কলম্বিয়ায় সামরিক অভিযানে মার্কসবাদী ‘ভিন্নমতালম্বী’ ১৬ ফার্ক সদস্য নিহত

farc_tropa_tres

ফার্ক সদস্য

কলম্বিয়ার ভেনিজুয়েলা সীমান্তবর্তী এলাকায় সামরিক অভিযানে সাবেক গেরিলা গোষ্ঠী ফার্কের ১৬ ভিন্নমতাবলম্বী সদস্য নিহত হয়েছে। গত বুধবার দেশটির সেনাবাহিনী একথা জানিয়েছেন। এ খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি।

কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট জুয়ান ম্যানুয়েল সান্তোস টুইটারে বলেন, আমরা এসব অপরাধীর বিরুদ্ধে আমাদের নজরদারি কমাবো না। প্রতিরক্ষামন্ত্রী লুইস কার্লোস বিলেগাস সাংবাদিকদের বলেন, এ অভিযানে বিদ্রোহী কমান্ডার অ্যালেক্স রেন্ডন নিহত হয়ে থাকতে পারেন।

সেনাবাহিনী এক বিবৃতিতে জানায়, কলম্বিয়ার আরাউকা অঞ্চলের ফরটুল পৌর এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়। গ্রুপটি ওই এলাকার স্থানীয় একটি হাসপাতাল, তেল স্থাপনা ও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের লক্ষ্য করে হামলা চালায়।

গ্রুপটি ন্যাশনাল লিবারেশন আর্মির বা ইএলএন স্থানীয় নেতাদের নিয়ে গঠিত। তারা আরাকুয়া, বোয়াকা ও কাসানার অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ নেয়ার চেষ্টা চালায়।

Advertisements

মাওবাদী সন্দেহে দিল্লি থেকে গ্রেফতার অাইটি পেশাদার

abhay-devdas-nayak

মাও যোগের সন্দেহে বেঙ্গালুরুর অাইটি পেশাদার অভয় দেবদাস নায়েক(৩৪)’কে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে মঙ্গলবার জানাল ছত্তিশগড় পুলিস। টাইমস অফ ইন্ডিয়ার রিপোর্ট জানাচ্ছে পুলিস দাবি করেছে মাওবাদীদের অাইটি সেলের সদস্য ছিলেন অভয়। মুখপাত্র হিসাবেও কাজ করতেন। মাওবাদী সংগঠনের কাজে বিদেশে যাতায়াত ছিল অভয় দেশমুখের। রিপোর্ট অারো জানাচ্ছে গত ৩১শে মে দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট থেকে তাঁকে গ্রেফতার করে পুলিস। বাস্তার পুলিস নিজেদের হেফাজতে নেয়। পুলিসের দাবি মাওবাদীদের অাদর্শ প্রচার করতেন ‍‍ওই যুবক। অভয়ের গ্রেফতারকে নিজেদের বড় সাফল্য বলে দাবি করেছে বাস্তার পুলিস। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে ১জুন যাকে গ্রেফতার করা হল অথচ গ্রেফতারির কথা মিডিয়াকে জানান  হল ১২জুন ? দ্বিতীয়ত মাওবাদী অাদর্শ প্রচার করা বা মতে বিশ্বাস করা কোন অপরাধ নয় বলে অাগেই জানিয়েছে অাদালত, তাহলে সেই অভিযোগে কি কাউকে পুলিস গ্রেফতার করতে পারে? ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের রিপোর্ট অনুযায়ী ছত্তিশগড়ের ধরবা এলাকায় ২০১৭ সালে যে অাইইডি বিস্ফোরণ হয়েছিল  তার তদন্তে গিয়ে পুলিস একটি লিফলেট পায় যাতে অভয়ের নাম ছিল। অভয়কে uapaতে গ্রেফতার করা হয়েছে। অভয় কি মাওবাদীদের হয়ে প্রচার করতেন না অাইইডি বিস্ফোরণে যুক্ত ছিলেন ? সাংবাদিকদের করা এই প্রশ্নের উত্তরে মাও বিরোধী অভিযানে নিযুক্ত বিশেষ ডিজি ডিএম অবস্তি জানিয়েছেন যখন কেউ মাওবাদীদের সঙ্গে যুক্ত হন তখন সে স্বাভাবিক ভাবেই সব অপরাধের সঙ্গে যুক্ত হয়ে পড়েন। অভয় অবশ্য দাবি করেছেন তিনি মাওবাদীদের সঙ্গে যুক্ত নন, ফ্রিল্যান্স সাংবাদিকতা করেন।

ছবি – নয়াদুনিয়ার সৌজন্যে

সূত্রঃ satdin. in ও thequint.com


ফ্যাসীবাদবি‌রোধী সংগ্রাম ও যুক্তফ্রন্ট প্রস‌ঙ্গেঃ জর্জি দিমিত্রভ

Georgi_Dimitrow

জর্জি দিমিত্রভ মিখাইলভ, যিনি জর্জি দিমিত্রভ, নামে পরিচিত একজন বুলগেরিয়ান কমিউনিস্ট রাজনীতিবিদ ছিলেন। ১৯৪৬ – ১৯৪৯ পর্যন্ত তিনি বুলগেরিয়ার প্রথম কমিউনিস্ট নেতৃত্ব ছিলেন। তিনি ১৯৩৪ থেকে ১৯৪৩ পর্যন্ত কমিউনিস্ট আন্তর্জাতিকের নেতৃত্ব দেন।

বইটি পড়তে বা ডাউনলোড করতে নীচে ক্লিক করুন –

ফ্যাসীবাদবি‌রোধী সংগ্রাম ও যুক্তফ্রন্ট প্রস‌ঙ্গে


বিয়ের অনুষ্ঠানে অাসা ১৪জনকে মাওবাদী বলে গ্রেফতার ছত্তিশগড় পুলিসের?

chattisarrest-300x158

ভুয়ো সংঘর্ষ ও অাত্মসমপর্ণের পর এবার ভুয়ো মাওবাদী গ্রেফতারে নেমেছে ছত্তিশগড় পুলিস। scroll.in এর রিপোর্ট অনুযায়ী, সোমবার পুলিস দাবি করেছে তারা বিভিন্ন নাশকতায় যুক্ত ১৫জন মাওবাদীকে গ্রেফতার করেছে। অন্যদিকে গ্রামবাসীদের দাবি বিয়ের অনুষ্ঠানে অাসা ১৪জনকে গ্রেফতার করে রেখেছে পুলিস। গ্রামবাসীদের দাবি, গত ১৮মে ২৬জনকে গ্রেফতার করে পুলিস। সোমবার ১২জনকে ছেড়ে দিলে‍ও বিয়েতে অাসা ১৪জনকে অাটকে রেখেছে পুলিস। মঙ্গলবার বিজাপুরে প্রশাসনিক দফতরে ধৃতদের মুক্তির দাবি জানায় গ্রামবাসীরা। বিস্তারিত রিপোর্টি পড়ুন scroll.in।

সূত্রঃ satdin.in


ছত্তীসগঢ়ে মাওবাদী বিস্ফোরণে নিহত ৭ জওয়ান

image-1827-1526822435

ছত্তিশগড়ের দান্তেওয়াড়ায়  মাওবাদীদের পাতা ল্যান্ডমাইন বিস্ফোরণে নিহত হলেন ৪ পুলিস সহ ৭ নিরাপত্তাকর্মী। জখম অারো কয়েকজন। ঘটনাটি ঘটেছে রাজ্যের দান্তেওয়াড়া জেলার চোলনার গ্রামে।

পুলিশ সূত্রে খবর, এ দিন সকাল ১১টা নাগাদ রাজ্য পুলিশের একটি সশস্ত্র বাহিনী চোলনার গ্রামের রাস্তা গিয়ে একটি গাড়িতে করে রুটিন তল্লাশি চালাচ্ছিলেন। সেই সময় মাওবাদীরা ইমপ্রোভাইসড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস (আইইডি) বিস্ফোরণ ঘটায়। বিস্ফোরণে গাড়িটি উড়ে যায়। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় ছয় জওয়ানের।

বিস্ফোরণের পরই মাওবাদীরা জওয়ানদের  কাছ থেকে পাঁচটি স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র লুঠ করে নিয়ে পালায়।

ডিইজি নকশাল অপারেশন সুন্দররাজ পি জানিয়েছেন, চোলনারের কাছে একটি জায়গায় মাইন পুঁতে রেখেছিল মাওবাদীরা। গাড়িটি ওই স্থানের উপর দিয়ে যাওয়ার সময় বিস্ফোরণের শিকার হয়।

কিছুদিন আগে মহারাষ্ট্রের গড়চিরোলি ও ছত্তিশগড‌ের বিজাপুরে মাওবাদী সহ ৫০জনকে ভুয়ো স‌ংংঘর্ষে নিরাপত্তা বাহিনী হত্যা করেছিল বলে অভিযোগ করেছিল মাওবাদীরা । মাওবাদীদের তরফে হঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছিল ওই ঘটনার তারা বদলা নেবে।  মনে   করা হচ্ছে এদিন  তারই পাল্টা জবাব দিল তারা।

Ddn-ttaUwAALggw


পেরুর গণযুদ্ধের ৩৮তম বার্ষিকীতে লাল সালাম – চেয়ারম্যান গণসালো লাল সালাম


কোটা সংস্কার: বিজয় হয়েছে, হয়নি / আন্দোলন চলবে

Students-Strike

 ছাত্র-ছাত্রী-যুবদের উত্থান

 কোটা সংস্কার আন্দোলনে ছাত্র-ছাত্রী-যুবদের বিশাল উত্থান ঘটেছিল। এ ক্ষেত্রে ছাত্রীদের অভূতপূর্ব ভূমিকা রয়েছে।  প্রধানমন্ত্রী ছাত্রীদের তিরস্কার করেছেন এই বলে ‘যদি কোনো অঘটন ঘটতো তার দায়দায়িত্ব কে নিত’ ? নারী অধিকারের নেত্রী বটে! কোন কোন শিক্ষয়ত্রী ছাত্রীদের প্রবল প্রতিবাদী দেখে মন্তব্য করেছেন ‘তখন মনে মনে গর্ব করেছি’। দৃষ্টিভঙ্গির তফাৎ। ঐ রাতে ছাত্র লীগের ক্ষমতা ভেঙ্গে পড়ায় ছাত্রীরা নিরাপদে ছিলেন অবশ্য! ছাত্র-ছাত্রীরা সৌহাদ্যপূর্ণভাবেই প্রতিবাদ জানিয়েছেন, কোন অঘটন ঘটেনি। সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীদের আন্দোলনে রাজনৈতিক নেতৃত্বের অভাব-এটা আন্দোলনের বড় দুর্বলতা। ফলে সরকারী ষড়যন্ত্রটা যথাসময়ে যথার্থভাবে উন্মোচিত হতে পারছে না। এই আন্দোলনে সরকার ও ছাত্র লীগ আওয়ামী পন্থী বুদ্ধিজীবীগণ বিরোধী শক্তি ছিলেন এবং আছেন – এর উন্মোচন ও প্রতিবাদ হওয়া দরকার।

মুক্তিযোদ্ধা কোটা সংবিধান বিরোধী

 মুক্তিযোদ্ধা কোটা শুধু যে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য অপমানজনক তাই নয়, তা সংবিধান বিরোধীও বটে। এতদিন ধরে এটা চলে আসলেও কোনো আইনবিদ বা রাজনীতিক এটা কখনো তুলে ধরেনি। রাষ্ট্রের সংবিধানে শুধু পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর জন্য বিশেষ সুযোগদানের কথা বলা হয়েছে। নতুবা ধর্ম, বর্ণ, জাতি, গোষ্ঠী নির্বিশেষে কোনো বৈষম্য তাদের নিজেদের তৈরি এই সংবিধানও অনুমোদন করে না। প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধারা এইসব ভাতা আর কোটার জন্য যুদ্ধ করেননি। তদুপরি, তাদের লড়াই এমন একটি সমাজ প্রতিষ্ঠা করেছে যেখানে ব্যাপক জনগণের অধিকাংশের জীবন আগের মতই মানবেতর- এটাও আজ প্রতিষ্ঠিত সত্য। জনগণের প্রকৃত মুক্তি হলে কাউকে এমন কোটার জন্য লড়াই করতে হতো না।

কোটা বাতিল সংবিধানবিরোধী

প্রধানমন্ত্রী বিরাগের বশবর্তী হয়ে সকল কোটা বাতিলের ঘোষণা দিয়েছেন। যদিও কেউ এমন কোন দাবি করেনি। যে দাবি কেউ করেনি, সেরকম এক সংবিধান বিরোধী ঘোষণা প্রধানমন্ত্রী কীভাবে করেন? সংবিধানে সুস্পষ্টভাবে পিছিয়ে পড়াদের জন্য বিশেষ সুযোগ রাখার কথা বলা হয়েছে। প্রতিবন্ধী, আদিবাসী, পিছিয়ে পড়া অঞ্চল- এসব ক্ষেত্রে কোটা বাতিলের কোন অধিকারই প্রধানমন্ত্রীর নেই। এটা কীভাবে অভিনন্দনযোগ্য হয়?

‘বঙ্গবন্ধুর বাংলা’য় সর্বদাই বৈষম্য ছিল

এই বিভ্রান্তকারী স্লোগানটি ছাত্রলীগ আন্দোলনে ঢুকিয়ে দিয়েছে। শেখ মুজিব ও আওয়ামী লীগের শাসনামলে একটি উদাহরণও নেই যেখানে বাংলাদেশে বৈষম্য ছিল না ও নেই। এটা ভাবলে ভুল হবে যে, বর্তমান সরকার, প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ মুজিবের আদর্শ থেকে সরে গেছে। তারা তাদের আদর্শ ধরেই চলছে। কোটা সংস্কারের ছাত্র আন্দোলনে আক্রমণ, নিপীড়ন ও ষড়যন্ত্র তারই ধারাবাহিকতা, তার ব্যত্যয় নয়।

আন্দোলন বিরোধী নেত্রীকে ‘মাদার’ ঘোষণার নাটক

এ আন্দোলনে পরিস্কারই দুটো পক্ষ ছিল। একটি হলো, সরকার, আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগ। যারা এ আন্দোলনকে বিরোধিতা করেছে, আক্রমণ করেছে, পুলিশী নিপীড়ন করেছে। অন্যটি হলো, সাধারণ ছাত্র-ছাত্রী, যারা আন্দোলন করেছেন, নিপীড়িত হয়েছেন ও হচ্ছেন এবং শেষ পর্যন্ত তাদের দাবি আদায় করেছেন। আন্দোলনের চাপে সব কোটা বাতিলের নতুন ষড়যন্ত্রের পর প্রধানমন্ত্রীকে কোন হিসেবে ‘মাদার’ উপাধি দেয়া যেতে পারে? এটা হলো এরশাদের সুদীর্ঘ নয় বছর স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের চাপে এরশাদের পতনের পর তাকেই গণতন্ত্রের অতন্ত্র প্রহরী দাবি করার মতো হাস্যকর।

ভিসি’র বাড়িতে হামলা- বাস্তবতা ও বিভিন্ন মত

ভিসি’র বাড়িতে হামলা সম্পর্কে বুর্জোয়া সুশীল ও বুদ্ধিজীবীদের থেকে শুরু করে ‘মূল স্রোত’র রাজনৈতিক দলগুলো নিন্দার ঝড়া তুলেছে। এ সম্পর্কে কেউ এখনো প্রামাণ্যভাবে কিছু বলতে পারছে না। তবে এদেশের ইতিহাসে ’৬৯-এর অভ্যুত্থান থেকে শুরু করে কোনো গণ ও ছাত্র-অভ্যুত্থানই এতটা সুশীল কখনই ছিল না। বহু আগুন ও ভাঙচুরের মধ্য দিয়েই একেকটা আন্দোলন বিজয় দেখেছে। প্রচলিত মান্য গণ্য বহু ব্যক্তিত্ব, যারা গণবিরোধী রাজনীতির দালালিতে নাম করেছে, গণঅভ্যুত্থানের আগুনে ছাই হয়ে গেছে। যদিও ভিসি-কে শারীরিক হামলা সমর্থনযোগ্য নয়, কিন্তু জনজোয়ার সর্বদা এসব কিছু মেনে এগোয় না। আন্দোলনে পুলিশী আক্রমণ ও ছাত্রলীগের সহিংস হামলার পেছনে ভিসি’র মদদ ছিল না- এটা কেউ বিশ্বাস করবে না। আবার আন্দোলনে স্যাবোটাজ চালানোর জন্যও এ ধরনের কাজ করা হয়ে থাকে। সুতরাং পাইকারী নিন্দার আগে বোঝা প্রয়োজন আক্রান্তটা কে, তার ভূমিকা কী এবং বাস্তবে কী ঘটেছে।

 বিজয় সম্পন্ন হয়নি, আন্দোলন চালিয়ে যেতে হবে

আন্দোলনকে ঘিরে ষড়যন্ত্র চলছে। সুফিয়া কামাল হলের ঘটনা, তিন নেতার গুম প্রচেষ্টা, মামলা প্রত্যাহার না করা, আক্রমণকারী পুলিশ অফিসার ও ছাত্রলীগ নেতাদের গ্রেফতার না করা ও শাস্তি না দেয়া, নতুন আন্দোলনে ছাত্রলীগের হামলা ও বাধাদান প্রভৃতি এরই আলামত। প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণাও আন্দোলনে বিভ্রান্ত সৃষ্টির চেষ্টা ব্যতীত কিছু নয়। তাই আন্দোলন শেষ হয়নি। নতুন পর্বে প্রবেশ করেছে মাত্র। আন্দোলন অব্যাহত রাখতে হবে, ষড়যন্ত্রকে নস্যাৎ করার মাধ্যমে। এর বিকল্প নেই।

সূত্রঃ আন্দোলন পত্রিকা, কার্ল মার্কসের জন্মদ্বিশতবর্ষ সংখ্যা