বিপ্লবী চলচ্চিত্রঃ Sparkling Red Star

Sparkling Red Star/স্পার্কলিং রেড স্টার’ একটি চমৎকার বিপ্লবী সিনেমা। চীনের বিপ্লবী গণযুদ্ধের সময়ে কিভাবে জনগন সেই যুদ্ধের সাথে যুক্ত হচ্ছেন তা এই সিনেমায় দেখানো হয়েছে। পরিবারগুলো কিভাবে নিজেদের সর্বস্ব রেড গার্ডদের দিয়ে দিচ্ছে তা বোঝা যায় এই ছবির কাহিনীতে। চেয়ারম্যান মাও সেতুং প্রদর্শিত চীনের বিপ্লবী যুদ্ধ কিভাবে একইসাথে জনগনকে রক্ষা করেছে তা বোঝা যায়। সর্বোপরি একজন ১০/১২ বছরের শিশু কিভাবে রেডগার্ড হয়ে উঠছে সেই বিষয়টি এখানে খুবই স্পষ্ট হয়েছে। শিশুটির চোখের সামনে তার ঘর জ্বালিয়ে দেয়া হচ্ছে এবং সেই ঘরে তার মা রয়েছে, তারপরেও সে শক্ত হয়ে থাকে, বিপ্লবী প্রতিজ্ঞায় নিজেকে সজ্জিত করে। বিপ্লবী যুদ্ধে তথা জনগণের যুদ্ধে শিশুরা স্বেচ্ছায় কি ভূমিকা রাখতে পারে এবং সে ক্ষেত্রে রেড আর্মির ভূমিকা কি থাকে তা এই সিনেমা দেখলে পরিষ্কার হওয়া যায়।

Advertisements

এল সালভাদরের কমিউনিস্ট কবি ‘রোকে ডালটন-এর ৩টি জনপ্রিয় কবিতা

Rdalton475x300

রোকে ডালটন– লাতিন আমেরিকার-এল সালভাদরের-লড়াকু কম্যুনিস্ট কবি

রোকে ডালটন লাতিন আমেরিকার-এল সালভাদরের-লড়াকু কম্যুনিস্ট কবি। জন্ম ১৯৩৫ সালে। তিনি পড়াশোনা করেন শুধু এল সালভাদরেই নয়; মেক্সিকো এবং চিলিতেও পড়াশুনার জন্য তার কিছু সময় কাটে। ১৯৫৫ সালে নিজ দেশে তিনি কম্যুনিস্ট পার্টিতে যোগ দেন। মারা যান ১৯৭৫ সালে। আসলে তাকে মেরে ফেলা হয় এক বিছিন্নতাবাদী কোন্দলের ভেতর দিয়েই। রোকে ডালটনের বেশ কয়েকটি কবিতার বই আছে- যেগুলো লাতিন আমেরিকার সাহিত্যে একাধিক অর্থেই বিপ্লবী কাজের দৃষ্টান্ত হিসাবে চিহ্নিত হয়ে আছে। খোদ মার্কস একবার লেখকদের পরামর্শ দিয়েছিলেন এই বলে, ‘তোমরা তোমাদের জমাটবাধা ধারণাগুলোকে একসঙ্গে এমনভাবে ঘঁষতে থাকো যাতে আগুন ধরে!’ মার্কসের এই পরামর্শটাকেই যেন রোকে ডালটন তাঁর মতো করেই গ্রহণ করেছিলেন আর কবিতার স্পেসেই তৈরি করেছিলেন অগ্নিঝরা, জীবন ও জগৎ বদলানো, লিপ্ত ‘ডায়ালেকটিকস্’, ভাষার আর সৌন্দর্যের সম্ভাবনাকে সম্প্রসারিত করেই।

কেবল তো শুরু

এক বন্ধু, এক ধরনের কবিও,
মধ্যবিত্ত বুদ্ধিজীবীর হা হুতাশকে
এভাবে বর্ণনা করলেন:
‘আমি তো বুর্জোয়ার কয়েদবন্দী
যা আমি তা ছাড়া আর কীই বা হতে পারি।’
আর মহান বের্টোল্ট ব্রেখট,
কম্যুনিস্ট, জর্মন নাট্যকার ও কবি
(ক্রমটা ঠিক তাই) লিখেছিলেন:
‘ব্যাংক প্রতিষ্ঠার অপরাধের তুলনায়
একটা ব্যাংক ডাকাতি তেমন কি আর মন্দ কাজ?’
এ থেকে আমি যে উপসংহার টানি
তা হলো: যদি নিজেকে অতিক্রম করতে গিয়ে
মধ্যবিত্ত বুদ্ধিজীবী
ব্যাংক ডাকাতি করেই ফেলে
তখন পর্যন্ত সে কিছুই করে নাই
কেবল নিজেকে একশ’ বছরের ক্ষমা
পাইয়ে দেওয়া ছাড়া।

উপদেশ

কখনো ভুলিও না
ফ্যাসিস্টদের মাঝে
সবচাইতে কম ফ্যাসিস্টও
ফ্যাসিস্ট।

উদ্বৃত্ত মূল্যের উপর, 
অথবা মালিক দুইবার ডাকাতি করে প্রতিটি শ্রমিককে

নারীর গার্হস্থ্যশ্রম
পুরুষের জন্য সময় বের করে
যাতে সে সামাজিকভাবে প্রয়োজনীয় কাজটা
সারতে পারে
যার জন্য সে আবার পুরা মজুরিটাও পায় না
(তার বড় অংশের মূল্যকে
পুঁজিপতি ডাকাতি করে নিয়ে যায়)
পায় ততোটুকু
যাতে সে বেঁচেবর্তে থাকে আর কাজ
করে যেতে পারে
সেই মজুরি নিয়েই
পুরুষ বাড়ি ফেরে
আর বউকে বলে:
দ্যাখো, টাইনাটুইনা চালায়া নিতে পারো কিনা
যাতে ঘরের কাজের সকল খরচাপাতি
মিটাইতে পারো।

[লেখাটি সাহিত্য পত্রিকা ওঙ্কার-এর ২০১৫-ফাল্গুন সংখ্যায় প্রকাশিত]


কলকাতাঃ অধ্যাপক জিএন সাইবাবা সহ সমস্ত রাজবন্দিদের মুক্তির দাবিতে APDR-র কনভেনশন

23722473_1740520889589158_4286254445300593613_n

দিল্লির প্রতিবন্ধী অধ্যাপক জি এন সাইবাবাকে অবিলম্বে মুক্তির দাবি তুললো মানবাধিকার সংগঠন APDR । মঙ্গলবার APDR-র উদ্যোগে ভারতসভা হলে এ বিষয়ে এক কনভেনশনের আয়োজন করা হয়। অধ্যপক সাইবাবা ছাড়াও এ রাজ্যে বিভিন্ন জেলে বন্দি থাকা সমস্ত রাজনৈতিক কর্মীদের অবিলম্বে মুক্তির দাবিও তোলা হয় APDR-র কনভেনশন থেকে। APDR-র পক্ষ থেকে অভিযোগ তোলা হয় এ রাজ্যের শাসক দল ক্ষমতায় আসার আগে সমস্ত রাজনৈতিক বন্দিদের নিঃশর্ত মুক্তির প্রতিশ্রুতি দিলেও তা পালন করেনি। জঙ্গলমহলের মানুষজনরা শুধুমাত্র গণতান্ত্রিক আন্দোলন করার অপরাধে জেলে বন্দি আছেন বলে অভিযোগ করেন মানবাধিকার আন্দোলনের কর্মীরা। এদিনের সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিশিষ্ট সমাজকর্মী বোলান গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, গণতন্ত্র ও মানবাধিকারকে হত্যা করাই যে কোন শাসকের স্বাভাবিক রীতি হয়ে দাঁড়িয়েছে। সম্মিলিত প্রতিবাদ ছাড়া একে প্রতিহত করা সম্ভব নয় বলে তাঁর মত। মানবাধিকার আন্দোলনের কর্মী রঞ্জিত শূরও লাগাতার আন্দোলনের জন্য সাধারণ নাগরিকের কাছে আহ্বান করেন। সভায় বিভিন্ন সংগঠনের রাজনৈতিক কর্মীরাও বক্তব্য রাখেন। সভায় যে প্রস্তাব গৃহীত হয় তার উপর ভিত্তি করে প্রতিবাদ ও গণ আন্দোলোনের কর্মসূচি নেওয়া হবে বলে উদ্যোক্তাদের পক্ষ থেকে জানানো হয়।

23659324_1740520916255822_7497680670095495979_n

23754655_1740521169589130_4995038612732600873_n23754918_1740521212922459_6453774101582647464_n

সূত্রঃ satdin.in


তুরস্কে সেনা–মাওবাদী যুদ্ধে ৪ গেরিলা শহীদ হয়েছেন

h

গত ১৬ই নভেম্বর সকালে তুরস্কের দারসামের ওভাকিক জেলার করাগোল অঞ্চলে সরকারী ‘ টিসি’ সেনা এবং গেরিলাদের মধ্যে এক সংঘর্ষে মাওবাদী MKP / HKO এবং HPG এর ৪ গেরিলা শহীদ হয়েছেন। বুর্জোয়া মিডিয়া এবং গভর্নরের অফিস ঐ তারিখে বলছে যে, এই যুদ্ধ এখনও অব্যাহত রয়েছে।

সাম্প্রতিক সময়ে, তুরস্কের দারসিম অঞ্চলে গেরিলাদের উপর ‘টিসি’ সেনাদের অভিযান বৃদ্ধি পেয়ে তা অব্যাহত রয়েছে। মাওবাদীদের বিরুদ্ধে এই যুদ্ধে সরকারী বাহিনীর সব ধরণের সর্বোচ্চ প্রযুক্তি এবং নোংরা যুদ্ধের নির্দেশনাগুলি কার্যকর করা হয়েছে। দারসিম অঞ্চল, এমন এক স্থান যেখানে ঘন ঘন আক্রমণ এবং দ্বন্দ্বের ফলে চারপাশের বিপ্লবী পরিবেশ বেশ অভিজ্ঞ হয়ে উঠেছে ।

সূত্রঃ http://kaypakkayahaber.com/haber/pulurda-catisma-4-gerilla-olumsuzlesti

 


ছত্তিসগড়ে মাওবাদী আত্মসমর্পণের ৯০ শতাংশই ভূয়া!

wooing-people-to-the-maoist-fold-174

স্ক্রীনিং কমিটির তদন্তে বের হয়েছে যে, ছত্তিশগড়ে আত্মসমর্পণের ৯০ শতাংশের বেশি আসলে প্রকৃত মাওবাদী ক্যাডার নয়।

ছত্তিশগড় সরকারের গণসংযোগের পরিমাণ কতটুকু, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই বিষয়টি নিশ্চিত করার জন্য বলেছে যে, শুধুমাত্র সত্যিকারের মাওবাদী ক্যাডারকে পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করতে হবে এবং ‘ভূয়া মাওবাদীদের’ আত্মসমর্পণের সংখ্যা নিয়ে দেয়া বক্তব্য এড়াতে হবে। এই মাসের প্রথম দিকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের সঙ্গে দেখা করতে যাওয়া ছত্তিসগড়ের মুখ্যমন্ত্রী রমনা সিংকে এ কথা বলেন।

“অনেক অ্যাপ্লিকেশন বাতিল করা হয়েছে, যারা কেবল আর্থিক এবং অন্যান্য পুনর্বাসন সুবিধা পাওয়ার আশায় মাওবাদী সেজেছিল” – একটি সিনিয়র সরকারী কর্মকর্তা বলেন।

রাজ্য সরকার ও কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে একটি স্ক্রীনিং-সহ-পুনর্বাসন কমিটি পুনর্বাসন স্কিমের জন্য তাদের তালিকাভুক্ত করার আগে মামলাগুলি পরীক্ষা করে।

“বিষয়টি পরীক্ষা নিরীক্ষার সময়, পাওয়া গেছে যে অধিকাংশ মানুষ যারা আত্মসমর্পণ করেছিল তারা সক্রিয় মাওবাদী ক্যাডাররা ছিল না। তাদের বিরুদ্ধে কোনও মামলা দায়ের করা হয়নি বা কোনো ঘটনার সাথে জড়িতও ছিল না “, বলেন এই কর্মকর্তা।

ছত্তিশগড়ের বাস্তার অঞ্চলে ২০১৩ সালে সর্বাধিক অভিযুক্তকে মাওবাদী সাজিয়ে আত্মসমর্পণ করানো হয়েছিল, যা তৎকালীন বিতর্কিত আইজিপি এসআরপি কাল্লুরি নিজের নিয়ন্ত্রণে এই কাজগুলো পরিচালনা করেছিল।

সূত্রঃ http://www.thehindu.com/todays-paper/tp-national/chhattisgarhs-fake-maoist-surrenders/article20547957.ece


বাংলাদেশঃ যশোর কারাগারে পূর্ববাংলার কমিউনিস্ট পার্টি’র ২ সদস্যকে ফাঁসি দেয়া হয়েছে

photo-1510887646

চুয়াডাঙ্গা জেলার মনোয়ার মেম্বর হত্যা মামলায় পূর্ব বাংলা কমিউনিস্ট পার্টির ২ আঞ্চলিক নেতা মোকিম ও ঝড়ুর ফাঁসি কার্যকর হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৬ নভেম্বর) রাত পৌনে ১২টায় যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে তাদের মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেন সিনিয়র জেল সুপার কামাল আহমেদ।

যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার আবু তালেব বাংলানিউজকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

আসামিরা হলেন, চুয়াডাঙ্গা জেলার আলমডাঙ্গা উপজেলার দুর্লভপুর গ্রামের মৃত মুরাদ আলীর ছেলে আব্দুল মকিম (৬০) ও একই গ্রামের মৃত আকছেদ আলীর ছেলে ঝড়ু (৬২)।

রাত সাড়ে ১০টার দিকে কারাগারের সামনে ও আশপাশে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। জেলখানার মূল ফটকের সামনের রাস্তায় যানচলাচল নিয়ন্ত্রণ ছাড়াও প্রশাসনের অনুরোধে আশপাশের দোকানপাট বন্ধ করতে দেখা যায়। পুলিশ ও কারারক্ষী ছাড়াও বিভিন্ন সংস্থার লোকজনের উপস্থিতি দেখা যায়।

যশোর কেন্দ্রীয় কারাগার সূত্র জানায়, দুই আসামির ফাঁসি কার্যকরের লক্ষে চলতি সপ্তাহে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে দুই জল্লাদকে যশোরে এনে মহড়া দেওয়া হয়। রাত ১১টার দিকে দুইটি এ্যাম্বুলেন্স, জেলা প্রশাসনের একজন ম্যাজিস্ট্রেট ও সিভিল সার্জন কারাগারে যান।

সশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, পূর্ববাংলা কমিউনিস্ট পার্টির নেতারা ১৯৯৪ সালের ২৮ জুন চুয়াডাঙ্গা জেলার আলমডাঙ্গা উপজেলার দুর্লভপুর গ্রামের ইউপি সদস্য মনোয়ার হোসেনকে হত্যা করে। এ ঘটনার পরদিন নিহতের ভাই অহিম উদ্দিন বাদী হয়ে ২১ জনকে আসামি করে আলমডাঙ্গা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ একযুগ পর ২০০৬ সালে ৩ আসামির ফাঁসি, ২ আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ১৬ আসামির বেকসুর খালাস দিয়ে রায় ঘোষণা করেন আদালত। তবে ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা উচ্চ আদালতে রিভিউ করলে এক আসামির ফাঁসি মওকুফ করা হয়।

সূত্রঃ http://www.banglanews24.com/national/news/bd/617868.details


নেপালঃ ‘অক্টোবর বিপ্লবের বার্ষিকী’ উপলক্ষে মোহন বৈদ্য: “নেপালে নতুন বিপ্লব সম্ভব”

Mohan-Baidhya-800x445

সিপিএন(বিপ্লবী মাওবাদী) চেয়ারম্যান মোহন বৈদ্য- শ্রমিক শ্রেণির জনগণের নেতৃত্বে একটি নতুন বিপ্লব প্রয়োজনের উপর জোর দিয়ে বলেন যে, নেপালে এই বিপ্লবটিও সম্ভব।

১৯১৭ সালের অক্টোবর বিপ্লবের শতবর্ষ উপলক্ষে পার্টির এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে, দলের নেতা মোহন বৈদ্য, শ্রমিকদেরকে তাদের অধিকারের জন্য একটি নতুন বিপ্লবের পথের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য গুরুতরভাবে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন।  

তিনি বলেন- আজ বা নভেম্বর ৭, ১৯১৭ দিনটিতে অক্টোবর বিপ্লব হয়েছিল। এদিন রাশিয়াতে ভ্লাদিমির লেনিনের নেতৃত্বে বিপ্লব সংঘটিত এবং সমাজতন্ত্রের সৃষ্টি হয়েছিল।

“অক্টোবর বিপ্লবের নীতিগুলি প্যারিস কমিউনে কার্ল মার্ক্সের মতানুযায়ী সার্বজনীন এবং প্রাসঙ্গিক এবং এই ধরনের বিপ্লবের নীতিগুলি বিশ্বব্যাপী শ্রমিকশ্রেণির এবং নিপীড়িত সম্প্রদায়ের মুক্তি পর্যন্ত বার বার প্রয়োগ চলবে “, বলে বিবৃতিতে বলা হয়।

“কমিউনিজমের বর্তমান পরাজয় অস্থায়ী এবং সংক্ষিপ্ত এবং সাম্রাজ্যবাদ তার নিজের ফাঁদে আটক হচ্ছে” বলেও তিনি বিবৃতিতে দাবি করেন।

সূত্রঃ http://www.myrepublica.com/news/30288/?categoryId=81