প্রতি তিন দিনে একজন সিআরপিএফ জওয়ান আত্মহত্যা করে বলে পরিসংখ্যানে প্রকাশ

09Fir06.qxp

 

 

ভারত

মাওবাদীদের বুলেটে ভারত যত না মিলিটারি জওয়ান হারাচ্ছে তার চেয়ে বেশী হারাচ্ছে কর্মক্ষেত্রে দরিদ্র অবস্থা ও উচ্চ মানসিক চাপের কারণে। আশংকাজনক এক পরিসংখ্যানে দেখা যায় প্রতি তিন দিনে একজন প্যারামিলিটারি জওয়ান আত্মহত্যা করে। মাওবাদীদের সাথে যুদ্ধরত সিআরপিএফ জওয়ানরা অত্যন্ত মানবেতর জীবনযাপন করে থাকে।

হৃদরোগ, ম্যালেরিয়া ও এইচআইভি র মত রোগে আক্রান্ত হচ্ছে সিআরপিএফ বাহিনীর জওয়ানরা। গত পাঁচ বছরে এই তিনটি রোগে ১,১৩১ জন জওয়ান মৃত্যবরণ করেছে অথচ মাওবাদীদের হাতে মৃত্যুবরণ করেছে মাত্র ৩২৩ জন। দেশটির বৃহত্তম প্যারামিলিটারি বাহিনী সিআরপিএফ এ তিন লাখের বেশি জওয়ান রয়েছে যারা প্রতিকূল পরিবেশে যুদ্ধরত। জঙ্গলে মাওবাদীদের সাথে, জম্মু ও কাশ্মীরে, উত্তর পূর্ব অঞ্চলে সর্বত্র জওয়ানদের পরিস্থিতি শোচনীয়। ২০১২ থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে প্যারামিলিটারি বাহিনীর ৩৭০ জন জওয়ান আত্মহত্যা করে। প্যারামিলিটারি বাহিনীর ভেতরে সিআরপিএফ এ জওয়ানদের ঝরে পড়ার হার সবচেয়ে বেশী। অন্যান্য বাহিনীর ভেতরে এ হার সীমিত অথচ সিআরপিএফ ঝরে পড়ার হার অনেক বেশী। ২০১৪ সালে প্রতিদিন গড়ে ২০ জন জওয়ানকে হারায় এ বাহিনী। ২০১৪ সালে পরিণত হবার আগেই ছয় হাজারের বেশী জওয়ান বাহিনী ত্যাগ করে। অপরদিকে ২০১৩ সালে এ সংখ্যা ছিল ৪১৮৬। টয়লেটের অভাব সহ বিভিন্ন মৌলিক সুযোগ সুবিধার অভাবে মাওবাদী অধ্যুষিত জঙ্গলগুলোতে বাহিনীর জওয়ানরা রোগাক্রান্ত হচ্ছে। সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে জানা যায়, মানবেতর অবস্থার কারণে সিআরপিএফ এর জওয়ানরা বাহিনী ছেড়ে চলে যেতে বাধ্য হচ্ছে।

সূত্রঃ dailymail.co.uk

Advertisements

“প্যারাগুয়ে পিপলস আর্মির (Ejército del Pueblo Paraguayo) বিবৃতি”

স্পানিশ ভাষা থেকে অনুবাদিত – 

Statement of Paraguayan People’s Army (Ejército del Pueblo Paraguayo) -2015/6/2

11004878_879355445460682_1980571020_n

Reactionaries are lies, the revolutionary truth.

 

The Narco-government,” because of Horacio Cartes has been rushing to deploy a media campaign, seeking to place blame for their crimes to the insurgency. Wednesday night the Task Forces criminals (FTC), mercenary forces of the Colorado Party, shot on a command of elite of the EPP guarding those detained, Robert Natto and Erika Reiser. In the scuffle the first shots that came from the FTC, reached to the prisoners, due to the fact that they do not have military training, being unemployed, being targets of the indiscriminate firing by the forces of repression, they fall in battle by firing on everything that has movement, are not controlled, they go crazy before the fear. Read the rest of this entry »