তুরস্কের Democratic Peoples’ Federation (DHF) এর সাথে ফরাসী মাওবাদীদের সাক্ষাৎ

ফরাসী মাওবাদীরা ও DHF সদস্যদের আলোচনা

ফরাসী মাওবাদীরা ও DHF সদস্যদের আলোচনা

ফরাসী মাওবাদীরা তুরস্কের Democratic Peoples’ Federation (DHF) এর সাথে সাক্ষাৎ করে সার্বিক পরিস্থিতি ও DHF এর রাজনৈতিক লাইন সম্পর্কে জানেন। সাক্ষাৎকারটি ফরাসী মাওবাদীদের পত্রিকায় প্রকাশিত হবে।

 ৩০/০৮/২০১৫-

সুরুক গণহত্যা পরবর্তী Socialist Party of the Oppressed (Turkish: Ezilenlerin Sosyalist Partisi, ESP) এর আহত সদস্যদের সাথে ও The Socialist Youth Associations Federation (SGDF) Socialist Party of the Oppressed (Turkish: Ezilenlerin Sosyalist Partisi, ESP) এর হাসপাতালে ভর্তিকৃত সদস্যদের সাথে PCMF (The Maoist Communist Party of France) এর সদস্যরা সাক্ষাৎ করে সমর্থন ও সংহতি প্রকাশ করে।

আলোচনার সার সংক্ষেপ উল্লেখ করা হলঃ

পুঁজিবাদ এক নতুন সংকটে প্রবেশ করেছে এবং ইউরোপে যেখানে এর জন্ম সেখানে এবং বিশ্ব জুড়ে সংঘাত তীব্রতর হয়েছে। এই সংকট ও সংঘাতের স্পষ্ট প্রকাশ হল সিরিয়ার যুদ্ধ। সিরিয়ার যুদ্ধ হল সাম্রাজ্যবাদী শক্তিসমূহের যুদ্ধক্ষেত্র। ইউরোপের অর্থনৈতিক সংকট বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং বিল উপস্থাপন করা হচ্ছে শ্রমজীবী শ্রেণীর কাছে।

শ্রমজীবীদের জীবনযাত্রার নিম্নগামী মান ও মধ্যবিত্ত শ্রেণীর দারিদ্র্যের প্রতি দিকনির্দেশ করে ইউরোপে ফ্যাসিবাদ পুনরায় মাথাচাড়া দিয়েছে বলে ফরাসি মাওবাদীরা জোর দিয়ে উল্লেখ করেন।

‘সিরিজা’ হল সংস্কারবাদের ব্যর্থতার উদাহরণ। তারা আরো উল্লেখ করেন, ইউরোপে ফ্যাসিবাদী মতাদর্শ বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং এর প্রেক্ষিতে প্রলেতারিয়েত ও শ্রমিকদের থেকে অনুকূল সাড়া পাওয়া যাচ্ছে।

ভারত, ফিলিপিন ও তুরস্কে/উত্তর কুর্দিস্তানে চলমান গণযুদ্ধের প্রতি আন্তর্জাতিক সংহতি জ্ঞাপনের প্রতি গুরুত্বারোপ করেন ফরাসী মাওবাদীরা। তারা একটি আন্তর্জাতিক বিপ্লবী কেন্দ্র সৃষ্টির ব্যাপারে Democratic Peoples’ Federation (DHF) এর সাথে সম্মতি প্রকাশ করেন এবং বলেন যে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ফরাসী মাওবাদীরা বলেছেন, ফ্রান্সের দুটি মাওবাদী দল অল্প কিছুদিনের মধ্যে একটি ঐক্যবদ্ধ কংগ্রেস অনুষ্ঠিত করতে চলেছে। কংগ্রেসটি নভেম্বর মাসে অনুষ্ঠিত হবে এবং এতে করে তারা আরো নতুন ও ব্যাপক প্রক্রিয়ার মাঝে প্রবেশ করবে। তারা বলেন, ইউরোপে একটি শক্তিশালী বিপ্লবী আন্দোলন সৃষ্টি করা তাদের প্রধান কাজ।

সংগঠন দুটির মাঝে সংহতি ও কমরেডিয় সম্পর্ক দৃঢ় করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে সভা সমাপ্ত হয়।

অনুবাদ সুত্র/Translated from : http://www.halkingunlugu.net/index.php/man%C5%9Fet/1899-frans%C4%B1z-maoistler-dhf-ile-r%C3%B6portaj-ger%C3%A7ekle%C5%9Ftirdi.html

https://nouvelleturquie.wordpress.com/2015/09/05/the-french-maoists-conducted-an-interview-with-dhf/


তেল আবিবের স্বাধীনতা যুদ্ধে শহীদ MLKP যোদ্ধা হালিল আকসাকাল (মজলুম আক্তাস) সমাহিত

1

2

3

11053414_1603057033277305_7097852914600746596_n

তেল আবিবের স্বাধীনতা যুদ্ধে শহীদ এমএলকেপি যোদ্ধা হালিল আকসাকালকে (মজলুম আক্তাস) ২৭শে জুন তার শহর হাতায়ে সমাহিত করা হয়।

হাতায়ে শহরে জন্মগ্রহণকারী এমএলকেপি যোদ্ধা হালিল আকসাকাল তেল আবিয়াবে শহীদ হন। হাজার হাজার জনতার উপস্থিতিতে তার শহরে তাকে সমাহিত করা হয়। ২৭শে জুন বেলা ১১টায় তার মৃতদেহ সেরিনওলের রাস্তায় আনা হয় এবং পরে গাড়িবহরে করে তাকে হারবিয়েতে নিয়ে আসা হয়। এ সময় Pro-Kurdish Peoples’ Democratic Party (HDP) এর সহ সভাপতি ফিগেন ইউকসেকদাগ,  HDP এর আদানা শহরের ডেপুটি দানিস বেক্তাস ও Socialist Party of the Oppressed (Turkish: Ezilenlerin Sosyalist Partisi, ESP) এর সভাপতি সুলতান উলুসয় উপস্থিত ছিলেন।

জনতা হারবিয়ে আলি ইসমাইল কোর্কমাজ বুলভার্দে জমায়েত হয়ে স্লোগান, হর্ষধ্বনি ও হাততালির মাধ্যমে হালিল আকসাকালকে স্বাগত জানায়। হাজার হাজার মানুষ অন্তেষ্টিক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে।

আলি ইসমাইল বুলভার্দে পদযাত্রা শুরু হয়। মৃতদেহ প্রথমে হালিল আকসাকালের বাড়িতে আনা হয় ও পরে কারিয়ের সমাধিতে আনা হয়। এসময় “কমরেড হালিল অমর”, “বিপ্লবী সংহতি দীর্ঘজীবী হোক”, “কোবানি প্রতিরোধ দীর্ঘজীবী হোক”, “কমরেড হালিল দীর্ঘজীবী হোক, কমিউনিস্ট সংগ্রাম দীর্ঘজীবী হোক” ইত্যাদি স্লোগান দেয়া হয়।

সমাধিতে এক মিনিটের নীরবতা পালনের পর HDP এর সহ সভাপতি ফিগেন ইউকসেকদাগ বক্তব্য রাখেন। তিনি বলেন, “মধ্য প্রাচ্যে বর্বরদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে আমাদের সমর্থন দেয়া উচিৎ। গতকালের গণহত্যার জন্য মানবতার কাছে এদের জবাবদিহিতা করতে হবে। আমাদের স্মৃতিতেই শুধু নয়, কমরেড হালিল আমাদের সংগ্রামের মেঝেও বেঁচে থাকবেন। এখন আমাদের সামনে সত্যিকারের মিশন। আমরা তার নিশান ও তার লড়াইকে উর্ধ্বে তুলে ধরব।”

গেজি পার্ক আন্দোলনে শহীদদের পরিবার, রোজাভার শহীদ বেদরেত্তিন আকদেনিজের পরিবার, আলি আক্তাসের পরিবার ও DHF সহ বিভিন্ন বিপ্লবী, গণতান্ত্রিক ও দেশপ্রেমিক সংগঠন অন্তেষ্টিক্রিয়ায় অংশ নেয়।

সূত্রঃ 

http://www.signalfire.org/2015/06/30/sehid-ma-biymut/