রোজাভা থেকে তুরস্কের মাওবাদী TKP/ML-র গেরিলা যোদ্ধার চিঠি (ইংরেজি থেকে অনুবাদ)

10380994_173384719717563_1837776385379154892_n

রোজাভার চিঠিঃ “আমরা যুদ্ধ করার মধ্য দিয়েই যুদ্ধ শিখি”

চিঠিটা লিখেছেন তুরস্কের একজন TKP/ML গেরিলা যোদ্ধা (ইংরেজি থেকে অনুবাদ)

বিপ্লব একটা পথ; জনগণ যখন এ পথে পা বাড়ায় তারা একটা অচেনা পৃথিবীর দরজাই খোলে। আমরা এ পথে এসেছি আগুন ও মাটিকে ভালবেসে। আমরা এ পথে হাটা শুরু করেছি ব্যক্তিগত সম্পদের সাথে সব ধরনের যোগসুত্র ছিন্ন করে, একজন নবজাতকের মত জীবনে পদার্পণ করতে পেরে যে খুব খুশি ও আশাবাদী। আমরা এ পথে হাটা শুরু করেছি মধ্যরাত্রে, চাঁদের আলো আমাদের পথ দেখিয়েছে। যে বন্ধুরা আমাদের এখানে নিয়ে এসেছে তারা সতর্কবাণী দিয়েছে, আমরা হাটতে শুরু করেছি। উচু উচু পর্বত, প্রমত্ত নদী ও গম ক্ষেতের বিষাক্ত গন্ধ পেরিয়ে আমরা অবশেষে রোজাভায় এসে পৌঁছেছি। আমাদের ভ্রমন ছিল মোট চৌদ্দ ঘন্টা, কোন রুটি, কোন পানি ও সিগারেট ছাড়া। এমন সব মানুষের সাথে যাত্রা যাদেরকে আমরা আগে কখনো দেখিনি….রাতের অন্ধকারের কারনে, এসব বন্ধুদের মুখ পর্যন্ত দেখতে পাইনি। এটা অবাক করার মত, হতে পারে তাদের কারো কারো সাথে পাশাপাশি যুদ্ধ করছি একই অবস্থানে দাঁড়িয়ে। হতে পারে অন্যের বাহুতেই শেষ নিশ্বাসটি নিয়েছি কিন্তু জানা হয়নি তার প্রিয় বই কিংবা প্রিয় মুভি কি।

আমরা এখন রোজাভায়। এখানে কেবল অস্ত্রধারীরাই মিলিত হয় আর চুমু খায়। একটা উষ্ণ অভ্যর্থনার পর আমরা চা পান করলাম,চিজ দিয়ে রুটি খেলাম। সবার উৎসুক দৃষ্টি। প্রত্যেকের চোখ অন্যের চোখের উপর, অন্যের দিকে তাকিয়ে এমনতর কমরেডসুলভ হাসির মধ্যে যেন তলিয়ে গেছে সমস্ত ক্লান্তি।

তিন/চার দিন অপেক্ষার পর সংগঠন আমাদেরকে ফ্রন্টে নিয়ে গেল, যেখানে আমরা যুদ্ধ করব। উভয় পাশে দুটো পর্বত দাঁড়িয়ে : একটা ধুলো দিয়ে তৈরি অন্যটা ধোয়ায়। এক পাশে আব্দুল আজিজ পর্বত অন্য পাশে সেনগাল পর্বত। আর বাকী যা তা হল বিশাল শুন্যতা, এক উষর প্রান্তর সমতল ও অনুর্বর, গাছের চিহ্নমাত্র নেই। তাপমাত্রা যে কারো চোখকে বিষন্ন করে দিতে পারে। প্রত্যেক দিনই ধুলিঝড় দৃষ্টিসীমা শুন্যের কাছাকাছি নিয়ে আসে। আমরা যেখানে আছি সেখানে কমরেডরা এসেছে কুর্দিস্তানের চার কোনা থেকে- টার্কি, ইরান,ইরাক ও সিরিয়া থেকে। সবাই তরুন যোদ্ধা জীবনী শক্তিতে ভরপুর। এটা আমাকে আহমেদ আরিফের কবিতা মনে করিয়ে দেয় : ‘যদি তুমি আমার ভাই বোনদের জান, তারা কতোটা ভাল তবে আমিও তোমাকে জানাব ‘।

ব্যাটেলিয়নে যৌথজীবন পদ্ধতি। যা কিছু করা হবে তার পরিকল্পনা যৌথভাবেই হয়। এখানে আমাদের বন্ধুত্বটাই আসল। অনেক বন্ধুরা TKP-ML/TiKKO সম্পর্কে জানেনা। এটা তাদের জন্য উৎসুকের ব্যাপার যে YPG/YPJ ছাড়াও তাদের জন্য আরেকটি সংগঠন রয়েছে। যখন আমরা বলি, আমাদের রোজাভায় আসার কারন আমাদের পার্টি, আমাদের বন্ধুত্ব দৃঢ হয় এবং একে অপরের প্রতি আত্মবিশ্বাস প্রসারিত হয়।আমাদের ব্যাটেলিয়নে আমাদের একটা স্লোগান আছে,” চা, সিগারেট এবং যুদ্ধ “।এই তিনটা জিনিস যেন এখানে দৃঢভাবে গেঁথে আছে।

আমরা সম্মুখ সমরে। ISIL গ্যাংদের থেকে আমাদের অবস্থান মাত্র সাতশত মিটার দুরে। প্রতিদিনই কোন না কোন লড়াইয়ের মুখোমুখি হতে হয়। মর্টার, মিসাইল, বুলেট আমাদের কালোরাতকে আলোকিত করে। রাতে আমরা এম্বুশের জন্য অপেক্ষা করি, আমাদের ক্ষেত্র তৈরি করি । কোন কোন দিন আট থেকে দশ ঘন্টা সারভেইলেন্স ডিউটি থাকে। আমাদের মনোবল দৃঢ় কারন আমরা যুদ্ধের মধ্যেই তাকে কেন্দ্রীভূত করতে পেরেছি। এখানে শহর ও যুদ্ধক্ষেত্র সম্পর্কে অনেককিছু শিখেছি, আমাদের নেতা কমরেড ইব্রাহিম কায়পাক্কায়া ঠিক যেমনটি আমাদের শিখিয়েছিলেন :” আমরা যুদ্ধ করার মধ্য দিয়েই যুদ্ধ শিখি”। স্বাধীনতা মানে হল নিজের আবশ্যক বিষয়গুলো সম্পর্কে সচেতন হওয়া এবং পার্টির নির্দেশনা মতো আমরা সর্বহারা শ্রেণীর ডাকে সাড়া দিতে প্রস্তুত। আত্মবিশ্বাসের সাথে ছোট ছোট পদক্ষেপে আমরা সামনের দিকে এগিয়ে যাব, আমরা এটাও অবশ্যই বিনয়ের সাথে স্মরন করব- আমাদের ক্ষমতা ও আদর্শের ব্যাপ্তি।

কমরেড সেফাগুল কেশকিন আমাদের নির্দেশনা দিয়েছেন : “প্রত্যেকে অবশ্যই তাদের দায়িত্ব পালন করবে”। আমরা আমাদের নির্দেশনা পেয়েছি, আমরা আমাদের কাজের প্রতি অঙ্গীকারবদ্ধ। সে সব কাজ আজ রোজাভায়, আগামীকাল দারসিমে তারপর কৃষ্ণসাগরে- আমরা আমাদের কাজ করে যাব। আর সবসময় এই কথাটিই স্মরন করব, পুনরাবৃত্ত করব: যেখানে নিপীড়ন আছে, সেখানে প্রতিরোধ আছে এবং কমরেড ইব্রাহিম সেখানেই আছেন।

রোজাভা থেকে একজন TKP/ML গেরিলা যোদ্ধা।

অনুবাদঃ সাইফুদ্দিন সোহেল

সূত্রঃ http://www.signalfire.org/2016/03/16/hi-comrades-a-letter-from-a-tkpml-tikko-fighter-in-rojava/

Advertisements

ছবিঃ সুইডেনে তুরস্কের মাওবাদী TKP/ML-TIKKO এর সমর্থনে মিছিল

2015-11-04-05_39_30-image-f34405cccdd75980895645bbe560f82511e2284557a6b0cd5d160aded7ddfb77-V.jpg-W


তুরস্কের শহীদ ১৭ জন মাওবাদী কমরেড স্মরণে –

তুরস্ক-কুর্দিস্তানের দারসিমের মেরকান অঞ্চলে ২০০৫ সালের ১৬ই জুন বৃহস্পতিবার থেকে ১৭ই জুন শুক্রবারের মধ্যে তুরস্কের ফ্যাসিবাদী রাষ্ট্রের সেনাবাহিনী মাওবাদী কমিউনিস্ট পার্টির ১৭ জন মাওবাদী কমরেডকে ঠাণ্ডা মাথায় হত্যা করে ও অন্য ৩ জনকে আহত করে। তুরস্কের মাওবাদী কমিউনিস্ট পার্টি(MCP) এর সাধারণ সম্পাদক সহ ৬জন কেন্দ্রীয় সদস্য এতে শহীদ হন। MCP-র কেন্দ্রীয় কমিটির পরিবর্ধিত সভার সময় আক্রমণটি ঘটে। প্রথমে রাষ্ট্র এই সম্পর্কে কোনো বিবৃতি দেয়নি। পরে টেলিভিশন সংবাদে দেখানো হয়, রাষ্ট্র কর্তৃক আটক ১৭ জন গেরিলাকে হত্যা এবং অপর ৩ জনকে আহত করা হয়, এ সময় তাদের নাম প্রকাশ প্রত্যাখ্যান করা হয়।

মাওবাদী কমিউনিস্ট পার্টি(MCP)র শহীদ ১৭ জন মাওবাদী কমরেড

মাওবাদী কমিউনিস্ট পার্টি(MCP)র শহীদ ১৭ জন মাওবাদী কমরেড

শহীদ কমরেডদের নাম  –

Cafer Cangöz (MCP কেন্দ্রীয় সদস্য),

Aydýn Hanbayat (MCP কেন্দ্রীয় সদস্য),

Ali Riza Sabur (MCP কেন্দ্রীয় সদস্য),

Cemal Çakmak (MCP কেন্দ্রীয় সদস্য),

Ökkeþ Karaoðlu (MCP কেন্দ্রীয় সদস্য),

Gülnaz Yýldýz (MCP কেন্দ্রীয় সদস্য),

Okan Ünsal (Conference Security Unity Commander),

Berna Ünsal,

Alaattin Ataþ,

Kenan Çakýcý,

Taylan Yýldýz,

Ýbrahim Akdeniz,

Binali Güler,

Dursun Turgut,

Ahmet Bektaþ ,

Cagdas Can ve Ersin Kantar.

রাষ্ট্র কর্তৃক বিকৃত মৃতদেহ গুলি মর্গ থেকে মুক্তি দেয়ার পর, শহীদ গেরিলাদের জন্য শেষকৃত্য অনুষ্ঠিত হয়। ঐ সময় শহীদদের মৃতদেহের ছবি স্পষ্ট ইঙ্গিত দেয় যে, তুরস্ক সেনাবাহিনীর সন্ত্রাস দমন ইউনিট প্রথমে গেরিলাদের উপর তীব্র নির্যাতন চালায় ও পরে হত্যা করে।

মাওবাদী কমিউনিস্ট পার্টি(MCP) ২০০৩ সালের নভেম্বরে প্রতিষ্ঠিত হয়, এর আগে দলটিকে TKP-ML/ টিকেপি (এম-এল) বলা হতো । শীতকালের এই হামলাটি তুরস্কের মাওবাদীদের উপর ধারাবাহিক ব্যাপক নিপীড়ন ছাড়া আর কিছুই ছিল না। ঐ শীতকালীন সময়টিতে বিশেষ করে তুরস্ক-কুর্দিস্তানের দারসিমে তুরস্কের ফ্যাসিবাদী সেনাবাহিনীর ও পিপলস আর্মি TIKKO (যা তুরস্কের অন্যতম মাওবাদী দল TKP-ML এর নেতৃত্বাধীন) ও পিএলএ(পিপলস লিবারেশন আর্মি-MCP নেতৃত্বাধীন) এর মধ্যে অনেক বন্দুক যুদ্ধের ঘটনা ঘটে। এই সময়কালীন MCP-র ২০ জনেরও বেশী গেরিলা ও তুরস্কের কমিউনিস্ট পার্টি – মার্কসবাদী লেনিনবাদী(TKP-ML) এর ৩ জন গেরিলা কমরেড Cafer Kara, Aþkýn Günel ও Muharem Yiðitsoy শহীদ হন। পুরো শীতকাল জুড়েই তুরস্ক-কুর্দিস্তানের সর্বত্র দারসিম সিরনাক, ভান ও মূপ সহ বিভিন্ন এলাকায় তুর্কী সেনাবাহিনী মাওবাদীদের বিরুদ্ধে অনেক অপারেশন চালায়। এ ছাড়াও হাকাকীতে PKK/পিকেকে‘র অনেক গেরিলাকেও হত্যা করা হয়।


তুরস্কে মাওবাদীদের আক্রমণে পুলিশ প্রধান গুরুতর আহত

1234

গত ২১শে সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ৭.৩০ এর দিকে তুরস্কের মাওবাদী গেরিলা বাহিনী TKP-ML/TIKKO দারসিমে একটি সেতুর উপর পুলিশের গাড়ির উপর তীব্র সশস্ত্র অ্যাকশন চালায়। এতে গাড়ির মধ্যে থাকা পুলিশ প্রধান সহ অন্য পুলিশ সদস্যরা গুরুতর আহত হয়। ঘটনার পরে মাওবাদীদের উপর ড্রোন নজরদারীর মাধ্যমে সামরিক অ্যাকশন জোরদার করেছে তুরস্ক রাষ্ট্র।

সূত্রঃ http://ozgurgelecek.net/manset-haberler/16727-tkko-ve-hpgden-emniyet-amirine-saldr.html


তুরস্কঃ হোযাতে মাওবাদী TIKKO এর সশস্ত্র অ্যাকশন

তুরস্কের কমিউনিস্ট পার্টি(মার্কসবাদী-লেনিনবাদী)(TKP-ML) এর সশস্ত্র শাখা TIKKO

তুরস্কের কমিউনিস্ট পার্টি(মার্কসবাদী-লেনিনবাদী)(TKP-ML) এর সশস্ত্র শাখা TIKKO

গত বুধবার বেলা ১.৩০ মিনিটে পূর্ব তুঞ্চেলি প্রদেশের হোযাত জেলায় এক দল অস্ত্রধারী সেনা-পুলিশ বাহিনীর স্টেশনে আক্রমণ করে গুলি চালায়। ভারী অস্ত্র সজ্জিত হয়ে অস্ত্রধারীরা দুটি ভিন্ন পয়েন্ট থেকে গুলি চালায়। এতে তুর্কি সেনা ও অস্ত্রধারীদের মধ্যে গুলি যুদ্ধ শুরু হওয়ার কিছুক্ষণ পরে অস্ত্রধারীরা পার্শ্ববর্তী গভীর বনে গা ঢাকা দেয়।

সংবাদ সংস্থা দোগান দাবী করে- আক্রমণটি “তুরস্কের শ্রমিক ও  কৃষকদের লিবারেশন আর্মি” (তুরস্কে TIKKO হিসাবে সংক্ষেপিত) করে থাকতে পারে। যা মাওবাদী দল হিসেবে পরিচিত তুরস্কের কমিউনিস্ট পার্টি(মার্কসবাদী-লেনিনবাদী)(TKP-ML) এর সশস্ত্র শাখা হিসেবে পরিচিত। এই পার্টি দীর্ঘদিন ধরে নয়া গণতান্ত্রিক বিপ্লবের লক্ষ্যে তুরস্ক সরকারের বিরুদ্ধে গণযুদ্ধ চালিয়ে আসছে। এ ঘটনায় কেউ হতাহতের হয়নি, তবে এলাকায় দুটি হেলিকপ্টার পাঠানো হয় এবং ঐ অঞ্চলের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়।

সূত্রঃ  http://www.dailysabah.com/nation/2015/07/22/terrorists-open-fire-on-gendarmerie-station-in-eastern-turkey


২০১১ সালে তুরস্কের দারসিমে শহীদ ৫ মাওবাদী নারী গেরিলা

 

tkp-ml-tikko

তুরস্কের কমিউনিস্ট পার্টির(TKP/ML) সামরিক শাখা(TIKKO)’র দারশিম অঞ্চলের ৫জন মাওবাদী নারী গেরিলা কমরেড ২রা ফেব্রুয়ারি ২০১১ সালে ভোর ৫ টায় শীতকালীন ক্যাম্পে তুষার ধ্বসে শহীদ হন। তুরস্কের গণযুদ্ধের অংশ এই সব শহীদ নারী কমরেডদের স্মরণে তাদের পার্টি পরিচিতি দেয়া হল –

10269272_703277903065595_3264533733652719853_o

শেফাগূল কেশজীনঃ কোড নাম, এয়লেম; ১৯৭৭ সালে এরজূরুমে জন্মগ্রহণ করেন। ২০০৭ সালে তিনি গেরিলা সংগ্রামে যুক্ত হন। তিনি ছিলেন দারশিম অঞ্চলের রাজনৈতিক( পলিটিকাল লেফটেন্যান্ট) কর্মী।

কমরেড শেফাগূল কেশজীন

কমরেড শেফাগূল কেশজীনঃ কোড নাম, এয়লেম; ১৯৭৭ সালে এরজূরুমে জন্মগ্রহণ করেন। ২০০৭ সালে তিনি গেরিলা সংগ্রামে যুক্ত হন। তিনি ছিলেন দারশিম অঞ্চলের রাজনৈতিক (পলিটিকাল লেফটেন্যান্ট) কর্মী।

 

কমরেড নূরশেন আসলান

কমরেড নূরশেন আসলান

কমরেড নূরশেন আসলানঃ কোড নাম, এমেল; ১৯৮১ সালে টোকাতে(কৃষ্ণ সাগর) জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৯৯ সালে গেরিলা সংগ্রামে যুক্ত হন। তিনি ছিলেন TKP/ML এর অগ্রগামী সহানুভূতিশীল। একই সাথে দারশিম অঞ্চলের কমান্ডার হিসেবে দায়িত্বরত ছিলেন। 

কমরেড গুলজার ওযকান

কমরেড গুলজার ওযকান

কমরেড গুলজার ওযকানঃ কোড নাম, ওযলেম; ১৯৬৭ সালে দারশিমে জন্মগ্রহণ করেন। ২০০৫ সালে গেরিলা সংগ্রামে যুক্ত হন। তিনি ছিলেন TKP/ML এর অগ্রগামী সহানুভূতিশীল। একই সাথে TIKKO  কমান্ডার হিসেবে দায়িত্বরত ছিলেন। 

 

কমরেড ফাতেমা একার

কমরেড ফাতেমা একার

কমরেড ফাতেমা একারঃ কোড নাম, দিলেক; ১৯৮৩ সালে মারশিনে জন্মগ্রহণ করেন। ২০০৬ সালে গেরিলা সংগ্রামে যুক্ত হন। তিনি ছিলেন TKP/ML এর অগ্রগামী সহানুভূতিশীল। একই সাথে TIKKO  কমান্ডার হিসেবে দায়িত্বরত ছিলেন। 

 

কমরেড দেরিয়া এরাস

কমরেড দেরিয়া এরাস

কমরেড দেরিয়া এরাসঃ কোড নাম, শেভদা; ১৯৭৯ সালে এরজিনকানে জন্মগ্রহণ করেন এবং ২০০৯ সালে গেরিলা সংগ্রামে যুক্ত হন। তিনি ছিলেন TKP/ML এর অগ্রগামী সহানুভূতিশীল এবং TIKKO যোদ্ধা ছিলেন। 

সূত্রঃ https://revolutionaryfrontlines.wordpress.com/2011/04/26/turkey-five-tkpml-tikko-women-guerillas-killed-in-avalanche/

 


তুরস্কঃ বামপন্থীদের হত্যার প্রতিবাদে আইএসকে সহায়তাকারী ২ তুর্কি পুলিশকে খতম করল কুর্দিস্তান ওয়ার্কার্স পার্টি (PKK- পিকেকে)

২ পুলিশের লাশ উদ্ধারের পরে তুরস্কের নিরাপত্তা বাহিনীর তৎপরতা

২ পুলিশের লাশ উদ্ধারের পরে তুরস্কের নিরাপত্তা বাহিনীর তৎপরতা

সিরিয়া সীমান্তের কাছে তুরস্কের দুই পুলিশকে খতম করা হয়েছে। তুরস্ক সরকারের সহায়তায় আই এসের আত্মঘাতী বোমা হামলায় ৩১জন বামপন্থীদের হত্যার ও শতাধিক আহতের প্রতিবাদে খতমের এ ঘটনার দায়িত্ব স্বীকার করেছে দেশটির স্বাধীনতাকামী সংগঠন কুর্দিস্তান ওয়ার্কার্স পার্টি বা পিকেকে।

এর আগে, তুরস্কের নিরাপত্তা বাহিনী দেশের দক্ষিণাঞ্চলীয় সানলিউরফা প্রদেশের একটি শহর থেকে দুই পুলিশের মৃতদেহ উদ্ধার করে। প্রাদেশিক গভর্নর ইজ্জেদিন কুচাক জানান, নিহত দুই পুলিশের মাথায় গানশটের গুলির চিহ্ন রয়েছে। তিনি বলেন, দুই পুলিশ নিহতের ঘটনার সঙ্গে সন্ত্রাসীদের কোনো সম্পর্ক রয়েছে কিনা তা এখনো নিশ্চিত নয়।

নিহত দু জনের একজন ছিলেন তুরস্কের সন্ত্রাসবিরোধী পুলিশ বিভাগের সদস্য; অন্যজন দাঙ্গা পুলিশ হিসেবে কাজ করছিলেন।

তুরস্কের সানলিরউফা প্রদেশের সুরাক শহরে, কোবানিতে আটকে থাকা বেসামরিক লোকজনের জন্য ত্রাণ সহযোগিতা নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া বামপন্থীদের প্রায় ৩শ’ তরুণ একটি আলোচনা অনুষ্ঠানে ‘আমারা সংস্কৃতি কেন্দ্রে‘ সোস্যালিস্ট ইয়ুথ অ্যাসোসিয়েশন ফেডারেশনের সমাবেশে ভয়াবহ বোমা বিস্ফোরণে অন্তত ৩২ জন নিহত ও প্রায় ১০০ মানুষ আহত হওয়ার দু দিন পর পুলিশ নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটলো। উগ্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠী আইএআইএল ওই সমাবেশে হামলার দায়িত্ব স্বীকার করেছে।

এদিকে পিপলস ডিফেন্স ফোর্স(HPG) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, এই দুই পুলিশ অফিসার আইএস জঙ্গিদের সহায়তা করছিল। আজ ভোর ৬টায় তাদের খতম করা হয়েছে।

তুরস্কের মাওবাদী ও বামপন্থী কুর্দিরা অভিযোগ করে আসছিল যে, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তায়েপ এরদোয়ানের সরকার আইএস জঙ্গিদের মদদ দিচ্ছে এবং উক্ত সমাবেশে হামলার ঘটনার সাথে তুরস্ক সরকার জড়িত। মাওবাদীরা ওই হামলার পর থেকেই তুরস্ক রাষ্ট্রের পুলিশ বাহিনীর উপর হামলা শুরু করেছে, এরই ধারাবাহিকতায় পিকেকে ২ পুলিশকে খতম করে।

সূত্রঃ http://www.telegraph.co.uk/news/worldnews/europe/turkey/11755018/Two-Turkish-police-officers-killed-close-to-Syria-border.html