মণিপুরের গণযুদ্ধকে সমর্থন করুন!

manipur63rd

……মাওবাদী কমিউনিস্ট পার্টি, মণিপুর (MCP) দাবি করেছে, গত বুধবার সন্ধ্যায় ইম্ফলে দলের ক্যাডাররা  রিজিওনাল ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল সায়েন্সেস(RIMS) এর কমপ্লেক্সের ভিতরে পাওয়া দুই হাত গ্রেনেড নিরাপত্তা কর্মীদের কাছাকাছি পেতে রেখেছিল। MCP এক বিবৃতিতে বলে, RIMS এর দুর্নীতিগ্রস্থ কিছু কর্মকর্তাদের অপকর্মকে সতর্ক করে দেয়ার জন্যে পার্টি ক্যাডাররা গ্রেনেড পেতে রেখেছিল।

অনুবাদ সূত্রঃ http://maoistroad.blogspot.com/2016/03/support-peoples-war-in-manipur.html

Advertisements

মনিপুরের মাওবাদীরা URF(C)’র চিহ্নিত ক্যাম্পে আক্রমণ চালিয়েছে

manipur63rd

পুলিশ জানাচ্ছে, পূর্ব ইম্ফল জেলার নাপেত পালিতে সন্দেহভাজন যোদ্ধারা সংযুক্ত বিপ্লবী ফ্রন্ট/ United Revolutionary Front (Chingkheinganba) সদস্যদের চিহ্নিত ক্যাম্পে আক্রমণ চালিয়েছে, যারা রাজ্য সরকারের সঙ্গে একটি চুক্তির মাধ্যমে তাদের অপারেশন স্থগিত করেছে।

সন্দেহভাজন প্রায় ১০জন যোদ্ধা গত বুধবার রাতে ওই ক্যাম্পে ৩০মিনিট ব্যাপী অপারেশনের সময় অত্যাধুনিক অস্ত্র ও সজোরে বোমা নিক্ষেপ করে, যদিও কেউ আহত হয় নি, তবে প্রায় ১.৫লাখ  টাকার সম্পত্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয় বলে একজন পুলিশ কর্মকর্তা জানায়।

পরের দিন সকালে ঘটনাস্থল থেকে ৪০টি খালি কেস সহ একটি অবিস্ফোরিত গ্রেনেড , আট রাউন্ড গুলি সহ একটি প্লাস্টিক AK-57 ম্যাগজিন, AK-57 এর সাতটি ও M 16 এর তিনটি প্রজেক্টাইল উদ্ধার করা হয় বলে পুলিশ জানান।

এদিকে, মাওবাদী কমিউনিস্ট পার্টি, মণিপুর, এক বিবৃতিতে গতকাল দাবি করেন যে, তারা এই হামলা করেছিল।

অনুবাদ সূত্রঃ http://www.business-standard.com/article/pti-stories/militants-attack-designated-camp-of-urf-c-in-manipur-116030401308_1.html


মনিপুরের মাওবাদীদের ডাকা সাধারণ ধর্মঘটে রাজধানীসহ অন্যান্য জেলা অচল

Bandh_20160222

বিটি রোডে পুলিশের ভুয়া এনকাউন্টারের অপরাধ এবং অপরাধীদের শাস্তির দাবিতে মনিপুরের কমিউনিস্ট পার্টি মাওবাদী  র আহবানে গত ২১শে ফেব্রুয়ারি ডাকা ১২ ঘণ্টা ধর্মঘটে ভারতীয় দখলদারিত্বে থাকা মনিপুরের রাজধানী ইম্ফল সহ অন্যান্য জেলা অচল হয়ে পড়ে। ধর্মঘটের প্রভাবে সকল বাণিজ্যিক ও পরিবহন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায় বলে মিডিয়া এমনটিই জানাচ্ছে।


ভারতঃ নাগাল্যান্ডে চ্যানেল তৈরীর চেষ্টা করছে সিপিআই (মাওবাদী)

Indian-Maoists

বুধবার রাজ্য সভায় রাজ্যের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী হরিভাই পরাথিভাই চৌধারি বলেন, অস্ত্র সংগ্রহের উৎস্ তৈরীর লক্ষ্যে সিপিআই (মাওবাদী) নাগাল্যান্ডে একটি পৃথক চ্যানেল স্থাপনের চেষ্টা চালাচ্ছে। তারা মণিপুরের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় কিছু চরমপন্থী দল রেভলিউশনারি পিপলস ফ্রন্ট (RPF) ও পিপলস লিবারেশন আর্মি ((PLA) এর সাথেও ঘনিষ্ঠ ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তুলেছে। প্রশিক্ষণ প্রদান, অর্থসংস্থান, অস্ত্র ও গোলাবারুদ সরবরাহ ইত্যাদি বিষয়ে উভয় সংগঠন পারস্পরিক সম্মতি প্রদান করেছে।

চৌধারি আরো বলেন, সিপিআই (মাওবাদী) তাদের সামরিক প্রয়োজনে অন্যান্য চরমপন্থী দলের সাথে সম্পর্ক গড়ে তোলার উদ্দেশ্যে উত্তর-পূর্বাঞ্চলে সাংগঠনিক ভিত্তি স্থাপন করার প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। তিনি বলেন, সিপিআই (মাওবাদী) এর UALC (Upper Assam Leading Committee) বর্তমানে আসাম ও অরুণাচল প্রদেশে কার্যক্রম চালাচ্ছে। সেখানে তারা অস্ত্র লুটসহ গ্রামবাসীদের থেকে চাঁদাবাজির বিভিন্ন ঘটনার সাথে জড়িত।

UALC আসামে সিপিআই (মাওবাদী) এর জন্য কর্মী নিয়োগ ও ক্যাডারদের প্রশিক্ষণ প্রদানে জড়িত রয়েছে। আসামের বড় বড় বাঁধ নির্মাণের বিরুদ্ধে প্রচারণা চালাতে এই ক্যাডারদের কাজে লাগানো হচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটে, আসাম-অরুণাচল সীমান্ত মাওবাদী কর্মকাণ্ডের আরেকটি এলাকা হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। একইভাবে, দক্ষিণ ভারতে বিশেষত তামিলনাড়ু, কেরালা ও কর্ণাটকের ত্রিজংশনেও সিপিআই (মাওবাদী) তাদের প্রভাব বিস্তারের প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। চৌধারী বলেন, কেরালা ও কর্ণাটকের সীমান্তে একটি ঘাঁটি গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে তাদের।

সিপিআই (মাওবাদী) উত্তর-পূর্বাঞ্চলে কার্যক্রম গড়ে তোলার চেষ্টা করছে, গণমাধ্যম ও গোয়েন্দা প্রতিবেদনের এমন খবরের প্রেক্ষাপটে রাজ্যের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এই বিবৃতি প্রদান করেন। ২০১২ সালে প্রতিরক্ষা শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের Institute for Defense Studies and Analysis (IDSA) প্রকাশিত এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, গ্রেফতারকৃত কয়েকজন মাওবাদী জানিয়েছে চীনা ও ইউরোপীয় অস্ত্র সংগ্রহের জন্য  সিপিআই (মাওবাদী) দিমাপুর, নাগাল্যান্ডের অস্ত্র পাচারকারীদের সাথে যোগাযোগ স্থাপনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। ২০১৪ সালে ডিএনএ (DNA) প্রদত্ত এক প্রতিবেদনে জানা যায়, মাওবাদীরা উত্তর-পূর্বে বিশেষ করে চা বাগানের আদি্বাসীদের ভেতর সক্রিয় হবার প্রচেষ্টা চালাচ্ছে।

 

সূত্রঃ http://www.northeasttoday.in/cpi-maoist-trying-to-establish-a-channel-in-nagaland/