‘লাল সংবাদ’ এর জরুরী আহবান –

Untitled

প্রিয় পাঠক কমরেডগণ,

লাল সংবাদ‘ এর পক্ষ থেকে লাল সালাম শুভেচ্ছা নিন। আপনারা লক্ষ্য করছেন, গত কিছুদিন ধরে ‘লাল সংবাদ‘ অনিয়মিত হয়ে পড়েছে। কারণ, ‘লাল সংবাদ‘ বন্ধ করতে প্রতিক্রিয়াশীল রাষ্ট্র উঠে পড়ে লেগেছে। ফলে আমাদের নিয়মিত প্রকাশনা অনিয়মিত হয়ে পড়েছে। যে কোন মুহূর্তে হয়তো বন্ধ করে দিতে পারে আমাদের কার্যক্রম। দমন, পীড়ন , নির্যাতনও আসতে পারে।

আমরা বিশ্বাস করি- বৈজ্ঞানিক ভাবে প্রমাণিত সত্য একটিই হয়। তাই পৃথিবীর বাধাগ্রস্থ প্রগতিশীল সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমে বৈজ্ঞানিক সত্যতা তুলে ধরার লক্ষ্যে আমরা প্রাণপণ লড়াই করে যাব। কারণ, বাধাগ্রস্থ প্রগতিশীল বৈজ্ঞানিক সত্য কখনোই চার দেয়ালে বন্দী থাকতে পারে না। আশা করছি, ‘লাল সংবাদ‘ এর সত্য প্রকাশের লড়াইয়ে আপনারাও পাশে থাকবেন। ভালো থাকুন কমরেডগণ। 

–  ‘লাল সংবাদ


তুরস্কে মাওবাদী গ্রামগুলোকে “অস্থায়ী সামরিক নিরাপত্তা অঞ্চল” ঘোষণা

ovacik-1-800x445

তুরস্কের দারসিমের প্রাদেশিক সরকার ওয়েব সাইটে প্রকাশিত এক লিখিত বিবৃতিতে, ৩১টি অঞ্চলের শহরের কেন্দ্রে এবং Ovacık, Nazımiye এবং Hozat জেলায় ৬ মাসের জন্য(১লা সেপ্টেম্বর, ২০১৬ থেকে ১লা মার্চ, ২০১৭)  প্রবেশ নিষিদ্ধ করেছে।

তুরস্ক রাষ্ট্রের মধ্যে এই গ্রামগুলোতে মাওবাদীদের উপস্থিতি যথেষ্ট শক্তিশালী ছিল। এর মধ্যে Ovacık জেলার মেয়র তুরস্কে “কমিউনিস্ট মেয়র” হিসেবে পরিচিত। তিনি DHF নামে মাওবাদী গণ সংগঠনের একজন সদস্য।

সূত্রঃ http://www.redspark.nu/en/peoples-war/turkey/dersim-maoist-villages-declared-as-temporary-military-security-zone/


বাস্তার নিয়ে ফের কলকাতায় আলোচনা সভার ডাক

13096365_1586008188395125_3730096659117586032_n

গত ৬-৭ মাসে বাস্তারে সংঘর্ষে নিহত হয়েছেন  অন্তত ৯০ জন। বাস্তার সলিডারিটি নেটওয়ার্কের দেওয়া এই তথ্য একদিকে আতঙ্কের অন্যদিকে চমকে ওঠার মত। সংগঠনের  অভিযোগ মাওবাদীদের দমনের নামে বাস্তারে আদিবাসীদের উপর এক অঘোষিত যুদ্ধ জারি করেছ সরকার। রেহাই পাচ্ছেন না সাংবাদিক ও আইনজীবীরাও। মাওবাদী তকমা দিয়ে এলাকা ছাড়া করা হচ্ছে তাদের। গ্রেফতার করা হচ্ছে কাউকে কাউকে। এদেরই একজন প্রভাত সিং। সম্প্রতি জামিনে মুক্ত। আগামী শুক্রবার বিকেল ৪টে র সময় ( ৩০ সেপ্টেম্বর) মহাবোধি সোসাইটি হলে বাস্তার নিয়ে সংবাদ মাধ্যমে ‘কন্ঠরোধ ও নিখোঁজ’ শীর্ষক এক আলোচনা তিনি বলবেন। সঙ্গে থাকবেন দ্য হিন্দু পত্রিকার শুভজিত্ বাগচি।


ছত্তিশগড়ে নিহত ২ মাওবাদী, কেরলে গুলি মাওবাদীদের

indicom

ছত্তিশগড়ে সুকমায় ফের সংঘর্ষে নিহত মাওবাদীরা। পুলিসের দাবি  সূত্রের মারফত খবর পেয়ে ফুলবাগডি এলাকা মঙ্গলবার তল্লাশিতে যায় পুলিস। এর পরই নাকি গুলির লড়াই শুরু হয় । আর তাতেই নিহত হন ওই  ২ মাওবাদী। পুলিস জানিয়েছে নিহত দুইজনের নাম হিডমা ও আনডা। নিহতরা যথাক্রমে দণ্ডকারণ্য মজদুর-কিষাণ সংঘের সভাপতি ও সহসভাপতি ছিলেন। অন্যদিকে কেরলের মাল্লাপূরম জেলায় মাওবাদীদের সঙ্গে পুলিসের গুলির লড়াই হয়েছে। আদিবাসী এলাকায় প্রচারের সময় পুলিস এলো সেখান থেকে পালানোর সময় গুলি চালায় মাওবাদীরা।

সূত্রঃ দ্য হিন্দু ও ইন্ডিয়ান এক্সেপ্রেস


কলম্বিয়ায় সরকার ও মার্কসবাদী গেরিলা দল ‘ফার্ক’ এর ঐতিহাসিক শান্তিচুক্তি

cuba

কলম্বিয়ার মধ্য-ডানপন্থি সরকার ও মার্কসবাদী গেরিলা দল ‘ফার্ক’ এর মধ্যে চূড়ান্ত শান্তিচুক্তি সই হয়েছে।

সোমবারের এই চুক্তির মধ্যদিয়ে পাঁচ দশকের বেশি সময় ধরে চলা রক্তক্ষয়ী লড়াইয়ের অবসান হল।

দীর্ঘ অর্ধ-শতকেরও বেশি সময় ধরে চলা এই লড়াইয়ে দুই লাখেরও বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন।

কিউবায় চারবছর ধরে শান্তি আলোচনা হওয়ার পর সোমবার প্রথমবারের মতো কলম্বিয়ার মাটিতে দেশটির প্রেসিডেন্ট হুয়ান ম্যানুয়েল সান্তোস (৬৫) ও মার্কসবাদী ফার্ক বিদ্রোহী গোষ্ঠীর নেতা টিমোচেনকো (৫৭) পরস্পরের সঙ্গে উষ্ণ করমর্দন করেন। এরপর সাদা একটি কলম দিয়ে তারা চুক্তিতে সই করেন।

ঐতিহাসিক এই চুক্তি অনুষ্ঠানে সমবেতরা “কলম্বিয়া দীর্ঘজীবী হোক, শান্তি দীর্ঘজীবী হোক” বলে স্লোগান দেন।

চুক্তি সই হওয়ার পর আবেগাপ্লুত সান্তোষ বলেন, “অর্ধশতক ধরে সহিংসতার কালরাত্রির যে ছায়া আমাদের ঢেকে রেখেছিল তার অবসান হয়েছে।”

কান্নাভেজা চোখে সান্তোস আরো বলেন, “একটি নতুন ভোরের প্রতি আমাদের হৃদয় মেলে ধরেছি,  একটি উজ্জ্বল সম্ভাবনাময় সূর্য কলম্বিয়ার আকাশে উদয় হয়েছে।”

অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া অনেককে এ সময় কাঁদতে দেখা যায়। দীর্ঘ রক্তক্ষয়ী লড়াইয়ে নিহত, পঙ্গু হয়ে যাওয়া, ধর্ষণের শিকার এবং বাস্তুচ্যুতদের স্মরণে অনুষ্ঠানে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

রোববার কলম্বিয়ার জনগণ এই নতুন চুক্তির অনুমোদনের ব্যাপারে ভোট দেবেন। জরিপ বলছে, সহজেই এটি পাস হবে।

চুক্তি অনুষ্ঠানে ফার্ক বিদ্রোহী গোষ্ঠীর নেতা টিমোচেনকো বলেন, “আমরা অস্ত্রের পরিবর্তে রাজনৈতিক প্রক্রিয়া বেছে নিয়েছি এ ব্যাপারে কারো কোনো সংশয় থাকা উচিৎ হবে না।”

এ সময় তিনি ফার্ক গেরিলাদের সাধারণ ক্ষমা ঘোষণার আহ্বান জানান। তিনি আরো বলেন, “আমরা সবাই আমাদের ভেতর থেকে, হৃদয় থেকে নিরস্ত্র হওয়ার জন্য প্রস্তুত।”

কলম্বিয়ার উপকূলীয় শহর কার্টাগেনায় হওয়া এই অনুষ্ঠানে আগতদের সবাইকে সাদা পোশাকে আসার জন্য আহ্বান জানানো হয়েছিল। এতে জাতিসংঘের মহাসচিব বান কি-মুন, কিউবার প্রেসিডেন্ট রাউল কাস্ত্রো এবং যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরি উপস্থিত ছিলেন।

এরআগে হাভানায় সমঝোতার যৌথ ঘোষণা দিয়েছিল কলম্বিয়া সরকার ও ফার্ক বিদ্রোহী গোষ্ঠী।

সেখানে, বিস্তৃতভাবে সামাজিক অন্তর্ভুক্তি, সংঘাতে ক্ষতিগ্রস্তদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা এবং স্থিতিশীল ও দীর্ঘস্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠায় উভয় পক্ষ একসঙ্গে কাজ করতে একমত হয়।

কলম্বিয়া সরকার ও বামপন্থী গেরিলা বাহিনী রেভলিউশনারি আর্মড ফোর্সেস অব কলম্বিয়ার (ফার্ক) মধ্যে অর্ধ শতক ধরে চলা এই সংঘাতে প্রায় ২ লাখ ২০ হাজার মানুষের প্রাণহানি হয়েছে; ঘর-বাড়ি হারিয়েছে লাখ লাখ মানুষ।

কিউবার রাজধানীতে হওয়া ওই অনুষ্ঠানে কলম্বিয়ার প্রতিনিধি দলের প্রধান উমবেরতো দে লা চাল্লে ও ফার্কের প্রধান আলোচক ইভান মার্কেজ চুক্তিতে সই করেছিলেন ।

কিন্তু এবার কলম্বিয়ার মাটিতে দেশটির প্রেসিডেন্ট ও বিদ্রোহী গোষ্ঠীর নেতার মাঝে চূড়ান্ত চুক্তিতে সই হল।

চুক্তি অনুযায়ী, বিশ্বের অন্যতম দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতের অবসান ঘটাতে ফার্ক অস্ত্র সমর্পণ করে বেসামরিক জীবনে ফিরে যাবে।

গেল জুনে দুই পক্ষ দ্বিপক্ষীয় অস্ত্রবিরতি চুক্তিতে সই করে, যা চুড়ান্ত সমঝোতার পথ তৈরি করে।

সূত্রঃ http://bangla.bdnews24.com/world/article1218950.bdnews


পশ্চিমবঙ্গে ২ জন মাওবাদী স্কোয়াড সদস্য গ্রেফতার

1474203881_15

পশ্চিমবঙ্গের পুরুলিয়ায় ২ জন মাওবাদী স্কোয়াড সদস্য গ্রেফতার হয়েছেন। গত শুক্রবার পুরুলিয়ার বলরামপুর থেকে গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রামের মেয়ে কবিতা ঘোড়ই ওরফে কল্পনা ওরফে সরলা রয়েছেন। অন্য জন পুরুলিয়ার আড়শার প্রাক্তন বাসিন্দা পঞ্চানন মাহাতো। শনিবার পুরুলিয়া আদালতে হাজির করানো হলে বিচারক তাঁদের ন’দিন পুলিশ হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেন।

জেলার পুলিশ সুপার রূপেশ কুমারের দাবি, গ্রেফতারকৃতরা এক সময় মাওবাদীদের অযোধ্যা স্কোয়াডের সদস্য ছিলেন। কবিতার কাছ থেকে একটি ৭.২৬ মিলিমিটার পিস্তল এবং পঞ্চাননের কাছ থেকে একটি ওয়ান শটার বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। রাজ্য পুলিশের এক শীর্ষ কর্তা বলেন, ‘‘দু’জনেই এ রাজ্যে ওয়ান্টেড। তাই ওঁদের গতিবিধির খবর রাখা হচ্ছিল। এ রাজ্যে আসা মাত্র ধরা হয়েছে।’’

বৃহস্পতিবার ঝাড়খণ্ড এবং এ রাজ্যের পুলিশ কর্তারা পুরুলিয়ায় মাওবাদী গতিবিধি প্রসঙ্গে ও দমন-কৌশল সংক্রান্ত একটি বৈঠক করেন। জেলা পুলিশ সূত্রের দাবি, ওই বৈঠকে পাওয়া কিছু সূত্রের ভিত্তিতে তাদের কাছে খবর আসে, মাওবাদীদের প্রতিষ্ঠা দিবসের (২০০৪-এর ২১ সেপ্টেম্বর জনযুদ্ধ গোষ্ঠী এবং এমসিসি মিশে সিপিআই (মাওবাদী) তৈরি হয়) আগে জঙ্গলমহলে প্রচার চালাতে কবিতা এবং পঞ্চানন পুরুলিয়ায় আসছেন। শুক্রবার সন্ধ্যার পরে বলরামপুরের হনুমাতা সেতুর কাছে পুলিশ তাঁদের গ্রেফতার করে।

গোয়েন্দা সূত্রের খবর, বছর তিরিশের কবিতার বাড়ি নন্দীগ্রামের সোনাচূড়ায়। বাবার ডেকোরেটরের ব্যবসা। নন্দীগ্রামে জমি আন্দোলনের সময় কবিতা ‘মাতঙ্গিনী মহিলা সমিতি’তে যোগ দেন। বছর আটেক বাড়ি ফেরেননি। মাওবাদীদের সংস্পর্শে এসে তিনি পূর্ব সিংভূমের একটি স্কোয়াডে যোগ দেন। পরে পুরুলিয়ার অযোধ্যা স্কোয়াডে যান। সেখানে থাকাকালীন বাঁকুড়ার বারিকুলের বাসিন্দা এক মাওবাদী সদস্যের সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল কবিতার। আড়শার বালিয়া গ্রামের বছর আঠাশের পঞ্চাননও দীর্ঘদিন অযোধ্যা স্কোয়াডে ছিলেন।

পুলিশ সুপার জানান, ২০১১-র নভেম্বরে বলরামপুরের খুনটাঁড় গ্রামে মাওবাদীরা তৃণমূল নেতা রাজেন সিং সর্দারের বাবা অজিত সিং সর্দার ও ভাই বাকু সিং সর্দারকে খুন-সহ পুরুলিয়ায় একাধিক নাশকতার মামলায় যুক্ত ওই দু’জন। অস্ত্র আইনেও অভিযুক্ত।

মাওবাদী পলাতকদের অন্যতম এই কবিতা ও পঞ্চানন। জেলা পুলিশের এক কর্তা জানান, কবিতা পরে ঝাড়খণ্ডে মাওবাদীদের দলমা স্কোয়াডে যোগ দেন। পঞ্চানন কোথায় ছিলেন, তা এখনও ভাঙেননি। তবে তিনিও ভিন্-রাজ্যে ছিলেন, তা মোটামুটি নিশ্চিত।

রাজ্যের এক গোয়েন্দা আধিকারিকের মন্তব্য, ‘‘এখানে মাওবাদীদের কার্যকলাপ বন্ধ। কিন্তু এ রাজ্যের মাওবাদীরা ঝাড়খণ্ড এবং ওড়িশার বিভিন্ন স্কোয়াডে সক্রিয়। পুরুলিয়ায় ধরা পড়া দু’জনের কাছ থেকে হয়তো মাওবাদীদের সঙ্গে গিয়ে নিখোঁজ হওয়া জঙ্গলমহলের তরুণ-তরুণীদের খবর পাওয়া যাবে।’’

সূত্র : দৈনিক জনকণ্ঠ


ফিলিপাইন সরকার ও মাওবাদীদের অস্ত্রবিরতি চুক্তি

e23aac650d4cd8d5b65a1674463e0cad-57c1673fc345c

শান্তি আলোচনার পথ সুগম করতে ফিলিপাইন সরকার ও মাওবাদীদের মধ্যে একটি অনির্দিষ্টকালীন অস্ত্রবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। শুক্রবার নরওয়েতে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়। নরওয়েই মূলত এ চুক্তির ক্ষেত্রে মধ্যস্থতাকারী দেশ হিসেবে কাজ করেছে।
উল্লেখ্য, অনির্দিষ্টকালীন অস্ত্র্র বিরতি চুক্তিতে উপনীত হতে সোমবার থেকে অসলোতে এ নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। শুক্রবার চুক্তি স্বাক্ষরের মধ্য দিয়ে আপাতত আলোচনার সমাপ্তি হয়েছে। আগামী ৮-১২ অক্টোবর আবারও দুই পক্ষের আলোচনায় বসার কথা রয়েছে।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে ফিলিপাইনের প্রেসিডেন্ট রদ্রিগো দুয়ার্তের শান্তিবিষয়ক উপদেষ্টা জেসুস দুরেজা বলেন, ‘এটি একটি ঐতিহাসিক ও নজিরবিহীন ঘটনা।’ প্রেসিডেন্ট দুয়ার্তে নিজেও এ চুক্তির প্রশংসা করেছেন বলে জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।
নরওয়ের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়, ‘শান্তি প্রক্রিয়ার গতি বাড়াতে এবং ছয় মাসের মধ্যে অর্থনেতিক ও সামাজিক সংস্কার নিয়ে সমঝোতায় পৌঁছানোর লক্ষ্যে কাজ করার জন্য দুই পক্ষ সম্মত হয়েছে।’
কমিউনিস্ট পার্টি অব ফিলিপাইন ১৯৬৮ সালে ফিলিপাইন সরকারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করে। সরকারি হিসেবে মতে, এ পর্যন্ত দুই পক্ষের সংঘর্ষে ৩০ হাজার লোকের প্রাণহানি হয়েছে।

সূত্র: আল জাজিরা