৭২ ঘন্টায় গড়চিরোলিতে ‘সংঘর্ষে’ নিহত মাওবাদীর সংখ্যা বেড়ে ৩৭। প্রজাতন্ত্র কি পারে এইভাবে নিজের সন্তানকে ‘হত্যা’ করতে?

india-maoist-rebels-killed_f4f85a92-4771-11e8-b98f-44ca1ff8ed36 (1)

মহারাষ্ট্রের গড়চিরোলিতে দুটি পৃথক ঘটনায় কাসানসুর এলাকায় পুলিসের গুলিতে নিহত  মাওবাদীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৩৭। দ্য হিন্দ্যুর রিপোর্ট অনুযায়ী, সোমবার আরো ১৫জন মাওবাদীর দেহ ভাসতে দেখা যায় ইন্দ্রাবতী নদীতে। পুলিস দাবি করেছিল রবিবার তাদের সঙ্গে সংঘর্ষে নিহত হয়েছে অন্তত ১৬জন মাওবাদী। রবিবারই ১৬জন মাওবাদীর দেহ উদ্ধার করেছিল পুলিস। অন্য একটি ঘটনায় সোমবার( ২৩ এপ্রিল) গড়চিরোলির জিমালগাট্টায় নিরাপত্তারক্ষীর গুলিতে নিহত হন ৪ মহিলা সহ ৬জন মাওবাদী। পুলিসের দাবি এটিও সংঘর্ষই ছিল।

রবিবার সকাল ৯ টা নাগাদ হওয়া ‘সংঘর্ষে’ নিহতের মধ্যে রয়েছেন মাওবাদীদের ২জন ডিভিশনাল কমিটিরও সদস্যও। টাইমস অফ ইন্ডিয়ার রিপোর্ট অনুযায়ী নাগপুর থেকে ৩৫০ কিমি দূর ছত্তিশগড় মহরাষ্ট্র সীমানার এক গ্রামে C 60 ও CRPF এর যৌথ বাহিনী এই অভিযান চালায়। ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের রিপোর্ট অুনযায়ী মাওবাদীরা তখন সকালের জলখাবার খাচ্ছিলেন। সেই সময় চারদিক থেকে তাদের ঘিরে ফেলে পুলিস ও আধাসামরিক বাহিনীর লোকজন। যদিও পুলিসের দাবি আত্মসমপর্ণ করতে বলার পরও মাওবাদীরা গুলি চালায় পাল্টা গুলিতেই নাকি নিহত হয়েছেন ১৬জন মাওবাদী। মাওবাদী ও আধাসামরিক বাহিনীর সংঘর্ষ এদেশে নতুন নয়। কিন্তু এত বড়  ‘সংঘর্ষে’ পুলিস বা আধাসামরিক বাহিনীর একজনের আহত হওয়ার রিপোর্ট না থাকায় প্রশ্ন উঠছে ঘটনাটি ভুয়ো সংঘর্ষের নয় তো?  মাও নেতা আজাদের নিহত হওয়ার জেরে হওয়া মামলায় ২০১১ সালে  সুপ্রিম কোর্ট তার পর্যবেক্ষণে জানিয়েছিল দেশের সন্তানদের(মাওবাদীরাও ) হত্যা করার অধিকার প্রজাতন্ত্রের নেই। দেশের সর্বোচ্চ আদালতের এই পর্যবেক্ষণের কি কোন অর্থ আছে সরকারের কাছে?

সূত্রঃ satdin.in

Advertisements

মেক্সিকোর উদারতাবাদী সশস্ত্র মার্কসবাদী দল ‘জাপাতিস্তা আর্মি অব ন্যাশনাল লিবারেশন – EZLN’

 67925f086579ad1ff72c0c9204b1111b_xl

ম্যাক্সিকোর কাছে একটি ছোট রাজ্য চাইপাস। নিজেদের ৩২তম প্রদেশ বানাতে মেক্সিকো চাইপাসের ওপর চালায় দখলদারি ও ঔপনিবেশিকতার জাল। এই দখলদারির প্রতিবাদে সোচ্চার হয়ে ওঠে চাইপাসের অগ্রগামী জনগণ। এই লক্ষ্যেই যাত্রা শুরু হয় জ্যাপাটিস্টা আর্মি অব ন্যাশনাল লিবারেশন নামের এই গেরিলা দলটির। সংক্ষেপে অবশ্য ইজেডএলএন নামে পরিচিত। ১৯৯৪ সালে প্রথম আত্মপ্রকাশ করে দলটি। মেক্সিকো সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন ও যুদ্ধের মাধ্যমেই পথচলা শুরু ইজেডএলএনের।

সেই সময় তুরস্ক বা সিরিয়ার সীমান্ত থেকে হাজারো মাইল দূরে মেক্সিকোতে ১৯৯৪ সালের ১ জানুয়ারি ন্যাফটা নর্থ আমেরিকান ফ্রি ট্রেড এগ্রিমেন্ট স্বাক্ষরিত হয়। এই চুক্তি অনুসার মেক্সিকোর বাজার চাষিদের জমি উৎপাদিত দেশীয় শস্য সমস্ত কিছু আমেরিকা এবং বাকি স্বাক্ষরকারী দেশের কাছে উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। চুক্তি সাক্ষরিত হওয়ার দিনেই এক অজানা সংগঠন জ্যাপাটিসটা ন্যাশানাল আর্মির ইজেডএলএন হাজারো সশস্ত্র মায়া আদিবাসী গেরিলা মেক্সিকোর প্রধান শহর জেলা শহর আঞ্চলিক এবং কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে আক্রমণ করে। নতুন ধরনের মুক্তির লড়াই মায়া আদিবাসী সমাজের স্বয়ংশাসন প্রতিষ্ঠা করার এই যুদ্ধ বিভিন্ন রাজনৈতিক ধারার মিশ্রণে এক নতুন ধরনের বামপন্থী চিন্তার ফসল। দ্রুত দক্ষিণ মেক্সিকোর জঙ্গলের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে নিজেদের স্বয়ংশাসন প্রতিষ্ঠা করার ক্ষেত্রে সফলতা অর্জন সক্ষম হয়।

শুরুতে মেক্সিকো সরকারের মিলিটারি, প্যারামিলিটারি ও বহুজাতিক কম্পানির বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিল তারা। অনেকটা আত্মরক্ষাই ছিল মূল উদ্দেশ্য। উদারতাবাদী মার্ক্সিজম ও উদার সোশ্যালিজমের আদর্শে যাত্রা শুরু করে দলটি। আত্মপ্রকাশের বছরই ইজেডএলএন প্রথম যুদ্ধের ঘোষণা দেয়। সেই থেকে এখন পর্যন্ত তারা প্রবৃত্ত রয়েছে নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষার লড়াইয়ে। মাঝেমধ্যে হয়তো যুদ্ধপন্থায় কিছুটা পরিবর্তন করে, তবে মূল উদ্দেশ্য অটুট। কোনো একক নেতৃত্ব নেই দলটিতে। প্রশিক্ষক ও কর্মপরিকল্পনার জন্য কয়েকজন রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে সাব কমান্ড্যাট মার্কোস, কমান্ড্যাট হুগো, সাব কমান্ড্যাট পেড্রো, সাব কমান্ড্যাট এলিসা ও সাব কমান্ড্যাট মোয়েসেস উল্লেখযোগ্য। প্রায় তিন হাজার সক্রিয় সদস্য ও নিজস্ব মিলিশিয়া বাহিনীর সঙ্গে রয়েছে চাইপাসের অগুনতি জনসাধারণ। ইজেডএলএন জনগণের মুক্তির জন্য যুদ্ধ করে বিধায় নিজেদের রক্ষাকবচ হিসেবে জনগণই কাজ করে। অর্থ, খাদ্যসহ সব কিছু দিয়েই সাহায্য করে। ইজেডএলএনের সমর্থন ও অবস্থান অনেক শক্তিশালী। তাই দলটিকে মোকাবিলায় মেক্সিকো সরকারকে খেতে হচ্ছে অনেক নাকানিচুবানি। নিজের পুরো শক্তি দিয়েও খুব সহজে চাইপাসে আধিপত্য বিস্তারে পুরোপুরি সক্ষম হতে পারেনি মেক্সিকো। তাই মেক্সিকো সরকার দলটিকে সন্ত্রাসী হিসেবে চিহ্নিত করে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে। ইজেডএলএন নিজেদের সফলতা বয়ে আনতে সর্বদা নতুন কর্মপন্থা ও গেরিলা আক্রমণ পছন্দ করে, যাতে শত্রু খুব সহজে তাদের জব্দ করতে না পারে।

images

 


মহারাষ্ট্রে পুলিসের সঙ্গে ‘সংঘর্ষে’ নিহত ১৬ মাওবাদী

mapJPG

মাওবাদী বিরোধী অভিযানে মহারাষ্ট্রের গড়চিরলিতে ১৬জন মাওবাদীকে হত্যা করল পুলিস জানাচ্ছে ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের একটি রিপোর্ট। পুলিসের দাবি,  রবিবার সকাল ৯ টা নাগাদ হওয়া ‘সংঘর্ষে’ নিহতের মধ্যে রয়েছেন মাওবাদীদের ২জন ডিভিশনাল কমিটিরও সদস্যও। টাইমস অফ ইন্ডিয়ার রিপোর্ট অনুযায়ী, নাগপুর থেকে ৩৫০ কিমি দূর ছত্তিশগড় মহরাষ্ট্র সীমানার এক গ্রামে C 60 ও CRPF এর যৌথ বাহিনী এই অভিযান চালায়। ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের রিপোর্ট অনুযায়ী, মাওবাদীরা তখন সকালের জলখাবার খাচ্ছিলেন। সেই সময় চারদিক থেকে তাদের ঘিরে ফেলে পুলিস ও আধাসামরিক বাহিনীর লোকজন। যদিও পুলিসের দাবি আত্মসমপর্ণ করতে বলার পরও মাওবাদীরা গুলি চালায় পাল্টা গুলিতেই নাকি নিহত হয়েছেন ১৬জন মাওবাদী। মাওবাদী ও আধাসামরিক বাহিনীর সংঘর্ষ এদেশে নতুন নয়। কিন্তু এত বড়  ‘সংঘর্ষে’ পুলিস বা আধাসামরিক বাহিনীর একজনের আহত হওয়ার রিপোর্ট না থাকায় প্রশ্ন উঠছে ঘটনাটি ভুয়ো সংঘর্ষের নয় তো?  মাও নেতা আজাদের নিহত হওয়ার জেরে হওয়া মামলায় ২০১১ সালে  সুপ্রিম কোর্ট তার পর্যবেক্ষণে জানিয়েছিল দেশের সন্তানদের(মাওবাদীরাও ) হত্যা করার অধিকার প্রজাতন্ত্রের নেই। দেশের সর্বোচ্চ আদালতের এই পর্যবেক্ষণের কি কোন অর্থ আছে সরকারের কাছে?

সূত্রঃ satdin.in


কেরল, মধ্যপ্রদেশ, কর্ণাটক ও তামিলনাড়ুর নতুন ৮টি জেলাতে মাওবাদীদের প্রভাব বেড়েছে

Maoist_Annihilation line

কেরলের তিনটি এবং মধ্যপ্রদেশের নতুন একটি সহ মোট আটটি জেলা মাওবাদী প্রভাবিত এলাকার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। এই তালিকায় সবচেয়ে লক্ষণীয় হল কেরল। মন্ত্রক সূত্রে জানা গেছে কর্ণাটক ও তামিলনাড়ুর সংযোগস্থলে কেরলের ওই জেলাগুলিতে ইদানীং মাওবাদীদের প্রভাব বেড়েছে। চলতি মাসের গোড়ায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক মাওবাদী প্রভাবিত জেলার নতুন এই তালিকা তৈরি করেছে।

তবে মাওবাদী প্রভাবিত এলাকার তালিকা থেকে বাদ গেল ভারতের পশ্চিমবঙ্গের জঙ্গলমহলের চার জেলা। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের নকশাল ডিভিশন মাওবাদী প্রভাবিত এলাকাগুলি নিয়ে বিশেষ সমীক্ষা চালিয়ে নতুন যে তালিকা তৈরি করেছে, তা থেকে বাদ গিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সহ গোটা দেশের মোট দশটি রাজ্যের চুয়াল্লিশ টি জেলা।
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছে, মাওবাদী প্রভাবিত এলাকার তালিকা থেকে যেমন বাদ দেওয়া হয়েছে ওই জেলাগুলি। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক রাজ্যের যে চারটি জেলাকে মাওবাদী প্রভাবমুক্ত বলে জানিয়েছে, সেগুলি হল পশ্চিম মেদিনীপুর (নতুন গঠিত জেলা ঝাড়গ্রাম সহ), বাঁকুড়া, পুরুলিয়া ও বীরভূম।

সূত্রঃ https://www.voabangla.com/a/india-wb-mao-pgr-17apr18/4352254.html


কথিত বন্দুকযুদ্ধে পূর্ব বাংলার সর্বহারা পার্টি(মাওবাদী বলশেভিক পুনর্গঠন আন্দোলন) এর সদস্য নিহত

Rajbari-pic-2

বাংলাদেশের গণমাধ্যম banglatribune.com জানাচ্ছে, রাজবাড়ী জেলা সদরের জৌকুড়া বালু ঘাট এলাকায় গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে ছাইদুল ওরফে আমির সরদার (৩২) নামে পূর্ব বাংলার সর্বহারা পার্টি(মাওবাদী বলশেভিক পুনর্গঠন আন্দোলন – MBRM) এর এক সদস্য নিহত হয়েছে। সোমবার (১৭ এপ্রিল)  দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থল থেকে একটি বিদেশি এসএলআর, ৩২ রাউন্ড গুলি, একটি দোনালা বন্দুক, ২৩টি কার্তুজ, ১টি ধারালো ছোরা, ৬টি কার্তুজের খোসা উদ্ধার করা হয়েছে। রাজবাড়ী জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) আসমা সিদ্দিকা মিলি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশ বলছে, নিহত ছাইদুল পাবনা জেলার আটঘরিয়া থানার চাচকিয়া গ্রামের তাহামুদ্দিন তনু সরদারের ছেলে। সে নিষিদ্ধ ঘোষিত পূর্ব বাংলার সর্বহারা পার্টি(মাওবাদী বলশেভিক পুনর্গঠন আন্দোলন – MBRM) এর আঞ্চলিক কমান্ডার ছিল।

পুলিশ সুপার আসমা সিদ্দিকা মিলি জানান,গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জৌকুড়া এলাকায় ডিবি পুলিশ অভিযান চালায়। চরমপন্থী সর্বহারা সদস্যরা পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পুলিশের দিকে গুলি চালায়।  পুলিশও তাদের নিজেদের জানমাল রক্ষার্থে পাল্টা গুলি ছোড়ে। দু’পক্ষের গোলাগুলির এক পর্যায়ে চরমপন্থী সর্বহারার সদস্যরা পিছু হটে চরের বিভিন্ন দিকে রাতের অন্ধকারে পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থল থেকে গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত অবস্থায় ছাইদুলকে উদ্ধার করে দ্রুত রাজবাড়ী সদর হাসপাতোলের জরুরী বিভাগে আনা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে রাত পৌনে ৪টায় মৃত বলে ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপারসহ ৩ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।

তিনি আরও জানান, নিহত চরমপন্থী  ছাইদুল পাবনা জেলায় ২টি হত্যা, ২টি অস্ত্র, ১টি অপহরণ মামলাসহ মোট ৭টি মামলার গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত পলাতক আসামি ছিলো।

 


বিজাপুরে মাওবাদীদের IED হামলায় নিহত ২ জওয়ান, জখম ৫

676229-1

ভারতীয় গণমাধ্যম ndtv এর রিপোর্ট অনুযায়ী, প্রায় ৩০ জন জওয়ানকে নিয়ে যাচ্ছিল একটি বাস। তার ওপর আইইডি হামলা চালাল মাওবাদীরা। এতে নিহত হয়েছে দুজন জওয়ান। জখম পাঁচজন জওয়ান। রবিবার ছত্তিশগড়ের বিজাপুরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সফরের প্রাক্কালে সোমবার ফের সেখানে হামলা চালাল মাওবাদীরা।

আজ ভোরে বিজাপুর-ভোপালপটনম রোডে টহল দেওয়া সিআরপিএফ বাহিনীকে টার্গেট করেও মাওবাদীরা দুটি আইইডি বিস্ফোরণ ঘটায়, গুলি চালায়। দুপক্ষের মধ্যে গুলির লড়াই চলে বেশ কিছুক্ষণ। যদিও তাতে কেউ হতাহত হয়নি।
জওয়ানদের নিয়ে যাওয়া বাসে আইইডি হামলা করা হয় রায়পুর থেকে প্রায় ৪৫০ কিমি দূরে গোডমা গ্রামে। জওয়ানরা মাওবাদী দমন অভিযানে যাচ্ছিলেন তখন, জানিয়েছে পুলিশ। ডিস্ট্রিক্ট রিজার্ভ গার্ডের দুজন জওয়ান নিহত ও ৫ জন জখম হন বলে জানান এক পুলিশ কর্তা। বিস্ফোরণে বাসের সামনের অংশ দুমড়ে মুচড়ে যায়। মূলত সামনের আসনে বসে থাকা সওয়ারীরাই হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হন।
ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত বাহিনী পাঠানো হয়েছে। জখম জওয়ানদের পাঠানো হয়েছে বিজাপুরের হাসপাতালে।
প্রসঙ্গত, ১৪ এপ্রিল মোদী আসছেন বিজাপুর সফরে। তার আগে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা বলয় গড়া হচ্ছে। জঙ্গলে জঙ্গলে অনুসন্ধান, তল্লাশি চলছে নিরাপত্তাবাহিনীর। এর মাঝেই হামলা চালাল মাওবাদীরা।


কুষ্টিয়ায় কথিত বন্দুক যুদ্ধে ‘লাল পতাকা’র সদস্য নিহত

স

পূর্ব বাংলার কমিউনিস্ট পার্টি(এমএল-লাল পতাকা)’র সক্রিয় সদস্য আব্দুল কুদ্দস ওরফে সাগর(৪৫) গত ৫ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার ভোর রাতে কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালী উপজেলার কয়া ইউনিয়নের গড়াই নদীর চরে র‌্যাবের সাথে কথিত বন্দুক যুদ্ধে নিহত  হয়েছে।

নিহত আব্দুল কুদ্দস ওরফে সাগর রাজবাড়ী জেলার বরাট ইউনিয়নের উড়াকান্দা এলাকার তারক আলীর ছেলে। তিনি এলাকায় বালুর ব্যবসা করতেন।

সাগর চরমপন্থী সংগঠন `লাল পতাকার’ সদস্য বলে র‌্যাব কর্মকর্তা মুহাইমিনুল হক জানান ।

সাগরের স্ত্রী চম্পা খাতুন bdnews24.comকে বলেন, গত ২৯ মার্চ রাত ১০টার দিকে বাড়ি থেকে রেব হন সাগর। এরপর থেকে তার কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না।

এদিকে র‌্যাব কর্মকর্তা মুহাইমিনুল বলেন, নাশকতা তৈরির উদ্দেশ্যে একদল সন্ত্রাসী ঘোড়াঘাট এলাকার গড়াই নদীর চরে গোপন বৈঠক করছে খবর পেয়ে র‌্যাব সদস্যরা সেখানে অভিযান চালায়।

“র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে সন্ত্রাসীরা গুলি ছোড়ে। জবাবে র‌্যাবও পাল্টা গুলি করে। গোলাগুলির এক পর্যায়ে সন্ত্রাসীরা পিছু হটে। পরে ঘটনাস্থল থেকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় সাগরকে পাওয়া যায়।”

তাকে উদ্ধার করে কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন বলে মুহাইমিনুল জানান।

তিনি বলেন, গোলাগুলির ঘটনায় দুই র‌্যাব সদস্য আহত হয়েছেন। তাদের হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।  

ঘটনাস্থল থেকে একটি বন্দুক ও গুলি উদ্ধারের কথাও জানিয়েছে র‌্যাব।