ইউরোপ জুড়ে আটক তুরস্কের মাওবাদী বিপ্লবীদের ট্রায়াল শুরু হয়েছে জার্মানিতে

13417428_1549102678719145_6186050069377615131_n

13428370_1549102815385798_3146588405612707018_n

13466448_1549102688719144_6832076386784238697_n

mahkeme_atik

ATİK(ইউরোপে তুরস্কের ওয়ার্কার্স কনফেডারেশন) এবং তুরস্কের মাওবাদী পার্টি(TKP/ML) এর নেতা সন্দেহে জার্মানি, ফ্রান্স, গ্রীস এবং সুইজারল্যান্ডে যৌথ অভিযানে গ্রেফতার হওয়া ১০জন বিপ্লবীর ট্রায়াল গত ১৭ই জুন থেকে জার্মানিতে শুরু হয়েছে।  আটক বিপ্লবীদের কঠোর বিচ্ছিন্ন অবস্থার মধ্যে রাখা হয়েছে এবং বন্ধু, পরিবার ও আইনজীবীদের থেকে তাদের যোগাযোগ সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছে।

তাদের ইতিমধ্যেই তুরস্কের মাওবাদী পার্টি((TKP/ML)-র সাথে একাত্মতার জন্য তুরস্কে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে, এরই ভিত্তিতে তাদের বিচারের সম্মুখীন করা হচ্ছে।  জার্মানির ফৌজদারি আইন ১২৯/এ-বি এর অধীনে, বিদেশী বংশোদ্ভূত কেউ যদি তাদের দেশে দোষী সাব্যস্ত হন, তবে জার্মান রাষ্ট্র ‘সন্ত্রাসী কার্যক্রম” এর জন্যে তাদের যে কাউকে অভিযুক্ত করতে পারে।

TKP/ML হচ্ছে একটি মাওবাদী কমিউনিস্ট পার্টি, যারা তুরস্ক ও উত্তর কুর্দিস্তানের শোষিত, নিপীড়িতদের রক্ষায় সংগঠিত হয়ে গত ৪০ বছর ধরে ফ্যাসিবাদী তুরস্ক রাষ্ট্রের বিরুদ্ধের সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছে।  তাদেরই সশস্ত্র শাখা শ্রমিক ও কৃষক লিবারেশন আর্মি(TİKKO), আন্তর্জাতিক ফ্রিডম ব্যাটালিয়নের অংশ হিসেবে রোজাভায় কুর্দি যোদ্ধাদের পাশাপাশি থেকে আইএসআইএস ফ্যাসিস্টদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে যাচ্ছে।

Advertisements

২০১১ সালে তুরস্কের দারসিমে শহীদ ৫ মাওবাদী নারী গেরিলা

 

tkp-ml-tikko

তুরস্কের কমিউনিস্ট পার্টির(TKP/ML) সামরিক শাখা(TIKKO)’র দারশিম অঞ্চলের ৫জন মাওবাদী নারী গেরিলা কমরেড ২রা ফেব্রুয়ারি ২০১১ সালে ভোর ৫ টায় শীতকালীন ক্যাম্পে তুষার ধ্বসে শহীদ হন। তুরস্কের গণযুদ্ধের অংশ এই সব শহীদ নারী কমরেডদের স্মরণে তাদের পার্টি পরিচিতি দেয়া হল –

10269272_703277903065595_3264533733652719853_o

শেফাগূল কেশজীনঃ কোড নাম, এয়লেম; ১৯৭৭ সালে এরজূরুমে জন্মগ্রহণ করেন। ২০০৭ সালে তিনি গেরিলা সংগ্রামে যুক্ত হন। তিনি ছিলেন দারশিম অঞ্চলের রাজনৈতিক( পলিটিকাল লেফটেন্যান্ট) কর্মী।

কমরেড শেফাগূল কেশজীন

কমরেড শেফাগূল কেশজীনঃ কোড নাম, এয়লেম; ১৯৭৭ সালে এরজূরুমে জন্মগ্রহণ করেন। ২০০৭ সালে তিনি গেরিলা সংগ্রামে যুক্ত হন। তিনি ছিলেন দারশিম অঞ্চলের রাজনৈতিক (পলিটিকাল লেফটেন্যান্ট) কর্মী।

 

কমরেড নূরশেন আসলান

কমরেড নূরশেন আসলান

কমরেড নূরশেন আসলানঃ কোড নাম, এমেল; ১৯৮১ সালে টোকাতে(কৃষ্ণ সাগর) জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৯৯ সালে গেরিলা সংগ্রামে যুক্ত হন। তিনি ছিলেন TKP/ML এর অগ্রগামী সহানুভূতিশীল। একই সাথে দারশিম অঞ্চলের কমান্ডার হিসেবে দায়িত্বরত ছিলেন। 

কমরেড গুলজার ওযকান

কমরেড গুলজার ওযকান

কমরেড গুলজার ওযকানঃ কোড নাম, ওযলেম; ১৯৬৭ সালে দারশিমে জন্মগ্রহণ করেন। ২০০৫ সালে গেরিলা সংগ্রামে যুক্ত হন। তিনি ছিলেন TKP/ML এর অগ্রগামী সহানুভূতিশীল। একই সাথে TIKKO  কমান্ডার হিসেবে দায়িত্বরত ছিলেন। 

 

কমরেড ফাতেমা একার

কমরেড ফাতেমা একার

কমরেড ফাতেমা একারঃ কোড নাম, দিলেক; ১৯৮৩ সালে মারশিনে জন্মগ্রহণ করেন। ২০০৬ সালে গেরিলা সংগ্রামে যুক্ত হন। তিনি ছিলেন TKP/ML এর অগ্রগামী সহানুভূতিশীল। একই সাথে TIKKO  কমান্ডার হিসেবে দায়িত্বরত ছিলেন। 

 

কমরেড দেরিয়া এরাস

কমরেড দেরিয়া এরাস

কমরেড দেরিয়া এরাসঃ কোড নাম, শেভদা; ১৯৭৯ সালে এরজিনকানে জন্মগ্রহণ করেন এবং ২০০৯ সালে গেরিলা সংগ্রামে যুক্ত হন। তিনি ছিলেন TKP/ML এর অগ্রগামী সহানুভূতিশীল এবং TIKKO যোদ্ধা ছিলেন। 

সূত্রঃ https://revolutionaryfrontlines.wordpress.com/2011/04/26/turkey-five-tkpml-tikko-women-guerillas-killed-in-avalanche/

 


তুরস্কের মাওবাদী সংবাদঃ গিরে স্পি এর বিজয় উদযাপন করল TKP/ML-TIKKO

11377345_740202982755654_3204529698831156200_n

গিরে স্পি তে স্বাধীনতা অর্জন উপলক্ষে TKP/ML-TIKKO(Turkish Communist Party/Marxist-Leninist) এর মধ্যপ্রাচ্য আঞ্চলিক কমিটি একটি বিবৃতি প্রকাশ করেছে। এতে বলা হয়েছে, “সাম্রাজ্যবাদের মদদপুষ্ট দায়েশ (DASH) ফ্যাসিবাদি জঙ্গি গোষ্ঠীকে নির্মূল করে গিরে স্পিতে যে স্বাধীনতা অর্জিত হয়েছে, তা নিপীড়িত জনগণ বিশেষ করে আরব ও কুর্দিশদের সংগ্রামের ফল। কেবল মুক্তিযোদ্ধাদের জন্যেই এ সাফল্য অর্জিত হয়েছে। জনগণের ভ্রাতৃত্বপূর্ণভাবে ও স্বাধীনভাবে একত্রে বসবাস করার অভিপ্রায় ও স্থির সিদ্ধান্তকে আমরা সালাম জানাই।”

যেসকল যোদ্ধা প্রাণ হারিয়েছেন TKP/ML-TIKKO শ্রদ্ধার সাথে তাদের স্মরণ করে ও তাদের আদর্শকে বাঁচিয়ে রাখার প্রতিজ্ঞা করে বলে, “যারা মুক্তির জন্য প্রতিরোধ গড়ে তুলে ও লড়াই করে, তারা জয়লাভ করবেই। সাম্রাজ্যবাদ ও প্রক্রিয়াশীলতা পরাজিত হবেই।”

সূত্রঃ

Nouvelle Turquie


মোদীর সফরে মাওবাদী হাতে আটক ২৫০, মুক্তি, জনতার আদালতে ১ জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর

2afeab2c-6f96-4d23-8a29-b70f89aa5714wallpaper1

কথিত উন্নয়নের বার্তা নিয়ে এ বারে মাওবাদীদের গড়ে পৌঁছে গেলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। কিন্তু তিনি গিয়ে ওঠার আগে রাত থেকেই কমপক্ষে দু’‌শো জন গ্রামবাসীকে আটক করে রেখে মাওবাদীরা বুঝিয়ে দিল, কেন্দ্র ও রাজ্যের বিজেপি সরকারের উপরে তাদের আদৌ আস্থা নেই। মাওবাদীদের দাবি, এলাকার ভূ-সম্পদ লুঠ করে কয়েকটি বড় শিল্পগোষ্ঠীর হাতে তুলে দেওয়াই এই দুই সরকারের মূল লক্ষ্য। এ দিন রাতে ওই গ্রামবাসীদের ছেড়ে দিলেও, মাওবাদীরা ‘জন আদালত’-এ বিচার করে এক জনকে হত্যা করেছে। ঘটনাটি ঘটেছে মোদীর সভাস্থল থেকে ৬০ কিলোমিটার দূরে জিরম উপত্যকায়। দু’বছর আগে ঠিক এখানেই কংগ্রেসের কনভয়ে বড়সড় হামলা চালিয়ে বেশ কয়েক জন নেতাকে হত্যা করেছিল মাওবাদীরা।

ছত্তীসগঢ়ের মাওবাদী অধ্যুষিত দন্তেওয়াড়ায় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শেষ গিয়েছিলেন রাজীব গাঁধী। এর তিন দশক পরে গেলেন মোদী। কলকাতায় যাওয়ার আগে তাঁর এই সফরের লক্ষ্য ছিল দুটি: এক, মাওবাদী অধ্যুষিত এই একটি জেলাতেই ২৪ হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্প পৌঁছে দেওয়া। যে প্রকল্পে ইস্পাত কারখানা থেকে রেল লাইন পাতা হবে। দুই,  মাওবাদীদের সুস্থ জীবনে ফেরার বার্তা দেওয়া।

কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর সফরের আগেই মাওবাদীরা বয়কটের ডাক দেয়। শুধু তাই নয়, সুকমা জেলার বিভিন্ন গ্রামের অন্তত দু’‌শো জন গ্রামবাসীকে আটক করে। এক বিবৃতিতে তারা জানায়, শুধুই দেশি-বিদেশি কয়েকটি বড় শিল্পগোষ্ঠীকে সুবিধা পাইয়ে দিতেই প্রধানমন্ত্রী মোদী ও ছত্তীসগঢ়ের মুখ্যমন্ত্রী রমন সিংহ এই সব প্রকল্প ঘোষণা করছেন। প্রাকৃতিক সম্পদ লুঠ করাই তাঁদের উদ্দেশ্য। সেই কারণেই কেন্দ্র জমি বিল আনতে চাইছে। বস্তারে হচ্ছে সেনা প্রশিক্ষণ স্কুলও। কমিউনিস্ট পার্টি অব ইন্ডিয়ার (মাওবাদী) দণ্ডকারণ্য বিশেষ জোনাল কমিটি তাই কেন্দ্রের ‘ফ্যাসিবাদী হিন্দুত্বের সরকার’-এর বিরুদ্ধে সংগঠিত জঙ্গি আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

দন্তেওয়াড়ায় শান্তি-বার্তা দিয়ে মোদী কলকাতায় পৌঁছে গেলেও রমন সরকারের মাথাব্যথা হয়ে ওঠে আটক করে রাখা গ্রামবাসীদের মুক্তির বিষয়টি। আলোচনার পথেই তাঁদের মুক্ত করার চেষ্টা চালাতে থাকে রাজ্য প্রশাসন। রাতে এক জন বাদে সবাইকেই ছেড়ে দেয় মাওবাদীরা। সদারাম নাগ এক জন শুধু জীবিত ফেরেননি। ‘জন আদালতে দোষী’ হওয়ায় মাওবাদীরা তাঁকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে।

images (2)

মোদী সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই মাওবাদী মোকাবিলার পথ নিয়ে বিস্তর বিতর্ক হয়েছে। ইউপিএ আমলের এই নীতি থেকে অনেকটাই সরে এসে রাজনাথ সিংহের অধীনে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক একটি খসড়া নীতিও তৈরি করে। যেখানে বলা হয়, দরকারে স্থলসেনা ও বায়ুসেনাকেও মাওবাদী মোকাবিলায় কাজে লাগানো হবে। এই খসড়া সমালোচনার ঝড় তোলে। দেশের সেনাকে দেশের মানুষের বিরুদ্ধে বন্দুক তুলতে নির্দেশ দেওয়া যায় কি না, এ নিয়ে বিতর্ক হয় বিস্তর। এই পরিস্থিতিতে মোদী আজ মাওবাদী গড়ে গিয়ে যে ভাবে উন্নয়নের কথা বললেন, সেখানকার মানুষের দুঃখ-বেদনা বোঝার কথা বললেন, তাতে স্পষ্ট, কেন্দ্র এখন দ্বিমুখী রণকৌশল নিয়েই এগোতে চাইছে। এক দিকে কড়া হাতে মাওবাদী মোকাবিলার প্রস্তুতি চালানো। এর পাশাপাশি, উন্নয়নের মাধ্যমে মাওবাদীদের থেকে সাধারণ মানুষকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলা।

মোদী এই সফরে দু’টি কাজই করতে চাইলেন। চলতি বছরে এপ্রিল পর্যন্ত ছত্তীসগঢ়ে ১৮৮টি মাওবাদী হামলা হয়েছে। নিহত ৪৬ জন। এই অবস্থায় মাওবাদীদের গড়ে পৌঁছে গিয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর জওয়ান ও গ্রামবাসীদের মনোবল বাড়ানোর চেষ্টা করলেন। আর তাঁর বক্তব্যে জোর পেল দ্বিতীয় পথটি।

সূত্রঃ

http://www.hindustantimes.com/india-news/pm-modi-to-visit-dantewada-today-maoists-call-for-bandh/article1-1345390.aspx


“প্যারাগুয়ে পিপলস আর্মির (Ejército del Pueblo Paraguayo) বিবৃতি”

স্পানিশ ভাষা থেকে অনুবাদিত – 

Statement of Paraguayan People’s Army (Ejército del Pueblo Paraguayo) -2015/6/2

11004878_879355445460682_1980571020_n

Reactionaries are lies, the revolutionary truth.

 

The Narco-government,” because of Horacio Cartes has been rushing to deploy a media campaign, seeking to place blame for their crimes to the insurgency. Wednesday night the Task Forces criminals (FTC), mercenary forces of the Colorado Party, shot on a command of elite of the EPP guarding those detained, Robert Natto and Erika Reiser. In the scuffle the first shots that came from the FTC, reached to the prisoners, due to the fact that they do not have military training, being unemployed, being targets of the indiscriminate firing by the forces of repression, they fall in battle by firing on everything that has movement, are not controlled, they go crazy before the fear. Read the rest of this entry »