানে দেশের নিপীড়িত জনগণের আশা-আকাঙ্খাকে প্রতিফলিত করার বাস্তব ক্ষমতা আর কারও নেই। বামপন্থার বিপদ যদিও শুধু বাইরে থেকে নয়, এসেছে তার ভিতর থেকেই। সংসদীয় বাম রাজনীতির ভোটবাজি আর ভাঁওতাবাজী আর ‘সেকুলার প্রগতিশীল বাম’দের মিনমিনে প্রতিবাদ দেখতে দেখতে মানুষ ক্লান্ত। অসহায় মানুষের অনিশ্চয়তাকে আজ গ্রাস করছে ফ্যাসিবাদ। শুধুমাত্র ভোটের মধ্যে দিয়ে এই ফ্যাসিস্ট শক্তিকে হারানোর স্বপ্ন যারা দেখছে, মূর্খের স্বর্গে বাস করছে তারা। আজ সত্যিই প্রয়োজন রয়েছে বামপন্থাকে নতুনভাবে সাজানোর, দেশের জল-জঙ্গল-জমির আর অধিকার রক্ষার প্রতিটি আন্দোলনের সাথে এই মতাদর্শকে যুক্ত করার। নির্বাচনী রাজনীতির মোহ থেকে না বেরোলে কখনো সম্ভব নয় এই মরণপণ লড়াই। কৃষকের কাস্তে আর শ্রমিকের হাতুড়ির মর্যাদা রক্ষার দায় তাই আমাদের সবার, প্রত্যেকের।

আমরা আমাদের পোস্টারে লিখেছিলাম ‘ভেঙেছি বলেই সাহস রাখি গড়ার/ ভেঙেছি বলেই সাজিয়ে দিতে পারি/ স্বপ্নের পর স্বপ্ন সাজিয়ে তাই আমরা এখনও স্বপ্নের কান্ডারী’। আমরা তো শুধুমাত্র একটা সামান্য মূর্তি ভেঙেছি। মা-মাটি-মানুষের সরকার যদিও তার জন্যই আমাদের দুদিনের পুলিশি হেফাজত ও চারদিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছিল। কিন্তু জাতিতে-জাতিতে, ধর্মে-ধর্মে বিরোধ আর বিভাজন ঘটিয়ে গোটা সমাজকে ভেঙে দিতে চাইছে যারা, প্রতিদিন বিক্রি করে দিচ্ছে যারা দেশের মূল্যবান সম্পদ কি শাস্তি তাদের জন্য বরাদ্দ হওয়া উচিত? আগামী সময় আর আমাদের দেশের মানুষ নিশ্চিতভাবেই এর বিচার করবেন।


কলকাতায় নকশালপন্থী ছাত্র সংগঠনের দ্বন্দ্বঃ USDF এর বিবৃতি

12

( বিবৃতিটি USDF এর পক্ষ থেকে আমাদের কাছে পাঠানো হয়েছে )

আমাদের কাছে আসা একটি মলেস্টেশানের অভিযোগের প্রেক্ষিতে আমরা যে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম, প্রথমেই মুক্তকন্ঠে সেই বিষয়ে আত্মসমালোচনা করছি। আসলে সাম্প্রতিক অতীতে বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে হওয়া যৌন হেনস্থার কোনো ঘটনার ক্ষেত্রেই ICC ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারেনি। আর সেটাকে মাথায় রেখেই USDF ও RADICAL ঠিক করে যে কমিটির কাছে যাওয়ার পরিবর্তে তারা নিজেরাই বিকল্প কোনো পন্থায় অভিযোগটিকে উদ্দেশ করবে ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে। কিন্তু দুঃখের কথা, এই বিষয়ে নিতে চাওয়া যাবতীয় গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ব্যর্থ প্রতিপন্ন হয়। একটি সক্রিয় GSCASH এর – যেখানে ছাত্রছাত্রীদের তরফ থেকে প্রতিনিধিত্ব থাকবে এবং যা ক্যাম্পাসে লিঙ্গ সচেতনতা গড়ে তোলার কার্যক্রমের পাশাপাশি হেনস্থা-নির্যাতনের অভিযোগের বিচারের ক্ষেত্রেও ভূমিকা নেবে – প্রয়োজনীয়তা যে কতখানি, তা আবারও প্রকট হল এই ঘটনায়। অভিযোগের বিষয়টির উল্লেখ করে গত ২৮শে জানুয়ারি আমাদের তরফে সোশ্যাল মিডিয়ায় আমাদের পেজ’এ একটি বিবৃতি প্রকাশ করা হয়। যেহেতু এই বিবৃতিতে অভিযুক্তের নাম উল্লেখ করা হয়েছিল, তাই এটিকে কেন্দ্র করে দেখা দেয় কিছু বিতর্ক। ‘Gender Justice’ এর জন্য সক্রিয় নারীবাদী, বামপন্থী ও নানান গণতান্ত্রিক সংগঠন অতীতে একাধিকবার এইধরনের কিছু পদ্ধতি ব্যবহার করেছে নারীনিগ্রহ-নির্যাতন ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে লড়াই এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রয়োজনে। প্রাসঙ্গিকভাবে মনে পড়ে যাচ্ছে একলব্য চৌধুরী, কৌশিক রায়, ফ্রান্সিস মণ্ডল, তরুণ তেজপাল ও মানিক কাটিয়ালের কথা। বর্তমান ঘটনায় আমাদের বিবৃতির প্রেক্ষিতে যে বিভিন্ন মতামত উঠে এসেছে, সেগুলিকে আমরা আমাদের পদক্ষেপের সমালোচনার অংশ হিসাবে গ্রহণ করছি। আমরা আশা করছি যে নারীবাদী রাজনীতির প্রেক্ষিতে নির্দিষ্ট এই কৌশলের ব্যবহার প্রসঙ্গে আলোচনাকেও সমৃদ্ধ করবে এইসমস্ত মতামত। অভিযুক্ত সুশীল মান্ডি গত ২’রা ফেব্রুয়ারি থেকে নিখোঁজ। এরপর থেকে ‘ফ্রেন্ডস অফ সুশীল’ নামের একটি গোষ্ঠী, যার সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন র‍্যাডিকালের কিছু শীর্ষস্থানীয় নেতা ও নেত্রী, লাগাতার অভিযোগকারিণীর উপর দোষারোপ, অর্থাৎ Survivor Blaming করে চলেছে। অভিযোগকারিণী অম্বুজা রাজ সহ USDF এর চার সদস্যর বিরুদ্ধে FIR দায়ের করা হয়েছে। অম্বুজাকে অভিযুক্ত করা হয়েছে মানহানির মামলায় এবং USDF এর চারজনের বিরুদ্ধে আনা হয়েছে অপহরণ ও Caste Atrocity Act এর ধারা। Gender Justice এর প্রশ্নের বিপরীতে যেভাবে দাঁড় করানো হয়েছে জাতি-বর্ণকে, তাতে আমরা উদ্বিগ্ন। আমরা এটিকে Survivor Blaming এর সংস্কৃতির অংশ বলেই মনে করছি এবং এই ঘটনাটিকে দেখছি যৌন হেনস্থার সুবিচারের জন্য সরব হওয়া ব্যক্তিবর্গের কন্ঠরোধ করার প্রয়াস হিসাবে। ‘ফ্রেন্ডস অফ সুশীল’-এর পক্ষ থেকে প্রকাশ করা হয়েছে তীব্র নারীবিদ্বেষী, মিথ্যা অভিযোগ সম্বলিত একটি প্রেস বিবৃতি। গোটা বিশ্ববিদ্যালয় চত্বর জুড়ে অভিযোগকারিণী ও তার পক্ষে দাঁড়ানো ব্যক্তিদের শাস্তির দাবি জানিয়ে লাগানো হয়েছে পোস্টার। অভিষেক মুখার্জীর উস্কানিতে জনসমক্ষে বিশ্বরূপ প্রামাণিক (অভিষেক ও বিশ্বরূপ দুজনেই র‍্যাডিকালের সদস্য) প্রহার করেছে কৌস্তভ মন্ডলকে। অভিষেক মুখার্জী প্রকাশ্যে অম্বুজা রাজকে হুমকি দিয়েছে এবং তাকে মিথ্যাবাদী বলেছে। কিন্তু এসব সত্ত্বেও আমরা নোংরা আইনি লড়াইয়ের খেলায় নামতে চাইনি। ঘটনাক্রম যাতে আরো অনভিপ্রেত ও তিক্ত রূপ না নেয়, সে কথা মাথায় রেখে র‍্যাডিকাল ও আমরা একসাথে আলোচনায় বসি। আমরা নিজেদের পদক্ষেপের (অভিযুক্তের নাম প্রকাশ্যে আনার) সমালোচনা করি এবং দাবি জানাই যে র‍্যাডিকালকে তাদের ‘Survivor blaming’ এর জন্য আত্মসমালোচনা করতে হবে। কিন্তু এই আলোচনায় যা অগ্রগতির সম্ভাবনা দেখা দিয়েছিল, র‍্যাডিকাল তা অচিরেই নস্যাৎ করে দেয় এবং সেদিনই সন্ধ্যেবেলা নতুনভাবে তিন দফা দাবি পেশ করে – ক) অম্বুজাকে এই মর্মে বিবৃতি দিতে হবে যে, সে সুশীলের ভাবমূর্তি নষ্ট করার জন্যই মলেস্টেশানের অভিযোগ তুলেছিল ; খ) USDF কে এটা বলতে হবে যে তারা মিথ্যা অভিযোগ করেছিল, এবং গ) সৌম্য মণ্ডলকে USDF এর সাধারণ সম্পাদকের পদ থেকে ইস্তফা দিতে হবে। এখান থেকে এটা স্পষ্ট হয়ে যায় যে FIR’গুলিকে র‍্যাডিকাল নিজেদের ক্ষুদ্র রাজনৈতিক স্বার্থের জায়গা থেকে ব্যবহার করছে অভিযোগকারিণী ও তার পাশে দাঁড়ানো ব্যক্তিদের চাপ দেওয়ার জন্য। আমরা এর তীব্র বিরোধিতা করি। আমরা কোনোমূল্যেই মলেস্টেশানের অভিযোগ ফিরিয়ে নেব না। আর নিজেদের এই অবস্থানের জন্য যদি আমাদের গ্রেপ্তার হতে হয়, তবে তাই হোক। র‍্যাডিকালের পুংবাদী ভাবনা-মূল্যবোধসঞ্জাত কার্যকলাপের আমরা তীব্র ভাষায় নিন্দা করছি। সুশীল মান্ডির নিরুদ্দেশ হওয়ার দুঃখজনক ঘটনাকে কেন্দ্র করে যে পশ্চাৎপদ নারী-বিদ্বেষী উন্মাদনা তৈরি হয়েছে তার রাজনৈতিক মোকাবিলা না করতে পারলে আমাদের হয়ত আন্দোলনের মধ্যে দিয়ে লিঙ্গসচেতনা ও ন্যায়ের প্রশ্নে যে রাজনৈতিক ও চেতনাগত অগ্রগতি সম্ভব হয়েছিল নির্ভয়া আন্দোলনের পরবর্তীতে, তার থেকে পিছিয়ে যেতে হবে। বর্ণ ব্যবস্থা ও লিঙ্গবৈষ্যম্যর অবসান ব্যতিরেকে মানুষের মুক্তির স্বপ্নের বাস্তবায়ন কখনোই সম্ভব নয়। লিঙ্গ রাজনীতির বিপরীতে বর্ণ রাজনীতিকে দাঁড় করানোটা একটা পশ্চাৎপদ ভাবনার প্রতিফলন। কেননা, এভাবে চলতে থাকলে তো হেনস্থাকারী/নির্যাতনকারীর বর্ণগত পরিচয় না জানা থাকলে প্রকাশ্যে যৌন হেনস্থার অভিযগো জানানো বা তা নিয়ে সোচ্চার হওয়া যাবে না, তাই না? ক্যাম্পাস ও ক্যাম্পাসের বাইরেও বিবিধ গণতান্ত্রিক স্বর অবস্থান নিক Gender Justice এর পক্ষে; পাশে দাঁড়াক অভিযোগকারিণী, পাশে দাঁড়াক আমাদের – প্রত্যাশা রইল এমনটাই। যেটা এখানে বলা একান্তই প্রয়োজনীয়, এবং আমরা দ্বিধাহীনভাবে বলছিও, তা হল – আমরা একেবারেই মনে করিনা যে সুশীল মান্ডি একজন ‘খারাপ মানুষ’, বা ‘বাজে মানুষ’ এবং আমরা আন্তরিকভাবেই চাই যে সুশীল সুস্থ শরীরে ফিরে আসুক ক্যাম্পাসে। শ্রেণী, বর্ণ, লিঙ্গ ও শারীরিক সক্ষমতার নিরিখে থাকবন্দি এই সমাজব্যবস্থার বিরুদ্ধে দীর্ঘস্থায়ী লড়াই প্রয়োজন। লড়াই প্রয়োজন আমাদের অন্তরে ও বাইরে।

USDF

[USDF, Jadavpur University Preparatory Unit এর পক্ষে নবোত্তমা ও দিব্যকমল]


ছাত্র নিখোঁজঃ ফেসবুকে খামচা-খামচি যাদবপুরের ‘মাওবাদী ছাত্রদের’

12

যাদবপুরের এমফিলের ছাত্র সুশীল মান্ডি নিখোঁজ। সুশীল নকশালপন্থী সংগঠন বলে পরিচিত RADICAL এর সদস্য। এই সংগঠনের নেতা রাজ্যের সিপিআই(মাওবাদী)-র নগর কমিটির প্রাক্তন সম্পাদক অভিষেক মুখার্জী। অপরদিকে USDF সংগঠনের এর নেতা সৌম্য মণ্ডল। সুশীলের বিরুদ্ধে অভিযোগ তিনি নাকি যাদবপুরের এক ছাত্রীর শ্লীলতাহানি করেছেন। ছাত্রীর সমর্থনে এগিয়ে এসেছে মাওবাদীদের প্রতি সহানুভূতিশীল বলে পরিচিত USDF। অন্যদিকে RADICAL এর অভিযোগ সুশীল আদিবাসী বলেই তাঁকে টার্গেট করা হচ্ছে। এই ইস্যুতে ইতিমধ্যেই RADICALও  USDF দুপক্ষের মধ্যে মারপিট পর্যন্ত হয়ে গেছে। বিষয়টি থানা পর্যন্ত গড়িয়েছে। কিন্তু তার থেকেও মারাত্মক উভয়পক্ষ ফেসবুককে বেছে নিয়েছে একে অপরকে আক্রমণের জায়গা হিসাবে। যে নোংরা ভাষায় দুই সংগঠনের সমর্থকরা ফেসবুকে লিখছেন তা নিয়ে রুচির প্রশ্ন তুলছেন অনেকেই।

সূত্রঃ ফেসবুক ও satdin.in


কলকাতাঃ RADICAL এর ডাকে গণ কনভেনশন

'RADICAL' এর পোষ্টার

‘RADICAL’ এর পোষ্টার

 

'A.P.D.R' এর প্রতিনিধি রঞ্জিত সুর

‘A.P.D.R’ এর প্রতিনিধি রঞ্জিত সুর

 

'বন্দী মুক্তি কমিটি'র প্রতিনিধি শঙ্কর দাস

‘বন্দী মুক্তি কমিটি’র প্রতিনিধি শঙ্কর দাস

 

প্রখ্যাত ফিল্ম সমালোচক বিদ্যার্থী চ্যাটার্জী

প্রখ্যাত ফিল্ম সমালোচক বিদ্যার্থী চ্যাটার্জী

 

'নভেম্বর বিপ্লব শতবর্ষ প্রস্তুতি কমিটি'র পক্ষে কম. সুরেশ বাইন

‘নভেম্বর বিপ্লব শতবর্ষ প্রস্তুতি কমিটি’র পক্ষে কম. সুরেশ বাইন

 

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী ও গণ আন্দোলনের কর্মী কম. অরূমিতা

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী ও গণ আন্দোলনের কর্মী কম. অরূমিতা

 

সমগ্র অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় 'RADICAL' কর্মী কম. সুদীপ্ত

সমগ্র অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ‘RADICAL’ কর্মী কম. সুদীপ্ত

 

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের FILM STUDIES DEPARTMENTএর অধ্যাপক ও গণ আন্দোলনের কর্মী সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের FILM STUDIES DEPARTMENTএর অধ্যাপক ও গণ আন্দোলনের কর্মী সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়

 

উপস্থিত ছাত্র-ছাত্রী, অধ্যাপক-অধ্যাপিকা ও অশিক্ষক কর্মচারী সাথীরা, এবং মিডিয়ার বন্ধুরা

উপস্থিত ছাত্র-ছাত্রী, অধ্যাপক-অধ্যাপিকা ও অশিক্ষক কর্মচারী সাথীরা, এবং মিডিয়ার বন্ধুরা

 

'PERIODS' সংগঠনের সাথী কম. কৌস্তভ

‘PERIODS’ সংগঠনের সাথী কম. কৌস্তভ

 

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের FILM STUDIES DEPARTMENTএর অধ্যাপক ও গণ আন্দোলনের কর্মী মানস ঘোষ

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের FILM STUDIES DEPARTMENTএর অধ্যাপক ও গণ আন্দোলনের কর্মী মানস ঘোষ

 

'P.D.S.F'এর পক্ষে কম. দেবশ্রী

‘P.D.S.F’এর পক্ষে কম. দেবশ্রী

 

'RADICAL' এর পক্ষে কম. জুবি

‘RADICAL’ এর পক্ষে কম. জুবি

 

"ফ্যাসিবাদ সে আজাদী, হিন্দুত্ববাদ সে আজাদী'...শ্লোগান দিয়ে গণ কনভেনশনের সমাপ্তি ঘোষনা 'RADICAL' কর্মীদের

“ফ্যাসিবাদ সে আজাদী, হিন্দুত্ববাদ সে আজাদী’…শ্লোগান দিয়ে গণ কনভেনশনের সমাপ্তি ঘোষনা ‘RADICAL’ কর্মীদের


একটি RADICAL নোটঃ জাতি-বর্ন বিলোপের সংগ্রাম, রোহিত ও তারপর……

আমি এই শতাব্দীর শেষপ্রান্ত থেকে কথা বলি,
আমি এই সল্প্রাংশু মধ্যরাত্রি থেকে কথা বলি,
আমার মায়ের রক্ত হাতে নিয়ে আমি কথা বলি,
হোলি খেলেছিল যারা আমার মায়ের রক্ত নিয়ে,
আগুণ জ্বালিয়ে যারা শবের ওপর নেচেছিল,
এই শেষ অন্ধকারে তাদের সবার কথা বলি ;
শহীদ শিখর – শঙ্খ ঘোষ
—————————————————————————————————————————————–
bb
কি হয়েছে না হয়েছে আমরা সবাই জানি। সেই সুত্রেই হয়তো জেনে গেছি হাজার হাজার বছর ধরে কি হয়ে এসেছে এই ভূখন্ডে। ‘রামায়ন’, ‘মহাভারত’এ যদি সেই সময়কার বাস্তবতার বিন্দুমাত্র ছবিও প্রতিফলিত হয়ে থাকে তবে সেই ‘শম্বুক’, ‘একলব্য’ থেকে শুরু, দলিত-শুদ্রের রক্তে বারবার লাল বয়েছে এই মাটি। মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী বা বিবেকানন্দের তথাকথিত শুদ্রপ্রেমের বানী যে আসলে অবস্থার বিন্দুমাত্র পরিবর্ত্ন করতে পারে নি তাতো আমরা দেখতেই পাচ্ছি। আসলে তারা কোনো সদর্থক পদক্ষেপ নেওয়ার পথে বাধাই হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন এই প্রশ্নে মুখে অনেক কিছু বলেও। এই বাস্তবতা স্বীকার আজ করতেই হবে। সেই কারনেই আমাদের সামনে আজও প্রশ্ন করে বাথানীটোলা-আরওয়াল, দলিত শিশুদের পুড়িয়ে মারা থেকে চুনী কোটাল-রোহিত ও আরো অজস্র নাম। এখনো কি চিৎকার করে বলার সময় আসেনি এ আর্যাবর্ত আমার দেশ নয়?
না নয়, আমার দেশ কে গড়ে তুলতে পারে দেশের ৮৭% দলিত-আদিবাসী-সংখ্যালঘু জনগণ। আর কেউ নয়। সেটাই হতে পারে নয়া গণতান্ত্রিক ভারত। যে দেশের সিংহভাগ মানুষকে তথাকথিত স্বাধীনতার ৬০ বছর পরেও ‘সোনার টুকরো’, ‘সোনার চামচ’ বলে ব্যাঙ্গো, যে দেশে সংরক্ষনের মতো গণতান্ত্রিক দাবীকে দায়ী করা হয় মেধা অনুশীলনের পথে বাধা হিসেবে অবৈজ্ঞানিকভাবে আর অন্যদিকে মুষ্টিমেয় মানুষ হাজার বছর ধরে শিক্ষায়, চাকরিতে বকলমে অন্যায্য সুবিধা ভোগ করতে থাকেন সেই দেশ ও সেই সমাজ আর যাই হোক কোনো দিক দিয়েই গণতান্ত্রিক হতে পারে না। বহু যুগ আগে জন্মনির্ধারিত পেশার বন্ধনে জনগণকে বেঁধে রাখার যে ধূর্ত কৌশল তৈরি করেছিল শাষক শ্রেনী তার বহিরঙ্গে অনেক পরিবর্তন এসেছে, যেমন কিছু দলিত-আদিবাসী-সংখ্যালঘু মানুষ সমাজের উপরের দিকে ঊঠে গেছে, জমিদার-ব্যবসায়ী থেকে নেতা-মন্ত্রীও হয়েছে। বলা ভালো তাদের উপরের দিকে উঠতে দিয়েছে এই ব্রাক্ষন্যবাদী সামন্ততান্ত্রিক সমাজ। যাতে এদের খুড়োর কলের মতো ঝুলিয়ে রাখা যায় বাকি দলিত-আদিবাসী-সংখ্যালঘু জনগণের সামনে, আর তাঁদের ওপর চালিয়ে যাওয়া যায় অবাধ শোষণ ও শাসন।
জ্যোতিবা রাও ফুলে, সাবিত্রী ফুলে, পেরিয়ার, আম্বেদকারের মতো সংগ্রামীরা দলিত মুক্তি আন্দোলনে অমূল্য অবদান রেখে আমরন সংগ্রাম করে গেলেও, সিধু-কানহু, বিরসা মুন্ডারা বৃটিশ সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে জীবন দিয়ে গেলেও আজও দেশটা উচ্চবর্নের হিন্দুদের দেশ! আম্বেদকার বলেছিলেন “সংরক্ষন আসলে প্রতিনিধিত্ব, যা গণতন্ত্রের ভিতস্বরূপ”, সেই সংরক্ষনকে করে দেওয়া হয়েছে পঙ্গু। ধরে নেওয়া যাক সংরক্ষনের সুযোগে কোনো অনুন্নত এলাকার দলিত-আদিবাসী-সংখ্যালঘু ছাত্র বা ছাত্রী যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো বড় জায়গায় পড়তে এলো, যেখানে পড়ানোর মাধ্যম ইংরিজি। অনুন্নত এলাকা থেকে আসার ফলে ইংরিজিতে সেই সাবলীলতা না থাকাই স্বাভাবিক তাঁর মধ্যে(সবার পক্ষে আম্বেদকার, রঘুনাথ মূর্মু বা ধীরেন বাস্কে হওয়া সম্ভব নয়)। ফলে পরীক্ষার ফলাফলে তাঁর পক্ষে পাল্লা দেওয়া সম্ভব নয় কোলকাতা ও তার আসেপাসের থেকে আসা ইংরিজিতে সাবলীল ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে। সেই পাল্লা না দিতে পারাকে অজুহাত করে প্রচার চলে সংরক্ষনের বিরুদ্ধে। আসলে যে সংরক্ষনকে খুব সচেতনভাবেই পঙ্গু করে রাখা হয়েছে। উদ্দেশ্য খুব পরিষ্কার, দেশের শ্রমজীবি মানুষদের দেকে তাকালেই সেটা আমরা বুঝতে পারি যদি বুঝতে চাই। শ্রমিক-কৃষক ও অন্যান্য খেটে খাওয়া জনগণের ৯৫% দলিত-আদিবাসী-সংখ্যালঘু। অবশ্যই ঐ খুড়োর কল হিসেবে কিছু দলিত-আদিবাসী-সংখ্যালঘু মানুষকে সমাজের উপরের স্তরে বসিয়ে রাখেছে পুতুলের মতো ব্রাক্ষন্যবাদী শাসকেরা। যে কজন সব প্রতিকূলতাকে জয় করে প্রবল সংগ্রাম করে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে উদ্দ্যোগী সমাজে তাঁরা যদি ঐ পুতুলে পরিণত না হতে চান তাঁদের জন্য অপেক্ষা করে থাকে চুনী কোটাল, রোহিত বা প্রেসিডেন্সী বিশ্ববিদ্যালইয়ের অধ্যাপক মহীতোষবাবুর পরিনতি। যাঁরা মাথা তুলতে চান এই অমানবিক, অগণতান্ত্রিক ব্যাবস্থার বিরুদ্ধে সংগ্রামের মাধ্যমে তাঁদের জন্য তৈরি থাকে বাথানীটোলা-আরওয়ালের পরিণতি।
ভারতের বিপ্লবী কমিউনিষ্ট ও বাম শিবিরও জাতি-বর্নব্যবস্থা এবং ব্রাক্ষন্যবাদী সামন্ততন্ত্রের এই বৈশিষ্টকে ধরতে পারেনি বহুকাল। দেবীপ্রসাদ, কোসাম্বি, রাহুল সংকীর্তায়নের মতো কিছু মানুষ ছাড়া। ঠিক যেমন ভারতীয় সমাজের আমূল পরিবর্তণের সঠিক লাইনটির ধারে কাছেও যাওয়া যায় নি বহুকাল। সেটি ঠিক হওয়ার পর যতই বিপ্লবী জনগণের মধ্যে বেড়েছে অনুশীলন ততোই স্পষ্ট হয়েছে জাতি-বর্নব্যবস্থা ও ব্রাক্ষন্যবাদী সামন্ততন্ত্রের আসল চেহারা। আর আজ সময় এসেছে সমস্ত ভুল শুধরে নেওয়ার সংগ্রামের মাটিতেই। দলিত-আদিবাসী-সংখ্যালঘু জনগণের মুক্তির আন্দোলনকে গড়ে তোলা ও দিকে দিকে ছড়িয়ে দেওয়ার আজ সময়ের দাবী। বিপ্লবী দাবী ও গণতান্ত্রিক দাবী। জাতি-বর্নব্যবস্থার বিলোপ ও ব্রাক্ষন্যবাদী সামন্ততান্ত্রিক ব্যবস্থার ধ্বংসসাধনের মাধ্যমেই শুধু হতে পারে #JusticeForRohith. চুনী কোটাল থেকে বাথানীটোলা-আরওয়ালের জন্য ন্যায় বিচার। হায়দ্রাবাদ বিশ্ববিদ্যালয়ের VCর, কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের পদত্যাগ/অপসারন বা শাস্তির দাবীর সাথে দলিত-আদিবাসী-সংখ্যালঘু জনগণের সামাজিক ও রাজনৈতিক ক্ষমতায়নের দিশায় আন্দোলন ও সংগঠন গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া এখন সমস্ত প্রগতিশীল-গণতান্ত্রিক-বিপ্লবী জনগণের কর্তব্য। যে আন্দোলন ও সংগঠনের লক্ষ্য হবে জাতি-বর্নব্যবস্থার বিলোপ এবং ব্রাক্ষন্যবাদী সামন্ততন্ত্রের ধ্বংসসাধন। রোহিতদের সংগ্রাম, দলিত-আদিবাসী-সংখ্যালঘু জনগণের গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম আসলে ভারতীয় সমাজের আমূল গণতান্ত্রিকীকরনের সংগ্রামের সাথেই যুক্ত। সেখানে লিংডো কমিশন, ক্যাম্পাস গণতন্ত্র, UAPA, রাজনৈতিক বন্দীমুক্তির দাবী, অপারেশান গ্রীনহান্টের বিরোধীতা এক সূত্রে বাঁধা। বর্তমানে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় যে সংগ্রামের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে, সেই ছাত্র সংসদ নির্বাচনের অধিকার, ক্যাম্পাস থেকে CCTV ও পুলিশ পিকেটিং প্রত্যাহারের দাবী, এককথায় ক্যাম্পাস গণতন্ত্রের দাবী রোহিতের লড়াইয়ের থেকে আলাদা কিছু নয়। তাই আমাদের সক্রিয়তা অনেক বেশি করে দাবী করছে পরিস্থিতি।

র‍্যাডিকাল

_______________________________________________________________
র‍্যাডিকাল এর পক্ষে জুবি(৯৫৬৩৯১১৫৫৭) ও সুদীপ্ত(৯৮৩০৬৪৮৫৬৭) কর্তৃক প্রকাশিত

কলকাতাঃ RADICAL এর গণসংযোগ (৩য় দিন): বিশ্ব হিন্দু পরিষদ পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটির কার্যালয়ের পাশে

10615343_757699437697477_5484317356337129275_n12471331_757699521030802_2827171975352011539_o

12484831_757699601030794_6726187102685956665_o

12489388_757699017697519_6395978285613279777_o

10669034_757699367697484_7832284787437345556_o


কলকাতাঃ RADICAL এর গণসংযোগ (২য় দিন)

1

2

3

4

5

6

7